সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

১৩,২৯৭ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
ঘুষ দিয়েছি সরকারি হাসপাতাল ৳১.৯ হাজার

স্যারের চা নাস্তা বাবদ প্রত্যেকে ৫০০+৮০০+৬০০ টাকা দিবেন,অথবা এক মাস পরে আসবেন

ঘটনা ০১) ২০১৮ সালের নভেম্বর মাস, MATS থেকে মেডিকেল এসিস্ট্যান্ট কোর্স শেষ করে এই সরকারি অফিসে যেতে হয় সার্টিফিকেট তুলতে, এখানে সাধারণত ডিপ্লোমা মেডিকেল এসিস্ট্যান্ট,নার্স এদেরকে নানাভাবে হ্যানস্তা করা হয়। প্রভিশনাল সার্টিফিকেট উঠাতে সকাল ১০ টা থেকে এখানে অপেক্ষা করা হয় এবং বিকাল ৪ টা পর্জন্ত বসে থাকার পর, উপস্থিত দপ্তরি আমাকে বলে যে স্যারকে চা নাস্তা বাবদ কিছু দিলেই সার্টিফিকেট হাতে পেয়ে যাবেন। অতঃপর ৫০০ টাকার চা নাস্তা খরচ দেবার পর প্রভিশনাল সার্টিফিকেট হাতে পায় আমি। উলেক্ষ্য উনি প্রথমে ৭০০ টাকা চেয়েছিলেন কিন্তু দরদাম বার্গেনিং করে তবেই সেটা ৫০০ টাকায় নেমে আসে। ঘটনা ০২) ২০২০ সালের জানুয়ারি মাস, ডিপ্লোমা সার্টিফিকেট এর অরিজিনাল কপি উঠানোর জন্য সকল কাগজপত্র নিয়ে পুনরায় এই অফিসে যাওয়া লাগলো, একই স্টাফ একই অফিসার, একই ঘটনা, সকাল ১০ টা থেকে বসে বসে অপেক্ষা করার পর বিকাল ৪ টা বাজলে দপ্তরি এসে বললেন, স্যারকে চা নাস্তা বাবদ কিছু খাওয়ালেই উনি সার্টিফিকেট দিয়ে দেবেন। এবার চার নাস্তা বাবদ ৮০০ টাকা দেয়া লাগলো। এদিন আমি ওই অফিসে ঝুলিয়ে রাখা দুর্নিতি দমন কমিশনের রিপোর্ট বক্স দেখেছিলাম, সেখানে খাটি বাংলা ভাষায় স্টাফ ও অফিসারের নাম সহকারে এই চা নাস্তা খাবার কাহিনি লিখে রিপোর্ট জমা করেছিলাম। মনে হয়না কাজ হয়েছিল। ঘটনা ০৩) ২০২৩ সালের জুলাই মাস, পুনরায় এই স্টেট মেডিকেল ফ্যাকাল্টি অফিসে যেতে হয়, একই স্টাফ একই অফিসার। এবার কাজ ছিল ট্রান্সক্রিপ নিয়ে। বরাবরের মত বহু অপেক্ষা শেষে এবারো বিকাল ৪ টায় চা নাস্তা বাবদ ভদ্রলোক অফিসার কে ৬০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়। এদিন আমি উনাকে খুব অপমান জনক কথা শুনিয়েছিলাম, অথচ লোকটা কি বিশ্রিভাবে হেসেই চলেছিল। এই ফ্রাস্ট্রেশন লিখে বুঝানো যাবেনা। এই দিনো আমি রিপোর্ট বক্সে রিপোর্ট লিখে জমা দিয়েছিলাম। পরিশেষে, আমার এই ঘটনা আরো অনেক ডিপ্লোমা মেডিকেল এসিস্ট্যান্ট ও নার্সদের সাথে প্রতিদিন ঘটেই চলেছে। "চা নাস্তা বাবদ কিছু খরচ দিলেই হবে" এই ভাবে প্রতিদিন উক্ত অফিসের স্টাফ থেকে শুরু করে অফিসার সকলেই হাজার লাখ টাকা ঘুষ নিয়ে থাকে। ব্যাপারটা এরকম যে যদি ৭ জন একসাথে যায় সার্টিফিকেট উঠাতে, তো বিকাল ৪ টা বাজলে প্রত্যেকে কাছ থেকে "চা নাস্তা" বাবদ ৫০০-১০০০ টাকার ঘুষ আদায় করে তবেই সার্টিফিকেট ছাড়া হয়। আরেকটা উপায় হল যদি কেউ ঘুষ দিতে না চায় তো ১৫ দিন থেকে ১ মাস পর সেই অফিসে গেলে তখন উক্ত কাগজ পাওয়া যায়। এখন এইটা কি কোনো যুক্তিসংগত সলুশন হল? আমি জানি এই সাইটে আমার এই রিপোর্ট পাব্লিশ হবার পরেও কোনো সমাধান হবেনা। এত দিন পর্জন্ত যখন সামাধান হয়নি এবারো হবেনা। আমি রিপোর্ট করলাম, নিজের মনকে শান্ত করতে যে এট লিস্ট এই অভাগার দেশে এরকম ডিজিটাল মাধ্যমে রিপোর্ট করার সিস্টেম রয়েছে। এবং অন্যারের বিরুদ্ধে জীবিত অবস্থায় রিপোর্ট করেছিলাম। এটাই মনের শান্তনা।

পল্টন, ঢাকা ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২ বার দেখা হয়েছে DK78CGLP
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি ভূমি অফিস ৳৯.৫ হাজার

ভূমি উন্নয়ন কর প্রদানের জন্য হোলিং নম্বর অনুমোদন ও রেকর্ডের করাণীক ভুল সংশোধন

মাদারীপুর জেলার রাজৈর উপজেলার কদমবাড়ি ইউনিয়ন ভূমি অফিসে খাজনা প্রদানের জন্য অনলাইনে খতিয়ান যোগ করার পর হোল্ডিং নম্বর অনুমোদনের জন্য ইউনিয়ন ভূমি অফিস ৩ টি খতিয়ানের জন্য ১৫০০ টাকা নেয় এবং রাজৈর উপজেলা ভূমি অফিসে রেকর্ডের কারণীক ভুল সংশোধনের জন্য মিসকেস বাবদ সর্বমোট ৮০০০ টাকা দিয়ে কাজ করাতে হয়েছে । ওখানে টাকা না দিলে কোন কাজ হয় না।

কদমবাড়ি ইউনিয়ন ভূমি অফিস ও রাজৈর উপজেলা ভূমি অফিস মাদারীপুর, ঢাকা ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩ বার দেখা হয়েছে DKZ2KKA7
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি শিক্ষা অফিস ৳৭৫.০ হাজার

উচ্চতর গ্রেড মঞ্জুর

উপজেলা শিক্ষা অফিসের ক্লার্ক ৮৬ জন সহকারী শিক্ষকের উচ্চতর গ্রেডের ফাইল রেডি করা এবং উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের স্বাক্ষর নিয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে প্রেরণ করা বাবদ এই টাকা দাবি করেন। আমরা এই টাকা পরিশোধ করি। যদিও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বিধি সম্মত না হওয়া ফাইলটি না মঞ্জুর করেন।

বুড়িচং, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২ বার দেখা হয়েছে CTTXWN58
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ৳৫০.০ হাজার

জমি রেজিষ্ট্রেশন করার জন্য

আমার ৩৬ শতাংশ জমি রেজিস্ট্রি করেছি। ডুমুরিয়া সাবরেজিস্টার অফিসে। আমার কোন দাগে ভিপি সম্পত্তি নাই কিন্তু এস এ খতিয়ানে ভিপি যুক্ত আছে। আমার এস এ দাগে বা আর এস দাগ এবং খতিয়ানে ভিপি নাই। ডুমুরিয়া সাবরেজিস্টার অফিস আমাকে বলেছে ৫০০০০ টাকা লাগবে। আমি উপায় না পেয়ে টাকা দেই। পরে আমার জমি রেজিস্ট্রি সম্পন্ন হয়েছে।আমরা যারা সাধারণ মানুষ তারা এই সাব রেজিস্ট্রি অফিস, ভূমি অফিসে র কাছে বড় অসহায়। আমি মনে করি শধু ভূমি সংক্রান্ত অফিসের দূর্নীতি রোধ করতে পারলে সাধারণত মানুষ একটু স্বত্বি পেত।

খুলনা, খুলনা ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২ বার দেখা হয়েছে KHKWDXQD
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি বিআরটিএ ৳৫.০ হাজার

ড্রাইভিং লাইসেন্স এর জন্য

ড্রাইভিং পরিক্ষায় পাস করার পরেও আমাকে ফেল করিয়ে দেয়, তারপর যোগাযোগ করলে সে বলে যে ৪০০০ টাকা দেও পাস করিয়ে দিবানি তার পর আমি বাধ্য হয়ে টাকা দেই

ফরিদপুর, ঢাকা ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩ বার দেখা হয়েছে DK4J726F
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি পাসপোর্ট অফিস ৳২.০ হাজার

নতুন পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম

নতুন পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম বলে কাবিননামা সঙ্গে করে নিয়ে আসতে হবে আনা হয়নি বলছি পরে দিব বলে এখন ২০০০ টাকা দিলে আর কাবিননামা লাগবে না এর পর করে দিছে

উত্তরা, ঢাকা ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩ বার দেখা হয়েছে DKUQ3FAL
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি ভূমি অফিস ৳৭.০ হাজার

জমা খারিজ

ইউনিয়ন ভুমি অফিসে জমা খারিজ খতিয়ান করার জন্য 7000 টাকা দাবী করেন। সাব রেজিষ্টার সহ সবাই টাকার ভাগ নেয়। টাকাটা অফিসের পিয়নের মাধ্যমে চাওয়া হয় পরে তা দিতে বাধ্য হই।

টাংগাইল, ঢাকা ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২ বার দেখা হয়েছে DKAGA6FS
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি কর অফিস ৳৬০.০০ লাখ

কর প্রদান

আমার শশুর যখন প্রথম টিন সার্টিফিকেট করেন তখন কেউ একজন বুজায় সব সম্পদ দেখাতে হবে না। কাজেই তিনি তার ব্যাংকের কিছু টাকা দেখান নি। পরে বুঝতে পেরে তিনি পরের বছর ২০২২ সালে সকল কাগজ পত্র নিয়ে গেলে তারা তাকে জেলের ভয় দেখায় এবং বলে নুন্যতম ৬০০০০০ টাকা না দিলে তারা মামলা করবে। ভয়ে অপমানে তিনি স্টোক করেন। বর্তমানে অসুস্থ অবস্থায় বেচে থাক্লেও তাদেরকে টাকা দিত্র হয়েছিল। আমি নিজেও কথা বলতে জাই। লেন্দেন হয় অফিসের নিচের একজনের মাধ্যমে, এবং একজন হিন্দু মহিলা অই অফিসে কর্মরত ছিলেন তার মাধ্যমে।

সিলেট, সিলেট ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২ বার দেখা হয়েছে SY8TA2VH
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি বিআরটিএ ৳২.৫ হাজার

ফিটনেস সনদ

আমি এই শহরেই বাস করা একজন ডাক্তার। আমার কার এলপিজি করা ছিলো। বিআরটিএর যিনি ইন্সপেকশন করছিলেন তিনি, এক আনসার সদস্য এবং একজন স্টাফ বাইরের এক ফোটোকপির দোকানে আমাকে এক পেজ ফোটোকপি করতে পাঠায়। সেই দোকানে আমার কাছে অফিস খরচ দাবী করে, তারা বলে অফিস থেকেই তাদের কাছে এভাবে সবাইকে পাঠায়। আমি টাকা দিতে না চাইলে ইন্সপেক্টর সাহেব আমার কারের এক গাদা সমস্যা বের করে, যেমিন হর্ন একটা কম সোনা যাচ্ছে কেনো, গাড়ির উইন্ডশিল্ড পরিস্কার কম। এরকিম ইনেক। পরে ২৫০০ টাকা দিলাম, সব সমস্যার সমাধান হয়ে গেলো।এখানে যে গাড়ি নিয়ে যান, ১৫০০ টাকা ফিক্সড রেট ফিটনেসের জন্য। আর দিতে না চাইলে একের পর এক হয়রানি করে টাকার পরিমান বাড়াবে।

রাজশাহী, রাজশাহী ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪ বার দেখা হয়েছে RJE9PTLM
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি ভূমি অফিস ৳৬.০ হাজার

খতিয়ান খোলার জন্য

আমার নামে পৃথক খতিয়ান খোলার জন্য সার্ভেয়ার আমার কাছে ১০,০০০/- (দশ হাজার) টাকা দাবি করা করেছিল । পরবর্তীতে সর্বশেষ আমাকে ৬,০০০/- (ছয় হাজার) টাকা প্রদান করতে হয়েছে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে, টাকা নেওয়ার পরও আমার কাজটি করে দেওয়া হয়নি।

পূর্বধলা, ময়মনসিংহ ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩ বার দেখা হয়েছে MYCMYKPY
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি কাস্টমস অফিস ৳২.০ হাজার

ডকুমেন্ট অ্যাসেসমেন্ট

কাস্টমস এ প্রতিটি ডকুমেন্ট অ্যাসেসমেন্ট করার জন্য বাধ্যতামূলকভাবে সহকারী রেভিনিউ অফিসার, রেভিনিউ অফিসারকে ঘুষ দিতে হয়। টাকা ছাড়া কোনো ডকুমেন্ট এর কাজকরা যায় না। এই টাকার ভাগ বিভিন্ন দফতরে বন্টন ও হয়। কোনো ডকুমেন্ট রেভিনিউ অফিসারের উপরে গেলে সেখানে টাকার পরিমাণ আরো বেশি। এমন ও অফিসার আছে, যারা দিনে কয়েক লক্ষ টাকা নিয়ে বাসায় ফেরেন। বহুবার লোকদেখানো অভিযান চালানো হয়। কিন্তু এই ঘুষের রাজত্ব বন্ধ করার জন্য কেউ আগ্রহী না। সর্বোপরি, চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস হচ্ছে দুধ দেওয়া গাভীর মতো। এখানো পোস্টিং নিতে বহু অর্থের লেনদেন হয় উপর মহলে।

চট্টগ্রাম বন্দর, চট্টগ্রাম ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩ বার দেখা হয়েছে CTP8FNGK
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি অন্যান্য সরকারি দপ্তর ৳১.৫ হাজার

জন্ম নিবন্ধন তৈরি

আমি প্রথম এ আমাদের ইউনিয়ন পরিষদ এ যাই জন্মনিবন্ধন তৈরি করতে। প্রথম এ তারা শুনলো যে আমি কি কাজের জন্য এখানে এসেছি। তারপর আমি বললাম যে জন্মনিবন্ধন তৈরি করতে। তারা বললো যে সব কাগজপত্র আছে, আমি বললাম যে না একটি কাগজ নাই ।তারা বললো যে কোন কাগজ? আমি বললাম যে বয়স প্রমাণের জন্য কোন কাগজ নাই। তখন তারা বললো যে ও কাগজ ছাড়া আপনার জন্মনিবন্ধন তৈরি করা যাবে না। তারপর ওখান কার একজন সাইটে নিয়ে গিয়ে বললো যে আমাকে ১৫০০ টাকা দেন আমি করে দিবো । এভাবেই তারা আমার কাছ থেকে ১৫০০ টাকা নিয়েছে। অথচ সরকারি ফি অনুযায়ী ১৫০ টাকার মধ্যে হওয়া কথা।

দিনাজপুর, রংপুর ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২ বার দেখা হয়েছে RNWNDS92
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি পাসপোর্ট অফিস ৳৪.০ হাজার

পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন

বিদেশ আসার সময় ভেরিফিকেশনের করার জন্য পুলিশের আমার কাছ থেকে ৫০০০ টাকা চেয়েছিল পরবর্তীতে আমি ৪০০০ টাকা দিতে বাধ্য হই

ঘোড়াশাল, ঢাকা ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩ বার দেখা হয়েছে DKMR4JUF
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি অন্যান্য সরকারি দপ্তর ৳২.০০ লাখ

সড়ক ও জনপদ এর আওতায় ব্যক্তি মালিকানাধীন প্রবেশপথ এর অনুমোদন সংক্রান্ত

সড়ক ও জনপদ কুমিল্লা প্রবেশপথের আবেদন করলে, সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তরের কুমিল্লা সার্কেলের সার্ভেয়ার অনুমোদন এর জন্য দলিল খতিয়ান আনুসাঙ্গিক কাগজপত্র চান,সব কাগজপত্র দেওয়া হলে উনি দুই লক্ষ টাকা দাবী করেন (শুধু কুমিল্লা জোন অফিসের কাজ অনুমোদিত করে দিবেন কিন্তু ঢাকার জোন থেকে নিজ দায়িত্বে কাজ করিয়ে আনতে হবে)। দুই লক্ষ টাকা দেওয়ার পর,উনি সাইট ভিজিটে গেলে ওইখানেও উনাকে যাতায়াত খরচ দিতে হবে। সড়ক ভবন দুই লক্ষ টাকা দেওয়ার পরেও আরও বিভিন্ন কারণে বাড়তি টাকা খরচ করতে হয়। জোন অফিস থেকে অনুমোদন পাওয়ার পর ঢাকা অফিস থেকে টাকা পয়সা খরচ করে চুড়ান্ত অনুমোদন নিয়ে আসার পর এই সার্ভেয়ারের হয়রানির শেষ থাকে না। এই রকম ভুক্তভোগী শতশত। প্রবেশপথ অনুমোদন কাজ করার মাধ্যমে সে কোটি টাকা লুটপাট করছেন।

কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩ বার দেখা হয়েছে CTDPYFTW
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি অন্যান্য সরকারি দপ্তর ৳১.০ হাজার

ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন

ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ট্রেড লাইসেন্স ফি ২৩০ টাকা কিন্তু তারা ১০০০ টাকা নেয়, নবায়ন করার সময় এই ১ হাজার দিতে হয়।

Muktagachha, ময়মনসিংহ ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২ বার দেখা হয়েছে MY5EDXPX
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি সরকারি হাসপাতাল ৳৫০০

সাস্থ সেবা

তারা আমাকে বলেছিল আপনি যদি ৫শ,১হাজার, টাকা দেন, তার বিনিময়ে রোগীর জন্য এক্সট্রা সার্ভিস দিব।

জামালপুর সদর, ময়মনসিংহ ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২ বার দেখা হয়েছে MYS83YHT
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি ভূমি অফিস ৳৪০.০ হাজার

ভূমি অধিগ্রহণ, ক্ষতি পূরণের অর্থ

সেবা নেওয়ার জন্য গিয়েছিলাম,বলেছে কাগজে ঝামেলা, ওই লোকের সাথে কথা বলেন,লোক মানে দালাল। তো দালাল বলে টাকা পাবেন ১০ লক্ষ খরচ হবে ৪০ হাজার, রাজি থাকলে ১০ টাকা দেন বাকি কাজ শেষে নিবো।বা! কি কান্ড দুদিনেই কাজ ওকে

জামালপুর, ময়মনসিংহ ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩ বার দেখা হয়েছে MYUXFYYH
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি শিক্ষা অফিস ৳১০.০ হাজার

কমিটি অনুমোদন, একাডেমিক স্বীকৃতি, ছাত্র-ছাত্রীদের সার্টিফিকেট উত্তোলনসহ বিভিন্ন কাজে

🚨 ঘুষ ও অনিয়মের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ 🚨 আমরা যারা সরকারি চাকরি করি, বিশেষ করে বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক, আমাদের কি সরকারি দপ্তরে নিজের ন্যায্য কাজ করাতেও ঘুষ দিতে হবে? অত্যন্ত দুঃখ ও ক্ষোভের সঙ্গে বলতে হচ্ছে—রংপুর জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে দেখা করা, কোনো কাগজে স্বাক্ষর নেওয়া, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কমিটি অনুমোদন, একাডেমিক স্বীকৃতি, ছাত্র-ছাত্রীদের সার্টিফিকেট উত্তোলনসহ বিভিন্ন কাজে গেলে অফিসের পিয়ন-কর্মচারীদের টাকা দিতে হয়—এমন অভিযোগ দীর্ঘদিনের। কখনো ৫০০ বা ১,০০০ টাকা, আবার কখনো ২,০০০ টাকা থেকে শুরু করে কাজের ধরন অনুযায়ী আরও বেশি টাকা দেওয়ার দাবি বা চাপের মুখে পড়তে হয়—এমন কি দিতে হয়। ✊ ঘুষ বন্ধ হোক। হয়রানি বন্ধ হোক।

রংপুর জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে, রংপুর ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩ বার দেখা হয়েছে RNHTYZLY
মন্তব্য