ড্রাইভিং লাইসেন্স
একজন দালালের মাধ্যমে করেছিলাম, তাঁকে এই টাকা দিতে হয়েছে। মূল খরচ সম্ভবত ৩২০০ টাকা ছিলো
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৯৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
একজন দালালের মাধ্যমে করেছিলাম, তাঁকে এই টাকা দিতে হয়েছে। মূল খরচ সম্ভবত ৩২০০ টাকা ছিলো
ইন্টারভিউ তে টিকতে হলে ১০-১৫ লাখ টাকা খরচ করতে হতো। আমার পিএইচডি আছে বিধায় ৫ লাখ টাকা চাওয়া হয়েছিলো। আমি বলেছিলাম ৫টাকাও দিবোনা। রিটেন এ সর্বোচ্চ মার্ক পেয়েও ভাইভা তে টেকায়নি।
আমরা ৩ একজন হাইস্কুলের শিক্ষক। আপনাদের কাছে আমাদের থেকে একজন বিএনপি নামধারী হেডমাস্টার যতভাবে ঘুষ নিচ্ছে তার বিস্তারিত তুলে ধরলাম। আপনাদের মাধ্যমে যদি এই তথ্যটি দেশবাসীকে জানিয়ে আমাদের মত অসহায় লোকজনকে আর হয়রানি না হতে হয়। বাগেরহাট জেলার মোরেলগঞ্জ উপজেলার চিংড়াখালী ইউনিয়নের সিংজোর গোপালপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে গত বছদ ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনে যোগদান করেছি। আমাদের যোগদানের পর হেডমাস্টার আমাদের ২জন থেকে ১৫ হাজার করে ৩০ হাজার আর সবশেষে গত আমাদের ১জনের থেকে ২২ হাজার টাকা নিছে। আমাদের থেকে আরো বেশি টাকা চাইছিল আমরা অনুরোধ করে কম দিছি। আমরা ৩জন ২ মাস করে ৬মাসের বেতন এখনো পাইনি। এই বকেয়া বেতন তুলতে হেডমাস্টারের থেকে কয়েকটি কাগজপত্র দরকার এখন সে মোটা অংকের টাকা ঘুষ চায়।
স্কুল থেকে আম্মার নাম ভুল থাকায় সেটি আমার nid তে ভুলভাবে লিপিবদ্ধ হয়। পরে উপজেলা নির্বাচন অফিসে একজন অফিসারের সাথে যোগাযোগ করলে ঐ ব্যক্তি জিজ্ঞেস করে অক্ষর কয়টি ভুল। আমি যখন বললাম ২টি তখন উনি আমাকে বলে এটা ঠিক হবে না । আর হলেও ৫০০০০/ দিতে হবে। আমি ঐ পথে আর এগুই নি। এখন আমি আমার ssc ,hsc এ্যাক্সমের সার্টিফিকেট ও অন্যান্য ডকুমেন্ট ঠিক করছি। এফিডেভিট , ওয়ারিশ সনদ ও নাগরিকত্ব সনদ করতে হয়েছে। এতেও আমার এখন পর্যন্ত প্রায় ১০০০০/ মত খরচ হয়েছে। তবে আমি ঠিক করেছি আমার লিগ্যাল ওয়ে তে দরকার হলে আরও টাকা গেলে যাবে তবে ১ টাকাও দালাল কে দিবো না।
বাচ্চা হলে সরকারি একটা ভাতা দেয়,সেখানে আবেদন করার জন্য ৫০০০ হাজার টাকা দাবী
ভূমি অফিসে নামজারি করতে গেলে বিয়ের অতিরিক্ত ১০ হাজার টাকা চাওয়া হয়।
টাকা না দিলে নামজারি আবেদন রিজেক্ট, কিন্তু যদি টাকা দেয়া হয় সেইম ফাইল এপ্রোভ।
দলিল লেখক জমি রেজিস্টারে সরকারি ফ্রী এর অধিক ২০ লক্ষ টাকা দাবি করে। ইহা একটা সিন্ডিকেট। শহরের চেয়ারম্যান,পৌর মেয়র, সাংবাদিক সহ সকল স্তরের নেতাকর্মী জড়িত। এরা সবাই বিভিন্নভাবে অংশ পায়। আমার মনে হয় সব সাবেরিস্ট্রি অফিসে একই অবস্থা। সবাই জানে, কিন্তু কোন ফল আসছে না। পুরা সিন্ডিকেট না ভাঙলে, এটার সমাধান হবে না।
সাব এসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার পদে ১০ লাখ ৪০ হাজার টাকা দাবি , রিটেন এক্সাম এ পাস করলে তবেই আবেদন ।
আমার নিজ জেলা থেকে 500 কিলোমিটার দূরে পোস্টিং হওয়ার, ও তিন বছর কর্মরত থাকায় নিজ জেলা বা আশেপাশে জেলায় বদলির জন্য আবেদন করি। আবেদন করে আমার প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ কমর্কতার সাথে দেখা করি। এর পরও বদলি না হওয়ায় আমার এক সহকর্মী যে সদ্য বদলি হয়েছেন তার কাছ থেকে জানতে পারলাম যে এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা দিলে বদলি হওয়া সম্ভব এবং সে টাকার বিনিময়ে বদলি হয়েছেন ।
আমি একজন প্রবাসী।২০২২ সালে একবার একজন আয়কর পরিদর্শক আমার বাড়ি পরিদর্শন করতে আসেন।তারপর আমাকে বলেছিলেন—“আপনার বাড়িটি যথাসময়ে আয়কর নথিতে অন্তর্ভুক্ত না করায় এখন আপনাকে অনেক টাকা কর দিতে হবে। তবে আমাদেরকে ১৫ লাখ টাকা দিলে আমি ও উপ-কর কমিশনার মিলে বিষয়টি সমাধান করে দিতে পারি।” আমি তাদের সেই প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করি।কেননা আমি একজন রেমিট্যান্স যোদ্ধা।আমি কর দিয়েই দেশে টাকা প্রেরণ করেছি। এরপরের ইতিহাস অত্যন্ত দুঃখজনক। গত পাঁচ বছর ধরে নানা ধরনের জটিলতা ও হয়রানির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি, অথচ বিষয়টির এখনো কোনো সমাধান হয়নি। এরই মধ্যে প্রায় ৫ লাখ টাকা খরচ হয়ে গেছে।
চাকরিতে ভাইভাতে যাওয়ার পর, বোর্ডের একজন সদস্য ভিন্ন রুমে নিয়ে গিয়ে খরচের জন্য এই টাকা চায়।
AG অফিস বলতেছে হিসাব শাখা হতে আমরা এখনো আপনার ফাইল পাইনি। আপনি আপনার আবেদনের এক সেট ফটোকপি সাথে ৪ হাজার টাকা দেন কাজ হয়ে যাবে। সে দিন হতাশ হয়ে বাড়ি ফিরে আসি। পরের দিন হিসাব শাখায় যেয়ে ফাইল এর খোজ করি ফাইল ৩ মাস আগে AG শাখায় চলে গেছে এটা আমাকে ৪ ঘন্টা বসে থাকার পর বলে। পরবর্তীতে সেই ফাইলেট সিরিয়াল নাম্বার নিয়ে AG অফিসে গেলে তারা বলে এ ফাইল খুজতে পারবো না। আপনি টাকা দেন কাজ হয়ে যাবে। পরবর্তীতে এক রকম জোর করেই তাদের নিকট হতে কাজটি সমপ্নন করাই। তবুও ঘুষের সাথে আপোস করি নাই
প্রফিডেন্ট ফান্ডের ১২ মাসের কর্তনের মধ্যে ২ মাস কর্তন এফসি বিবিধ অফিস কর্তৃক সার্ভারে এন্টি দেয়া হয়নি ঔ ২ মাসের কর্তন এন্টির জন্য ২০০০/- টাকা চাচ্ছে।
ট্রেড লাইসেন্স বানাইতে হলে নাকি সিটি করপোরেশনের ফি ব্যতিত তাদের ১০০০-১২০০টাকা দিতে হবে।
এখানে কাউন্সিলর অফিসে যে কোন কাজে ২০০-১০০০ টাকা অতিরিক্ত দিতে হয়।
ইউনিয়ন পরিষদে জন্মনিবন্ধনের নাম ও বয়স সংশোধন করতে গেলে সরকারি নির্ধারিত ফি ছাড়াও ইউনিয়ন পরিষদের সচিব ও চেয়ারম্যানের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত ৫০০ টাকা করে
নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয় বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-২, সিলেট ঠিকানা: শাহজালাল উপশহর, সিলেট। নতুন প্রিপেইড মিটার স্থাপনের জন্য একজন গ্রাহক প্রথমে অনলাইনে নির্দিষ্ট ফরম পূরন করে আবেদন করতে হয় যার অনলাইন ফিস আনুমানিক ১৪০/- + প্রসেসিং ফি ৩০০/-। তারপর সরকারি ব্যাংক চালান ১৬৫০/- এবং সর্বশেষ মিটার ক্রয় মূল্য ৫২০০/- থেকে ৬০০০/- পর্যন্ত খরচ হতে পারে। যার সর্বমোট ব্যায় দাড়ায় = ১৪০+৩০০+১৬৫০+৬০০০= ৮১০০/- কিন্তু আমার কাছে একদম ৩য় শ্রেনীর কর্মকর্তা থেকে সহকারি প্রকৌশলী পদধারী কর্মকর্তা ১০-১২ হাজার টাকা পর্যন্ত দাবি করা হয়েছে। এমনকি অফিসের কর্মকর্তাদের এতে বেশী নেওয়ার কারন জিজ্ঞেস করলে তারা জানায় একটি ফাইল যে কয়টি টেবিলে যাবে সবকয়টি টেবিলে হাদিয়া না দিলে স্বাক্ষর হয় না। যার চক্ষুস প্রমান আমি নিজেই।
আমি কুমিল্লা জেলা বড়রা উপজেলার একজন নাগরিক আমি আমার জমির নাম জারি করার আবেদন করলে আমাকে অহেতুক বিভিন্ন কাগজপত্রের কারণে হয়রানি করা হয় অথচ সেম ডকুমেন্ট দিয়ে যারা ঘুষ প্রদান করেছে তাদের কাজটি হয়ে যাচ্ছে এটার সাথে কুমিল্লা জেলা বড়রা উপজেলার যে এসিলেন্ট রয়েছে উনি জড়িত আমি ১০০% শিউর দিয়ে বলতে পারব বড় উপজেলায় অফিসে যতগুলো নাম জারি হয়েছে তার ৯৯ ভাগই ঘুষের বিনিময়ে হয়েছে এগুলি যারা নামজার এগুলো করেছেন তাদের সাথে কথা বললেই সম্পূর্ণ তথ্য বেরিয়ে আসবে আমি এর সুষ্ঠু তদন্ত চাই এবং এসিলেন্ট এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করছি
LGED Pirojpur অফিসে কোন ঠিকাদার কাজ শেষ করে বিল নিতে গেলে তখন হিসাব রক্ষক তাদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা দাবী করে। প্রতি বিল থেকে ১-২% টাকা নিয়ে থাকে।