খাজনা প্রদান
ভুমি দর খাজনা প্রদান করতে গিয়েছিলাম। তিনটি জায়গার খাজনা। আমার কাছে 3000 চেয়েছে। আমি বলেছি, আগে খজনার অনুমতি দিন, আমি একহাজার দিব। তিনি ঠিক করে দিলেন। কিন্তু আমি টাকা দেই নি। তিনটি জায়গায়তে খাজনা এসেছে 6600 টাকা।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ভুমি দর খাজনা প্রদান করতে গিয়েছিলাম। তিনটি জায়গার খাজনা। আমার কাছে 3000 চেয়েছে। আমি বলেছি, আগে খজনার অনুমতি দিন, আমি একহাজার দিব। তিনি ঠিক করে দিলেন। কিন্তু আমি টাকা দেই নি। তিনটি জায়গায়তে খাজনা এসেছে 6600 টাকা।
আমি পানি উন্নয়ন বোর্ডের একজন কর্মকর্তা। টাস্কফোর্স(প্রকল্প তদারকি) বা অন্যান্য ট্রেনিং এর কাজে আমাদের প্রায়ই বিভিন্ন জেলায় যেতে হয়। এর জন্য আমাদের নিজেদের বেতনের টাকা প্রথমে খরচ করি, তারপর TA/DA বিল করি। এই টাকা আমাদের ভ্রমণশেষে খুব শীঘ্রই পাওয়ার কথা। কিন্তু Regional Accounts Centre (RAC) এর কর্মচারীদের ৫০০/১০০০ টাকা ঘুষ না দিলে তারা আমাদের TA/DA বিলের জন্য দপ্তরে বাজেট দেয়না। ৯-১০ মাস হয়ে গেলেও আমাদের প্রাপ্য টাকাটা আমরা পাইনা। যার ফলে আমাদের নিজেদের টাকায় সব খরচ করতে করতে সংসার চালানো কষ্ট হয়ে যায়। অনেকেই ৫০০/১০০০ টাকা খরচ করে সঠিক সময়ে বিল পেলেও আমি ব্যাক্তিগতভাবে এক টাকাও ঘুষ দেয়ার পক্ষে নই। যার কারণে আমার মত আরো অনেকেই দীর্ঘদিন ধরে প্রাপ্য টাকা থেকে বঞ্চিত হচ্ছি।
কালিয়াকৈর উপজেলা নির্বাহী অফিসার — সে সরাসরি মাটির ব্যবসার সাথে জড়িত সে সকল মাটি ব্যবসায়ীদের থেকে ফিফটি পার্সেন্ট ঘুষ দাবি করেন এছাড়াও পৌরসভার বিভিন্ন টেন্ডারবাজি কাজে লিপ্ত গোয়েন্দা সংস্থা তদন্ত করলে সত্যতা পাওয়া যাবে।
আমার এনআইডি কার্ডের সাথে পাসপোর্ট নাম জন্ম তারিখ মিল নাই। এনআইডি সংশোধন করতে গিয়েছিলাম তারা আমার কাছে টাকা দাবি করে ৫০০০ সব জায়গায় ঘুষ বাণিজ্য চলে বাংলাদেশে ঘুষ ছাড়া কেউ ফ্রিতে কাজ করে দিতে চায় না
শ্বশুরবাড়ির যৌতুকের মামলা থেকে বিচারক মুক্তির ব্যবস্থা করবেন
আমি ড্রাইভিং লাইসেন্স পরিক্ষা দিতে যাই, প্র্যাকটিক্যাল পরিক্ষায় ফেল করলে সেখানে থাকা বিআরটিএ কর্মচারী আমাকে এসে ৫০০০ টাকার বিনিময়ে পাশ করিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয় কিন্তু আমি তা প্রত্যাখ্যান করি , পরবর্তী পরিক্ষায় পাশ করি। একইভাবে আমার বন্ধু কাছ থেকে ৫০০০ টাকা ঘুষ নেওয়া হয় ।
পল্লীবিদ্যুত অফিসে নতুন বাড়ির পাশে বিদ্যুৎ এর খুটির জন্য আবেদন করি গত ডিসেম্বর, ২০২৫ এ। প্রথমে প্রাথমিক অনুসন্ধানে একজন আসে, সব ঠিক পেয়ে বলে কাজটা আপনে করবেন না আমি করাই দিবো? করালে ৫০,০০০ টাকা দিতে হবে, আমি নাকি পারবো এসব বলে। আমি মানা করি। বলি নিজেই করবো। উনি চলে যান। পরে অনেকদিন পর জানতে পারি উনি কোনো ইন্সপেকশন রিপোর্ট জমা দেননি এবং আমার আবেদনের কপি অফিসে নেই। উনার বাসায়। উনাকে কল করেছি পরে দিয়ে গেছে অফিসে৷ এভাবে একই প্রাথমিক ইন্সপেকশন হয় ৪ বার। প্রতিবার একই ঘটনা। চতুর্থবার একজন এজিএম কে অনুরোধ করলে উনি বলে দেয়ায়, রিপোর্টটা দেয়। এভাবে প্রতি ধাপ এগিয়েছি৷ আজ প্রায় ৮ মাস৷ বাড়ি করে রেখে দিয়েছি। বিদ্যুৎ এর কানেকশন আর নিতে পারলাম না।
আমি নতুন পাসপোর্ট করতে গেলে আমার কাছে সরকারি ফি বাদে ৫০০০ টাকা বেশি দাবি করা হয়েছিল কিন্তু আমি তা দেই নি সরকারি ফি তেই পাসপোর্ট করেছি। এতে একটু ঝামেলা হয়েছিল কিন্তু পরবর্তীতে সমাধানও হয়েছে
NID কার্ড এ বাবার নাম এ এক্টু বানান ভুল আসছে , সব ডকমেন্ট ঠিক থাকার পরেউ প্রায় ২ বছর টাকা না দেওয়ায় এখনো পেইন্ডিং এ রেখে দিয়েছে । বলা হয়েছিলো টাকা দিলে ২৪ ঘন্টায় হবে নাহলে রেগুলার প্রসেসে করা হবে
উত্তরা ৬ নং সেক্টরে রাজউক অফিসে গিয়েছিলাম আট তালা বিল্ডিং এর প্লেন পাস করার জন্য। ওই অফিসের পিওন থেকে শুরু করে প্রত্যেকটা লোক ঘুষখোর। তারা ঘুষ ছাড়া কোন কথাই বলে না। আমার কাছে ৫ লক্ষ টাকা দাবি করেছে। আমি দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছি।
চটগ্রাম, বালুছড়া বি আর টি এ অফিসে ফিটনেস নবায়নের জন্য সরকারি ফি জমা দেওয়ার পরও অতিরিক্ত ৪০০০ টাকা থেকে ৫০০০ টাকা ঘুষ দিতে হই। অন্যথায় বিভিন্ন ত্রুটি দেখিয়ে ফিটনেস সনদ দেই না। তারা নির্দিষ্ট দালালের মাধ্যমেই ঘুষ নেই। অফিসাররা খুব চালাক নিজেরা সরাসরি ঘুষ নেই না।
১. ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডা.(ইন্টার্ন) কর্তৃক প্রাইভেট ডায়াগনস্টিক সেন্টারে টেস্টের রেফার করে সেখান থেকে কমিশন গ্রহণ। ২. ঢামেকের নতুন বিল্ডিংয়ের ৪ তলায় ECG টেস্টে রশিদ ছাড়াই টাকা নেয়।
গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজে লাইনে দাঁড়িয়ে বহিঃবিভাগ এর ১০ টাকায় টিকিট কাটার পরে ডাক্তার চেম্বারের বাইরে হাসপাতালের কিছু কর্মচারী ও স্টাফ থাকে যারা রোগী চেম্বারে প্রবেশে সাহায্য করে। ডাক্তার দেখিয়ে বের হবার সময় তারা ডাক্তারের দেয়া টেস্ট গুলো ওই হাসপাতালে কম খরচে করার বদলে বাইরের নিম্নমানের ক্লিনিকে করতে বলে এবং ওই স্টাফ গুলো ওইসব ক্লিনিকের অনেক দালালের হাতে ওই স্লিপ ধপ্রিয়ে দেয়। বলে নাকি দ্রুত হবে। এভাবে অনেকের থেকে কমিশন বানিজ্য করে আসছে। প্রত্যাখ্যান করলে এসব স্বল্পশিক্ষিত স্টাফগন অসৌজন্যমূলক আচরণ করে নিয়মিত।
I gone to made a driving licese but failled to have. there is some people moving around ask to pay extra money to get the licese , but refuse to pay finally failled . I have practical experience whoever paid they got license without examination or even they are absent . my self i took determine even i do not get license but will not pay extra. Note: I have a driving license from Saudi Arabia and was having own car which i drive 15 years. my self i showed as a result i got miss behave from the person who was a officer to take exmination.
দৌলতপুর তফসিল অফিস, যা খুলনায় অবস্থিত এখানে নামজারি করতে হলে অবশ্যই এই পরিমাণ অর্থ দিতে হয় অন্যথায় ভোগান্তি এবং বারবার তা ক্যান্সেল করা হয়।
মিউটেশন এর জন্য আবেদন করেছিলাম।খতিয়ান সার্টিফাইড কপি লাগবে বলে ।এর জন্য আবেদন ফরম দিয়ে আবেদন করি।কিন্তু কেউ সাহায্য করে না।বলে যে এটা দেয় সে নাই। কিছুক্ষণ পরে একজন মোবাইল নম্বর নেয় এবং ১০০০ টাকা দিতে বলে এবং ১ সাপ্তাহ এর মধ্যে দিবে বলে । আমি ট্যাকনিক্যালি বের হয়ে চলে আসি।
আমার ফোনটি হারিয়ে যায় এবং আমি একটি ফ্রি করে এবং ফোনটি পাওয়া যায় তো ফোনটি ফেরত দেওয়ার জন্য পুলিশ আমার থেকে ৫ হাজার টাকা দাবি করে তো আমি ফোনটি আনিওনি আর তাকে টাকাও দেইনি এমনিতে আমি শুনেছি যে পুলিশ ফোনের জন্য চার থেকে পাঁচ হাজার টাকা নিয়ে থাকে কোন উদ্ধার করার জন্য কিন্তু বাস্তব অভিজ্ঞতার সাথে মুখোমুখি হইলাম পুলিশের সংস্কার বলতে শুধু পোশাকি পরিবর্তন হইছে বাংলাদেশে কোটি কোটি পোলাপান বেকার চাকরি পাচ্ছে না কিন্তু এইসব পুলিশ দের রেখে বাংলাদেশ সরকার কি প্রমাণ করতে চাচ্ছে আমার বুঝে আসছে না আমার মন চায় এই দেশ থেকে চলে যেতে
মোটরসাইকেল রেজিষ্ট্রেশন করতে গেলে মোটরযান পরিদর্শক গাড়ী পরিদর্শন করে গাড়ীর ফাইল নিতে গড়িমসি করে।বিষয়টি সহকারী পরিচালককে জানালে তিনি ফাইল জমা নেওয়ার জন্য বলেন। ফাইল জমা নিলেও ফাইল আটকে রেখে নাম্বার দিতে কালক্ষেপণ করে। এছাড়াও রেজিষ্ট্রেশনের ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিতে গেলে একশ টাকা ঘুষ দাবি করে।
দ্রুত মিউটেশন করে দিবে বলে পরে আমি একাএকাই করেছি ১২০০ টাকা খরচ হয়েছে
পাসপোর্ট রিনিউ করতে গেলে আমার নামের বানান নিয়ে ভুল ধরে। হাস্যকর ব্যাপার আমার আগের পাসপোর্ট এবং আমার জাতীয় পরিচয় একই বানান বহন করে। উনি বলতে শুরু করেন নাম ঠিক করতে হবে। অদ্ভুত ব্যাপার হলো আমি নাম কিংবা নামের বানান কীভাবে ঠিক করব আর কেন করব যেখানে আমার সার্টিফিকেট, জাতীয় পরিচয়পত্র, আগের পাসপোর্ট সব একই বানানের। বাংলায় '—' ইংরেজিতে — লেখা যাবে না-বলে আমাকে ২০৩ নাম্বার রুমে জাতীয় পরিচয়পত্র প্রিন্ট আউট করতে বলে। আমি প্রিন্ট করে আনলেও সেদিনের মতো ঐ লোক উঠে গেছে। পরের দিন যখন গেছি বলে এসব ভুল নিয়ে এলে পাসপোর্ট হবে না। পরে বলে, বাইরে অমুক দোকান থেকে সব ঠিক করে আনেন। বাস্তবে ঐখানে গেলে ২০০০টাকা চায়। এরা সব এসুতায় চলে। পরে পরিচালক কক্ষে কথা বলে সমস্যার সমাধান হয়। পাসপোর্ট পাই ৩ সপ্তাহ পর।