জমির কর সেবা
আমি জমির খাজনা প্রদান এর জন্য অনলাইন এর আবেদন করেছি। কিন্তু অনলাইন এর খাজনা আপডেট করছে না। দেখাছে ১৯৭৩ সাল থেকে খাজনা বাকী আছে। প্রয়োজনে ভূমি অফিসে যোগাযোগ করুন। তাহলে অনলাইন সেবা কোথায় পাইলাম।এতে বুঝা যাচ্ছে আগে মত দূরনীতি আর হয়রানি।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি জমির খাজনা প্রদান এর জন্য অনলাইন এর আবেদন করেছি। কিন্তু অনলাইন এর খাজনা আপডেট করছে না। দেখাছে ১৯৭৩ সাল থেকে খাজনা বাকী আছে। প্রয়োজনে ভূমি অফিসে যোগাযোগ করুন। তাহলে অনলাইন সেবা কোথায় পাইলাম।এতে বুঝা যাচ্ছে আগে মত দূরনীতি আর হয়রানি।
শুক্রবার দোকান খুলতে হলে ওনাকে প্রত্যেক ইয়ারলি ১২০০০ টাকা করে দিতে হবে। টাকা দেইনাই বিদায় উনি আমাকে মামলা করে দিছে, যারা টাকা দিছে তাদেরকে কিছু বলে নাই।
Ami police TRC poder Jonno filed work e pass Korar por Amar kach theke 1400000 tk chawa hoi. misty khawar Jonno. Ami dei ni, and job o korini. in sah Allah Amar aro valo chakuri Hobe.
I want to renew my passport that time I filled up my form by myself but they say you need to submit different different paper . If I filled up this with any agency they charge 1000 taka extra and everything ok . Then I went to passport office 2 days then they take my paper and accept it
আমার কাগজপত্র সব ঠিক ছিলো। কিন্ত দালাল ধরে পাসপোর্ট করতে আসে নি তাই আমার কাগজে ভুল ধরা শুরু করেছিলো। কিন্ত যারা দালাল ধরে এসেছিলো তাদের কোনো ভুল ধরে নি। দালাল একটি বিশেষ চিহ্ন দিয়ে দেয় কাগজের মধ্যে।
Vomi office hoirane korse
আমি গত বছর ঢাকা সায়েদাবাদ স্বামীবাগের একটি ঠিকানায় ট্রেড লাইসেন্স তৈরি করার জন্য সিটি কর্পোরেশন অফিস অঞ্চল ৬ যাই। সেখানে — নামে একটি লোক আমাকে সর্বনিম্ন চার হাজার টাকা দাবি করে ট্রেড লাইসেন্স বানিয়ে দেওয়ার জন্য। উনাকে এড়িয়ে যাওয়ার জন্য আমি বলি যে পরবর্তী সময়ে এসে আপনার থেকে বানিয়ে নিব, উনি আমাকে ওনার নাম্বার দিয়ে দেন।
Sonali Bank er Kaj sehse bill submit kora hoile 5000 tk kore na dile bill processing kore na, mas er por mas ghuriye bill dey na
যারা দালালকে পাঁচ হাজার টাকা ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে ১০ হাজার টাকা দিয়েছে তাদের ভাইভা আলাদা করে নেওয়া হয়েছে। তাদেরকে খুব সহজ প্রশ্ন করা হয়েছে এবং তারা অতি সহজে ড্রাইভিং লাইসেন্স পেয়ে গেছে। কিন্তু আমি দালালকে টাকা না দেওয়ার কারণে আমাকে প্রশ্নের মাধ্যমে বিভ্রান্ত করা হয়েছে এবং আমাকে ফেল করিয়ে দেওয়া হয়েছে। যারা পাস করেছে তাদের থেকে আমার যোগ্যতা শতগুণ বেশি হওয়ার পরেও আমি ড্রাইভিং লাইসেন্স পাই নাই।
আমার সিরিয়াল আসে আমি যখন গাড়িতে বসি তখন আমাকে বলে বকশিশ আছে কী না করায় আর কিছু বলেনী। আর আমাকে কথা বলতে বলে বেস্ত রাখে আর আমি বেগ গিয়ার দেয়ার সময় নিসানে লেগে যায়
I was listed in top 10 candidates-list(Assistant Manager (Technical)) after successfully passed in all short+written exams. But after a very good performance(correctly answered all questions to the point) in final viva, I was asked to pay 10,00,000.Tk to someone who was linked to deal this recruitment process. I was shocked and proudly denied to gave them bribe. Therefore my name was not recommended finally. I hate them shameless people who asked illegal money. May Allah provide them perfect justice as their work.
আমি জয় কালী মন্দিরের পাশে ভূমি অফিসে গিয়েছি খাজনা দিতে, আমাকে বলতেছে খাজনা এখানে দেওয়া হয় না, আবার বলতেছে সাইট এ আসেন কাগজ পত্র দেন। পরে দিলাম বলতেছে আপনার আজীবন বাকি আছে। টাকা পরিশোধ করা যাবে আমায় ১০০০০ টাকা দেন। উনি একজন পিওন।
১৯৪০ সালে ২০৮১ নং দলিলে কেনা মুসলমান মালিকদের জমি ক তালিকা ভুক্ত দেখিয়ে নামজারি দিচ্ছে না। হাইকোর্ট দেখায় , বিশাল বড় এলাকায় জমি , তাই সংশোধন না করে প্রতি বার নামজারিতে লাখ লাখ টাকা খাচ্ছে । অথচ মুসলমান মালিকদের জমি কখনো অর্পিত বা শত্রু সম্পত্তি হিসেবে ক তালিকা ভুক্ত হতে পারে না । ইচ্ছা করে ভূল করে , সেই ভূল সংশোধনে হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। স্থায়ী সমাধান করছে না ।
গত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে যখন পাসপোর্টের পুলিশ ভেরিফিকেশন বাধ্যতামূলক ছিল, তখন আমার ব্যক্তিগত একটি তিক্ত অভিজ্ঞতা হয়েছিল। পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের জন্য একজন পুলিশ কর্মকর্তা আমাকে ফোন করে নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে অবস্থিত একটি হোটেলে যেতে বলেন। সেখানে প্রবেশ করার পর দেখতে পাই, ভেরিফিকেশনের দায়িত্বে থাকা একজন পুলিশ কর্মকর্তা রমজান মাসে বসে সিগারেট ও চা পান করছিলেন এবং অন্য একজন ব্যক্তির কাছ থেকে টাকা নিচ্ছিলেন। এরপর আমরা সামনে গেলে ওই পুলিশ কর্মকর্তা সরাসরি আমার কাছে ১,০০০ টাকা দাবি করেন। আমি জানাই যে, সঙ্গে টাকা নেই। তখন তিনি আমাকে বলেন, টাকা না দিলে আমার পাসপোর্ট তিন মাসের মধ্যে পাব না।
ঢাকা জেলার ধামরাই থানাধীন বালিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কম্পিউটার অপারেটর ঘুষ না দিলে খাজনা গ্রহন বা নামজারি কোন কাজই করে না।খাজনা অনুমোদন করেতে গেলে ও নামজারির প্রতিবেদন দিতে গেলে গ্রাহক কে নথি আনার কথা বলে ঘুষ দাবি করে। উদাহরণ স্বরূপ খাজনা দিতে গেলে জমির শ্রেণী পরিবর্তন করে গ্রাহককে টাকার পরিমাণ বেশি দেখায়, এরপর ঘুষ খেয়ে পুনরায় জমির শ্রেণী পরিবর্তন করে সরকারের তহবিলে কম টাকা জমা করে বাকি টাকা নিজে খায়। যেমন ধরেন মূল খাজানা মাত্র ২০০/- টাকা, জমির শ্রেণী পরিবর্তন করে গ্রাহক কে দেখায় আপনার খাজনা ৫০০০/- টাকা, পরে গ্রাহক এর কাছ থেকে ৪০০০/- খেয়ে পুনরায় জমির শ্রেণী পরিবর্তন করে সরকারের খাজনা দেয় ২০০/- টাকা। এই অফিসের মুল দুর্নীতিবাজ কম্পিউটার অপারেটর সরকারি কর্মী না হওয়া সত্য দীর্ঘদিন এখানে কর্মরত।
ভূমি জরিপে মাঠ কর্মী ইচ্ছা করে ভূল রেকর্ড করেছে । সেই ভূল যখন কোনো ভুক্তভোগী সংশোধন করতে যায় , তখন সংশোধন না করে শুধু মাত্র ঐ ভুক্তভোগীর কাজ মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে সমাধান করে । আবার অন্য কেউ ঐ জমি নামজারি করতে গেলে প্রতি বার টাকার পরিমাণ বাড়ছে । এভাবে সারা দেশে চলছে দূর্নীতি
**বিষয়: পাসপোর্ট করতে নির্ধারিত ফির অতিরিক্ত টাকা নেওয়া ও হয়রানির অভিযোগ।** আমি সিরাজগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্ট করার জন্য গেলে নির্ধারিত সরকারি ফি **৫,৭৫০ টাকা** হওয়া সত্ত্বেও আমার কাছ থেকে **৭,৫০০ টাকা** নেওয়া হয়। এছাড়া অফিসের বাইরে থাকা কিছু দালালের সঙ্গে অফিসের কিছু কর্মকর্তা/কর্মচারীর যোগসাজশ রয়েছে বলে আমার অভিযোগ। তারা ইচ্ছাকৃতভাবে কাগজপত্র বা আবেদনে ভুল দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করে এবং অতিরিক্ত টাকা দিতে বাধ্য করে। বিষয়টি তদন্ত করে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া ও দালালদের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করছি।
নামজারি ও খাজনা দিতে গিয়ে
জমি খারিজের আবেদন জন্য পুঠিয়া ভূমি অফিস হতে জনপ্রতি নূন্যতম ২০০০/= এরপর জমির পরিমাণ বৃদ্ধর সাথে সাথে চক্রবৃদ্ধি হারে বাড়তে থাকে টাকার অংক । লে হালুয়া কোটা না মেধা মেধা মেধা যারা ঘুষ খায় তাদের মেধার জোরে খায় না কোটার জোর খায়
২০২৫ সালে উপরোল্লিখিত ভূমি অফিসের ভূমি সহকারী কর্মকর্তা আমাদের বাড়ির জমির জেলা জজ কোর্টে চলনাধীন আপীল মামলার জমা-খারিজের বিষয়টি সামনে এনে প্রতিপক্ষকে জমা-খারিজ করে দেবে এই ভয় দেখিয়ে ২ লক্ষ টাকা ঘুষ দাবি করে। এর আগেও ২০২৩ সালে ওই ব্যাক্তি আমাদের কাছ থেকে একই বিষয় বাবদ ১০,০০০ টাকা ঘুষ নেয় (আমি প্রত্যক্ষ সাক্ষী)। পরবর্তীতে আমরা আমাদের মামলার আপিলের কাগজ, আর্জি ও প্রয়োজনীয় আনুষাঙ্গিক অন্যান্য কাগজপত্রসহ উপজেলা ভূমি অফিস বরাবর আবেদন করি, যার কারণে এই ব্যক্তি আর আগানোর সাহস পায় না। উল্লেখ্য এই ঘুষের টাকার দাবির সময়ে সে উপজেলা ভূমি সহকারী কর্মকর্তার নামও জড়ানোর দুরভিসন্ধি করে। শুনেছি এই ইনি প্রচুর দূর্নীতিগ্রস্ত, মানূষকে জিম্মি করে ঘুষের অর্থ আদায় করে। বর্তমানে সে আর উক্ত ভূমি অফিসে নেই, বদলি হয়েছে