নামজারি রিপোর্ট পেতে ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা
মাগুরা জেলার অধিকাংশ ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা অর্থের বিনিময়ে নামজারি, খাজনা এবং অন্যান্য সেবামূলক কাজের জন্য সেবাগ্রহীতার নিকট অর্থ দাবি করে। অর্থ প্রদান না করলে সেবা প্রদান করে না বা অনেক হয়রানি করে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
মাগুরা জেলার অধিকাংশ ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা অর্থের বিনিময়ে নামজারি, খাজনা এবং অন্যান্য সেবামূলক কাজের জন্য সেবাগ্রহীতার নিকট অর্থ দাবি করে। অর্থ প্রদান না করলে সেবা প্রদান করে না বা অনেক হয়রানি করে।
আমি একজন জুনিয়র ইনস্ট্রাক্টর সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এর.. দীর্ঘদিন আমাকে আমার নিজ জেলা থেকে প্রায় ২৫০ কিমি দুরুত্বে পোস্টিং দিয়েছে আমি বদলি হতে চাইলে বলে সম্ভব না পরে এসিস্ট্যান্ট ডাইরেক্টর ৩ অফিসের ক্যারানি ৩ লহ্ম টাকা দাবি করে আমি শিহ্মক মানুষ টাকা ও দিতে পারিনা বদলি ও হয় না
আমি এলজিইডি এর একটা কাজের বিল বাবদ প্রাপ্য ১ কোটি টাকার বিপরীতে তারা ০.২৫% না দিলে বিল পাশ করবে না।এখানে এমন কোন বিল নাই যেটা টাকা ছাড়া পাশ করে।।আপনারা একটা যে কোন বিষয় নিয়ে একবার গেলেই বুঝতে পারবেন চিরিরবন্দর হিসাব রক্ষন অফিসের দূর্নীতি চরম আকার ধারন করেছে।।সকল ঠিকাদার তাদের উপর ক্ষিপ্ত।
when I applied for a police clearance there is a verification process for local police there the police asked me to give him some documents and finally he asked me to give him some money. He didn’t ask the exact amount but I told him that I don’t have money. I’m a student that’s why I refused. Then he let me go without giving him to money.
আমি একজন রাইডার, খাবার ডেলিভারি করি। অন্য এক রাইডার এর সাথে আমার একটা ঝামেলা হয়,পরে ৯৯৯ এ কল দেওয়ার পর বিষয় টা সমাধান করার জন্য একজন দারোগা আরো ২জন পুলিশ আসে, একটা জিপ নিয়া আসে। আমার সাথে যার ঝামেলা হইছিলো তার বাড়িতে আমরা সবাই জাই। বিষয় টা সমাধান হওয়ার পর সাথের পুলিশ আমাকে বার বার ইশারা ইংগিত দিচ্ছিলো, আমারা এইখানে আসছি এখানে আমাদের একটা খরচ আছে,তেলের খরচ আছে।আরো অনেক কিছু, বলললাম স্যার কতো টাকা দিমু বলে দেও তুমার ইচ্ছা আমার কাছে টাকা ছিলো না।আর আমি যেই কাজ করি এই টাকায় তো আমার নিজের হয় না।আমি তাও একবার বলছি স্যার আমি টাকা কই পামু, আমার কাছে তো টাকা নাই।আমার কথা মানে না।তাও ২০০ টাকা দিছিলাম নেয় নাই।বলে এইসব টাকা লাগবে না।পরে এইখানেই মানুষ চলে আসছিলো। পরে আর দেইনাই।টাংগাইল সদর
হয়রানি করেছে অনেক...
১। ১৯ বছর বয়সের একটা জন্ম নিবন্ধন করার জন্য নোয়াখালী সদর উপজেলাধীন একটা ইউনিয়ন পরিষদে অনলাইনে আবেদন করি। কিন্তু সচিব (বর্তমান প্রশাসনিক কর্মকর্তা) বললো এটা হবে না। কিন্তু তার আন অফিশিয়াল লোকের(পিএ) মাধ্যমে কথা বললে সে ৫০০০/- টাকা দাবি করে। আমি ৩০০০/- টাকা দিতে চাইলেও সে একদাম ৫০০০/- টাকা ছাড়া হবেনা বলে জানিয়ে দেয়। ২। একটা ট্রেড লাইসেন্স এর জন্য আবেদন করি, সে ২০০০/- দাবি করে কিন্তু ট্রেড লাইসেন্স ফি ৫৭৫/- সার্টিফিকেটে উল্লেখ করবে বলে জানায়। বাকি টাকার হিসাব চাওয়াতে ট্রেড লাইসেন্স এর আবেদন যাচাই পূর্বক নাকি ইস্যু করবে।
আমি একটি একটি জমিন কিনেছি। জমিটি পূর্বের মালিকের অনলাইন নামজারি ছিল। অনলাইন খাজনা দিসে। আমি রেজিষ্ট্রেশন এর দিনও অনলাইন খাজনা দেওয়ার পর জমি রেজিষ্ট্রেশন হয়েছে কিন্তু আমার নামজারি করার সময় ১ লক্ষ টাকা চেয়েছে।
আমাদের থানায় অপরাধী ধরার পর টাকা নিয়ে ছেড়ে দেয়
নাম্বার প্লেট লাগাতে গেছিলাম। গাড়ি আমার নামে হওয়া সত্বেও বিভিন্ন কাগজ পাতির অজুহাত দেখিয়ে আমাকে নাম্বার প্লেট দেয় নাই। পরে ১৫০০ টাকা দিলে সিস্টেম করে দিবে বলছিল। আমি আর টাকা দেই নাই, আগামী রবিবার আবার যা দেখব কি করে
ম্যানেজার —, ১ লক্ষ ঋণের বিপরীতে ৫ হাজার টাকার কমবেশি ঘুষ দাবি করে। তার দাবির সিস্টেমটা ভিন্ন। সরকারী খরচ বলে ঋণগ্রহীতার কাছে থেকে দাবি করে।
যে কম্পিউটার দোকান থেকে আবেদন করেছি সে চাইলো, তার ফরম ফিলাপ ২০০/= + ট্রেজারী চালানের টাকা + অফিসে ঘুষ ১৫০০/=। ঘুষে রাজি হলাম না। তখন বল্লো পৌরসভার প্রত্যায়ন, ম্যারেজ সার্টিফিকেট, NID ভেরিফিকেশন ছাড়া ,( নির্বাচন কর্মকর্তা বললো সার্ভার বন্ধ )ইলেকট্রিক বিল ইত্যাদি কাগজ পত্র সহ চেষ্টা করতে - জমা দিতে গেলাম । জমা দেবার ডেস্ক কাগজ দেখে জানালো হবেনা। NID ভেরিফিকেশন প্রত্যায়ন করে আনতে হবে। যাওয়া আশায় tk ৮০০/= cng ভাড়া গেল। NID ভেরিফিকেশন এর জন্য tk ৩৪০/= ট্রেজারী চালান করলাম। ঢাকা নির্বাচন অফিস থেকে ভেরিফিকেশন নিয়ে এলাম। ওখানে লেখা আছে - কোন স্বাক্ষর প্রয়োজন নেই। আবার গেলাম ৮০০টা: খরচে - পাসপোর্ট নিলোনা। অফিসের এক পিওন ১৫০টাকায় সব ঠিক করলো, যথাসময়ে পাসপোর্ট পেয়েছি। হারামিদের দখলে সব।
চট্টগ্রাম চান্দগাও এ অবস্থিত পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছিলাম, বন্ধুর পাসপোর্ট করাতে পেমেন্ট সম্পন্ন করে। সকালে গিয়েছি লাইনে একবার দাড়িয়ে জমা পর্যন্ত দাড়িয়ে থাকার পর আবার অন্য একটি কক্ষে পাঠিয়ে দেয় ডকুমেন্টস ঠিক করে আনতে বলে, ঠিক করে আবার নতুন করে লাইন ধরে সব চ্যাক করিয়ে আধাবেলা পার করে যখন ছবি আর ফিংগারপ্রিন্ট দিতে গেলো তখন জানালো যে বন্ধুর বাবার জন্মস্থান নোয়াখালী হওয়াতে এখানে করা যাবেনা। অথচ বন্ধুর এন আইডি সহ যাবতীয় সকল সারটিফিকেট চট্টগ্রামের, ঠিকানাও।। এরা মূলত দালাল ছাড়া যারাই আসছে সবাইকে এভাবে ঘুরিয়ে দেয়। পুরোটাদিন তাহলে এত হয়রানি করলো কেন?
পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম । ইমেল নামের সাথে হুবহু মিল না থাকায় নাকি ভুল হয়েছে । অথচ মানুষের ইমেইল অনেক নামেই থাকে । মূলত অন্য কোন ভুল ছিলনা এবং সকল কাগজ ঠিক ছিল বলেই ইমেইল নিয়ে একটা ফালতু ভুল ধরেছিল।
গতবছর October এ আঁগারগাও পাসপোর্ট অফিসে যাই যারা ঘুস দিচ্ছিলো তাদের আগে উপরতলায় ছবি সিগনেচার এর কক্ষে নিয়ে যাচ্ছিলো। এছাড়া এই ছবি সিগনেচার দেওয়ার সময় আমার বাবার নাম নিয়ে ঝামেলা করে সেই ছবি সিগনেচার এর রুমে থাকা মহিলা অফিসাররা ঝামেলা করে এবং ঘুস চায় আই দিতে না চাইলে আমার বাবার নাম ভুল করে দেয়। যার মাশুল আজও বয়ে বেড়াচ্ছি।
amake lon debe bole mota ogker taka ceyecilo .ghush diye ami lon nebona
সরকারের নির্ধারণ করা ফি অনলাইনে জমা দেওয়ার পর যখন পাসপোর্ট অফিসে যাবেন তখন যদি দালাল ছাড়া যান তখন সব ঠিক থাকলেও উপরের ফ্লোরে যিনি ফাইল চেক দেন ওনি ফাইল রিটার্ন করে দেন কোন একটা অযুহাত দেখায় । আর যদি দালাল দিয়ে যান তখন ফাইলের উপরে একটা এক্সট্রা সাইন বা শিল টাইপ কি যেন দিয়ে দেয় ওটা থাকলে ফাইল আর চেক দেয়না নরমাল্লি এক্সেপ্ট করে নেয়। যখন ফাইল রিটার্ন দেয় তখন চলে যাওয়ার সময় দেখবেন অনেক দালাল গেইট এর বাইরে দাড়াই থাকে আর জিজ্ঞেস করে ফাইল রিটার্ন দিছে নাকি। আর তখনই ওনারা অফার করে যে ওনার মাধ্যমে ফাইল টা দিলে ইন্সট্যান্টই নিয়ে নিবে কিন্ত ওনাকে ২২০০ (দুই হাজার দুই শত টাকা দিতে হবে) ওনাদের কথা মতে এই টাকা থেকে ওনি শুধু ২০০ টাকা পাবেন বাকি ২০০০ (দুই হাজার) অফিস এর স্যার রা নিয়ে নিবে টপ টু বটম সবই।
আমার বাবার মৃত্যুর পরে তার পেনশনের টাকা উত্তলনের সময় কিশোরগঞ্জ জেলা একাউন্টস এন্ড ফাইন্যান্স অফিসের একজন মহিলা অডিটর ২০০০০ টাকা ঘুষ দাবি করেন। টাকা না দিলে বাজেট ফেরত চলে যাবে আমি টাকা পাবো না এমন হুমকি দেয়। আমি বলেছিলাম, কাজ করেন টাকা কিছু দিবোনে খুশি হয়ে। আমার কাজ হবার পরে আমি ৮০০০ টাকা দেই কারণ আরো কিছু পাওনা উত্তলন বাকী ছিলো। আমি চাইনাই সম্পর্ক খারাপ হোক কারণ পরবর্তীতে বাকী টাকা তোলার জন্য যাতে হয়রানি না করে। কিন্তু ৮০০০ টাকা দেওয়ার পরে আমাকে হোয়াটসঅ্যাপে ম্যাসেজ দেন যে, আমি নাকি কথা দিয়ে কথা রাখি নাই। আমি নাকি বাটপার, ২০০০০ হাজার টাকার কথা বলে ৮০০০ টাকা দিছি। 🤷♂️
দিনাজপুর মেডিকেল কলেজের ছাত্র হোস্টেলের খাবারের মান অত্যন্ত নিম্নমানের হয়ে পড়েছে। ডাইনিং ম্যানেজারদের কাছে অভিযোগ দিলে শোনেনা কেও। বলে ব্যাচপ্রতি ৫০০০ টাকা করে তুলে দিলে ওরা ডাইনিংয়ের খাবারের উন্নতি করবে। ক্ষমতাবল থাকায় কেও ওদের সরাতে পারেনা।
সকল ডকুমেন্টস থাকা সত্ত্বেও ফেরত দিয়েছিল, পরে ঘুষ দিয়ে পাসপোর্ট করতে হয়েছে