নামজারি করা
পৌরসভার ভিতর ২ একর জমি নামজারি করতে গেলে, নির্ধারিত ফি এর চেয়ে অতিরিক্ত ৭০ হাজার টাকা দাবি করে, বিভিন্ন অজুহাতের মাধ্যমে। তা না, হলে হবে না।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৮৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
পৌরসভার ভিতর ২ একর জমি নামজারি করতে গেলে, নির্ধারিত ফি এর চেয়ে অতিরিক্ত ৭০ হাজার টাকা দাবি করে, বিভিন্ন অজুহাতের মাধ্যমে। তা না, হলে হবে না।
"চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলার ভূউপরিস্থ পানির মাধ্যমে সেচ উন্নয়ন প্রকল্প"। বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) ৬০২ কোটি টাকার প্রকল্প। এই প্রকল্পের কাজ করতে হলে কোন কাজের ১০ ভাগ বা তারও বেশি টাকা পিডিকে আগেই দিয়ে দিতে হয়। এছাড়াও অফিসের সাব এসিস্ট্যান্ট ইঞ্জি. এসিস্ট্যান্ট ইঞ্জি.দের ১-২ ভাগ টাকা ঘুষ দিতে হয়। এছাড়াও অফিসের অন্যান্য স্টাফদেরও বিভিন্ন অংকের ঘুষ দিতে হয়। এছাড়া পিজির ও ট্যান্ডার সিকিউরিটির টাকা তুলতেও ঘুষ প্রদান করতে হয়।
ময়মনসিংহ বিভাগে ময়মনসিংহ জেলার তারাকান্দা উপজেলার তালদিঘি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় আমরা পাশ করেছি। আমরা কয়েকজন বন্ধুবান্ধব গিয়েছিলাম প্রশংসা পত্র বা প্রত্যয়ন পত্র আনতে, তবে তারা আমাদের কাছে ৫০০ টাকা চেয়েছে আমরা কিছু বলি নাই সোজাসুজি চলে আসছি, অথচ অন্যান্য স্কুলে এটি ফ্রি তে প্রধান করে থাকে
অফিসে একজন মুরুব্বী আমাকে বলে ফাইল কি স্বাক্ষরিত কিনা। আমি জিজ্ঞাসা করলাম কার দাঁড়ায় স্বাক্ষরিত?? উনি আমাকে বললেন আপনি কার মাধ্যমে আসছেন??আমি বললাম আমি কারো মাধ্যমে আসি নাই, তখন উনি আমার পাসপোর্ট এর বিভিন্ন ভুল ভ্রান্তি ধরা শুরু করল, এমনকি আমাকে ঐদিন আমার আবেদনপত্র বাতিল করে আবার আবেদন করতে বলল, পরবর্তীতে রাঙ্গামাটি পাসপোর্ট অফিসের সামনে পরবর্তীতে রাঙ্গামাটি পাসপোর্ট অফিসের দোকানের লোকদের সাথে কথা বলে, পাসপোর্ট করা লাগছে, ওদের ভাষ্যমতে টাকা ছাড়া কোন কাজ হয় না। এটা সাথে রাঙ্গামাটি পাসপোর্ট অফিসার কম্পিউটার অপারেটর হ সবাই জড়িত। ফোনটাকে গেলে ওই ফাইলের মধ্যে স্বাক্ষর থাকে, এবং সিরিয়াল নাম্বার লেখা থাকে ওই সিরিয়াল দিলেই। রাঙ্গামাটি পাসপোর্ট অফিসের সামনের সকল দোকানদার গুলোই এই চক্রের সদস্য
এক অসহায় নারী হাজবেন্ড প্রতিবন্ধী ওনার হাজবেন্ডের একটা প্রতিবন্ধী ভাতা হয় ২০২৩ সালে বাট ২০২৬ সালে এসে এখনও পযন্ত কোন ভাতা পায়নি। যখনই যায় বলে এই সমস্যা ঐ সমস্যা নানান তালবাহানা টাকা লাগবে এভাবে ওনি অনেক টাকা দিয়েছে। কিন্তু এক টাকা ও ভাতা পায়নি। এক পযার্য়ের সমাজসেবা অধিদপ্তরে যাই তারা শিকার যায় ঘুষ খেয়েছে অবশ্য একজন ঘুষের টাকা ফেরত দিয়েছে এবং মাফ চেয়েছে। অবশেষে প্রতিবন্ধী ভাতা এপ্রুভ হয়েছে ১৬/৫/২০২৬। আলহামদুলিল্লাহ ওনার কাড হাতে পেয়েছে টাকা এখন ও পায়নি। কিন্তু এটা তো কাম্য নয়। এভাবে মানুষদের হয়রানি করা। যদি আমি না যেতাম হয়তো ওনি কাড পেতো না। যারা এ ভাতা গুলো করে তারা পড়াশুনা না জানা অজ্ঞ কিছুই বুঝে না আজ আসো কাল আসো বলে হয়রানি করে এক পযায়ে টাকা চায় বা টাকা মেরে দেয় এগুলো কখনোই কাম্য নয়।
৪২০,৪০৬ ধারায় দিনাজপুর কোতয়ালী থানায় মামলা হয়।আসামী ছিলাম ২ জন। আদালতের মাধ্যমে ২ দিনের রিমান্ড মন্জুর হলে থানায় গিয়ে আইও ৫০০০০০ টাকা দাবী করে। নানা দেন দরবার করে ১ নম্বর আসামি ২০০০০০ টাকা দিয়ে টেনশন মুক্ত হয়।
নারায়নগঞ্জের ঝালকুড়ি এলাকায় বাংলাদেশ ডিজিটাল সার্ভে নামে সম্ভবত নতুন সরকারি ভাবে ভুমি জরিপ হচ্ছে। সেখানে জমির মালিকদের কাগজপত্র যাচাই বাছাই করার পরে CS, RS এর মত জমির নতুন একটা রেকর্ড দেয়া হচ্ছে যা সরকারি ভাবে ফ্রী সেবার আওতায় কিন্তু ভুমি অফিসের অফিসাররা এই রেকর্ড দেয়ার জন্য জমির মালিকদের কাছ থেকে ৫ হাজার টাকা নিচ্ছেন যারা টাকা দিচ্ছেন তাদেরকে কাগজ বুঝিয়ে দিচ্ছেন আর যারা টাকা দিচ্ছে না তাদেরকে কাগজও বুঝিয়ে দেয়া হচ্ছে না।
বিআরটিএ তে আমি সম্পূর্ণ ভাবে লাইট ভেহিকল ড্রাইভিং পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পরে আমাকে পাশ দেখানো হয়। কিন্তু বাসায় এসে দেখি মেসেজে আমাকে ফেল দেখানো হয়েছে। পাশ দেখানোর কাগজ আমার কাছে এখনো আছে। পরবর্তীতে বুঝতে পারি, দালালকে ১০,০০০ টাকা না খাওয়ালে নাকি লাইসেন্স পাওয়া যায় না। অবশ্য আমার ৬৫৩ টাকা মোট আবেদন করতে গিয়েই লস গিয়েছে।
দলিলের নকল উঠাতে গেলে, তিনি অতিরিক্ত হিসাববিহীন ১০,০০০ টাকা দাবি করছে
গফরগাঁও উপজেলাধীন সকল ভূমি অফিসে বর্তমানে নামজারী করতে হলে 10000 টাকা দিতে হবে এমনকি ভূমি উন্নয়ন কর দিতে গেলে অনেক টাকা চেয়ে বসে, ইহার কোনো টাকার পরিমাণ বলা যায় না যারফলে সাধারণ জনগন বিপদে আছে।
১/১ খতিয়ান হতে নামজারি করতে আমার কাছ থেকে ১২০০০০ এক লক্ষ টাকা চেয়েছিল । পরে আবেদনটি নামঞ্জুর করে।
বগুড়া সদরের নামুজা এস এস আই ফাজিল ডিগ্রী মাদ্রাসায় আমি ল্যাব সহকারী পদে সুপারিশ প্রাপ্ত হই এরপরেই অধ্যক্ষ কমিটির লোকজন সহ আমার কাছ থেকে ১০ লক্ষ টাকা দাবি করে, আমি দিতে অস্বীকার করি পরে আমার নিয়োগ অবৈধভাবে তারা বাতিল করে। বর্তমানে বিষয়টি নিয়ে আদালতে মামলা চলমান আছে।
আমার ফায়ার লাইসেন্স রেনু করার দরকার ছিলো৷ সংশিল্স অফিসারের সাথে দেখা করে তাকে জানালে সে বলে এজন্য নাকি তাকে ৩৫০০০ হাজার টাকা দেয়া লাগবে৷ এবং না দিলে সে লাইসেন্স তো দিবেই না এবং আরো নাকি জরিমানা করার নিয়ম আছে এসব বলে ভয় দেখায়।
যতই ভুল থাক তারা ঠিক করে নিবে দালাল মারফত টাকা চেয়েছিল
রিটেনে টি গেছিলাম কিন্তু ভাইবা দিতে গিয়ে অবাক হয়ে যায় তারা আমার কাছে ১০ লক্ষ টাকা দাবি করেছে এই টাকা দিলে চাকরি হবে তা না হলে হবে না
সিলেট জেলা পুলিশ লাইন্স রিজার্ভ অফিসার এসআই (নি:) সোহেল রানার পোষ্টিং বানিজ্যের কারণে অধিনস্থ পুলিশ সদস্যরা নিরুপায়। সরকার বাহাদুর কি এর বিহিত করবেন দয়াকরে। 🙏
খামারবাড়ি, পুরোপুরি ফ্যাক্টরি ভিজিটিং করে ভালভাবে না, সমানে প্রোডাক্ট এর লাইসেন্স দিয়ে দেয় টাকা খেয়ে।
নামজারী করার পর বকেয়া সহ ভূমি উন্নয়ন কর দিতে গেলে ২০০০০০ দাবী পরে ঐ অনুযায়ী সমন্বয় করে তহশিল অফিস কর্মরত লোকজন
আমার অভিযোগটা পুরাপুরি ঘুষ না। তবে ঘুষের থেকেও বেশি। একজন সাধারন নাগরিক হিসাবে অভিযোগ করছি। অনলাইনে খাজনা রশিদ যদি না থাকে সে ক্ষেত্রে একজন সেবা গ্রহিতা ভুমি অফিসে খাজনা দিতে গেলে তাকে ১৯৭৫-৭৬ সাল থেকে খাজনা হিসাব ধরে দিতে হয়। যা অত্যন্ত ব্যয়বহুল। কিন্তু সরকারি নিতীমালা অনুযায়ী ২৫ বিঘার কম হলে খাজনা মওকুফ। সাধারনত ১ বিঘা জমির খাজনা বছরে মাত্র ১০ টাকা। সেখানে ১৯৭৫-৭৬ সাল থেকে হিসাব করলে অনেক হয়ে যায়। অথাৎ পূর্বের অর্থবছরের খাজনা দিলেই খাজনা রশিদ পাওয়া যায়। কিন্তু ভুমি অফিসে ১৯৭৫-৭৬ সাল ধরে খাজনা ধরেন ৫০০০টাকা কিন্তু উনি বলে আমাকে ৩০০০ টকা দিলে আমি খাজনা রশিদ দেব। উনি ২/৪/৫ অর্থ বছর অনলাইনে বসিয়ে খাজনা দেন ধরেন ৫০০ টাকা বাকি ২৫০০ টাকা উনি মেরে দেন। যা সাধারন জনগন বুঝতেই পারে না।
আমার একটি IGM লেটার ২০,০০০ টাকা লিগ্যাল ফি দিয়ে সাবমিট করা হয়েছিল। তবে কাজটি চট্টগ্রাম কাস্টমসে সমাধান করার জন্য আমাকে অতিরিক্ত ২৮,০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে।আমরা শিপিং এজেন্সির কাজের সঙ্গে জড়িত। তাই প্রতিনিয়ত বিভিন্ন দাপ্তরিক ও কার্যক্রমসংক্রান্ত কাজ সম্পন্ন করার জন্য আমাদের টাকা খরচ করতে হয়।