গর্ভবতী ভাতা
এটি একটি সরকারি সেবা, এটাকে কি বা তা বলে আমি জানিনা , আমি গর্ভবতী ভাতা করতে গেলে ১৫০০ টাকা সরকারকে দেওয়া লাগবে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
এটি একটি সরকারি সেবা, এটাকে কি বা তা বলে আমি জানিনা , আমি গর্ভবতী ভাতা করতে গেলে ১৫০০ টাকা সরকারকে দেওয়া লাগবে
প্রথমে আবেদন পত্র ৫০ টাকা দাম কিন্তু নিয়েছে ১০০ টাকা। আজিমপুর ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন গোরস্থানের পাশে। কাজটি করার জন্য সরকারি বিধি মোতাবেক ৪৫ দিন সময় লাগে কিন্তু উনি কাজটি গড়ি মসি শুরু করেন আজ না কাল কালনা পরশু এমন করেন এবং ৭০০০ টাকা দাবি করেন কাজটি সম্পন্ন করার জন্য । আমার সাড়ে চার মাস সময় লেগেছে পরবর্তীতে আমি একজন ক্রাইম রিপোর্টার দিয়ে উনাকে ফোন করানোর কারণে উনি কাজটি করে দিতে বাধ্য হন।
প্রায় 2025 সালের দিকে আমি পাসপোর্টের জন্য আবেদন করি, কিন্তু পুলিশ ভেরিফিকেশন এর সময় পুলিশ আমার কাছে 3500 টাকা দাবি করে এবং বলে এর থেকে কম হলে তিনি দিতে পারবেন না। আমি একাধিক বার বলার চেষ্টা করি যে স্যার প্লিজ আমি একজন স্টুডেন্ট মানুষ আমাকে করে দেন। তিনি বলছেন না এর কম হবে না।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কয়েক হাজার অসামরিক কর্মকর্তা/কর্মচারী চাকুরী করে। চাকুরীতে নুতন যোগদান করলে বেতন, চিত্তবিনোদন ছুটি, উচ্চতর গ্রেড, টিএ/ডিএ বিল, পদোন্নতির ফিক্সেশন, মিশনের বিল, জিপি ফান্ড হতে টাকা উত্তোলন, এমনকি কোন পেনশনে গেলে ছুটির টাকা এবং পেনশন কেইস পাশ করানোর জন্যও বিভিন্ন অঙ্কের টাকা এফসি (বিবিধ) অফিসে অডিটর/সুপার/ডিএএফসিকে ঘুষ প্রদান করতে হয়। ঘুষ প্রদান না করলে তারা বিল পাশ করে না। যতদিন ঘুষ/স্পীড মানি/উৎকোচ তাদেরকে প্রদান না করা হয় ততদিন বিল ফেলে রাখে। অনেক সময় ঘুষ তারা সরাসরি নেয় আবার অনেক সময় দালালের মাধ্যমে নেয়। ঘুষের অঙ্কটা নির্ভর করে কিসের বিল/কত টাকার বিল তার উপর।
নির্ধারিত মূল্য থেকে ১০০০ টাকা বেশি চাই এবং সময় মতো লাইসেন্স দিচ্ছে না ২ মাস সময় নিচ্ছে।
প্রথমে আমি সিটি কর্পোরেশনের আমার মেয়ের জন্ম নিবন্ধন করতে যাই কিন্তু আমার জন্ম নিবন্ধন একটু ত্রুটি থাকায় আমার মেয়ের জন্ম নিবন্ধন করা যাবে না কিন্তু যখনই সিটি কর্পোরেশনের নিচে এসে আমার মেমের সাথে কথা বলি মেম ৫ হাজার টাকা দিলে জন্ম নিবন্ধন হয়ে যাবে বাস টাকা দিলাম জন্ম নিবন্ধন হয়ে গেল তখন আর মেয়ের বাবার জন্ম নিবন্ধনে ভুল সিটি কর্পোরেশনের কারো চোখে পড়েনি
**চার বছর ধরে বিচারপ্রত্যাশী, কিন্তু বিচার কোথায়?** চার বছর আগে দুর্বৃত্তদের হামলায় আমার বাবা, আমি ও পরিবারের কয়েকজন গুরুতর আহত হই। বাবা দীর্ঘদিন ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসা নিয়ে আল্লাহর রহমতে সুস্থ হন। ন্যায়বিচারের আশায় মামলা করেছি। কিন্তু চার বছরেও বিচার পাইনি। **প্রতি মাসে হাজিরার জন্য উকিলকে ২ হাজার টাকা করে দিতে হয়েছে—টাকা না দিলে হাজিরায় সই করেন না।** এভাবে বছরের পর বছর উকিলের পেছনে টাকা দিতে দিতে, মামলা ও অন্যান্য খরচ মিলিয়ে প্রায় **১০ লাখ টাকা** শেষ হয়ে গেছে। **বিচার পাওয়ার জন্য যদি গরিব মানুষের শেষ সম্বলটুকুও উকিলের পেছনে শেষ হয়ে যায়, তাহলে সে বিচার পাবে কীভাবে?** আমরা প্রতিশোধ চাই না—**শুধু ন্যায়বিচার চাই।**
holding tax purpose ghush
আমার এক পরিচিত জনের জমির নাম খারিজ ছিলনা। বিক্রেতারা সবাই মারা গেছে। পুরাতন রেজিস্ট্রার নিয়ম অনুযায়ী আগের বিক্রেতা কোন নাম খারিজ না করে ওয়ারেশ নামা দিয়ে রেজিষ্ট্রেশন করেছিল। কিন্তু বিপত্তিতে পড়ে নতুন ক্রেতা। অফিস জানাই এই জমি খারিজ হবে না এখানে অনেক ঝামেলা আছে। কেউ কাজটি করে দেয়নি। অবশেষে একজনের মাধ্যমে প্রথমে ৩০ হাজার পরে অনেক ঝামেলার কথা বলে আরো ১০ হাজার। মোট ৪০ হাজার টাকা নিয়ে কাজটি করে দেয়
আমাদের একটি জমির খতিয়ানে খাজনা পরিমান দাবী করা হয় ১ লক্ষ ৭২ হাজার টাকা মত। আমাদের কে বলা হয় যদি। আমরা ঘুষ হিসাবে ১২০০০০ দিতে হবে তাহলে জমির খাজনা কাটা যাবে নাই সম্পন টাকা দিতে হবে। কিন্তু এতো টাকা কেন কি জন্য কছু বলে না। বলে এই টাকা দাও কাজ হবে।
গাড়ির স্মার্ট কার্ড আনার সময় ৩০০ টাকা ডিজিটাল গাড়ির প্লেট লাগানোর সময়১০০
আমাদের পরিবারের জমি রেললাইন এর জন্য সরকার অধিগ্রহণ করেছে। তো সেটার টাকা তুলতে গিয়ে সকল কাগজ ঠিক থাকা সত্তেও ৪ পার্সেন্ট টাকা ছাড়া কাজ হবে না বলে। এটা নিয়ে অনেক ঘোরার পর বুঝে যাই যে এটা থেকে বাচার তেমন কোন উপায় নাই। এক দালাল এর মাধ্যমে তাদেরকে ৩ পার্সেন্ট (২,৭০,০০০) এ কাজ সম্পন্ন করি
সরকারি রেট ৫৮০০টাকার মত কম বশি হতে পারে কিনতু পাসপোর্ট অফিসে আসে পাশে ে কম্পিউটার দোকান গুলো আছে তারা সব কিছু ঐ দোকান থেকে ম্যানেজকরে । ৯০০০হাজার বা ব্যেক্তি বেশি নেয়। ওরে দোকানগুলোর সাথে কর্মচারী কর্মকর্তাদের জোকস সাজেশন এইগুলা হয়। দোকান থেকে সবকিছু কমপ্লিট করার পরে ফিঙ্গার দিলে আজকে জেগে হলে পাসপোর্ট হয়ে যাবে আর নরমাল ভাবে করতে গেলে অনেক কিছু দয়া করে আইল ফের অধ্যায় এটা নাই ওটা নাই
My father went to pay water bill, but the government officer took the bill and did not sibmit it to the bank, he stole the money. But my father had the bill paid receipt, so he later took it to the government office and they said they will look into it
আমার যায়গা দখল করেছে বা বিভিন্নভাবে আমাদেরকে হয়রানি করার বিরুদ্ধে মামলা করতে গিয়েছিলাম, মামলা নেয়নি, অভিযোগ সত্য মিথ্যা যাচাই করতে এসে অন্যায়কারীর কাছ থেকে টাকা খেয়ে ওটাকে আর আমলে নেয়নি বা মামলা নেয়নি, বা জিডিও নেয়নি, তার পরে বিভিন্ন সময়ে থানায় যাওয়ার পরে বা 2/1 বার 2 জন পুলিশ সিভিলে আসছে শুধু টাকা আমাদের কাছ থেকেও খেয়েছে আবার অন্যায়কারীর কাছ থেকেও খেয়েছে। তার পরে আর সামনের দিকে আগাইনি।
অনলাইনে ১৫০০ টাকা দিয়ে পুলিশ ভেরিফিকেশন সারটিফিকেট এর জন্য আবেদন করি ২০২৬ এর জুলাই মাসে। স্থানীয় থানা থেকে কল করে আমাকে দেখা করতে বলে , অনলাইন আবেদনের সফট কপি জমা নেয়, এরপর ৩০০০ টাকা দাবি করে। বেকার পরিচয় দিয়ে কাজ না হলে শেষে ৫০০ টাকা দিতে চাইলাম, বলল তাইলে আর দিতে হবে না, শেষে ১০০০ টাকা দিয়ে মুক্ত হলাম। কিন্তু পরের দিন আবার থানা থেকে আরেকজন কম্পিউটার অপারেটর কল দিয়ে বলে আপনার নামে মামলা আছে। এরপর আবারো ২০০০ টাকা ধার হিসেবে চায়, দিতে পারব না বলার পরেও বার বার কল দেয়, কল রিসিভ না করলে এলাকায় বাড়ির পাশে এসে বাড়ির লোকদের থেকে নিয়ে দিতে বলে। পরে অনেক কস্টে রেহায় পাই।
পারিবারিকভাবে আমাদের জমি কে কেন্দ্র করে একটা মামলা করে দিয়েছে আমার বড় চাচা , এজন্য এটার এগেনস্ট আমাকে মামলা করতে হবে তাই মামলার আরজি কপি উঠাইতে হবে গেলাম সেখানে। জাস্ট একটা ছবি তুলে দেবে আমাকে বলতেছে ৫০০ টাকা লাগবে , যেহেতু আর অপশন নেই পরবর্তীতে ৩০০ টাকা দিয়ে করে নিলাম । শুধু জাস্ট উনি ভিতর থেকে দেখলাম ফাইলটা নিয়ে আসলো আমাদের জমিনের আমি সেই ফাইল এর থেকে আরজি এর একটা ছবি তুললাম। এই হল অবস্থা। আমি ওনাকে বিকাশে টাকা দিতে চাইলাম উনি হ্যান্ডকেস ছাড়া নিবে না।
দলিল রেজিষ্ট্রেশন এর জন্য দিতে হয়েছে। দলিল লেখকগন এই ডিল করেছেন। এই চক্র ভাংগা প্রায় অসম্ভব। এটাই নিয়মে পরিনত হয়েছে। দলিল রেজিষ্ট্রেশন এ অনলাইন আবেদনের ব্যবস্থা করতে হবে। গ্রাহক যে কোন স্থান হতে সঠিকভাবে দলিল লিখে অনলাইন আবেদনের মাধ্যমে জমা দিবে।
দলিল রেজিষ্ট্রেশন এর জন্য দলিল লেখক বলেন সাব রেজিস্ট্রার কে টাকা দিতে হবে। এটাই নিয়ম, এটা নাকি তার হকের টাকা। ভেতরের টিপ সহি দিতে গেলেও ১০০ টাকা দিতে হয়। এই অচলায়তন ভাঙার জন্য কঠোর পদক্ষেপ প্রয়োজন।
আমি জামালপুর শহরে এক খন্ড জমি কিনি। পরবর্তীতে নাম জারি করতে গেলে আমার নিকট ৫৮০০ টাকা দাবি করা হয়।যেখানে সরকারি ফি ১১৭০ টাকা এবং আমি সেটা পরিশোধ করি