মৃত্যু সনদ এবং উত্তরাধিকারী সার্টিফিকেট
আমার বাবা মারা যাওয়ার পরে আমি উনার মৃতু সনদ করতে গেলে আমাকে অনেকদিন ঘুরানো হয় এর পরে আমার কাছে টাকা দাবি করা হয় আমি দিতে বাধ্য কারণ আমার এই সনদের জন্য আমার গ্যাস অফিসের একটা কাজ আটকে ছিলো।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৮২ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার বাবা মারা যাওয়ার পরে আমি উনার মৃতু সনদ করতে গেলে আমাকে অনেকদিন ঘুরানো হয় এর পরে আমার কাছে টাকা দাবি করা হয় আমি দিতে বাধ্য কারণ আমার এই সনদের জন্য আমার গ্যাস অফিসের একটা কাজ আটকে ছিলো।
করাইকৃত জমি, যে বিক্রি করেছে পুনরায় সে আবার খারিজ করে নিয়েছে, কিভাবে খারিজ হয়েছে, সে জানে না, আমার এখন পুনরায় খারিজ করার জন্য তাকে টাকা প্রদান করা লাগতেছে, একান্ন হাজার দিয়েছি আরো লাগবে, কাজ শেষে আরো দুই লক্ষ টাকা দিতে হবে।
আমি পুলিশ হেডকোয়ার্টারে কর্মরত থাকাকালীন অফিসের প্রধান সরকারি উন্নয়ন বাজেট টাকা আত্মসাৎ করত অডিটরদের ১০% বা তাদের মোট যে অনুযায়ী স্যাটেল করত বিভিন্ন কিছু কেনা রক্ষণাবেক্ষণ বাবদ ১ হাজার কোটি টাকার উপরে বরাদ্দ আসে প্রায় দুই থেকে তিনশো কোটি টাকা তাদের পেটে যায়,, আর্মিতেও একই অবস্থা সকল বাহিনীতে বাহিনী প্রধানের এভাবে দুর্নীতি করে ,, সচিরা আরো বড় ধরনের দুর্নীতিবাজ একইভাবে তারা দুর্নীতি করে,, দিনশেষে কোটি টাকা লুটপাট করছে আমলারা,, দুদক আরো বড় দুর্নীতির জায়গা
প্রথমে মিস কেস করার জন্য এসিল্যান্ড অফিসে গেলে দ্রুত কেস নম্বর দেওয়ার কথা বলে ৩,০০০ টাকা দাবি করা হয়। ৩,০০০ টাকা দেওয়ার পর ৬ দিনের মধ্যেই কেস নম্বর পাওয়া যায় এবং তহসিল অফিসে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য পাঠানো হয়। তহসিল অফিসে কোন টাক বা টাকা না দেওয়ায় প্রায় এক মাস পর শুনানির তারিখ দেওয়া হয়। শুনানি শেষে তহসিলদার দেখা করতে বলেন। দেখা করলে ২,০০০ টাকা দেওয়ার পরও বলেন, “এতে কম টাকায় কাজ হয়।” এরপর অতিরিক্ত টাকা না দেওয়ায় আমার প্রতিবেদন প্রায় আড়াই মাস পর এসিল্যান্ড অফিসে জমা দেওয়া হয়। অভিজ্ঞতা থেকে মনে হয়েছে, চাহিদামতো টাকা দিলে কাজ দ্রুত হয়, আর টাকা না দিলে ইচ্ছাকৃতভাবে মাসের পর মাস ফাইল ঘুরতে থাকে।
NID (জাতীয় পরিচয়পত্র) করার জন্য নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় আবেদন করতে গিয়ে ফরমে স্বাক্ষর করানোর সময় আমাকে অতিরিক্ত ১০০ টাকা দিতে বাধ্য করা হয়েছে। অফিসের বাইরে বসে যারা আবেদনকারীদের ফরম পূরণ, লিখালিখি ও বিভিন্ন কাগজপত্রের কাজ করে দেন, তাদের মধ্য থেকে একজন ব্যক্তি এই ১০০ টাকা অতিরিক্ত হিসেবে দাবি করেন এবং গ্রহণ করেন।
প্রতিটা নামজারি র জন্য 5 থেকে 10 হাজার টাকা। ঘুষ দিতে হয়।
জন্ম নিবন্ধন করতে গেছি এটা এটা সমস্যা দেখা বলছে এটা হবে না পরে তিন হাজার টাকা নিয়ে করে দিছে
১৪৭ শতাংশ জায়গা নাম জারি করার জন্য যেখানে সরকারি খরচ ১১৭০ টাকা সেখানে দেড় লক্ষ টাকা দালাল প্লাস ভূমি অফিসে দেওয়া লাগছে, এরপর আবার ৩৫ শতাংশ জায়গার নাম জারি করার জন্য উপজেলা ভূমি অফিসে বিশ হাজার টাকা দেওয়া লাগছে তারা শতাংশে৫০০ টাকা ঘুষ নিয়ে থাকে
সরকার বেশি টাকা নিছে তাই বাড়তি
পাসপোর্ট পেতে গেলে দেয়া লাগবে
We asked for a registry paper. With proper information and documents. But still they asked for money.
পাসপোর্ট জমা নে না আলাদা মার্কা ছাড়া
ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য গিয়েছিলাম কিন্তু কোনোরকম পরীক্ষা ছাড়াই লাইসেন্স পাব এই মর্মে ৩০০০ টাকা চেয়েছিল
আমার পরিবার বিএনপি করে এই বলে টাকা দাবি।
০.৩৬ পয়েন্ট জমির নাম জারি করতে ভূমি অফিসে সকল কাগজপএ ঠিকঠাক জমা দিলেও নাম জারি বাতিল করে দেয় পরে আমার থেকে ওরা টাকা দাবি করে পরে আমি ঐ টাকা পরিশোধ করলে আমার নাম জারি সফল হয়।
Marriage certificate english korar jonno feni birinchi 5,6 no ward er kaji office e geachilam. Amar kache 9000 taka caichilo.ata korte khubh besi hole 1500 takai ses kora jaito.but koreni.
ফুলপুর উপজেলার বিপিডিবি সার্ভিসের কর্মকর্তারা বিশেষ করে অভিযোগ কক্ষের কর্মীরা (২ জন), আরই পদের দুইজন, কিছু লাইনম্যান কর্মীরা নতুন মিটার সংযোগ দিতে গেলে যেখানে মাত্র ১২৫০ টাকা সরকার মতে সরকারী নতুন বিদ্যুতিক মিটার সংযোগ দিতে প্রয়োজন। সেখানে কর্মকর্তারা ৩৫০০ টাকা,৪০০০ টাকা, ৫০০০ টাকা এমনকি ৬ হাজার পর্যন্ত টাকা দাবি করে। পরে এটি ৯৯৯ নম্বর জানানোর কথা বললে এটি ওরা বিভিন্ন তালবাহানা শুরু করে। যদিও একজন লাইনম্যানের মাধ্যমে ১৮০০ টাকায় মিটারটি উপজেলার ফুলপুর উপজেলায় আরই পরে এই নিয়ে কথা বললেন। বিপিডিবি নতুন বিদ্যুৎ মিটারের জন্য আমাকে ৩৫০ টাকা বেশি দিতে হয়। তবে লাইনম্যানকে ৫০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়।
বার বার কাগজ পাতি ঠিক থাকার পরেও ভুলে বলে ফেরত দিচ্ছে, গেটের বাহিনী দালাল বলছে ২০০০ টাকা দিলে কাজ করে দিবে।
আমি টাংগাঈল ডিস্ট্রিকের মির্জাপুর থানার বাঁশতৈল ইউনিয়ন পরিষদে গত সপ্তাহে একটি ওয়ারিশ সনদ তুলতে যায় এবং কম্পিউটার অপারেটরের কাছ থেকে সনদটি সংগ্রহ করে চেয়ারম্যানের কাছ থেকে স্বাক্ষর নিই।এতে করে আমার কাছে থেকে 300/টাকা নেওয়া হয়।পরবর্তীতে আমি ইন্টারনেট ঘেঁটে দেখতে পাই যে,এই ফি মাত্র 50-100/বেশী নয়।বাকি টাকা আমার কাছে থেকে আমার অজান্তেই ঘুষ হিসেবে নিয়ে নিয়েছে।ইউনিয়নের সচীব অবশ্য আমায় জিজ্ঞেস করেছিল ফি কত দিয়েছেন।আমি বলেছি 300/,এটি শোনে তিনিও আর কিছুই বললেন না।আর আমি সনদটি নিয়ে চলে আসি।এভাবেই দেশের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ঘুষের সিন্ডিকেট লুকিয়ে আছে।তবে কি এই দেশ দুর্নীতির কাছেই হেঁড়ে যাবে??
বিদেশি ভিসা এপ্লিকেশন এর জন্য আমার জন্ম নিবন্ধন এর ইংরেজি অনুবাদ প্রয়োজন ছিল। প্রথমে সেখানে করতে গেলে আমার কাছ থেকে ২০০ টাকা দাবি করা হয়। বলা হয় এটা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ফি। ২০০ টাকা আমি দেই। এরপর সাতদিন পর জন্ম নিবন্ধন আনতে গেলে আমাকে বলা হয় যে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় জন্ম নিবন্ধনকে আটকা আছে। ছাড়াতে হলে আরো ৫০০ টাকা লাগবে। আমি প্রত্যাখ্যান করে জন্ম নিবন্ধন টা না নেই। এবং খুলনা সিটি কর্পোরেশন এবং জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে একটি কমপ্লেইন ইমেইল লিখি। পরবর্তীতে আমাকে ওয়ার্ড অফিস থেকে ফোন করা হয় এবং বিস্তারিত নেওয়া হয় এবং ধমকানো স্বরে জানানো হয় যে জন্ম নিবন্ধন নিয়ে আসার জন্য। দুইদিন পর আমাকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে ফোন করা হয়। জানানো হয় যিনি টাকা চেয়েছিলেন তিনি পলাতক।