সিএস খতিয়ান এবং আর এস খতিয়ান
জেলা বরিশাল থানা বাকেরগঞ্জ কবাই ইউনিয়ন গ্রাম শিয়ালঘূর্ণী তফসিল অফিসে সিএস এবং আরএস খতিয়ান এর আবেদন করতে গেছিলাম কিন্তু ওনারা সাত হাজার টাকা দাবি করেছেন বলেছেন এটি তুলতে হলে ৭ হাজার টাকা লাগবে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ২০,৪৪৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
জেলা বরিশাল থানা বাকেরগঞ্জ কবাই ইউনিয়ন গ্রাম শিয়ালঘূর্ণী তফসিল অফিসে সিএস এবং আরএস খতিয়ান এর আবেদন করতে গেছিলাম কিন্তু ওনারা সাত হাজার টাকা দাবি করেছেন বলেছেন এটি তুলতে হলে ৭ হাজার টাকা লাগবে
আমার কিন্ডারগার্টেন স্কুলের ডিডি অফিস থেকে নিবন্ধিত কিন্তু নিয়মে আবার পাঠদান অনুমোদনের জন্য নতুন আবেদন করতে হবে উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে, সেখানে সংশ্লিষ্ট এটিও এবং টিইও এ টাকা টা পরোক্ষভাবে নিয়েছেন, কাজে বেশ হয়রানি করছেন।
টাকা ছাডা লাইসেন্স দেয় না। পরিসুদ করার পর সাইন করছি।
Nothing to do. I want to work done
আমাদের পইত্রিক জায়গা নামজারি করার জন্য জগাজগ করা হলে অনারা স্রুত করে দিবে বলে আই তাকা দাবি করে
মিউটেশন এর জন্যে প্রথমে তসিলদার টাকা নেয় পরে ভূমি অফিসে রেকর্ড কিপার টাকা নেয়
আমি কোম্পানীর কাজে কভার ভ্যান নিয়ে ঢাকা মেডিকেল সামনে আসি তখন অটোরিকশা গাড়ীর লুকিং গ্লাস ভেংগে ফেলেছে তার সামনের সিগন্যালে পুলিশ গাড়ী ধরে কাগজ পত্র সব কিছু ওকে ছিল কোন কিছুর সমস্যা ছিল না তার পর ও মামলা দিবে কিছুক্ষন তর্ক করি তারপর কিছু না ভেবে বলে আপনার গাড়ীর লুকিং গ্লাস নেই তাকে বলি কিছুক্ষণ আগে রিক্সায় ভেংগে দিয়েছে সামনের গ্যারেজে ঠিক করব। সে মানতে রাজি না বলে ৬০০০৳ মামলা হবে আমার কাগজ রেখে দিয়েছে পরে কনস্টেবল এসে বলে স্যারকে আমি বুঝিয়ে বলতাছি ১৫০০৳ টাকা দেন তখন বললাম ভাই আমার কাছে টাকা নাই সে বলে তাহলেতো কিছু করার নাই মামলা হয়ে যাবে।প্রায় ১গন্টা গাড়ী দাড় করিয়ে রেখেছে শেষমেশ বাধ্য হয়ে ১০০০৳ দিয়েছি।
নবনির্বাচিত ইউনিয়ন পরিষদ মেম্বার একটা পানির কল আমাকে পাইয়ে দেবে আশ্বাস দিয়ে নগদ ২০ হাজার টাকা নিয়েছে আজ পর্যন্ত না পানির কল পেয়েছি না টাকা ফেরত পেয়েছি কারো কাছে বলতেও পারতেছি না সরকার পরিবর্তন হয়েছে তাদেরও রূপ পরিবর্তন হয়েছে
আমার অনুরোধটা হল কোন একটা রোগী যদি চট্টগ্রাম সরকার হাসপাতালে যায় প্রথম তার থেকে তলির জন্য গুষ্দি তে হবে তারপর কোন একটা নার্স যদি যেকোনো কাজের জন্য ডাকা হয় তারা তো বিয়ে করবে যে ওইটা দেখলে মনে হয় এরা দেশের প্রধানমন্ত্রীর কেউ রিলেশন হবে আর ওখানে খাওয়ার এগুলো হচ্ছে রোগীকে আরো অস্বস্তিকর করে তুলে এসব বিষয় নিয়ে একটু যদি যাচাই করতেন তাহলে অনেক নিরীহ মানুষের জীবনটা বেঁচে যেত কারণ হসপিটালের আশেপাশে সভা হচ্ছে দালাল
দাদার নাম থেকে নিজের নামে ওয়ারিশ সূত্রে রেকর্ড করার কাজ করার জন্য।
যে কোনো বিল ফেলে রাখে, যারা টাকা দেই তাদের বিল পাশ করে, নাহলে ফেলে রাখে, সরকারী দালালদের মাধ্যমে টাকা দিলে পাশ করে, ঘুষ যেন তাদের মৌলিক অধিকার. যে কোন বিল এ 5% ঘুষ দিতে হয়, নাহলে বাতিল করে তালবাহানা করে
NGOAB-র অডিট বিভাগ অডিট ছাড়পত্রের জন্য টাকা চেয়েছে। NGOAB-র অডিট বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তার কর্মকর্তার মাধ্যমে "সালাম" জানিয়ে অডিট রিপোর্টের ছাড়পত্রের জন্য ২০,০০০/- টাকা চেয়েছেন। আমরা টাকা পরিশোধ না করলে, তারা আমাদের অডিট ছাড়পত্র দেবে না।
এনওসি দেওয়ার জন্য উনি আমার কাছে টাকা চায় তখন আমি টাকা দিতে অস্বীকার করায় উনি এনওসি টা দেয়নি
আমি বিগত একমাস যাবত বেশ কয়েকবার চেষ্টা করেছি অনলাইনে ফ্রি পরিশোধ করে আবেদন করার জন্য কিন্তু বারবারই আমি ওটিপি চাই পোর্টাল থেকে আমাকে ওটি পি প্রদান করা হয় না, ওটিপি আমার মোবাইলে আসে না তাই লেনদেন সম্পূর্ণ করতে পারিনি।এমতাবস্থায় আমি নিরুপায় হয়ে দালালের সাথে যোগাযোগ করি সে আমার থেকে ৬ হাজার টাকা দাবি করে এবং আমার লাইসেন্সের নবায়নের এটা দিতে বাধ্য করা হয়েছে। এখানে আমার কাছে যেটা মনে হয়েছে ওদের ওয়েবসাইটে কোন হ্যাকার আছে যে ওটিপিটা গ্রাহকের কাছে পাঠাতে বাধা প্রদান করে।
টাকা চাওয়ার পরে আমি কিছু টাকা দিয়েছি, কাজ করতেছে ,টাকা আরো দিতে হবে।
ঢাকা জাজ কোর্ট এর ভিতর যত গুলো কোর্ট আছে সব গুলো কোর্টে, প্রতিটা হাজিরার জন্য ১০০/২০০, প্রতিটা পিটিশন (টাইম পিটিশন) এর জন্য ১০০/২০০ টাকা দিলে তা মঞ্জুর হয়ে যায়, এটা ভালই টাইম নষ্ট হয় না করো। সবার জন্যই সুবিধা জনক। টাকা দিলে যে কোন মামলার তারিখ আগে পরে করা যায়। সবচে বড় সমস্যা হলো জিআর শাখার পুলিশরা, ওরা কোন কাজ টাকা ছাড়া করতে চায় না। একজন আসামি জামিন পেলে তার জন্য জামিন এর বেল বন্ড ছাড়তে হয়। আর ওই বেল বন্ড যদি জিআর এর পুলিশ এর কাছে হস্তান্তর করতে হয় তাহলে তাকে ৫০০/৬০০ টাকার মতো ঘুস দিতে হয়। একজন আসামিকে বেল করাতে ঘুষের পিছনে ১০০০/১৫০০ টাকা দিতে হয়। কোনও মামলার নথি কপি করার জন্য আনতে গেলে ২০০/৩০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়। হাই কোর্ট এর বেল এর পিছনে ২০০০/৩০০০ টাকা পর্যন্ত ঘুষ দিতে হয়।
টাকা দিয়ে কাজ করিয়া ফেলেছি। কোন প্রমাণ নেই। নাহলে ত কাজ হবে না।
বিদেশ গমণ এর জন্য ফিঙ্গার দেওয়ার জন্য যাই অনলাইনে আবেদন করা ছিল। এবং তারিখ অনুযায়ী আমি ফিঙ্গার দিতে যায়, তখন ঐ খানে কমর্রত ব্যক্তি বলে অরিজিনাল আইডি কার্ড নিয়ে আসতে আমি বল্লাম আমার আইডি কার্ড এখনো হাতে পাইনি। আমার কাছে অনলাইন কপি আছে। আপনি চাইলে অনলাইনে দেখতে পারেন। তখন তিনি বলেন হবে না একপর্যায়ে তিনি আমার কাছে ১০০০ টাকা দাবী করেন পরে আমি হয়রানি সীকার হয়ে ৫০০ টাকায় রফাদফা করি।
জমির খারিজ এর জন্য ভূমি অফিস-এ 1000/1200 taka এর জয়গাই 6000-15000 taka দাবি করেন। অফিস-এ নায়েব তার সাথে অবৈধভাবে বহিরাগত লোকজন রাখেন এবং টাকা না দিলে কাজ করেন না, এবং তারা টাকা ভাগ করে নেন ! বাংলাদেশের ইতিহাস জুড়ে আমি সবসময় এমনটা ঘটতে দেখেছি এখানে, এর কখনো শেষ হয়নি, কেবল শুরু হয়েছে এবং চলমান । আর আসন্ন মেয়র নির্বাচনও একটি সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না। এখন বিষয়টি পরিষ্কার। বাংলাদেশ আগেও ভালো ছিল না, আজও ভালো নেই।
Permanent registration neyar somoy amar kache 5000 taka dabi kora hoy , pore 2 hajar taka chay , ami na diye director ke request kore ghush chara kaj koriye niyechi