তৈরি করতে
আমি চাকরি চট্টগ্রামে। তাই আমার ছেলের পাসপোর্ট বানাতে। বগুড়া মানুষ চট্টগ্রামে কে। এই জন্য ২ দিন ফেরৎ দেয় । যেখানে চাকরি করি সেখানকার ইউনিয়ন পরিষদে সার্টিফিকেট চাই নতুবা দালালের মাধ্যমে ৩৫০০ টাকা দাবি করে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি চাকরি চট্টগ্রামে। তাই আমার ছেলের পাসপোর্ট বানাতে। বগুড়া মানুষ চট্টগ্রামে কে। এই জন্য ২ দিন ফেরৎ দেয় । যেখানে চাকরি করি সেখানকার ইউনিয়ন পরিষদে সার্টিফিকেট চাই নতুবা দালালের মাধ্যমে ৩৫০০ টাকা দাবি করে।
একটা চাকরি আবেদন করার জন্য একটি প্রত্যয়ন পত্র দরকার। পরে যোগাযোগ করা হলে অনেক বার ডেট পরিবর্তন করে কিন্তু দেয়না। পরে জানতে পারি ২০০/- টাকা দিলেই পাওয়া যাবে।এরপর টাকা দিয়ে নেওয়া হয়েছে প্রত্যয়ন পত্রটি। এখন আমার প্রশ্ন টাকা কেন লাগবে?
আমার বর্তমানে জমি খারিজের দুইটি আবেদন রংপুর মহানগর সার্কেল অফিসে পেন্ডিং অবস্থায় রয়েছে। যদি ৪০০০ টাকায় ঘুষ দিয়ে দেই তাহলে কাজ দু-তিন দিনের মধ্যে হয়ে যাবে, আমি টাকা দেয়নি বলে আমার কাজটি প্রায় চার মাস ধরে পেন্ডিং রয়েছে। কি আর করা অপেক্ষায় আছি। আবার বেশিদিন পেন্ডিং হয়ে গেলে ওরা ছলে বলে কারণ দেখে নামঞ্জুর করে দেয়, আবার নতুন করে আবেদন করতে বলে। বেশি দিনের পুরনো ফাইল অ্যাপ্রুভ করলে পারফরমেন্স রেকর্ড খারাপ হয়ে যায়। ভূমি অফিসের এই দুর্নীতি থেকে পরিত্রাণ চাই।।
তখন পুলিশ পুলিশ ভেরিফিকেশন সিস্টেম চালু ছিল। আমার পরিবারের পাঁচজনের পাসপোর্ট বানাতে পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য এক হাজার চ্যানেল ফি নামে পনেরশত প্রতি জনের।
এলজিইডির আওতায় কনস্ট্রাকশন এর কাজে প্রায় অনেক শহরে কাজ করেছি, এসব কাজে ঘুষ ছাড়া কাজ বন্ধ করে দেয়, ঢালাই বন্ধ করে দেয়, ঠিকাদারের বিল আটকায়। টাকা দিলে ভুল কাজও ঠিক হয়ে যায়। টাকা না দিলে সঠিক কাজেরও ভুল ধরে অনেক হয়রানি করায় দায়িত্বে থাকা কর্মচারী, কর্মকর্তারা। পাশাপাশি সড়ক বিভাগ, পানি উন্নয়ন বোর্ড, জনসাস্থ প্রকৌশল এসব বিভাগে নিরবে প্রতিদিন কোটি কোটি টাকা ঘুষ আদান প্রদান হচ্ছে, যা খতিয়ে দেখা উচিৎ।
দশ হাজার টাকা না দিলে খাজনা জমা নিবেন না। খাজনা জমা না দিলে আমার জমির সামনে রেলের জমি অন্য কাউকে উচ্চমূল্যে বন্দোবস্ত দেওয়া হবে। সেক্ষেত্রে আমার বাড়ির যাতায়াত পথ বন্ধ হবে এবং অন্য একজন এখানে সাময়িকভাবে বসবাস করবে। বাধ্য হয়ই দশ হাজার টাকা দিয়েছি।
আমার ছেলে ডাক্তার। তার বদলীর জন্য ৫০০০০০ টাকা দাবি করেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্ত গেলে প্রতিদিন এরকম শত শত ঘটনা জানা যাবে। তবে আড়াল থেকে দেখতে হবে।
পেনশনভোগীর মৃত্যুর পর নমিনি পরিবর্তন, ৬০০০ টাকা দিয়ে কাজ করেছিলাম। এরিয়া বিল ১৩৫০০ উত্তলনের জন্য ৩০০০ টাকা দাবি ছিল। ২০০০ টাকা দিয়েছি। বাকি ১০০০ টাকা না দেওয়ার কারণে আজ ১ বছর ২মাস হওয়ার পর ও এরিয়া বিল পায়নি।
আমি আমার psc এর সার্টিফিকেট কারেকশ করার জন্য উপজেলা শিক্ষা অফিসারে নিকট সব ডকুমেন্টস জমা দিয়েছি।অফিসারের পিওন সার্টিফিকেট সংশোধন শেষে আমার কাছে ১০০০ টাকা চায়,আমি জানতাম না এটার জন্য যে আলাদা কোনো টাকা দিতে হয় না,পরে ওনি বের হবার সময় বলে, এই টাকা যে দিয়েছেন কাউকে বলবেন না।তখন আমি বুঝতে পেরেছি আসল টাকা টা ঘুষ হিসেবে নিয়েছে। আমি আগে বুঝতে পারলে ভিডিও রেকর্ড রাখতাম। এর পর আমি আরো কোনো ঝামেলা করিনি কারণ এর জন্য আমার আরো গুরুত্বপূর্ণ কাজ ডিলে হচ্ছিলো।
চাঁদপুর থেকে লঞ্চে সদরঘাটে আসার পর কুলিরা ব্যাগ নামাতে বাধা দেয় এবং জোর করে ১০,০০০ টাকা দাবি করে। আমরা প্রবাসে রক্ত পানি করে যে কষ্টার্জিত টাকা পাঠাই, সেই রেমিট্যান্সের টাকায় দেশ চলে; অথচ আজ নিজের দেশেই আমাদের কোনো নিরাপত্তা নেই, পদে পদে ঘুষ দিতে হয় এবং হয়রানির শিকার হতে হয়! জুলাইয়ের রক্তক্ষয়ী ছাত্র-জনতার আন্দোলন ও ত্যাগের পর দেশের মানুষের মনে যে পরিবর্তনের আশা জেগেছিল, সদরঘাটের এই চিত্র দেখলে মনে প্রশ্ন জাগে—আমরা আসলে কোন দেশে বাস করছি? সদরঘাটের এই চাঁদাবাজরা আসলে এক ধরনের সন্ত্রাসী গ্যাং, যাদের পেছনে বড় বড় নেতার হাত রয়েছে এবং শক্তিশালী সিন্ডিকেট তৈরি করে রেখেছে বলেই এদের সহজে উচ্ছেদ করা যায় না। আমি গরিব মানুষ এত টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা আমার গায়ে হাত তোলে, ধাক্কা দেয় এবং চরম অপমান ক
আমার প্রতিষ্ঠানের কয়েকটি আলাদা আলাদা ফায়ার লাইসেন্স এর সরকারী ফি ভ্যাট সহ ৩৫০০০০ টাকা ২০২৬ সালে নির্ধারিত হয় যা আগে ৬০০০০ টাকার মধ্যেই পরিশোধ করা যেতো তবে সরকার এই বছর ফি বাড়ানোর কারনে কারখানা চালানর জন্য নতুন ফি দিতে রাজি হয়েছি কিন্তু উক্ত লাইসেন্স নবায়নের জন্য ৬০০০০০ টাকা দাবী করা হলে দেন-দরবার এর পর ৪৫০০০০ টাকা দিয়ে লাইসেন্স নবায়ন করতে বাধ্য হই। অন্যথায় মামলা সহ কারখানা বন্ধ করে দেয়ার জন্য ঠাণ্ডা ভাষায় ভয়-ভীতি মূলক হুমকি প্রদান করা হয়।
নামজারি করতে গিয়েছিলাম ৫ হাজার টাকা দাবি করে
I applied for correction NID by online because without NID can’t renewal passport now. Head office election office agorgon floor no-7 room number 701. still pending my application. Thay will asking money 85000 taka for approved.
আমাদের জমি ১/১ খতিয়ানে চলে গিয়েছে। আদালতে মামলা করে রায় পেয়েছি। রায়ের কপি নিয়ে রেকর্ড সংশোধন করে নামজারি করতে ব্রাহ্মণপাড়া এসিল্যান্ডের কাছে গিয়েছিলাম। তিনি ইউনিয়ন ভূমি অফিসে কথা বলতে বললেন। সেখানে গিয়ে তহসিলদারের সাথে আলোচনা করলাম। তিনি জানালেন ১৬ শতক জমির জন্য ১৬ লক্ষ টাকা লাগবে। নয়তো রেকর্ড সংশোধন করে নামজারি করে দিবে না।
পাসপোর্ট করতে নাম ঠিকানা ফোন নাম্বার সব ঠিক থাকলেও অপশনাল বাড়ির হোল্ডিং নাম্বার লিখিনি বলে ২০০০ টাকা দাবি না দিলে হবে না কিন্তু নিম্ন ১৫০০ হলে কাজ করে দিবে বলে আমার কাজ লাগবে, তাই উপায় না পেয়ে দিতে বাধ্য হই এটা পাসপোর্ট অফিসের নিচেই চলে আর পাসপোর্ট অফিসার বলে কেউ টাকা চেয়েছে কিনা? টাকা চাইলে দিবে না তার আন্ডারেই চলে, কিন্তু সে ভালো সাজে
ঘুষ নিয়ে ভূল তথ্যের পাসপোর্টও অনুমোদন দিয়ে দিচ্ছে আর যাদের সবকিছু ঠিক আছে তাদেরও টাকা ছাড়া হয়রানি করাচ্ছে একের পর এক তারিখ দিতেই আছে । সাধারণ মানুষ তাদের সেবা নিতে পারতেছেনা।
৫০০০ টাকা চেয়েছিল আমি টাকা দিতে অস্বীকার করেছি সেই জন্য আমার নাম জারিটা হয়নি
আমাদের গাড়ি কোনো এক মামলায় ময়মনসিংহ কোতোয়ালি থানায় আটক ছিল। আমরা আদালতে সমস্ত প্রমাণ ও প্রক্রিয়া শেষ করে আদালতের রায় পাই আমাদের গাড়ি ছেড়ে দেয়ার জন্য। কিন্তু থানায় কোনো কারণ ছাড়াই ৩০০০০ টাকা দাবি করা হয়। অনেক রিকোয়েস্ট এর পর আমরা ১০০০০ টাকা দিতে বাধ্য হই। এর পর আমাদের হাতে গাড়ি দেয়া হয়।
বাহিরের দালালের মাধ্যমে করতে হয়েছে
২০১৬ সালের কথা, বাবা যেখানে চাকরি করতো তার নাম শুনলে সবাই ভয়ে কাপতো, সমীহ করতো, সেটা হাইকোর্ট। তবে পেনশন এর পর এজি অফিসে গিয়ে দেখি উলটো চিত্র। সেখানে সবাই টাকা কেই সমীহ করে। অনেক দিন ঘোরাঘুরি চেষ্টা করেও যখন লাভ হচ্ছিলো না। একজন অবসরপ্রাপ্ত কলিগ বললেন টাকা ছাড়া হবে না। তখন কয়েক টেবিল মিলিয়ে ৫০হাজার টাকা বিলিয়ে পেনশন এর চেক পাওয়া গিয়েছিলো। আমি বাবাকে বলেছিলাম গোপনে ভিডিও করি। তিনি কোনো উত্তর দেন নাই।