পেনশন সংক্রান্ত কাজ
আমাকে বলা হয়েছিল, অডিট ফেস করার জন্য ভবিষ্যতে লাগবে।
২০১৬ সালের কথা, বাবা যেখানে চাকরি করতো তার নাম শুনলে সবাই ভয়ে কাপতো, সমীহ করতো, সেটা হাইকোর্ট। তবে পেনশন এর পর এজি অফিসে গিয়ে দেখি উলটো চিত্র। সেখানে সবাই টাকা কেই সমীহ করে। অনেক দিন ঘোরাঘুরি চেষ্টা করেও যখন লাভ হচ্ছিলো না। একজন অবসরপ্রাপ্ত কলিগ বললেন টাকা ছাড়া হবে না। তখন কয়েক টেবিল মিলিয়ে ৫০হাজার টাকা বিলিয়ে পেনশন এর চেক পাওয়া গিয়েছিলো। আমি বাবাকে বলেছিলাম গোপনে ভিডিও করি। তিনি কোনো উত্তর দেন নাই।
আমাকে বলা হয়েছিল, অডিট ফেস করার জন্য ভবিষ্যতে লাগবে।
আমার ভ্রমণ ভাতার বিল করতে গিয়ে এই অর্থ দাবি করা হয়। তখন জানতে পারি হিসাবরক্ষণ অফিসে যেকোন বিল করতে বিলের ৫ শতাংশ অর্থ দিতে হয়।
ময়মনসিংহ হিসাব সংরক্ষণ অফিসে ৫% ঘুষ ছাড়া টিএডিএ বিল পাশ করে না। আমাদের সরকারি কর্মকর্তাদের অনেক বিল ৫% টাকা ছাড়া বিল পাশ করে না।
বদলীর জন্য LPC দরকার হয়। সেজন্য সময়ক্ষেপণ করা হয়। কারন জানতে চাইলে ২০০০ টাকা চাওয়া হয়। আমার জরুরি প্রয়োজন বিধায় টাকা দিতে বাধ্য হই।
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।