মালিকানা ট্রান্সফার
গাড়ির মালিকানা ট্রান্সফার করার ক্ষেত্রে বাধ্যহয়ে সিস্টেম এ দিতে হয়েছে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
গাড়ির মালিকানা ট্রান্সফার করার ক্ষেত্রে বাধ্যহয়ে সিস্টেম এ দিতে হয়েছে
আমরা নতুন বাড়ি করেছি, সেখানে বিদ্যুৎ পেতে একটা পোল দরকার, আবেদন করতে গেলে ২৫০০০ টাকা দাবি করেছে। টাকা নেই তাই আজ ২ বছর হলো এখনো বিদ্যুৎ পাইনি। আমার বাড়ি বরগুনা জেলা,বেতাগী উপজেলা, উত্তর চান্দখালী গ্রাম। এখনো বিদ্যুৎ পাইনি।
সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের চক্ষু বিভাগের আউটডোরে ডাক্তার দেখাতে গেলে সেখানে ফর্সা একজন লোক কম্পাউন্ডার সম্ভবত মধ্যবয়সী একজন লোক চা নাস্তার জন্য টাকা চায়। অনিচ্ছাসত্ত্বেও দিতে হয়। তিনি টাকাটি নেন তার টেবিলের পেছনে কিচেনরুমে ডেকে নিয়ে। টাকাটি তিনি নিজের হাতে নেন নি, একজন খালাকে দেখিয়ে বলেন চা নাস্তার জন্য কিছু দেন।
নোয়াখালীর চৌমুহনী ভূমি উন্নয়ন কর প্রদান করার জন্য যথারীতি অনলাইন আবেদন করি। অনলাইন আবেদনটি অনুমোদন এর জন্য চৌমুহনী পৌর ভূমি অফিস এ গেলে সেখানের কর্মকর্তা ও সহযোগীরা নানা রকমভাবে বলতে লাগলো এখানে অনুমোদন দিলে প্রায় ৪০০০০ টাকা আসবে। নানারকম ভাবে তারা ইশারা ইঙ্গিতে বোঝালো অন্যভাবে আসেন! অগত্যা তৃতীয় ব্যক্তি সেটা ৩০০০০ নিয়ে অনুমোদন দিলো, দেখা গেল খাজনা রশিদ ১২০০০+ দিয়েছে। এই হলো এদেশের সরকারি সেবাখাতগুলোর সেবাদানের নমুনা। সরকারি যত সেবা কার্যালয়ে আমাদের যেতে সর্বত্রই কতগুলো ঘুষখোর চোর ছ্যাঁচড় বসে আছে।
আমার বাড়ি সরিষাবাড়ী জামালপুর।আমার একটি ক্রয় জমি অনেকদিন যাবত ভূত দখল করে আসতেছি। গত বছর তা খারিজ এবং নাম জারি করতে গেলে ভুলবশত অন্য কারো নামে আমার জমিটি খারিজ করা হয়েছে। পরবর্তীতে ইউনিয়ন পর্যায়ের ভূমি অফিসে গিয়ে যাওয়ার পর উনারা আমাকে কয়েক সপ্তাহ ঘুরায়। কিছু না পেরে ১০০০ টাকা দিয়ে আমি আমার জমির প্রতিবেদন উপজেলা ভূমি অফিসে প্রেরণ করি। সরকারি নির্দেশনা মতে আমার জমির ভুল নাম জারি সংশোধন হওয়ার কথা এক মাসের মধ্যে। কিন্তু এখন ৬ মাস হয়ে যাওয়ার পরেও তারা কোন উদ্যোগ নেয়নি। কারণ আমার কাছে বাড়তি টাকা চেয়েছে আমি তা দিতে রাজি হইনি। আমাকে বলা হয়েছে দুই বছর থেকে তিন বছর পর্যন্ত সময় লাগবে। এখন আমি তাদের অফিসে অফিসে ঘোরাঘুরি করতেছি কিন্তু টাকা দেইনি।
বিআরটিএ তে আমি সম্পূর্ণ ভাবে লাইট ভেহিকল ড্রাইভিং পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পরে আমাকে পাশ দেখানো হয়। কিন্তু বাসায় এসে দেখি মেসেজে আমাকে ফেল দেখানো হয়েছে। পাশ দেখানোর কাগজ আমার কাছে এখনো আছে। পরবর্তীতে বুঝতে পারি, দালালকে ১০,০০০ টাকা না খাওয়ালে নাকি লাইসেন্স পাওয়া যায় না। অবশ্য আমার ৬৫৩ টাকা মোট আবেদন করতে গিয়েই লস গিয়েছে।
পুলিশের মেজর, আর আই, বা বিভিন্ন অফিসের লোক ভুক্ত ভোগি পুলিশের কাচ থেকে টাকা দাবি করে পুলিশ হয়ে পুলিশের কাছে ঘুষ দাবি করে
ফায়ার সার্ভিস অফিসের একটা কাজ ও হয়না টাকা ছাড়া
না দিলে প্রথম চাকুরির যোগদানে বেতন চালু প্রক্রিয়া চালুতে জটিলতা সৃষ্টি করতেছিলো। তাই আমাদের সাথে যোগদান করা সবাই দিতে বাধ্য হলো।
ওমরা হজ্জে য়াওয়ার জন্য সরকারি চাকুরী জীবিদের জন্য পুলিশ তদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার জন্য, তাদের হাত খরচের জন্য ১০০০ টাকা দাবী করেন এবং ১০০০ টাকা পরিশোধ করা হয়।
আমার জীবনের সবচেয়ে কষ্টের দিন, আমার ছোট ছেলে বয়স ১ বছর ৩ মাস। হঠাৎ করে গরম পানিতে ডান হাত পরে ঝলসে যায় সাথে সাথে, আমি এবং আমার স্রী সাথে সাথে সদর হাসপাতালে নিয়ে যাই মটর সাইকেল করে, তখন সন্ধ্যা ৬.৩০ মি. ইমারজেন্সি ডা. কোন রকম ভাবে দেখে দালাল দিয়ে ওটিতে পাঠান সে খানে আমার ছোট মাসুম বাচ্ছাকে কি যে কষ্ট দিয়েছেন আমার সামনে দমকানো আমার কাছ হতে ২০০০/- টাকা নিয়ে পোড়ার ব্যন্ডিস কিনার কথা বলে কোন ব্যন্ডিস না দিয়ে হাতে সাধারণ গজ দিয়ে ব্যন্ডিস করে দেয় হারামিরা, পরে আমার কাছ হতে আবারও ৭০০/- নেয়, পরে ৩ তিন দিন পরে হাতের ব্যন্ডিস খুলে দেখি কোন প্রকাররব্যন্ডিস নেই হাতের অবস্থা খুবই খারাপ আপনারা আমার ছোট বাবুর হাতের ছবিটা যদি দেখতেন কেউ না কেঁদে থাকতে পারতেন না, ছবি দিব কি ভাবে। আমার দুঃখ।।
এডহক কমিটির গঠনের জন্য শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচন করার জন্য, কেরানি নিয়েছে ১০০০ টাকা
আমি টাকা না দিলে আমাকে পেনশনের প্রাপ্য কম করে দিবে। আমার বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা সঠিক ভাবে দিবেন না।
আমি আমার লাইসেন্সটি রিনিউ করার জন্য আবেদন করি কিন্তু তা হচ্ছে বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে বাতিল করছিলো তারপর একজনের সহায়তায় ৪০০০ টাকা দিয়ে তা করতে সক্ষম হয়েছি।
আমি একা ৩ টা নামজারি মামলার শুনানি করতে গেছি। আমার ৩ জন ভিন্ন ভিন্ন মক্কেল এর। কানুনগো অফিসার বলল আপনি অন্য কার ও প্রতিনিধি হয়ে শুনানি করতে পারবেন না। মক্কেল নিয়া আসেন। ফেরত এসে বাহিরে অন্য এক লোকের কাছে আলোচনা করতেই সে বলল আমার কাছে ৬০০০ টাকা দেন করে দেই। তাতপর ঠিক আমার কাজ হয়ে গেল
পাসপোর্ট রি-ইসূ করতে বর্তমানে যে কোনো জেলা থেকে করা গেলেও আমার কাগজ জমা নিচ্ছিলো না। আমার পাসপোর্ট এক জেলার আর রি-ইসূ করতে দিয়েছিলাম অন্য জেলায়। পরে দালালের মাধ্যমে করিয়েছি।
একটি শালিস বৈটকে চ্যায়ারম্যান বলে আমাদের সমস্যা নাকি থানার ওসি অবগত হয়েছে। এখন সম্পর্ণ বিষয়টি ও হেন্ডেল করবে। বিষয়টি ছিল একটি ছেলে মেয়ে রিলেশনের সমস্যা ছেলেটির বয়স নি এবং মেয়ের বাবা এই বিষয়ে দিতে তেমন আগ্রহ না কিন্তু চ্যায়ারম্যান বিষয়টি গোলাটে করে টাকা ঘুষ গ্রহণ করে।
monthly 2 Month deyaoar por akhon r dichina but always pressor diche
কর অঞ্চল চট্টগ্রাম আগ্রাবাদ সিডিএ। প্রতিষ্ঠান টি তে একটা নোটিশ নেওয়ার জন্য কল দিলে সেই কাগজ টা যখন আনতে যাওয়া হয় তখন ঐই পদে থাকা ব্যক্তি (২০ গ্রেড, নোটিশ সার্ভার) প্রদান করেন তিনি বেনসন সিগারেট এবং চা নাস্তা বাবদ ১০০০ টাকা দাবি করেন। তাঁকে যখন ঘুষ দিতে অস্বীকার করা হয় তখন তিনি অফিসের বাইরে নিয়ে গিয়ে খুবই বাজে ব্যবহার করেন এবং কাগজে সমস্যা আছে এখন দিতে পারবে না বলে জানিয়ে দেন। পরবর্তী তে তার মোবাইলে কল দিলে তিনি আগ্রাবাদ সিজিএস কলোনীতে দেখা করতে বলেন এবং আগে টাকা দাবি করে । পরে তাঁকে অনুরোধ করি টাকা কমায় নেওয়ার জন্য তখন তিনি বলেন এটা অফিসারকেও ভাগ দিতে হবে, কম দিলে তার ভাগে কিছু থাকবে না। তাই বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয় তাঁকে ১০০০ টাকা। এরপর তিনি কাগজ বুঝায় দেন।
এটা হর হামেশাই হয়ে থাকে,। ঔষধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের কাছ থেকে জোর করে আউটারে যাওয়ার নামে, পিকনিক করার নামে। ইফতার পার্টি করার নামে। পরিচালকেরা প্রতি কোম্পানি থেকে কম করে লাখ টাকা দাবি করেন। (বড় কোম্পানি থেকে আরো বেশি) টাকা না দিলে ডাক্তারদের সাথে দেখা করা ভিজিট করা বন্ধ থাকে। এই ঘুষ বন্ধ করার সাধ্য কার??? আওয়ামী লীগের সময় স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ। এখন বিএনপির সময় ড্যাব। কারো নাম বলে কাউকে ছোট করছি না।