জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস brahmonbaria
জন প্রতি ২০ টাকা করে প্রতিদিন প্রত্যেকে ফিঙ্গার দিলে দিতে হয়। আনুমানিক প্রতিদিন ৬,০০০ টাকা করে অফিস এর ঠিকানা জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১৮ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
জন প্রতি ২০ টাকা করে প্রতিদিন প্রত্যেকে ফিঙ্গার দিলে দিতে হয়। আনুমানিক প্রতিদিন ৬,০০০ টাকা করে অফিস এর ঠিকানা জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস
আমার একজন আত্মীয় অসুস্থ হয় তাকে নিয়ে যাই সদর হাসপাতালে সেখানে বেড এ ভর্তি করাই, একদিন থাকার পর পরের দিন ফাইনাল রিপোর্ট দিবে ডাক্তার ছাড়পত্র সে টা নিতে ৩০০ টাকা দাবি করে এবং আমাকে অপ্রক্ষা করতে বলে অন্যের জায়গায় সে রিপোর্ট নিয়ে আসে অনেক দেরিতে আর পরে বুঝতে পারলাম ওরা দুর্নীতি করছে তখন জোর করে টাকা নেয়
নোয়াপাড়া, ভুমি অফিসে কর্মরত কর্মচারী, আমার কাছে টাকা দাবি করেন, ১২ হাজার, টাকা দিতে অস্বীকার করলে সে বলে এই দাগে সমস্যা ওই দাগে সমস্যা, অথচ সব কিছু ঠিক ছিলো আমার কাগজে। এক কথায় ভুমি অফিসে টাকা ছাড়া কোন কাজ হয় না!
ড্রাইভিং লাইসেন্স এর পরিক্ষায় আমার ভালো প্রস্তুতি থাকা শর্তেও স্থানীয় বিআরটিএ কর্মকর্তা ও পরিক্ষক আমি সহ সকল পরীক্ষার্থীকে ভয় ভীতি দেখায় ফেল করিয়ে দিবে। এই ভয়ে সকল পরীক্ষার্থী ৩৫০০ করে টাকা ঘুষ দেয়। আমিও দেই। খোঁজ নিয়ে জানলাম এখনো এই লেনদেন চলমান আছে।
জন্মনিবন্ধনের নাম সংশোধনের জন্য ৩০০০ টাকা চাওয়া হয়। আমি যা দেইনি।
উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়, রহনপুর, গোমস্তাপুর, চাঁপাই নবাবগঞ্জ। এখানে গেছিলাম মূলত, সরকার কতৃক প্রদত্ত বিভিন্ন বড় বড় রোগের জন্য ৫০,০০০ টাকা প্রদান করা হয়। সেই টাকা পাওয়া জন্য সমাজসেবা অফিস থেকে আবেদন করতে হয়। আমার মায়ের ক্যান্সার, অনেক টাকা খরচ হয়। কিছু টাকা পাওয়া আশায় সেখানে যায়। অফিসে যাওয়ার পর, দায়িত্বরত কমকর্তা জানায়, আপনাকে ৫০,০০০ টাকা পাওয়ার ব্যবস্থা করে দিবো, কিন্তু আমাকে ৫,০০০ টাকা দিতে হবে, বিষয়টা অতি গোপনীয়। ব্যাধ্য হয়ে তাকে আমাদের সেই টাকা থেকে ৫ হাজার টাকা দেওয়া লাগে। একজন ক্যান্সার আক্রান্ত মানুষের টাকার জন্য ষুষ দেওয়া লাগে। উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়,রহনপুর, গোমস্তাপুরে।
মার্ক শীট সার্টিফিকেট বা অন্য কোনো কাগজ তুলতে গেলে ওদেরকে চা খাওয়ার মিষ্টি খাওয়ার টাকা দেওয়া লাগে। আমরা তো চাকরি করি না। টাকা কই পাবো? ওরা যে টাকা চায় এটা তো অবৈধ।
Even though I had paid all my taxes correctly and on time, my tax lawyer informed me that my file had been selected for an audit. He warned me that if we did not resolve the matter immediately, it could lead to an official legal case with severe consequences. Initially, I ignored his warnings, but he eventually pressured me into a corner. He suggested that negotiating an informal payment would be the best way to protect my file and avoid litigation. Ultimately, I fell into the trap and agreed to a settlement of 100,000 BDT to ensure my file remained secure.
দেশি প্রজাতির আম জাম কাঁঠাল কদম তুলা ইত্যাদি গাছ, এবং গাছের লাকড়ি ট্রাকে লোড করতে,বিভিন্ন জেলায় পাঠাতে গেলে ফরেস্ট কে ঘুষ দিতে হয়। ফরেস্ট অনুমতি পত্র (টি বি)থাকলেও ঘোষ দিতে হয়।গাড়ি আটকে রাখে, ড্রাইভারকে ভয়,গাছের ভিতরে অবৈধ গাছ আছে ,গাছ নিচে নামাও চেক করবো ইত্যাদি হয়রানির শিকার হচ্ছি,পাশাপাশি হাইওয়ে পুলিশের চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ সাধারণ ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। সবচেয়ে বেশি হয়রানি করছে কুমিল্লার সুয়াগাজি পোস্ট অফিস। গত ২/৩ বছরে আনুমানিক এক লক্ষ টাকারও বেশি ঘুষ দিতে হয়েছে বিভিন্ন ফরেস্ট অফিসে।
কাজটি করে দেবে তাই টাকা নিছে কিন্তু করে দায় নায়
নকল দলিল উঠাতে গিয়ে, ৫৫০০ টাকা দেওয়া লাগছে, এই টাকা দেওয়া ছাড়া, নকল দলিল দিতে আগ্রহী নয়।
বিক্রয় অনুমতি, নিতে হলে সর্বনিম্ন ১ লক্ষ্ টাকারও বেসি ঘুস প্রদান করতে হয়
নামজারি খসড়া খতিয়ানের প্রস্তাব দিতে যার কাজে যেমন পায় নেয়। ধরেন দিনে 50*2000= 01 লক্ষ, আবার মিশকেস প্রতিবেদন দিলে 10000 , দিনে 10000*20= 2 লক্ষ, খাজনা দাবি টিক করে দিয়ে দিনে 50000 হাজার ঘুষ নেই। আবার তারা ষুষের টাকা দিয়ে প্রতিদিন দুপুর বিকাল রাজকীয় খাবার খায়। মহাদেবপুর প্রতিটা ভূমি অফিসের একই অবস্থা। শুধু বেতন বাড়ে গ্রাহকের ভোগান্তি কমে না। ইতি- 02/09/2026 খ্রিঃ।
২০২২ সালে আমি তখন জাপানে স্টুডেন্ট ভিসার জন্য এপ্লিকেশন করেছি তখন এজেন্সি থেকে বললো সার্টিফিকেটের সাথে পাসপোর্টের যেনো মিল থাকে তখন আমার বাবার নামের সাথে একটু গড়মিল ছিলো তখন আমি বাহির থেকে আবেদন করে আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসে জমা দেওয়ার জন্য লাইনে দারিয়ে জমা দিলাম জমা দেওয়া পর আমাকে বললো বিভাগীয় অফিসে জমা দেওয়ার জন্য তখন আমার মাথায় আকাশ ভেঙে পড়লো কারণ আমার ঐ মুহুর্তে এপ্লিকেশন ক্যানসেল করে কুমিল্লা এসে জমা দেওয়া পসিবল ছিলো না। আমি তখন খোজ নিলাম কোনো অপশন আছে কি না তখন একজন আনসার আমাকে বললো ৩৫০০ টাকা লাগবে। তখন আসলে একপ্রকার বাধ্য হয়ে কাজটা করাতে হয়।
জমির দাগ নাম্বার দেখতে চাওয়াই উনি(সাব রেজিস্টার অফিসার) আমার কাছে এক হাজার টাকার ঘুষ দাবি করেন আমি মনে করেছিলাম হয়তোবা টাকাটি উনি কোন অফিসিয়াল কাজে খাজনা বাবদ নেবে পরে দেখি যে না উনি রমজান মাসে আমার থেকে কৌশলে এক হাজার টাকা ঘুষ হিসেবে নিয়েছে
শান্তি বিনোদনা বিল এর জন্য , সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের বিল শাখায় , অবৈধভাবে টাকা চাওয়া হচ্ছে। আমি একজন সরকারি কর্মচারী।
আমার ৩ শতাংশ জমি রেজিস্ট্রি করার জন্য মৌরির সাথে কথা হলো ২,৪০,০০০ টাকা। সম্পূর্ণ কাজ সে করে দিবে। দিন তারিখ ঠিক হলো। আমি ১ দিনের জন্য ছুটি নিয়ে চলে গেলাম শেরপুর। তাকে ২,৪০,০০০ টাকা বুঝিয়ে দিলাম। কিছুক্ষণ পর বলছে সরকারি রেট বেড়ে গেছে, আরও ২০,০০০ টাকা দিতে হবে। তখন আবার ২০,০০০ টাকা অতিরিক্ত দিলাম। এটা সকাল ১১ টার সময়ের ঘটনা। দুপুর ১ টার পর এসে মৌরি বলছে, আপনার এই জমি রেজিস্ট্রি করাতে হলে রেজিস্ট্রারকে ৪০০০০-৫০০০০ হাজার টাকা দিতে হয়। আপনি ২০,০০০ টাকা দেন, আমি রেজিস্ট্রারকে এটা দিয়ে দলিলটা পার করে দেই, না দিলে আপনার দলিল হবে না। তখন আমি পড়লাম মহা বিপদে। আমার কাছে আর কোনো টাকা পয়সাও নেই। তখন যার কাছে থেকে জমি কিনলাম, তার থেকেই আরও ২০,০০০ টাকা ধার নিয়ে মৌরিকে দিলাম। তারপর দলিল হলো।
সেবাটি ছিল নিজের, পৈত্রিক এবং মৃত ভাইয়ের শোক ভাগের সম্পত্তি মিউটেশন করা । ঘটনাটি ঘটেছে পাথরঘাটা উপজেলার পাথরঘাটা সদর ইউনিয়ন ভুমি অফিস এবং পাথরঘাটা Acland অফিসের কর্মকর্তা/কর্মচারীদের দ্বারা , সময়কাল ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছর । আমার ১৩টি মিউটেশন কেস বাবদ উনারা উল্লেখিত পরিমান টাকা আমার নিকট হতে নিয়েছেন ।
NRTCA এর মাধ্যমে কারগরি স্কুল অ্যান্ড কলেজে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার পর প্রিন্সিপাল এমপিও সিট করার কথা বলে ১ লাখ করে নিচে,এখন আমার পে স্কেলের কথা বলে ২ লাখ দাবি করছে,দিতে অস্বীকার করলে চাকরির ভয় ও,রাজনৈতিক পাওয়ার দেখাচ্ছে।নানা হুমকি ধামকি দিচ্ছে,পে স্কেল হলে বকেয়া বেতন তুলে ওনাকে দিতে হবে বলেছে,না দিলে এই প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতে দিবে না।ওটা নাকি অনার বাবার সম্পত্তির ওপর গড়া , এটা নাকি তার হক।আরো কয়েকজনের সাথেও একই আচরণ করছে আমরা শিক্ষা অফিস,NTRCA,দুদক ও ম্যানিজিং কমিটির কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছি।রাজনৈতিক পাওয়ার থামানোর জন্য অনার বড় বাপের সাথে আলোচনা চলছে।এবার অনার মুখোশ উন্মোচন হবেই হবে ইনশাআল্লাহ।স্যার রেডী হন
নারয়নগঞ্জের অফিস প্রধান লাইসেন্স নবায়নের জন্য ৫০,০০০/- নিয়েছেন।