জন্ম নিবন্ধন সংশোধন
ইউনিয়ন বোডে জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করতে, গেলে নানা ধরনের অজুহাত দেখিয়ে, ব্যক্তিগতভাবে করে দেওয়ার কথা বলে বাড়তি টাকা আদায় করে.....
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৫৯ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ইউনিয়ন বোডে জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করতে, গেলে নানা ধরনের অজুহাত দেখিয়ে, ব্যক্তিগতভাবে করে দেওয়ার কথা বলে বাড়তি টাকা আদায় করে.....
অভিযোগের প্রতিবেদন বিষয়: নাম ট্রান্সফার না থাকার অভিযোগে পুলিশ কর্তৃক ১,৫০০ টাকা ঘুষ নেওয়ার বিষয়ে অভিযোগ। আমি সিলেট থেকে ঢাকা যাওয়ার পথে মাধবপুর এলাকায় পৌঁছালে কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যরা আমার গাড়ি থামিয়ে গাড়ির কাগজপত্র পরীক্ষা করেন। এ সময় তারা জানান যে গাড়িটির নাম ট্রান্সফার করা হয়নি এবং এ কারণে আমার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। পরবর্তীতে পুলিশ সদস্যরা আমার কাছ থেকে ১,৫০০ (এক হাজার পাঁচশত) টাকা দাবি করেন। কোনো আইনগত প্রক্রিয়া বা রসিদ প্রদান না করে পরিস্থিতির কারণে আমি তাদের দাবিকৃত ১,৫০০ টাকা প্রদান করতে বাধ্য হই। টাকা নেওয়ার পর আমাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। আমি মনে করি, আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পরিবর্তে এভাবে টাকা নেওয়া অনিয়ম ও ঘুষ গ্রহণের মধ্যে পড়ে। তাই বিষয়টি যথাযথভাবে তদন্ত করে সংশ্লিষ্ট পুলি
Bike drive Exm e fail korly bole taka dew pass korai decce,,,,ami boyos jokon 26 tokon ami amneti pabo,,,,kew e pass kore na taka deley sathe sathe pass
পুলিশ এস আই অনেক সময় ধরে গল্প করতেছিলো, বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র পরিচয় দেওয়ার পর উনি সম্ভবত বুঝে উঠতে পারছিলোনা কিভাবে টাকা চাইবে। পরে বলল এটা নাকি অফিসের নিয়ম। যেসব অফিসার ভেরিফিকেশনে যায়, সবাইকে একটা নিদিষ্ট পরিমান টাকা অফিসে জমা দিতে হয় হেন তেন গল্প! পরে দিয়ে দিলাম। আমি শুধু ওয়েট করতেছিলাম কিভাবে ঘুষ চায় এটা দেখার জন্য। স্টুডেন্ট অবস্থায় এক হাজার টাকা আমার জন্য অনেক।
জমি খারিজের জন্য যাই।কেনা জমিটা ২ দাগে এবং শেষ পয়েন্ট আকারে থাকায়।ইউনিয়ন ভূমিকা কর্মকর্তা তার অফিসের পিয়ন দিয়ে আমার সাথে কন্টাক্ট করায়। শুরুতে ৭ হাজারে কন্টাক্ট হয় ১ মাস সময় চায়। ৪/৫ মাস অভার হলে কাজটা হয় বলে কল দেয়। তাকে কাজে আগে ৪০০০ হাজার টাকা এবং দোখানে আবেদনের ৫০০ টাকা দিয়ে আসি। এখন সে ফোন করে বলে তাকে ৩৫০০ টাকা দিয়েছি।বাকি ৩৫০০ এবং কাগজ সংশোধন করতে আরো ১৫০০ লেগেছে সেটাও দিতে। অর্থাৎ আবহের ৪৫০০ দেওয়ার পরে এখন থাকে আরো ৫০০০ দিতে বলছে। তাহলে মোট টাকা হবে ৯৫০০ টাকা। উল্লেখ্য যে, এখানে মোট জমি ৪.০১২ শতাংশ।
আমরা জানি জমির নামজারি করতে সরকারি ফি, ১১৫০ টাকা,, কিন্তু ভোলার দৌলতখানঁ থানার এসিল্যান্ড প্রধান নির্বাহী আমাদের জমি নামজারি ১৫০০০ টাকা নেয়,, এবং সরকারি ১১৫০ নিতে তারা অস্বীকৃতি জানায়। এই শুধু আমাদের না, বাংলাদেশের সকল জায়গায় ভূমি এবং এসিল্যান্ড অফিস সবথেকে বেশি ঘুষের বানিজ্য করে।
সারিয়াকান্দি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সেই লেভেলের ঘুষখোর। টাকা ছাড়া কোন কাজই করেনা। সকল কাজে তাকে টাকা দেওয়া লাগে। সে এবং স্থানীয় বিএনপি নেতারা এসব করে যাচ্ছে। দেখার ও বলার কেউ নাই।
দালাল ছাড়া ড্রাইভিং লাইসেন্স করা যায় না। আর যদি কেউ অনলাইনে একা একাই টাকা পরিশোধ করে ,তাহলে তাকে ভাইবাতে ফেল করে দেয়া হয় ।আর যারা টাকা দেয় তারা কিছু না পারলেও পাস করে ।আমার জানা মতে ড্রাইভিং লাইসেন্সের খরচ হয় ৫ হাজার থেকে সাড়ে ৫ হাজার মোটরসাইকেলের জন্য, কিন্তু আমার লাগছে ৯৫০০ টাকা ।আপনি সরাসরি বিআরটিএ যায়ে কোন কাজ করবেন আপনার কাজ হবে না, দালাল দিয়ে টাকা দিবেন সব হয়ে যাবে।
ইন্ডিয়া থেকে মাল আমদানি করার জন্য প্রতি কেজি ক্যাপসিকাম ও বীটরুট সবজি সাফটায় আনার জন্য ৩.৫ টাকা করে কাস্টম অফিসারদের দিতে হচ্ছে। না দিলে বর্ডারে গাড়ি আটকায়ে দিচ্ছে। বাধ্য হয়ে প্রতিদিন সি এন্ড এফ এর মাধ্যমে পরিশোধ করতে হচ্ছে এখনো। আমার প্রতি সপ্তাহে ১০ থেকে ১২ গাড়ি মাল হয়। গড়ে প্রতি সপ্তাহে ১২০০০০ কেজি মাল আমদানি করি ইন্ডিয়া থেকে। প্রতি সপ্তাহে ৪,২০,০০০/-থেকে ৫,০০,০০০/- পযন্ত কাস্টমস কে ঘুষ দেওয়া লাগে
আমার আবেদন ভেরিফিকেশনের জন্য একজন পুলিশ (SI maybe), আমাকে থানায় ডেকে নেয়। থানা থেকে বের হয়ে একটা চায়ের দোকানে গিয়ে চা খাওয়ায়, পরে সেখান থেকে বের হয়ে আমার কাছ থেকে ৫০০ টাকা চাইছিল। আমি সেটা রিফুজ করি, ২০২২ সালের ঘটনা । পড়ে অবশ্য টাকা না দেয়ার আমার কোন সমস্যা হয় নাই। পুরো প্রক্রিয়া আমি নিজে করছিলাম আর, পাসপোর্ট অফিস বেশ জামেলা করছিল কিছু ছোট খাটো বিষয় নিয়ে (হয়রানি আরকি), তবুও আমি টাকা দেই নাই। আমার কাজটা বেশি আরজেন্ট না হওয়ায় হয়তো টাকা ছাড়া করতে পারছিলাম।
গাজীপুর হাইকোর্টে গেছিলাম সেখানে হাইকোর্ট সংলগ্ন একটা মাঠ আছে সেখানে গাড়ি রাখতে ছিলাম তখন আমার কাছ থেকে চাঁদা নিয়েছে ৫০ টাকা এরকম আর সবার কাছ থেকে টাকা নিতেছে বিএনপির কিছু সদস্য পাতিনেতা মারটা তারা অযত্ন হয়ে গেছে এবং গাঁজা খোরদের আড্ডা বানিয়েছে। সেখানে অনেকগুলো কোয়াটার আছে যা বিএনপির লোকেরা ভেঙ্গেচুরে লুটপাত করে নিয়ে গেছে। তাই প্রশাসনের কাছে দাবি অতি শীঘ্রই গাজীপুর হাইকোর্টের সংলগ্ন কোয়াটার এবং মাঠটাকে যেন পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখে
জন্মনিবন্ধন সংশোধন আবেদন ফি সরকার নির্ধারিত ৫০ টাকা থাকলেও ১১০ টাকা ফি আদায় করা হয় এবং ১থেকে ৫বছরের ছোট বাচ্চাদের জন্মনিবন্ধন সরকার নির্ধারিত ফি ২৫টাকা থাকলেও তা ১১০ টাকা আদায় করা হয় এভাবে দিনের পর দিন সাধারণ জনগণের পকেট কাটা হচ্ছে আর এসব অতিরিক্ত আদায় করা হচ্ছে।
আমি একজন সনাতন ধর্মালম্বী। আমার বর্তমান বয়স ৩৬।গত ৩ অগাস্ট আমি নিকটবর্তী পাসপোর্ট অফিসে যাই পাসপোর্ট করতে। ওখানে আমার ফাইল এক রুম থেকে আরেকরুমে বারবার পাঠায়। এখানে বলে রাখি আমি একজন ডিভোর্সি। একজন একক মা, আমার বাচ্চার বয়স ১৬ বছর, ওর ফাইল নিয়ে কোনো সমস্যা হয়নি। কিন্তু ঐ যে ওনারা কারণ হিসেবে আমি সিঙ্গেল ঐটা ইস্যু করলো, আমার আগের পাসপোর্ট এ সিঙ্গেল ছিলো তো নতুন ফ্রমে ও সিঙ্গেল দেয়া, আগে নোটারি পাবলিক এর ডকুমেন্টস দিয়ে করেছিলাম,,, ভেবেছিলাম এইবারও এর ব্যতিক্রম হবে না। আগের মতো নোটারির সেই পেপার জমা দিলাম। কিন্তু এইবার ওনারা আমাকে বলছে আমাদের ডিভোর্স সার্টিফিকেট সাবমিট করতে,, যেহুতু আমি হিন্দু ধর্মালম্বী সেক্ষেত্রে আমাদের কোনো ডিভোর্স এর সার্টিফিকেট হয় না!! এরমধ্যে আমার এক ভাই সিভিল এ কর্মরত আছে।
আমি একজন মালেশিয়া প্রবাসী আজ থেকে প্রায় ৫ বছর আগে ঘটে যাওয়া এবং বর্তমানে চলমান রয়েছে, আমি আমার বাবা আমার বড় ভাই সবাই বিষয়টি আবগত আছি আমাদের একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জায়গা যেটার নামজারি রেকর্ড হয়েছে অন্য ব্যাক্তির নামে সেই রেকর্ডটি পরিবর্তনের জন্য অনেকবার আবেদন করেছি ইউনিয়ন ভূমি অফিস এবং উপজেলা ভূমি অফিসে কিন্তু ওনারা আমাদের জমির কাগজপএ এবং সরজমিনে জায়গা পরিদর্শন করার পর বলে আপনাদের সব ঠিক আবার অন্যান্য অজুহাত দিয়ে আমাদের রেকর্ড টি সম্পন্ন করছেনা এবং তারপর অর্থ দাবি করে এবং আমরা কিছু অর্থ দেই কিন্তু পরে তারা বলে এই জমি দাম কোটি টাকার উপরে সামান্য টাকায় হবে না এক লাখ টাকা দিতে হবে আমরা দিতে অস্বীকৃতি জানাই , পরে আমার পর্যায়ক্রমে অনেক টাকা খরচ করেছি কিন্তু আজও কাজ সম্পন্ন হয়নি।
জমি খারিজ এর জন্য টাকা লাগে ১২০০/- কিন্তু আমাকে দিতে হয়েছে ২৫০০০/-
পাসপোর্ট বাবদ ১৩০০০ টাকা দেওয়া হয়েছে।
অফিসিয়ালভাবে আমার কাছ থেকে চাওয়া হয়েছে
মিষ্টি খাওয়ার জন্য সবার কাছ থেকেই এই টাকা চাওয়া হয়।
আমি অসুস্থ ছিলাম জরুরি চিকিৎসা করার জন্য দেশের বাইরে যাওয়ার জন্য আইডি কার্ড প্রয়োজন ছিল পাসপোর্ট করব এই জন্য বাধ্য হয়ে আমি দিয়েছিলাম একজন কমিশনার এই টাকাটি নিয়েছিল সিগনেচার করে আইডি কার্ডটি প্রসেসিং করে তৈরি করে দিয়েছিল তবে টাকাটি এপিএস সংগ্রহ করেছিলেন কমিশনারের।
আমি পাসপোর্ট করার জন্য যায়, ছাত্র হিসেবে। তে আমার সব আসল ডকুমেন্টস নিয়ে যায় বিদ্যুৎ বিলের কাগজ থেকে শুরু করে সার্টিফিকেট পর্যন্ত তারপরেও পাসপোর্ট করতে পারি না, পটে দালাল বললো কিছু লাগবে না ২০০০ টা নিলো আর একটা মার্ক করে দিলো ফাইলে বেস কোনো ডকুমেন্টস লাগলোই না। হয়ে গেলো