গর্ভকালীন ভাতা
সেবাটি ছিল গর্ভকালীন ভাতা। আমাকে বলা হয়েছিল এটি পেতে হলে ২০০০ টাকা দিতে হবে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৫৯ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
সেবাটি ছিল গর্ভকালীন ভাতা। আমাকে বলা হয়েছিল এটি পেতে হলে ২০০০ টাকা দিতে হবে
আমি পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছিলাম খাগড়াছড়িতে, আমি কুমিল্লা থেকে অনলাইন পেমেন্টও করেছি,আমার সব কাগজপত্র ঠিক ছিল,,আমার সব কাগজপত্র ঠিক থাকার পরেও নানা অজুহাত দিতে লাগলো তারা, অবশেষে বাধ্য হয়ে যখন পাসপোর্ট অফিসে সামনে কম্পিউটার দোকানে ২৫০০ঘুষ দেই তখন আর কাগজপত্র কোন সমস্যা পাইনি তারা,, পাসপোর্ট এর কাজটি সম্পন্ন করে দেয়
আমি লাইনে দাঁড়িয়ে পাসপোর্ট নবায়ন করার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে গিয়ে আমার ভোটার আইডি কার্ডের ডুপ্লিকেট কপি থাকার কারনে জমা নেয়নি। পরে আনসার সদস্য ২৫০০ টাকা দাবি করেন এবং ১৫০০ টাকায় পাসপোর্ট নবায়ন করে দিতে রাজি হয়। সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো, যিনি লাইনে আমার কাগজপত্র জমা নেননি তিনিই পরবর্তীতে আমার ফিঙ্গার প্রিন্ট, ছবি উঠানো সহ যাবতীয় কাজ করেন।
আমি একদিন সিরাজগঞ্জের মনসুর আলী স্টেশন থেকে বড়াল ব্রিজ স্টেশনে আসার উদ্দেশ্যে টেনে উঠি কিন্তু স্টেশন বন্ধ থাকার কারণে টিকিট ক্রয় করতে পারেনি পরে ট্রেনের মধ্যে টিটি আমাকে ধরে এবং আমার কাছ থেকে ৫০ টাকা দাবি করে কিন্তু এটা আমি জানি যে টিকিট ছাড়া টেনে উঠলে জরিমানা হয় তো জরিমানা সহকারে ভাড়া আছে ১০০ টাকা পরবর্তীতে আমি তাকে ১০০ টাকা দেই এবং টিকিটটি সংগ্রহ করি যাতে আমার টাকাটা রেলওয়ে ফান্ডে পৌঁছায় একটা সত্যি ঘটনা বাংলাদেশের রেলওয়ে যে সমস্ত কর্মীরা চাকরি করে ট্রেন কিন্তু একটা সরকারি জিনিস কিন্তু তারা সরকারি জিনিস মনে করে না ট্রেনের স্টাফ এবং টিটি থেকে শুরু করে এমনকি যারা খাবার বিক্রি করে তারা সবাই মনে করে এটি আমাদের বাবার সম্পত্তি বাংলাদেশ রেলওয়েতে প্রতিমাসে কোটি কোটি টাকা দুর্নীতি হচ্ছে
আমার বয়স ১৯ বছর। আমার এনআইডি এখনো হয়নি। কিন্তু জরুরী ভিত্তিতে পাসপোর্ট দরকার ছিল। তাই জন্ম নিবন্ধন দিয়ে পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম। কিন্তু সমস্ত কাগজপত্র আমার ঠিক থাকা সত্ত্বেও পাসপোর্ট বা অফিসার আমাকে রিজেক্ট করে দেয়। এরপর আমি পাসপোর্ট অফিস থেকে ফিরে আসার সময় দুজন আনসার সদস্য আমার সমস্যা জেনে তা ১৫০০ টাকার বিনিময়ে সলভ করার অঙ্গীকার দেয়। এরপর যখন আমি তাদেরকে ১৫০০ টাকা দিয়ে ওই আগের অফিসারদের কাছে যাই, তখন তারা ঠিকই আমার কাগজপত্র আবার নিয়ে নেয়।
নারায়ণগঞ্জ সিভিল সার্জন কর্তৃক ডোপ টেস্ট সার্টিফিকেট নেওয়ার জন্য সরকারি ফি মাত্র ৫০ টাকা সত্ত্বেও উনারা ৫০০ টাকা দাবি করেছে। আমি অনেক ভাবে বুঝানোর চেষ্টা করলেও এমনকি স্বয়ং সিভিল সার্জন মহোদয়ের সাথে এ বিষয়ে দেখা করেছি তারপরও আমাকে ৫০০ টাকা পরিশোধ করতে হয়েছে। তারপর খবর নিয়ে দেখি ওখান থেকে এই সার্টিফিকেট নিতে সবাইকেই ৫০০ টাকা গুনতে হয়। অথচ অন্যান্য সিভিল সার্জন অফিসে নির্ধারিত সরকারি ফি দিয়েই এই সার্টিফিকেট নেওয়া যাচ্ছে।
নেত্রকোনা বিশ্ববিদ্যালয়ে নবনিযুক্ত কর্মকর্তা কর্মচারী এবং শিক্ষকদের বেশিরভাগই মোটা দাগের ঘোষ দিয়ে চাকরি নিয়েছেন। এ বিষয়ে অনেক প্রতিবেদনও হয়েছে, প্রচুর লেখালেখিও হয়েছে কিন্তু কোন সমাধান বা বিচার হয়নি, বাংলাদেশে শিক্ষিত চোরদের বিচার কখনোই মনে হয় সম্ভব নয়। প্রত্যেকটা নিয়োগের সার্কুলারের আড়ালে কোটি টাকার ব্যবসা হয়, অন্য সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো নেত্রকোনা বিশ্ববিদ্যালয়েও ঘুষের চর্চা হচ্ছে।
জমি খারিজ করতে গিয়েছিলাম,টাকা ছাড়া ফাইল পার করবে না,টাকা দিলে কাজ দ্রুত হবে বলেছিলেন।
একটা সাধারণ দুই হাজার টাকা ভ্রমণ ভাতার বিল আটকে রেখে এক হাজার টাকা চেয়েছিল। পরবর্তিতে পাঁচশ টাকার বিনিময়ে মিমাংসা করা হয়।
ইউনিয়নের মধ্যে জমির খারিজ করতে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গেলে ৬ শতক জমির জন্য তারা ৬ হাজার টাকা দাবি করে।প্রকৃত সরকারি ফি ১১০০ টাকা। অনেক কথা কাটাকাটির পরে তারা ৫ হাজার টাকার করে দিয়েছে।
18 তম শিক্ষক নিবন্ধনে যখন আমি নিয়োগ পাই তখন এমপিওভুক্তকরণ করার জন্য আমার প্রধান শিক্ষক আমার থেকে ১০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করে এবং সে বলে এই টাকা শিক্ষা অফিসে দিতে হয় আমি বাধ্য হই সেটা পরিশোধ করতে এবং দুই মাসের এরিয়ার বিল বাকি ছিল সেটাও প্রধান শিক্ষক বলেন এটা তুলতে আপনার 5000 টাকা লাগবে সেক্ষেত্রে আমাকে বাধ্য হয়ে ৫০০০ টাকা ঘুষ দেওয়া লাগে।
They want extra 150000 tk through deed writer for Bontonnama Dalil.
আনছার সদস্য আমার কাছে দাবি করেন
আমি জমি কিনছি নামজারি করতে ১০০০০ টাকা চাইছে
জমি রেজিস্ট্রেশন এর জন্য শুনানীর দিন নির্ধারিত ছিল । সহকারী কমিশনার ভূমি এর শুনানী করেন। শুনানীর আগে সরকারী ফী সাথে অতিরিক্ত ৩০০০/- টাকা দাবি করা হয়। এগুলো কিসের ফী জিগ্যেস করলে বলা হয় এগুলো নাকি তাদের অফিস খরচ।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার শুভাঢ্যা মৌজার ভূমি জরিপ চলছে। এখানে একটা মৌজার কয়েকটা সিট ভাগ করে দিয়ে ৮/৯ জন সার্ভেয়ার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ভূমি জরিপ করার জন্য । তারা শুরুতে যার যার চিহ্নিত এলাকায় গেছেন সেখানে রাস্তা, জায়গায় সব মাপামাপি করার পর সকল জমির মালিকদের বলছেন আমরা (নির্দেশ একটা জায়গা উল্লেখ করে) ওখানে আমাদের ক্যাম্প স্থাপন করেছি আপনারা যার যার মালিকানার কাগজ নেয়ে আসেন আপনাদের নামে নতুন রেকর্ড নিয়ে যান। এরপর শুরু হলো তাদের ঘুস কারবার কেমন, কেউ তার কাগজ নিয়ে গেলে বলতেছে আপনার জায়গা কম আছে, আপনার জায়গা খাস এর ভিতরে ঢুকছে, আপনার জায়গার কাগজ মিল নাই, নাম অসুদ্ধ , রাস্তা ছাড়ছেন সেখানে বেশি জায়গা ঢুকছে, বাড়ির সামনে রাস্তা আছে ১২ ফুট কর্মকর্তা রাস্তা নকশায় আকছে ১৬ ফুট মানে বাড়ির জায়গা কমায় দিছে ।
পৃথক খতিয়ান প্রস্তুতির আবেদন। ৩ বৎসর (২০২৩-২০২৬)কোনো কারণ না দর্শিয়ে আটক রেখেছে। সহকারী কমিশনার ভূমি অফিস। সকল ডকুমেন্টস জমা দেওয়া হয়েছে।
গ্রামের জমির খাজনা বাবদ ঘুষ হিসেবে অতিরিক্ত ১০০০০/- টাকা চেয়েছিল আমি ৯০০০ /- টাকা দিয়ে ফয়সালা করি
আমি ইন্ডিয়া থেকে আসার সময় বেনাপোল বর্ডার এর এক ইমিগ্রেশন অফিসার, আমার পাসপোর্ট দেখতে চাইলো আর চা নাস্তা এর জন্য কিছু দিতে বল্লো । আমি তাকে ৩০০ টাকা দিয়েছি।
আমার জীবনে এইটা ঘুষ দেওয়ার প্রথম অভিজ্ঞতা ছিল পরে আরও দিতে হয়েছে।আমরা বাইক এ করে শেরপুর থেকে বাড়ি আসছিলাম,সময় কই রোড এলাকায় এসে কয়েকজন পুলিশ আমাদের বাইক আটকায়,তারপর একজন আরেকজনকে বলতে থাকে আজকে অনেকগুলো বাইক থানায় নিয়ে যেতে হবে। এটা সম্ভবত ২০০৯ সালের ঘটনা।আমরা অনেক রিকুয়েস্ট করি ছেড়ে দেওয়ার জন্য।তখন আরেকজন কনস্টেবল এসে এক হাত আর এক হাতের বগলের নিচে ইশারাতে টাকা চায় আমরা তখন বুঝতে পারিনা,তখন সে পুলিশ কনস্টেবল বাধ্য হয়ে সরাসরি মুখে বলে ৫০০ টাকা দাও দিয়ে চলে যাও স্যার কে মেনেজ করতে হবে।আমাদের কাছে তেমন টাকা পয়সা ছিল না, আমরা সবার পকেট চেক করে মাত্র ১২৭ টাকা আছে এটা ওই কনস্টেবল কে জানাই তিনি রাগান্বিত হয়ে বলে এটা তো হবে না তোমাদের বাইক থানায় নিয়ে যাব পরবর্তীতে এস আই কে জানায় এরা ছ