সরকারি বাজেট আত্মসাৎ করে
স্কুলের যৌথ একাউন্ট এ সরকারি বাজেট এসেছে, তা স্কুলের যৌথ একাউন্ট এ জমা না দিয়ে স্কুলের প্রধান শিক্ষক অবৈধ ভাবে স্কুলের নামে আসা বাজেট তুলে খেয়ে পেলে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১৮ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
স্কুলের যৌথ একাউন্ট এ সরকারি বাজেট এসেছে, তা স্কুলের যৌথ একাউন্ট এ জমা না দিয়ে স্কুলের প্রধান শিক্ষক অবৈধ ভাবে স্কুলের নামে আসা বাজেট তুলে খেয়ে পেলে।
আমার কাগজে সামান্য ত্রুটি থাকায় তারা আমাকে বলে এই সমস্যার সমাধান করতে ২ হাজার টাকা লাগবে এবং পরবর্তীতে আমি ১৯০০ টাকা দিয়ে সেটি সমাধান করি। সেটি তাদেরই সমাধান করার কথা ছিল। আমি বের হয়ে আসতে চাইলে, গেটে আনসার আমাকে তাহলে এভাবে ফেরত দেওয়ার চেয়ে তুমি টাকা খরচ করো তোমার কাজ হয়ে যাবে। ২০০০ টাকার অফার করে। আমি তাকে ১৯০০ টাকা দিতে রাজি হয়ে যাই। পরবর্তীতে ১৯০০ টাকা দিয়ে আমার কাজ সম্পন্ন করি
উপজেলা আমতলী জেলা বরগুনা ইউনিয়ন কুকুয়া ওয়াড ০৯ মাদ্রাসা নাম রহমত পুর ওই মাদ্রাসা সুপার ব্যাপক দুর্নীতি করে সে অন্তত এলাকার ১০/১২ জন কে চাকরি দিছে প্রতিটা লোকের কাছ থেকে ১০/১২ লাখ টাকা করে নিছে ওনি এতো দুর্নীতি করে ছে
খসড়া খতিয়ান তৈরি করে দেওয়ার জন্য। এটা এই অফিসে অলিখিত ভাবে দিতে হয়। না হলে রিপোর্ট তৈরি করে দিবে না।
পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য কাগজপত্র নিয়ে থানায় গেলে কাগজ জমা নেয়।পরবর্তীতে ফোনে বিভিন্ন ভাবে টাকা চায় পরবর্তীতে ১০০০ টাকা দেই।
আমার ওয়াইফের একটা গর্ভবতী ভাতার জন্য অনলাইনে আবেদন করি এই অনলাইনের আবেদন কপি আমার বগুড়া এক নম্বর আশেকপুর ইউনিয়ন ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার এর কাছে অনলাইন কপিটা হস্তান্তর করি তখন উনি আমার কাছে ৩৮ হাজার টাকা দেওয়ার বিনিময়ে উনি আমার কাছ থেকে ২০০০ টাকা ঘুস চায় এবং আমি ওনাকে পরিশোধ করে দিই পরিপেক্ষিতে উনি আমাকে আজকে তিন মাস ধরে ঘুরাইতেছে বলতেছে বাজেট নাই এই মাসে না অন্য মাসে এভাবে সে আমাকে ঘুরাচ্ছে এখন আমি এটার জন্য ইউনিয়ন পরিষদের সচিবরে বলেছি উনিও একই কথা বলছে কিন্তু উনাকে আমি মেম্বারকে যে ২০০০ টাকা ঘুষ দিয়েছি এই কথাটা বলি নাই তখন আমি সচিব কে বলি যে আপনারা যদি না পারেন আমাকে কোথায় কথা বলতে হবে ওখানকার নাম্বার দেন তখন আমাকে উপজেলা একজন কর্মকর্তা নাম্বার দেন এবং উনার সাথে কথা বলি
বিদেশে কোম্পানির লিয়াজো অফিস লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে ট্রেড লাইসেন্সের জন্য আবেদন করি | অপ্রয়োজনীয় অনেকগুলো ডকুমেন্ট দাবি করে এর সাথে সংযুতি করার জন্য | অপারগতা প্রকাশ করলে ছয় হাজার টাকার বিনিময়ে দফারফা হয়ে যায় | এজন্য শুধু টাকা যায়নি আমার বাড়তি 5 দিন অফিসে সময় নষ্ট করে যেতে হয়েছে |
উত্তরা ভূমি অফিসে নাম জারি করতে গিয়েছি। টাকা না দিলে অনেক ঝামেলা অনেক অফিস যেতে হবে বলতেছিল । অবশেষে ২৪০০০ টাকায় সহজে ওনারা করে দিয়েছেন।
খাজনা দেওয়ার জন্য, আবেদন অনুমোদন করতে
রাস্তায় অধিগ্রন এর জন্য আমার ৩০ শতাংশ জায়গা অধিগ্রহন করা হয়।।আমার বৈধ কাগজ পত্র থাকা সত্তেও তারা নানা ধরনের ভুল ধরে।।প্রায় ২ বছর ঘুরায়।পরে বাধ্য প্রতি লাখে ১০% হারে ৩৬০০০০ টাকা ঘুস দিয়ে বাকী টাকা তুলি।।
NAM JARI KORTE GESILAM. TAKA CHARA KOTHAI NAI .. AGE TAKA PORE FILE CHARBE TAR AGE NA .
আমার বাইকের দ্বিতীয় রোগের হেলমেট ছিল না, মামলা দিবে ২০০০ টাকার, ১০০০ টাকা দাবি করে এবং টাকাই দেই
৯০০০ টাকা বিল ছিল উনি দাবি করেছে ২৫ পার্সেন্ট হারে টাকা দিতে হবে। ফোন করে বলেছিল।
জমির নকল দলিল তুলতে আমার কাছ থেকে টাকা নিয়েছে
নিজ জেলায় বদলির জন্য ঘুষ।
পাসপোর্ট বানানোর কাম করে এবং আইডি কার্ড ঠিক করার নাম করে ৭০ হাজার টাকা দাবি করে। এর মধ্যে কিছু টাকা বিকাশে এবং টাকা হাতে হাতে নিয়ে থাকে। কিন্তু পরবর্তীতে আইডি কার্ড বা পাসপোর্ট কোনোটিই দেয় না এবং অধিক টাকা দাবি করে। আমাদেরকে জানিয়ে ছিল এই টাকা তিনি নিচ্ছেন সেটা নাকি সরকারি ফি। এর সাথে অফিসের অনেকেই জড়িত।
যথারীতি অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণ করে , ব্যাংকের মাধ্যমে চালান করে প্রয়োজনীয় কাজ পত্র নিয়ে পাসপোর্ট অফিসে যাই কর্তব্যরত ব্যাক্তি সবকিছু চেক করে বললেন আপনি আগামী সপ্তাহে আসেন, জানতে চাই কেনো? কোন উত্তর না দিয়ে আমাকে এড়িয়ে গেলেন। অনেক চেষ্টা করে কোনো উপায় না পেয়ে। দ্বায়িত্ব রত আনসার সদস্য এসে বলেন ভাই ১৫০০ টাকা দেন কাজ হয়ে যাবে। ঠিক ১৫০০ টাকা দিলাম কাজ হয়ে গেল।
সোনালি ব্যংক এ একাউন্ট করতে যাওয়ার পর আমি বলেছি আমি স্টুডেন্ট কিন্তু ওনি আমার কাছ থেকে ৬০০ টাকা নিলেন অথচ আমার একাউন্টে জমা ছিল ৫০০ টাকা। বাকী ১০০ টাকা কাচুমাচু করে পকেটে চালান দিলেন। শুধু আমি না সোনালী ব্যাংক এ এই বিষয়টি অহরহ ঘটে। যা আমি সরাসরি দেখেছি।
ব্যাংকে ঋণের জন্য আবেদন করলে বলে জমির খাজনার রশিদ লাগবে খাজনা দিতে গেলে দাবি করে বলে হোল্ডিং নেই তাই ৩৫০০ টাকা লাগবে পরে খাজনার রশিদ পাওয়ার পর দেখলাম ৭০ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা হয়েছে আর সব লুটপাট।
আমি ২০২৩ সালে চাঁদপুর পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্ট করতে যাই।আমি থাকতাম নারায়ণগঞ্জ। নারায়নগঞ্জে একটি কম্পিউটার দোকান থেকে ফর্ম ফিলাপ করি।পর দিন চাঁদপুর পাসপোর্ট অফিসে যাই এবং জমা দেই।যে জমা নিয়েছেন তিনি বলেন এখানে ওয়ার্ড নাম্বার লিখা নেই। তখন টাইম ও তেমন ছিলো না।উনি বললেন ১টার পর কাগজ জমা নিবে না।বললেন কম্পিউটার দোকান থেকে ঠিক করে আনতে।কম্পিউটার দোকানে গেলাম তখন দোকানদার বললো টাইম বেশি নাই। দোকানদার বললো আমাকে ১৫০০ টাকা দিলে আমি জমা দেওয়ার ব্যবস্তা করে দিবো।সে সরাসরি বললো আমি ৫০০ নিবো অফিসারকে দিব১০০০ টাকা। আমিও চিন্তা করলাম আমি আবার নারায়ণগঞ্জ যাবো আবার পরের দিন চাঁদপুরে আসবো আমার ২ হাজার খরচ হবে।তখন আমি ব্যবসা করতাম,চিন্তা করলাম একদিন দোকান বন্ধ থাকবে।তখন ১৫০০ টাকা দিয়ে দেই।পরে সেইমকাগজ জমা নিলো