সার্ভিস বুক
পদউন্নতি পাওয়ার পর ৩০০ টাকা বেতন বৃদ্ধির জন্য জিপও হিসাব বিভাগ টাকা নেয়। আমি চাই গুস যাতে চিরতরে বন্ধ হয়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
পদউন্নতি পাওয়ার পর ৩০০ টাকা বেতন বৃদ্ধির জন্য জিপও হিসাব বিভাগ টাকা নেয়। আমি চাই গুস যাতে চিরতরে বন্ধ হয়।
আমার বাবা আমার মায়ের নামে ৫ বিঘা জমি অছিওত করতে গেসিল, দলিল লেখক প্রথমে বলে ২০ হাজার টাকা খরচ হবে, তার পর রেজিট্রির দিন রেজিস্ট্রার বলে কাগজ এ ভুল আছে ঠিক করে আনেন অথবা ১ লাখ টাকা দেন তাহলে রেজিট্রি হবে।
কোন নিয়োগ এর ক্ষেতে যারা মেধা তাদের কোন চাকরি হয় না আার যারা টাকা দিয়ে চাকরি নিয়ে নেই
২০১৪ সালে আমি ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইবুনাল মামলা করেছিলাম কিন্তু দীর্ঘ ১২ বছর হয়ে গেল টাকা দেই নি বলে এখনো সুমন জারি করেনি এখনো তাদের পিছে ঘুরেই যাচ্ছি আমি কোন টাকা দেবো না করেছি। ময়মনসিং জেলার জর্জকোটে,হালুয়া কোট শাখা পিয়ন থেকে শুরু করে অফিস সহকারী পর্যন্ত প্রত্যেক স্তরে টাকা ছাড়া কেউ কোন কাজ করে না
আন্ত জেলা বদলির ক্ষেত্রে ডিডি অফিস থেকে শূন্য থাকা স্কুলের তালিকা চাওয়া হয় যা উপজেলা অফিস দিয়ে থাকে এবং একটি বিদ্যালয় চয়েজ করলে সেই স্কুলে বদলি করা হয়।যার জন্য কয়েকদিন দেয়ার সুযোগ থাকে,আর শিক্ষা অফিস সেই সময়টা গড়িমসি করে কাটায়ে দিতে চায়।ফলে ভুক্তভুগীর সময় কমে যায় আর সেই সুযোগে তারা ৬০০০০ টাকা দাবী করে।আমার হাতে দুদিন সময় ছিল আর শিক্ষা অফিসার ইন্ডিয়া চলে যাবে আগামীকাল। ফলে বাধ্য হয়ে সন্ধ্যায় ইউডির কাছে টাকা জমা দিই।আর রাত্রেই টিও সাহেব স্বাক্ষর করে আমার কাগজে।আবার আমাকে এলার্ট করে দেয় কেউ জানলে আমার চাকুরী টা করাবে টিকমত।
আমি NId কার্ডের জন্য প্রয়োজনীয় সকল ডকুমেন্ট নিয়ে মধুপুর নির্বাচন অফিসারের কার্যালয় জাই সেখানে তেমন ভির ছিলো না কিন্তু অফিসের সামনে একজন লোক ছিল সম্ববত কাজের বুয়া। বুয়া আমার কাগজ গুলো নিয়ে স্যার কে দেয় কিন্তু কোনো কিছু করছিলো না । বুয়া আমার কাছে ১০০ টাকা চায় আমি ৫০ টাকা দেই। পরে কাজ শেষে আবার ১০০ টাকা চায় আমি প্রত্যাখ্যান করি এটি আমার সাথে হয়েছিলো ২০২২ সালে আগস্ট ১৮ তারিখে। এতি ছিল আমার জীবনে প্রথম সরকারি সেবা নিতে গিয়ে ঘুষ দেওয়া তাই এটি এখনো মনে আছে।
আমার বিয়েবাড়ি কথার জন্য কিছুটা জায়গা ক্রয় করি ( কত টাকায় জায়গা কিনেছি এবং কতটুকু তা গোপন রাখলাম নয়তো আমাকে ট্রেস করতে পারবে ) এবং জায়গার দাম ৩+ লাখ ছিল ( তিন লাখ এর বেশি তবে সেটা ঠিক কত টাকা তা বলব না।) কিছুদিন আগে সেই জায়গা রেজিস্ট্রি করতে গিয়েছিলাম এবং সেখানে আলাদা করে ১০ হাজার টাকা দাবি করা হয় একজন অফিস কর্মীর পক্ষ হতে এবং একজন পিওন আরো ২ হাজার টাকা দাবি করে। পিওন জানায় যে সে একটু কষ্ট করবে আমার হয়ে দৌড়াদৌড়ি করবে তাই তাকে টাকা দিতে হবে । আর ঐ সরকারী অফিসার জানায় তাকে চা নাস্তা করতে ঐ টাকা দিতে হবে
আমার Nid অনুযায়ী আমার স্থায়ী ঠিকানা দেওয়া হয় কিন্তু সেখানে ডাকঘরের পরে যে কোড় ( যেমন কলমপতি ৪৫২০) থাকে তা দেওয়া হয় নি উল্লেখ যে আমার আবেদন আমি নিজে নিজে করি। আবেদন জমা দিলে সেখানে যে পরিদর্শক ছিল তিনি বলে আমার আবেদন বাতিল এটা হবে না এবং আমার যে ফ্রি দেওয়া হয়েছে তা আমি পাবো না।আমি সহ আরো কয়েকজন কে নানা সমস্যা বলে আবেদন বাতিল বলে চলে যেতে বলেন। নিচ তলায় গেলে রিসিপশনে বসা একজন বলে অপেক্ষা করতে আমি অপেক্ষা করলাম। দুপুর ১২ টায় আরেক রুমে নিয়ে বলে ১৫০০ টাকা দিলে হয়ে যাবে বাদ্য হয়ে দিলাম কারণ আমার পাসপোর্ট জরুরি প্রয়োজন ছিল।
বন্ধুর বাবা পেশায় একজন শিক্ষক ছিলেন অবসর হয়েছে এখন নাকি কাগজপত্র সবকিছু প্রক্রিয়ার জন্য প্রতিনিয়ত কম বেশি টাকা ঘুষ দিতে হয় এবং টাকা না দিয়ে কাজ করা যায় না,আগে টাকা তারপর কাজ বন্ধুর মুখ থেকে কথাগুলো শুনে খারাপ লাগলো সে যখন বললো সুদে টাকা এনে অফিসে টাকা দিতে হয় তখন খুব এই হতাশা লাগে,একজন শিক্ষক এতো বছর নিঃস্বার্থভাবে কাজ করছে এখন তার প্রাপ্য টাকা পেতে ঘুষ দিতে হচ্ছে, এ কেমন দেশ,মাঝেমধ্যে মনে হয় দেশের সবাই ঘুষখোর,অনুভূতি এখানে বলতে ভালো লাগছে। বি:দ্র: এই অফিসটি হচ্ছে বরিশাল জেলার গৌরনদী অফিস,এখানে একটা চক্র তৈরি হয়েছে যারা আর্থিক লেনদেন ছাড়া কাজ করে না এবং ওখানের ছোট বড় অনেক কর্মচারী -কর্মকর্তা জড়িত আছে।
কুমিল্লা পাসপোর্ট অফিস গিয়েছিলাম পাসপোর্ট বানানোর জন্য পাসপোর্ট বানাতে আনুমানিক মনে হয় ৫০০০ হাজার টাকার মতো লাগে মনে হয় আমি সঠিক জানি না বা মনে নেই কিন্তু আমাকে ১১০০০ হাজার টাকা দিতে হয়েছে তবে কোনো পাসপোর্ট অফিসে কর্মগত লোক কে না এক দালাল কে। কুমিল্লা পাসপোর্ট অফিসে পূর্ব পাশে বাজার আছে বাজারে একটু ভিতরে গেলেই অনেক দালাল বসে ছোট ছোট অফিস খুলে। তাদের মূল উদ্দেশ্য হলো সাধারণ মানুষদের যারা এ সম্পর্কে কোন ধারণা নাই তাদেরকে ভুলেই পালিয়ে টাকা নিয়ে কাগজ পাতি রেডি করা। তারপর হাতে ধরিয়ে দিয়ে কাজ খালাস
এমপিও ফাইল ৬ মাস আটকিয়ে রাখে, একই প্রতিষ্ঠান একসাথেই জয়েন, যে টাকা দিয়েছি তার কোন ত্রুটি নেই, আমি টাকা দেইনি বল ৬ মাস আটকিয়ে রাখে ফাইল, তারপর ৩ হাজার টাকা দিয়েছি, ফাইল পাঠিয়েছে, আমার ক্ষতি হয়েছে ৬ মাসের বেতন যা আর পাইনি, এটি ঘটেছে ( কারিগরি অঞ্চলিক পরিচালকের কার্যালয় ময়মনসিংহ)
অফিসারের সম্মানীদিতে হয়।
আমাদের পরিবারে ওয়ারিশ সূত্রে পাওয়া জমি বন্টন দলিল করতে আমাদের ১২০০০০ দিতেহয়।
amake liecense baniye dewar jnno extra license er theke fee theke extra 4000 tk chaise and ami diyechi , pore ei site er kotha janar por apnader inform korlam
মোটরসাইকেল মালিকানা পরিবর্তনের জন্য বিআরটি অফিসে গেলে তারা অনেক দিন ঘুরায়। পরে অফিসের এক কর্মকর্তা তিনি দালালের মাধ্যমে টাকা কালেকশন করে সব কাজ করে থাকেন। টাকা ছাড়া এই অফিসের কোন রকম কাজ হয় না।
ব্যংক একাউন্ট খুলতে আইডি কার্ড ভেরিফাই করার জন্য ৪ জন এ টাকা রশিদ লিখে দাবী করে। পরে বলে রশিদ পাবেন না।
ami 6 sotang so jomi kenichi zar mot khoroc 16000 taka kintu akti kagojer problem thakar karone 6000 taka otirikto neya hoyeche, ami nerupai chelam kichu korte pari nai,
অডিট আপত্তি নিষ্পেষিত করতে কর্মকর্তা আমার কাছে ১০ হাজার টাকা চায়। আমি10000 টাকা পরিশোধ করেছি।
একবার আমার চাচাতো ভাইয়ের জন্য সীতাকুণ্ড উপজেলায় জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) সংক্রান্ত কাজ করতে গিয়েছিলাম। প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র ও তথ্য জমা দেওয়ার পর অফিস থেকে বলা হয়েছিল, “ঠিক আছে, হয়ে যাবে।” এরপর প্রায় তিন মাস কেটে গেলেও কোনো খবর পাওয়া যায়নি। পরে আবার অফিসে গিয়ে জানতে চাইলে সেখানকার একজন কর্মকর্তা/কর্মচারী ইঙ্গিত দেন—টাকা না দিলে কাজ এভাবেই পড়ে থাকে। শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে একজন ছেলেকে ২,০০০ টাকা দিতে হয়। টাকা দেওয়ার মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যেই আইডি কার্ড প্রস্তুত হয়ে যায়। এটা শুধু একটি ঘটনা নয়—আমাদের দেশে প্রায় সব বিভাগেই এমন অভিযোগ শোনা যায়। সরকার যখন সেবা ডিজিটাল করার কথা বলছে, তখন কম্পিউটারে অনলাইনে আবেদন ও প্রয়োজনীয় তথ্য জমা দেওয়ার পরও কেন বারবার সংশ্লিষ্ট অফিসে গিয়ে কর্মকর্তাদের পেছনে ঘুরতে হব
আমার বাবা সম্প্রতি পেনশনের টাকা উত্তোলন করতে ভোলা সদর হিসাবরক্ষণ অফিসে যায়। বাবার পেপারসে খুব সামান্য ত্রুটি পায় এবং সেই ত্রুটির জন্য বাবা কোনভাবেই দায়ী ছিল না। সেজন্য বাবার থেকে ২ লাখ টাকা দাবি করে। পরে ১ লাখ পঞ্চাশ হাজার দেওয়া হয়েছে। এবং পেনশনের টাকা উত্তোলনের সময় ৪০০০০ টাকা নিয়েছে।