Police clearance
police clearances এর জন্য আমার কাছে ২৫০০ টাকা নিয়েছে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৮৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
police clearances এর জন্য আমার কাছে ২৫০০ টাকা নিয়েছে
অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে সবকিছু মিলিয়ে ৫৭০০ টাকার মতো লাগে সেখানে বি আরটির একজন দালাল আমার কাছে ১৩০০০ টাকা দাবি করেছে... আমার আর্জেন্ট ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রয়োজন ছিল... ঘুষ ছাড়া ড্রাইভিং লাইসেন্স হয়না
car er name transfer korar somoy 8000 taka niyeche Amar kach theke. mirpur brta.
ড্রাইভিং লাইসেন্স অনলাইনের লানার করেছিলাম কোন দলাল ছাড়া পরিক্ষা দিলাম সব ঠিক ঠাক হয়েছে কিন্তু ওখানকার একাটা কর্মচারী বলে টাকা ছাড়া পাশ করতে পারবেন না এবং আমাকে ঠিক ফেল করিয়ে দিছে এর পরে আমি এখন পর্যন্ত ড্রাইভিং লাইসেন্স করাইনি
Bill paser. Kjonno 20% ghus
খাগরিয়া ভূমি অফিস থেকে জমির কাগজ শুদ্ধ নাই বলে খারিজ করে দিছে। যাহা পরবর্তীতে এক স্থানীয় দালালের মাধ্যমে ১২০০০ টাকার বিনিময়ে নাম জারি করাই ইনফেক্ট আমার সব ডকুমেন্টেশন টিক ছিল
ঘুষ দিলে সহজেই হবে না দিলে ভোগান্তি হবে। তাই ভোগান্তি এড়াতে দিয়ে দিছি
শালিস এর জন্য OC কে ১০০০০ টাকা দেওয়া লাগছে
কলকারখানার চট্টগ্রামের ডিআইজি তার পরিদর্শকদের দিয়ে নিজে এবং তার নামে এডিশনাল ডিআইজিকে দিয়ে কারখানা ও প্রতিষ্টান পরিদর্শনের নামে বিভিন্ন কারখানায় চাঁদাবাজি করে চলেছে।এখান থেকে আমরা চট্টগ্রামের ব্যবসায়িক সমাজ পরিত্রাণ চাই।টাকা না দিলে লাইসেন্স আটকানো সহ বিভিন্নভাবে হয়রানি করছে।তিনি তার সহকর্মীর মাধ্যমে ৩০০০০ টাকা আমাদের কারখানা থেকে নেন।
Proti Mash e Vat er receipt e sorkari soi koranor jonno extra vabe Kisu taka na dile soi kore na Jhamela kore .
অবৈধ ভাবে মাটি কেটে, বালু উত্তোলন করে বেশির ভাগ জমি নস্ট করা হয়েছে আমরা এর থেকে মুক্তি চাই
এটা বাংলাদেশের কমন সিনারিও এবং ৫০০০% সত্য ঘটনা, আমি অনেক জমিন খারিজ করেছি। খারিজের সরকারি যেই চালান বা জমা রশিদ প্রদান করে সেখানে সরকারের নিয়ম অনুযায়ী ১১৭৫/- টাকা সরকারী ফি খাত ওয়ারী লিখে দেয় এবং এটাই সরকারী ফি, কিন্তু বাস্তবতা হলো ফি নেয় ৬০০০/- থেকে আনলেমিটেড। ২০১৭ সালে চাঁদপুর সদর উপজেলার তরপুরচন্ডী ভূমি অফিসে আমার কাছ থেকে ৬০০০/- টাকা নিচে কিন্তু রশিদ দিছে ১১৭৫/- কিছু বল্লে বলে খারিজ করাবেন আরো বলে এই টাকার ভাগ মন্ত্রী, ডিসি এসপি সবাই পায়। ২০২১ ফরিদগন্জের রামপুর বাজার ভূমি অফিসে আমার কাছে প্রতি খারিজের বিপরীতে নিচে ৬৫০০/- টাকা করে। আমার কাছে রশিদ গুলো আছে।
বগুড়ার শিবগঞ্জ পৌরসভার বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষার সীমাহীন অনিয়ম। ইউএনও পরীক্ষা পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক পৌরসভার প্রশাসক হিসাবে। পর্দার আড়ালে প্রতিটি পদের জন্য ১২/১৫ লক্ষ টাকার বিপুল অবৈধ তদবির বাণিজ্য। এমন কি ভাইবার রেজাল্টও ওয়েব সাইট কিংবা নোটিশ বোর্ডে প্রকাশ করা হয়নি। তদবির করা প্রার্থীরা যোগদান করেছে ইতোমধ্যে আর তদবির না করা প্রার্থী জানেই না যে রেজাল্ট হইছে কিনা আদোও!
নড়াইল সদর রেজিষ্ট্রি অফিসে দলিল প্রতি সাব রেজিস্ট্রার কে ২০০০ হাজার টাকা ও ঐখানের পিয়ন বা যে হাতে কালি দলিল বইতে সাক্ষর করায় সে দলিল প্রতি ৫০০ করে টাকা নিয়েছে।। পরবর্তীতে দলিলের টিকিট নিয়ে দলিল তুলতে গেলে আর ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে।
দলিলের জন্য অতিরিক্ত টাকা দাবি
২৪-০৪-২০২৪ সালে লার্নার পরিক্ষা ছিল সকল বিষয়ে অর্থাৎ লিখিত, মৌখিক, প্র্যাকটিক্যাল এ পাশ করার পর যুব উন্নয়ন এর যাদের থেকে ট্রেনিং নিয়েছি তারা বলল টাকা দিতে হবে নাহলে ফেল করিয়ে দিবে। সেজন্য তাদেরকে ২৫০০ টাকা দিয়েছি আবার প্রাইভেটকার এ পরিক্ষা দেওয়ার সময় কার চালক একটা টোকেন দিয়ে ২০০ করে নিয়েছিলো মুলত যুব উন্নয়ন এর ট্রেনিং প্রজেক্ট এর ট্রেনার আর বিআরটিএ এর লোক মিলে ভাগে যোগে খেয়েছে
আমি সাতক্ষীরা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজে সেইপ প্রকল্পের আওতায় মোটর ড্রাইভিং ও মেনটেনেন্স কোর্সে ভর্তি আছি, এটি একটি ফ্রি কোর্, এখানে কোন টাকা পয়সা লাগে না সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে ড্রাইভিং শেখানো হয় এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স দেওয়া হয়। কিন্তু এখানে আমাদেরকে বলা হয়েছে ড্রাইভিং লাইসেন্স নিতে হলে ২১০০ টাকা ঘুষ দিতে হবে। অন্যথায় ড্রাইভিং লাইসেন্স করে দেবে না। ড্রাইভিং লাইসেন্স হবে না।
এখানে মূল যে ঘটনা আছে তা হলো আমি যখন একটা সামাজিকের কাজ কিনে করাইতে গেছি এবং আমি যখন সেটার বিল তুলতে যাই তো আমাকে হচ্ছে জেলার এলজিডি অফিসে থেকেও ঘুষ দাবি করে ইয়া ব্যাপারগুলা তখন আমি পরিশোধ করি যদিও এখন পর্যন্ত আমার ফাইল সেখান থেকে পুরাপুরি ক্লোজ হয় নাই আমি জামানতের টাকা পাই নাই তো এই জিনিসগুলা আমার ফেস করতে হইছে এই জিনিসগুলো যে শুধুমাত্র না এখন আছে তা নাই জিনিসগুলা আগেও ছিল আগে যখন আওয়ামী লীগের আমলে তখন ছিল এখন বিএনপির সময় এখনো বিদ্যমান আছে।
সেবাগ্রহিতা তাঁর নিজ প্রতিষ্ঠান প্রধানের নিকট ছুটি চাইলে প্রতিষ্ঠান প্রধান ছুটি দিতে অস্বীকৃতি জানান। এরপরে ভূক্তভোগী সংশ্লিষ্ট অফিসের কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করলে উক্ত কর্মকর্তা তাঁর নিকট হতে প্রথমে 50000 টাকা ঘুষ দাবি করেন। এই পরিমাণ টাকা সেবাগ্রহিতা দিতে অস্বীকৃতি জানালে উক্ত কর্মকর্তা তাঁর নিকট 35000 টাকা দাবি করেন, তবুও সেবাগ্রহিতা অস্বীকৃতি জানান এবং পরবর্তীতে তিনি আর ছুটি নেন নি। উল্লেখ্য যে, এই ভূক্তভোগীর বর্তমানে তিনটি সন্তান তবে তিনি পূর্ববর্তী দুই সন্তানের সময়ে মাতৃত্বকালীন ছুটি ভোগ করেননি।
নামজারি ১১৭০ টাকা। অহেতুক হয়রানি করে, ১৫০০০ টাকা দাবি করে। অফিস কর্তা এবং সহকারী মজনু ঘুষের টাকা ছাড়া কোন কাজই করতে চায় না। এদের অত্যাচারে মানুষের করুণ দশা।