Monthly Vat chalan
Proti Mash e Vat er receipt e sorkari soi koranor jonno extra vabe Kisu taka na dile soi kore na Jhamela kore .
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৯৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
Proti Mash e Vat er receipt e sorkari soi koranor jonno extra vabe Kisu taka na dile soi kore na Jhamela kore .
অবৈধ ভাবে মাটি কেটে, বালু উত্তোলন করে বেশির ভাগ জমি নস্ট করা হয়েছে আমরা এর থেকে মুক্তি চাই
এটা বাংলাদেশের কমন সিনারিও এবং ৫০০০% সত্য ঘটনা, আমি অনেক জমিন খারিজ করেছি। খারিজের সরকারি যেই চালান বা জমা রশিদ প্রদান করে সেখানে সরকারের নিয়ম অনুযায়ী ১১৭৫/- টাকা সরকারী ফি খাত ওয়ারী লিখে দেয় এবং এটাই সরকারী ফি, কিন্তু বাস্তবতা হলো ফি নেয় ৬০০০/- থেকে আনলেমিটেড। ২০১৭ সালে চাঁদপুর সদর উপজেলার তরপুরচন্ডী ভূমি অফিসে আমার কাছ থেকে ৬০০০/- টাকা নিচে কিন্তু রশিদ দিছে ১১৭৫/- কিছু বল্লে বলে খারিজ করাবেন আরো বলে এই টাকার ভাগ মন্ত্রী, ডিসি এসপি সবাই পায়। ২০২১ ফরিদগন্জের রামপুর বাজার ভূমি অফিসে আমার কাছে প্রতি খারিজের বিপরীতে নিচে ৬৫০০/- টাকা করে। আমার কাছে রশিদ গুলো আছে।
বগুড়ার শিবগঞ্জ পৌরসভার বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষার সীমাহীন অনিয়ম। ইউএনও পরীক্ষা পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক পৌরসভার প্রশাসক হিসাবে। পর্দার আড়ালে প্রতিটি পদের জন্য ১২/১৫ লক্ষ টাকার বিপুল অবৈধ তদবির বাণিজ্য। এমন কি ভাইবার রেজাল্টও ওয়েব সাইট কিংবা নোটিশ বোর্ডে প্রকাশ করা হয়নি। তদবির করা প্রার্থীরা যোগদান করেছে ইতোমধ্যে আর তদবির না করা প্রার্থী জানেই না যে রেজাল্ট হইছে কিনা আদোও!
নড়াইল সদর রেজিষ্ট্রি অফিসে দলিল প্রতি সাব রেজিস্ট্রার কে ২০০০ হাজার টাকা ও ঐখানের পিয়ন বা যে হাতে কালি দলিল বইতে সাক্ষর করায় সে দলিল প্রতি ৫০০ করে টাকা নিয়েছে।। পরবর্তীতে দলিলের টিকিট নিয়ে দলিল তুলতে গেলে আর ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে।
দলিলের জন্য অতিরিক্ত টাকা দাবি
২৪-০৪-২০২৪ সালে লার্নার পরিক্ষা ছিল সকল বিষয়ে অর্থাৎ লিখিত, মৌখিক, প্র্যাকটিক্যাল এ পাশ করার পর যুব উন্নয়ন এর যাদের থেকে ট্রেনিং নিয়েছি তারা বলল টাকা দিতে হবে নাহলে ফেল করিয়ে দিবে। সেজন্য তাদেরকে ২৫০০ টাকা দিয়েছি আবার প্রাইভেটকার এ পরিক্ষা দেওয়ার সময় কার চালক একটা টোকেন দিয়ে ২০০ করে নিয়েছিলো মুলত যুব উন্নয়ন এর ট্রেনিং প্রজেক্ট এর ট্রেনার আর বিআরটিএ এর লোক মিলে ভাগে যোগে খেয়েছে
আমি সাতক্ষীরা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজে সেইপ প্রকল্পের আওতায় মোটর ড্রাইভিং ও মেনটেনেন্স কোর্সে ভর্তি আছি, এটি একটি ফ্রি কোর্, এখানে কোন টাকা পয়সা লাগে না সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে ড্রাইভিং শেখানো হয় এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স দেওয়া হয়। কিন্তু এখানে আমাদেরকে বলা হয়েছে ড্রাইভিং লাইসেন্স নিতে হলে ২১০০ টাকা ঘুষ দিতে হবে। অন্যথায় ড্রাইভিং লাইসেন্স করে দেবে না। ড্রাইভিং লাইসেন্স হবে না।
এখানে মূল যে ঘটনা আছে তা হলো আমি যখন একটা সামাজিকের কাজ কিনে করাইতে গেছি এবং আমি যখন সেটার বিল তুলতে যাই তো আমাকে হচ্ছে জেলার এলজিডি অফিসে থেকেও ঘুষ দাবি করে ইয়া ব্যাপারগুলা তখন আমি পরিশোধ করি যদিও এখন পর্যন্ত আমার ফাইল সেখান থেকে পুরাপুরি ক্লোজ হয় নাই আমি জামানতের টাকা পাই নাই তো এই জিনিসগুলা আমার ফেস করতে হইছে এই জিনিসগুলো যে শুধুমাত্র না এখন আছে তা নাই জিনিসগুলা আগেও ছিল আগে যখন আওয়ামী লীগের আমলে তখন ছিল এখন বিএনপির সময় এখনো বিদ্যমান আছে।
সেবাগ্রহিতা তাঁর নিজ প্রতিষ্ঠান প্রধানের নিকট ছুটি চাইলে প্রতিষ্ঠান প্রধান ছুটি দিতে অস্বীকৃতি জানান। এরপরে ভূক্তভোগী সংশ্লিষ্ট অফিসের কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করলে উক্ত কর্মকর্তা তাঁর নিকট হতে প্রথমে 50000 টাকা ঘুষ দাবি করেন। এই পরিমাণ টাকা সেবাগ্রহিতা দিতে অস্বীকৃতি জানালে উক্ত কর্মকর্তা তাঁর নিকট 35000 টাকা দাবি করেন, তবুও সেবাগ্রহিতা অস্বীকৃতি জানান এবং পরবর্তীতে তিনি আর ছুটি নেন নি। উল্লেখ্য যে, এই ভূক্তভোগীর বর্তমানে তিনটি সন্তান তবে তিনি পূর্ববর্তী দুই সন্তানের সময়ে মাতৃত্বকালীন ছুটি ভোগ করেননি।
ওয়ারিশান জমি(২.৩ শতক মূল্য ৪ লক্ষ টাকা) নিজের অংশ টুকু নামজারি করতে অফিসে গেলে ইনিয়ে বিনিয়ে কথা বলে; আমি চাইলে কাজটি দিয়ে যেতে পারি কিন্তু সময় বেশি লাগবে ভাবে প্রকাশ করে। পরে ওখানে একজন অফিসের বাইরে একটি ফটোকপির দোকান দেখিয়ে দিলো।পরে সেখানে কাজটি করার জন্য ২০০০০ টাকা দাবি করে, পরবর্তিতে কাজটি করার জন্য ১২০০০ টাকায় বাধ্য করা হয়। ঐ দোকানদার বলে আমার অংশ সীমিত, বড় অংশ বাবুদের পকেটে ডুকে।
নামজারি ১১৭০ টাকা। অহেতুক হয়রানি করে, ১৫০০০ টাকা দাবি করে। অফিস কর্তা এবং সহকারী মজনু ঘুষের টাকা ছাড়া কোন কাজই করতে চায় না। এদের অত্যাচারে মানুষের করুণ দশা।
নামজারি ফি ১১৭৫ টাকা কিন্তু কেউ এ-ই টাকা দিয়ে নাম জারি করেছে আমি শুনিনি।
আমি এই কথা বলব আমরা সোনার খনিতে বাস করি না চোর আর ঘুষ খনিতে বাস করি
ব্যাংক ড্রাফ ফি ছিল ৫৭৫০ টাকা দিয়ে আমি নিজে নিজে কোন দালাল ছাড়াই গিয়ে জমা দেই জমা দেওয়ার সময় ওরা আমার ফাইলটি রিজেক্ট করে দেয় এই প্রবলেম ওই প্রবলেম বলে । তারপর আমি দালালের সহযোগিতায় সেইম ফাইলটি আরো ২২৫০ টাকা এক্সট্রা দিয়ে যখন জমা দেই তখন তারা আমার ফাইলটি একসেপ্ট করে
বেসরকারী স্কুল শিক্ষকের এমপিও আবেদন এপ্রুভ করার জন্য উজিরপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসে ২০০০ টাকা দাবি করে। ২০০০ টাকা প্রদানের পর এমপিও আবেদন এপ্রুভ করে। এই অফিসে টাকা না দিলে কারো এমপিও আবেদন ফাইল/বকেয়া ফাইল এপ্রুভ করেনা। এটা ঐ এলাকায় ওপেন সিক্রেট।
কোনো রিসিট প্রদান ছাড়াই, অফিস খরচের নামে ৭০০০ টাকা দাবি করেন। আমি সেবা গ্রহীতা একজন ষষ্ঠ গ্রেডের সরকারি ক্যাডার কর্মকর্তা।
আমার একটা গাড়ি বর্তমানের এক নেতা জোরপূর্বক তার বাড়িতে আটকে রেখেছে, টাকা দাবি করছে তা না হলে গাড়ি ছেড়ে দেবে না। সেই গাড়ি উদ্ধারের জন্য আমি এটিএম কোর্টে মামলা করেছি সার্চ ওয়ারেন এর জন্য। জজের যে পেশকার থাকে উনি আমাদের এই ওয়ারেন্টা ইস্যু করার জন্য আমার কাছ থেকে ৫০০০০ টাকা ঘুষ চেয়েছে। আমার গাড়ির কাগজ পাতি মালিকানা সব ঠিক আছে। থানা থেকে তদন্ত করে রিপোর্ট দিয়েছে। সব ওকে থাকার পরও আমার কাছে পরিষ্কার সাহেব এই টাকাটা দাবি করেছে। এবং এটাও বলেছে যদি আমি টাকা না দেই তাহলে ডেটের পর ডেট ফেলাবে। একদিকে আমার গাড়িটা পড়ে থেকে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে অন্যদেরকে পেশকার সাহেব এভাবে দাবি করছে। আমি কি করবো কিছুই বুঝতে পারছি না।সর্বশেষ যাওয়ার জায়গায় কোট সেখানেও যদি এই অবস্থা হয় তাহলে আমরা কোথায় যাব?
আমার বাবার অনেক পুরোনো একটি কৃষি ঋন ছিল যা পর্যায়ে ক্রমে পরিশোধ না করে একেবারে পরিশোধ করতে চেয়েছিলাম এবং সঠিক হিসেব চাইলে তা না দিয়ে নানান কথা বাড়িয়ে সে অনেক বড় এমাউন্ট উপস্থাপন করে।পরবর্তীতে বলা হয় দশ হাজার টাকা দিলে কমিয়ে দিবে।পরে তা ৫০০০ টাকা ঘুষ নিয়ে সমাধান করে
তেজগাঁও পাসপোর্ট অফিসে নতুন পাসপোর্ট করেছি, ৩০১ নাম্বার রুম থেকে। এক্সপ্রেস ডেলিভারিতে খরচ ৮০৭০ টাকা, আমার কাছে টাকা নিয়েছে ১২৫০০/- টাকা কিন্তু সরাসরি অফিসার নেয়না, টাকা নেয় কম্পিউটার দোকানদার। ওদের সিন্ডিকেট আছে। ওদের দোকান থেকে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে করলে সেবা ভালো পাওয়া যায়। খরছ আনুমানিক ৪০০০+ বেশি লাগে। অন্যথায় আপনি বেশ কয়েকদিন ঘুরেও পাসপোর্ট হাতে পাবেন না। আপনার সময় নষ্ট হবে। অফিস থেকে কি বার বার এরকম ছুটি দিবে? তাই আমি বলি কি, তাদের সেবা নিন, ভালো থাকুন, সময় বাচান।