আয়কর অডিট মামলা নিস্পত্তি করার জন্য
না দিলে মামলা নিস্পত্তি না করে আরো জটিলতা বৃদ্ধি করবে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৯৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
না দিলে মামলা নিস্পত্তি না করে আরো জটিলতা বৃদ্ধি করবে।
তারা সর্বদা রোগীর জন্য ট্রলি নিতে টাকা নেয়।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করার জন্য আমার কাছ থেকে নিকলী থানার এসআই ৩ হাজার টাকা ঘুষ চাইছি সেটা নাকি তাদের খরচ স্যার বিনিময় পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করে দিবে এক সপ্তাহের মধ্যে হয়ে যাবে অন্যথায় নাকি হবে না
মিসকেস এর মামলা ছিলো ভুমি অফিসে,,সব ডুকুমেন্ট আমাদের পক্ষে থাকলেও তারা বছরের পর বছর নতুন নতুন ডেট দিয়ে হয়রানী করতেছিলো,,পরে ২০ হাজার দাবি করে বলতেছে এই টাকা দিল মামলার রায় হবে না হলে রায় হবে না।
আমি একটা পুরাতন বাইক ক্রয়করি বরিশালের একটা শো-রুম থেকে। তারা জানায় গাড়ির কাজগপত্র তৈরী করতে ১০০০০ টাকা লাগবে। আমি শো-রমের মালিককে ১০০০০ টাকা দিয়ে দেই। তিনি কাগজপত্র আপডেট করে দেন। অনলাইনে আপডেট হয়ে যায়, কিন্তু সমস্যা বাধে আমি ১ মাস পরে ফিঙ্গার দিতে গেলে তারা আমাকে ঘুরানো শুরু করে। পরে ৪ মাস পরে জানতে পারলাম আমার বাইকের ফাইল নাকি পাওয়া যাচ্ছে না। বিষয়টা জানার পরে আমি শোরুমের মালিককে ধরি তিনি আমাকে জানান যে বিএরটিএর যে কর্মকর্তা কাজটি শুরু করেছিলেন তিনি নাকি বদলী হয়ে গিয়েছেন। তার বদলীর পরে অফিসের লোকজন আমার ফাইল গায়েব করে দেন। বর্তমানে এটা পেন্ডীং অবস্থায় আছে।
অনলাইন রিটার্ন দাখিল অসমর্থ হলে পেপার রিটার্ন দাখিল করা যাবে মর্মে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান কর্তৃক স্বাক্ষরিত বিগত ২৮/৬/২০২৬ খ্রি. তারিখে বিশেষ আদেশ প্রচার করেন। আমি তৎপ্রেক্ষিতে বিগত ১৫/০৭/২০২৬ খ্রি. তারিখে আমি করদাতার পর্যাপ্ত উপকরন এবং পর্যাপ্ত জ্ঞান না থাকার কারণ উল্লেখ পূর্বক আবেদন করেছি কিন্তু স্বাভাবিক অবস্থায় সমাধান না করে অনৈতিক অবৈধ উৎকোচ দাবি করেন।
আমার অনেক তাড়াহুড়া ছিল গাজীপুরের একটা ফ্যাক্টরি তে মেশিন problem solve করার তাই আমি House Building এ U -Turn নিয়ে একটু wrong lane ধরে BRT তে উঠতে যাই তখন একটা পুলিশ আমাকে দেখে দূর থেকেই ২ হাত দুই দিকে উঁচিয়ে যেন মুরগি ধরার জন্য দৌড়াতে লাগলো। তারপর আমিও চুপ চাপ থেমে যাই তারপর আমার রেজিস্ট্রেশন পেপার এন্ড লাইসেন্স চায় আমি দিতে চাই নি বলেছি পেপারস বাসায় যদিও আমার সাথেই ছিল। তারপর বলে আমার bike থানাতে নিয়ে যাবে। আমাকে পেপারস নিয়ে আসতে বলে মামলা দেবার জন্য। তারপর ৪০ মিনিট পরে বলে রেকার বিল আসবে ১২৫০ টাকা,তো আপনি ১০০০ টাকা দিয়ে দেন। তারপর আমি বিকাশ থেকে ১০০০ টাকা তুলে তাকে দিতে যাই তখন বলে আমি যেন আমার হেলমেট এর ভিতর টাকা টা রাখি। তারপর আমার হেলমেট থেকে টাকা তা নিয়ে আমার নাম এড্রেস লিখে নিয়ে j
এফসি বিবিধ, ঢাকা সেনানিবাস হতে টিএ ডিএ, চিত্তবিনোদন, বিভিন্ন বকেয়া দাবী, পেনশন, জিপিএফ, জিপিএফ চুড়ান্ত টাকা দাবী, ছুটির নগদায়ন, উচ্চতর গ্রেড, নতুন নিয়োগের বিল, পারিবারিক পেনশন ইত্যাদির বিল দাবী করা হলে ঘুষ ছাড়া কোন কাজ করা যায় না যদিও করে দেয় তাহলে কোন বিল পাঠালে এখানে ভূল ওখানে ভূল এরুপ করে মাসের পর মাস লেগে যায় বিল হাতে আসতে।।। মোট কথা টাকার অংক বড় হউক আর ছোট হউক ঘুষ ছাড়া ফাইল আসবে না।৷ ধন্যবাদ
আমি হজ্জের উদ্দেশ্য পাসপোর্ট করতে গেলে, সমস্ত কাগজ পত্র ঠিক থাকার পরেও আমাকে সার্টিফিকেট এর নামের মাঝে স্পেস নেই অথচ এনআইডি কার্ডের নামের মাঝে স্পেস আছে এটা বলে ফিরিয়ে দেয়। আমি সকাল থেকে দুইটা পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলাম। পরবর্তীতে বের হয়ে আসার সময় বাইরে থেকে একজন দালাল আমার কাছে ১৫০০টাকা চায় এবং বলে পাঁচ মিনিটে ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিয়ে দিবে। আমার হাতে সময় কম থাকাই নিরুপায় হয়ে ১২০০ টাকার বিনিময়ে রাজি হয়। যেহেতু আমি হজ্জ এজেন্সিক অলরেডি টাকা জমা দিয়ে দিয়েছিলাম। বারোশো টাকার বিনিময়ে সাথে সাথে আমার ফিঙ্গারপ্রিন্ট করে দেয়।
আমার বাসা মানিকগঞ্জ সিংগাইর ইউনিয়ন পরিষ ৬ নং ওয়ার্ডে আমি পাসপোর্ট নবায়নের জন্য ইউনিয়ন পরিষদে যাই পাসপোর্ট নবায়ন এবং সংশোধনের জন্য আমার কাছে ১৭ হাজার টাকা নেয় এবং বলে যদি ব্যান্ডে পড়ে তাহলে পরে আরো পাঁচ হাজার টাকা দিতে হবে পরে আমি অন্য এক বড় ভাইয়ের মাধ্যমে এক কম্পিউটার দোকানে যাই সেখানে আমি যাচাই করার জন্য বলি বলে যে ৯ হাজার টাকার ভিতরে সব করে দিতে পারবে পরে আমি আবার ইউনিয়ন পরিষদে যাই সেখানে কথার মাধ্যমে বাঘ বেতনটা হওয়ার পরে হওয়ার পরে আমাকে ওই ১৭ হাজার টাকা দিয়েই পাসপোর্ট করে দেয়
পরপর ৫ দিন গিয়েছিলাম দীর্ঘ ২-৩ ঘন্টা লাইনে থেকে গেলে আমার Application লেটার এ তাদের কোড না থাকলে হুদাই একটা ইস্যু দিয়ে পাঠায় দেয়! যেদিন এক্সট্রা টাকা পে করেছি ওদিন আমার ৭-৮ টা অনিয়ম এর পর ও পাসপোর্ট সাবমিট হয়েছে!
বিদ্যুৎ কেন্দ্র মিটারের জন্য টাকা জমা দিয়েছি দুই বছর পশ্ন করলে উত্তর দেয় আবেদন করা হয়েছে দুই বছর একই কথা
পার্সপোটের কাগজ জমা দিতে গিয়ে ফটোকপির দোকানদার এর মাধ্যমে তারা ঘুষ নেয়।টাকা দিলে কাগজে কোনো ভুল ধরে না এবং তাড়াতাড়ি দেয়।
আমার বাবার পেনশনের টাকা ছিল। একটি সমস্যা বাহির করে প্রায় ১২ লক্ষ টাকা কর্তন যাবে বলে আমাদের জানায় এবং টোটাল কর্তনের অর্ধেক ঘুষ দাবি করে। পরবর্তীতে ৫ লক্ষ টাকায় চুক্তি হয় এবং অন্যান্য টাকা তুলতে গিয়ে সর্বমোট প্রায় ৫.৫ লক্ষ টাকা দিতে হয়েছে।
রিনিউ করতে গিয়ে ২০২১ সালে সিরিয়াল পেতে আমাকে ২০০০ টাকা দিতে বাধ্য করেছে পাসপোর্ট অফিসের মধ্যে সেট করা দালাল চক্র।
Trade license Renewal. 12,000/-, paid 10,000/-
বন্টন নামা করা হয়েছে ৪ জন ওয়ারিশান এর মধ্যে। ১ লাখ অতিরিক্ত না দিলে কাজ হবে না।
১ শতক জায়গা নামজারি করতে সরকার নির্ধারিত টাকা ছিল ১১০০ টাকা, সেখানে আমার থেকে দাবি করা হয় ২৫০০০ টাকা। আমি অনেক চেষ্টা করে ও সরকার নির্ধারিত টাকায় সেবা পায় নি। বাধ্য হয়ে ২৫০০০ টাকা দিয়ে ১ শতক জায়গা নামজারি করেছি। টাকা বিকাশে পেমেন্ট করেছি।
হেবা দলিল করতে যেখানে সব মিলিয়ে ৫০০০ টাকা লাগে সেখানে মৌলভীবাজার সাবরেজিস্টার অফিস আমার কাছে ২৫০০০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেছে। মৌলভীবাজারের সাবরেজিস্টার অফিস, বিআরটিএ,ও পাসপোর্ট অফিস ঘুষের কারখানা।
বাবার পেনশনের ১২ লাখ টাকা তুলতে গিয়ে অ্যাকাউন্ট অফিস ২লাখ দাবি করেছিল। আমরা খুব ক্রাইসিসে ছিলাম। পরে ধার দেনা করে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকায় ম্যানেজ করতে পেরেছিলাম।