নাম ট্রান্সফার ঘুষ দাবি করা হয়েছে

আমি একটা পুরাতন বাইক ক্রয়করি বরিশালের একটা শো-রুম থেকে। তারা জানায় গাড়ির কাজগপত্র তৈরী করতে ১০০০০ টাকা লাগবে। আমি শো-রমের মালিককে ১০০০০ টাকা দিয়ে দেই। তিনি কাগজপত্র আপডেট করে দেন। অনলাইনে আপডেট হয়ে যায়, কিন্তু সমস্যা বাধে আমি ১ মাস পরে ফিঙ্গার দিতে গেলে তারা আমাকে ঘুরানো শুরু করে। পরে ৪ মাস পরে জানতে পারলাম আমার বাইকের ফাইল নাকি পাওয়া যাচ্ছে না। বিষয়টা জানার পরে আমি শোরুমের মালিককে ধরি তিনি আমাকে জানান যে বিএরটিএর যে কর্মকর্তা কাজটি শুরু করেছিলেন তিনি নাকি বদলী হয়ে গিয়েছেন। তার বদলীর পরে অফিসের লোকজন আমার ফাইল গায়েব করে দেন। বর্তমানে এটা পেন্ডীং অবস্থায় আছে।

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳১০,০০০
যে কাজের জন্য নাম ট্রান্সফার
দপ্তর বিআরটিএ
বিভাগ বরিশাল
থানা / উপজেলা বরিশাল
রিপোর্টের তারিখ ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কতজন দেখেছেন ১ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

বিআরটিএ

নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়া

নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার জন্য টাকা দাবি করেছে। নতুবা লাইসেন্স তারা করতে দিচ্ছে না। অন্যদিকে, আমার পিতার লাইসেন্স করার জন্য আবেদন করেন। নির্দিষ্ট তারিখে সেখানে গেলে সফল দক্ষতা যাচাইয়ের পর যখন ফিঙ্গার প্রিন্ট দেওয়ার সময় হয়, তারা টাকা দাবি করে। কিন্তু টাকা দেন নি। ফিঙ্গারপ্রিন্ট ঠিকই নিয়েছিল। পরেরদিন লেখা আসে পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছে। হতে পারে, টাকা না দেওয়ায় তারা ফেইল করে দিয়েছে।

ঘুষ দিইনি
গাজীপুর ৳১৩.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
বিআরটিএ

Car ownership change

বিআরটিএর যেখানে মালিকানা বদলি হয় সেখানে একজন সে তার এক দালাল এর মাধ্যমে ৩ হাজার টাকা নিয়েছিল মালিকানা বদলি বাবদ। রুম নাম্বার ৩১৫। এবং যে ইন্সপেক্টর আছে গাড়ির ইনস্পেকশন করে সেও ১০০০ টাকা নিয়েছিল।

ঘুষ দিয়েছি
Dhaka ৳৩.০ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য