ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন
আমার দোকানের ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে গেলে আমাকে বলে তাকে টাকা দিলে সে বর্তমান যে ভাবে আছে সে ভাবে নবায়ন করে দিবে তা না হলে সানইবোড এর জন্য অতিরিক্ত আর্থ দরবে। আমার সাইনবোর্ড মেপে আমি ট্রেড লাইসেন্স করছি তাও তাকে টাকা দিতে হবে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,২১৫ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার দোকানের ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে গেলে আমাকে বলে তাকে টাকা দিলে সে বর্তমান যে ভাবে আছে সে ভাবে নবায়ন করে দিবে তা না হলে সানইবোড এর জন্য অতিরিক্ত আর্থ দরবে। আমার সাইনবোর্ড মেপে আমি ট্রেড লাইসেন্স করছি তাও তাকে টাকা দিতে হবে।
জাতীয় পরিচয় পত্রের ঠিকানা পরিবর্তন গেলে তারা ২০০০ টাকা দাবি করে। পরে ঘুসি দিয়েই কাজ করানো লাগছে।
ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার ৪নং বালিয়ান ইউনিয়ন এ যদি কেউ NID কার্ড করার জন্য প্রসংশাপত্র তুলতে যায় তখন ওই একটা কাগজের জন্য ৫০ টাকার দিতে হয়। কিন্তু এসব খরচ ত সরকার বহন করে।
রংপুর ডিসি অফিসে নাগরিকত্ব সনদ স্বাক্ষর নিতে ৫০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়, না দিলে স্বাক্ষর হয় না
পেনশনভোগী মারা যাওয়ার পরে তার স্বামীর নামে পেনশন নেওয়ার ক্ষেত্রে সকল কাগজপত্র ১৫ দিনের মধ্যে জমা দিলেও কাজ আটকে রাখে এবং বলে ১০০০০ টাকা লাগবে। পরে দশ হাজার টাকা দিতে বাধ্য হই।
ফ্যামিলি কার্ড শুমারির জন্য তথ্য সংগ্রহকারী পদে যারা কৃতকার্য হয়েছে আমি সহ তাদের সকলের কাছে থানা থেকে ফোন এসেছিলো।পুলিশ ভেরিফিকেশন জন্য। কিন্তু যারা এই নিয়োগ পরীক্ষায় টিকেছিলো তাদের বাদ রেখে 4000 টাকা করে ঘুষ নেয়ার মাধ্যমে অযোগ্য নেশাখোর ব্যক্তিদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যারা কিনা পরীক্ষায় কৃতকার্য হতে পারেনি। এটা বগুড়া জেলার সারিয়াকান্দি সমাজসেবা অধিদপ্তরের কাজ।
জমির নামজারি,,,১০০০ চেয়েছে ৫০০ দিয়েছি আরও ৫০০ চাচ্ছে।
যদি টাকা না দেওয়া হয়, তাহলে আমার জায়গায় থেকে জমি কেটে নিয়ে, বিডিএস এ কম উঠানো হবে।
জমির নাম জারি করতে গেলে, নায়েব সাহেব তার শালা এবং আত্মীয় দ্বারা অফিস পরিচালিত করে এবং জমি কাগজ সব ঠিক থাকার পরও অতিরিক্ত আরো ১০০০০ হাজার টাকা দাবি করে কিন্তু টাকা লাগার কোনো কথা না
অযৌক্তিক কারণ দেখে ফাইল আটকে রাখেন
ট্রেড লাইসেন্স করতে ইউনিয়ন অফিসে এ গিয়েছিলাম, সেখানের সচিব সাহেব আমার কাছ থেকে ১৭০০ টাকা নিল কিন্তু সে টাকার ঘরে লিখলো ১০০০ টাকা, উল্লেখ্য যে সেখানে ১৫০ টাকা ভ্যাট ছিল। সে আমার কাছ থেকে ৫৫০ টাকা অতিরিক্ত নিয়েছে। যা আমি চূড়ান্ত বিচারের দিন বুঝে নিব ইনশাআল্লাহ।
এড্রেস ভেরিভাই করার জন্য ১৫০০ টাকা চেয়েছে। না দিলে উলটা পালটা রিপোর্ট দিবে। খুব দরকার পাসপোর্টটি। তাই বাধ্য হয়ে দেয়া লাগছে। ২ জায়গা তেই ঘুষ দেয়া লাগছে। বর্তমান এড্রেস নোয়াখালী, পার্মানেন্ট এড্রেস কুমিল্লা। ২ জায়গা তেই ১০০০ করে ২ হাজার টাকা খেয়েছে।
হয়রানি করার পর পরিশোধ করা হয়
আমাদের সব দলিল ঠিক থাকার পরও আমাদের দলিল রিজেক্ট করসে ভুলভাল বুঝ দিয়ে,পরে দালাল দিয়ে করায় একচান্সে তা একসেপট করসে।আমাদের জাওয়াও লাগেনাই।
আমার আবাসিক মিটার টা স্থানান্তর করার জন্য আবেদন করতে গেলে তারা তাদের এজেন্ট (টেকনিশিয়ান) দের সাথে যোগাযোগ করতে বলে। পরে তার সাথে কথা বললে তিনি 1500 টাকা ঘুষ দাবি করেন। আমি এতে অসম্মতি দিলে তিনি আমাকে অফিসে গিয়ে আবেদন করতে বলে। পরে আমি অফিসে গিয়ে আবেদন করেছি 414 টাকা দিয়ে। কিন্তু 2 মাসের মাথায় আমার কাজ না হলে আমি আবারও গিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সাথে কথা বললে তিনি আমায় আবারও ঘুরে লাইন ম্যানের কাছে পাঠিয়ে দেয়। এই সময় লাইন ম্যান ও টেকনিশিয়ান মিলে আমাকে চায়ের দোকানে নিয়ে গিয়ে বলে আমার টা অনেক পুরোনো লাইন তাই এইটা স্থান পরিবর্তন করতে এখন 4750 টাকা খরচ হবে। এই কথা জানার পরে আমি তাদের বলি যে একটা নতুন সংযোগ নিতেই তো 2500 টাকা খরচ তাহলে আমি কেনো 4750 টাকা দিবো। এই কথার পর আর কাজ করেনি
অডিটের ফাইল টাকা ছাড়া ছাড়নো য়ায়না
নামজারি করার জন্য ৬০০০ টাকা নিয়েছে
আমি নাম পত্তন করতে গেলে সে আমাকে বলে যে আপনি নিয়ম অনুযায়ী করেন তাহলে আপনার সময় লাগবে অনেক আর যদি কিছু টাকা পয়সা খরচ করেন তাহলে খুব দ্রুত আপনি পেয়ে যাবেন
Jomi Namjari korta 25000 tk er necha korba na bolsa sonslisto officer ebon uni sara kou ai kaj korta parba na tai badho hoya gush dea kaj koraisi. Office er modha e tk cash nesa.
সিরাজগঞ্জ-বগুড়া রেললাইন প্রকল্প এর জমি অধিগ্রহণ প্রকল্প তে জমির মালিক দের থেকে প্রতি লাখ এ ৩.৫%--৪% করে সিরাজগঞ্জ শহরের ভুমি অফিস এর কর্মকর্তা রা ঘুষ নিচ্ছে। নাহলে তারা চেক দিচ্ছে না। কাগজ-পত্র থেকে শুরু করে সব কিছু ঠিক করা বাবদ এবং চেক হস্তান্তর করার আগ পর্যন্ত উক্ত টাকা তারা নিচ্ছে। এ টাকা সব কর্মকর্তাদের মাঝে ভাগ হয়। আমার মোট জমির টাকার পরিমান প্রায় ৩২ লাখ টাকা। সে হিসাবে ৪% করে আমার থেকে ১,২৮,০০০ টাকা দাবি করেছে। উক্ত টাকা না দিলে আমার কাগজ পত্র নিয়ে তারা কাজ করবে না। এবং চেক ও দিবে না বলেছে। এ টাকা এখন আমাকে দিতে হয়েছে।