চকবাজার পুলিশ
গত ১২-০৮-২৬ এ আমার মোবাইল হারানো যাই!, সেটির জিডি করতে তারা ১০০০ টাকা দাবি করে এবং পরবর্তীতে ৫০০ টাকা ঠিক হয় এবং তা পরিশোধের পরি আমাকে জিডি করতে দেওয়া হয়েছিল.
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,২১৫ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
গত ১২-০৮-২৬ এ আমার মোবাইল হারানো যাই!, সেটির জিডি করতে তারা ১০০০ টাকা দাবি করে এবং পরবর্তীতে ৫০০ টাকা ঠিক হয় এবং তা পরিশোধের পরি আমাকে জিডি করতে দেওয়া হয়েছিল.
বটিয়াঘাটা সহকারী কমিশনার ( Ac land) ভুমি অপিসে নামজারির আবেদন করে ২ বার না মন্জুর হয়েছে। ৩ য় বার ২০০০০ টাকা ঘুস দাবে করে। টাকা পরিশোধ করলে নামজারি হয়েছে। টাকা নিয়েছে থানার মসজিদের সামনে দাড়িয়ে সার্ভেয়ার
Fitness test e hand break report up to mark na thakate 3000 tk pay korle pass kore dibe
আমি পাসপোর্ট তৈরি করার সময় ছোটখাটো কিছু ভুল করেছিলাম পরবর্তীতে নামের অংশ এবং মায়ের নামের পরিবর্তন প্রয়োজন ছিল এন আইডির মত হুবহু মিল করার প্রয়োজন ছিল কিন্তু সেটা সম্ভব হচ্ছিল না এতে এনআইডি এবং পাসপোর্ট এর সঙ্গে মিল না হওয়াতে দুইবার আবেদন করলে দুইবারই রিজেক্ট হয় পরবর্তীতে তাদের সঙ্গে আলোচনা করলে তারা বলে বর্তমান পাসপোর্ট থেকে সম্পূর্ণরূপে ডিলিট করতে ১ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা লাগবে তাহলে সার্ভার থেকে পাসপোর্ট ডিলেট করে নতুন করে আবার পাসপোর্ট এর আবেদন করা যাবে এই ঘটনাটি ঘটে ২০১৭ সালে ২০২০ সালে এবং ২১ সাল পর্যন্ত আপডেট নিয়ে দেখি একই রকম কোন পরিবর্তন ঘটে নি এ ধরনের যন্ত্রণা থেকে হয়রানি থেকে বাংলাদেশকে মুক্ত করা উচিত আসুন আমরা সবাই মিলে কাজ করি
আমি জাপান প্রবাসী আমি জাপানে লাইসেন্স করতে গেলে আমার নিজ দেশের লাইসেন্সর সার্টিফিকেট লাগবে বলে আমি আমার নিজ দেশের অর্থাৎ বাংলাদেশের ঢাকা বিআরটিএ ইকুরিয়া থেকে সেটা করতে চাইলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আমাকে বলে এটা তিন মাস সময় লাগবে অন্যথায় আমাদের দশ হাজার টাকা দিলে এক সপ্তাহের মধ্যেই করে দিবে এটার সরকারি ফি নির্ধারণ করা আছে আটশত টাকা।কিন্তু কোন উপায় না পেয়ে আমি সেই টাকা টা পরিশোধ করিএবং তার সেই পেপার আবার নোটারি করতে গিয়ে আবার টাকা দিতে হয় শেষ পর্যন্ত আমি আমার লাইসেন্স করতে ব্যার্থ হয়ে জাপানে নতুন করে ড্রাইভিং স্কুলে ভর্তি হয়ে লাইসেন্স করতে চেষ্টা করছি!
দানপত্র রেজিস্ট্রেশন এর খরচ সরকার নির্ধারিত আনুমানিক ৩০০০/- টাকা। ২০২৪ সালের ঘটনা। আমার কাছে উক্ত পরিমান দাবী করাহয়। বলা হয় দলিল লেখক সমিতি ও সাবরেজিস্টার অফিসের খরচ বাকিটা। এটাই এখানকার নিয়ম। আমি ১১০০০০/- টাকায় কাজটা করতে বাধ্য হই।
আমার পাসপোর্টে নামের সাথে জাতীয় পরিচয়পত্রের নামের মিল ছিলোনা তাই আমি এটা সংশোধন করতে দিয়েছিলাম .তখন স্থানীয় নির্বাচন কমিশন অফিস আমার কাছে ১০,০০০ টাকা দাবি করে আমি যেহেতো দেশের বাহিরে থাকি তাই আমার হাতে সময় কম এবং করাটা জরুরি তাই আমি টাকা দিয়ে কাজটি করাই
সময় আনোমানিক মে বা জুন হবে ২০২৫ সাল প্রধান নির্বাচন অফিসে নাম ও বয়স সংশোধনের জন্য আবেদন করেছিলাম, কিন্তু আমাকে জানানো হয়েছিল যে তা সম্ভব নয়। অথচ, পরবর্তীতে ঘুষ দেওয়ার মাধ্যমে সেই একই কাজ খুব সহজে সম্পন্ন করা হয়েছে। আমার প্রশ্ন, যে সেবা পাওয়ার অধিকার আমার রয়েছে এবং যা নিয়মানুযায়ী হওয়ার কথা, তা কেন টাকা ছাড়া করা সম্ভব হয় না? এই ধরনের দুর্নীতি ও হয়রানি সাধারণ নাগরিকদের চরম ভোগান্তিতে ফেলছে।
জন্ম নিবন্ধন এর জন্য আবেদন ছিল। সেখানে শুধু নাম ও বয়স সংশোধন করতে বলায় সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া থানার ৮নং কেরালকাতা ইউনিয়ন পরিষদ সচিব দাবি করেন ৫০০০ টাকা না হলে সংশোধন হবে না। টাকাটা নাকি কলারোয়া উপজেলা পরিষদের ইন এখন ও কে দিতে হবে অথবা উপজেলা জন্ম নিবন্ধন সংশোধন কর্মকর্তাকে দিতে হবে। দেশের অধিকাংশ ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভায় সরকারী এসব সেবা গুলো পেতে এসব হয়রানির স্বীকার হতে হয় সাধারণ মানুষ কে।এসব দেখার মতো কী কেউ নেই।
মদনপুর, সরাইল এলাকায় জমির সার্ভে করতে এসে ওরা সব জমির মালিক থেকে দশ হাজার টাকা করে দাবী করেন ।এটা কুড়িপাড়া ভূমি আফিসের আওতাধীন ।
আমার আন্টি প্রাইমারি স্কুলে চাকরিররত অবস্থায় মারা যান l তার স্বামী সন্তান কেউ নেই l ওয়ারিশান হিসাবে আমরা পেনশনের টাকা উঠাতে গেলে ৪০ লক্ষ টাকায় ৩০% এর উপরে গোশ দাবি করে বসে ত্রিশাল প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার l যদিও আদালত তা কোর্টের মাধ্যমে আমাদের ভাগ করে দিয়েছেন l তারপর দাবি কৃত টাকা আমরা আদায় করতে পারি নাই বিদায় এখনো বন্ধ হয়ে আছে পেনশনের টাকা উত্তোলন ২০১৩ সালে আমার আন্টি মারা গিয়েছেন l
আমি বিদেশে যাবো তাই ইমারজেন্সি লাইসেন্স এর দরকার ছিল। এর জন্য আমি কিভাবে তারাতাড়ি এক্সাম ডেট আনতে পারি এর ব্যাপারে যানতে চায়। পরে তারা ১৯০০০ টাকা দাবি করে এবং কাকে কই টাকা দিতে হবে সেটাও বলে। ড্রাইভিং লাইসেন্সের এর ব্যাবসার সাথে থানার ওছি থেকে শুরু করে বড় উকিলরাও জড়িত
১)বিসিএস জবে জয়েন করার আগেই আমি এম্ফিল করেছিলাম। এমফিল করলে দুটো ইনক্রিমেন্ট দেওয়া হয়।সেই ইনক্রিমেন্ট পাওয়ার জন্য আমার কোরবানি ঈদের (২০০৫ সালের দিকে সম্ভবত) বোনাস পুরোটা এডি, কলেজ শাখার জন্য ঘুষ হিসেবে পাঠাতে হয়েছিলো। ২) ভালো ভালো করলেগুলুর পোস্টিং হয় ঘুষের উপর। আমি টাকা দিতে পারিনি তাই মেধা তালিকায় একেবারে শুরুতে থাকার পরও আমি অনেক রিমোট কলেজে পোস্টিং পেয়েছি ৩) ২০০৯ এ আমি পিএইচডির জন্য একটি বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের অফার লেটার পেয়েছিলাম। সেখান থেকে সমস্ত প্রক্রিয়া শেষে সাতকানিয়া একাউন্টস ডিপার্ট্মেন্টে আমার সম্পুর্ণ ফার্মালিটি শেষ করার পরে আমার কাছে টাকা দাবি করে, কারণ সেই ব্যক্তির দাবি সে অনেক কষ্ট করেছে। অথচ, সে বেতন নিচ্ছেই এই কাজ করার জন্য।
আমি ৩টি নতুন মিটার এর আবেদন করেছিলাম অনলাইনে। ১২/১৩ দিন অতিবাহিত হবার পর আমার সাথ কোন প্রকার যোগাযোগ না করে আমার বাড়ি পরিদর্শনে যান। মিটার বোর্ড, আর্থিন সংযোগ ও প্রয়োজনীয় ওয়ারিং সংযোগ দেওয়া থাকলেও তারা আমার মিটার এর আবেদন খারিজ করে দেন। আবেদন বাতিল করার কারন হিসাবে তারা মিটার বোর্ড, আর্থিন সংযোগ ও প্রয়োজনীয় ওয়ারিং অসম্পূর্ণ বলে উল্লেখ করেন। পরবর্তীতে আমি ছবি ও ভিডিও ধারণ করে অফিসে যোগাযোগ করলে তারা জানান আবেদন যেহেতু খারিজ হয়ে গিয়েছে তাদের করার কিছু নেই আবার নতুন করে আবদন করতে বলেন এবং অফিস এর বাইরে একদন লোক এর সাথে যোগাযোগ রাখতে বলেন। উক্ত ব্যক্তি প্রতি সংযোগ বাবদ ৫০০০/- টাকা করে দিলে এক সপ্তাহের মধ্যে নতুন সংযোগ দিবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন। আমি কোন নেগোসিয়েশনে না করে ফিরে আসি ।
আমি একজন প্রবাসী বাংলাদেশি। প্রায় ১৮ বছর ধরে বিদেশে বসবাস করছি। আমি বিদেশে পড়াশোনা করেছি, তাই আমার গ্র্যাজুয়েশন সার্টিফিকেটের সঙ্গে জন্মনিবন্ধন সনদও প্রদান করেছি।প্রথমে তারা আমাকে জিজ্ঞেস করল, আমি কেন এখনো NID করিনি। আমি তাদের বললাম, যেহেতু আমি দীর্ঘদিন ধরে বিদেশে বসবাস করছি, তাই দেশে থেকে NID করার সুযোগ হয়ে ওঠেনি।এরপর তারা বাংলাদেশের বিভিন্ন সার্টিফিকেট ও আরও অনেক ধরনের কাগজপত্র চাইতে শুরু করল। কিন্তু আমি যেহেতু দেশে মাত্র ২-৩ সপ্তাহের জন্য আসি, তাই এত কম সময়ে এসব ঝামেলা ও প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা আমার পক্ষে খুবই কঠিন।এসময় আমি একজন দালালের সঙ্গে পরিচিত হই। সে আমাকে বলল, “ভাই, আমাকে ১২ হাজার টাকা দেন, আমি একদিনের মধ্যে আপনার কাজ করে দেব। কোনো সমস্যা হবে না।”আমি শেষ পর্যন্ত তার কথায় রাজি হয়ে যাই
যে কোনো বিল পাশ করাতে ২০% টাকা দাবি করে। বিল ১ লক্ষ টাকা হলে ২০,০০০ টাকা তাদের আগেই দিতে হয়। নয়তো বিল পাশ হয় না। ডকুমেন্টস হারিয়ে যায়। পাওয়া যাচ্ছে না। অমুক অফিসে যোগাযোগ করেন। হেনস্তার শেষ নাই।
আমার মা সঞ্চয়পত্রের টাকা জমা দেওয়ার জন্য পোস্ট অফিসে যায়। এখন ব্যাংক নিলেও প্রথম দিকে সঞ্চয়পত্রের টাকা পোস্ট অফিসেই নেওয়া হতো৷ যথারীতি জমা দেওয়ার সময় পোস্ট অফিসের কেউ জমা নিচ্ছিলনা। এক বাবার বয়সী কর্মকর্তা আমার থেকে ৫০০ টাকা ঘুষ চায় সঞ্চয়পত্রের টাকা জমা নেওয়ার জন্য। আমি দিতে অস্বীকৃতি জানাই৷ তখন উপায় না দেখে নিচে পোস্ট অফিসের সাথে ব্যাংক এশিয়ার অফিস ইন্টেগ্রেট থাকায় সেখানে নিয়োজিত এক নারী কর্মকর্তার কাছে টাকাটা জমা দিলে দিনি ঘুষ ছাড়াই আমার টাকাটা জমা করে দেওয়ার ব্যবস্থা করেন। তার কাছে আমি কৃতজ্ঞ।
মায়ের NID কার্ডের নাম সংশোধন করতে হবে। এজন্য তারা ৭০,০০০–৮০,০০০ টাকা দাবি করছে। তবে এখনো টাকা দেওয়া হয়নি।
দুটি ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রির জন্য ২০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। যদিও সব ডকুমেন্ট ওকে ছিল।
আমি ঢাকা সরকারি মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের কম্পিউটার টেকনোলজি (১ম শিফট)-এর একজন শিক্ষার্থী। আমাদের ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে প্র্যাকটিক্যাল/ব্যবহারিক ক্লাসের জন্য নির্ধারিত মালামাল ও সামগ্রী শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করতে না দিয়ে এবং প্র্যাকটিক্যাল ক্লাস সঠিকভাবে না করিয়ে, তা অবৈধভাবে বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে। এই কাজের সাথে সরাসরি জড়িত এবং দায়ী ব্যক্তি হলেন: পদবি: চীফ ইন্সট্রাক্টর (টেক/কম্পিউটার) ও বিভাগীয় প্রধান (কম্পিউটার), ১ম শিফট প্রতিষ্ঠান: ঢাকা সরকারি মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট শিক্ষার্থীদের প্র্যাকটিক্যাল শিক্ষার অধিকার থেকে বঞ্চিত করে সরকারি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সম্পদ বিক্রি করে দেওয়া চরম দুর্নীতি ও অনিয়ম।