জমি রেজিস্ট্রার
জমি রেজিস্ট্রার এর কাজে প্রতিটা টেবিলের জন্য ২৫০০ টাকা করে রাখালাগে টাকা না দিলে ফাইল ছুরে মারছিলো
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,২৩০ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
জমি রেজিস্ট্রার এর কাজে প্রতিটা টেবিলের জন্য ২৫০০ টাকা করে রাখালাগে টাকা না দিলে ফাইল ছুরে মারছিলো
৫৭৫০ টাকা সরকারি ফ্রি পাসপোর্ট এর জন্য নিজে নিজে আবেদন করে পাসপোর্ট বানাতে গেলে তারা যে কোনভাবে ফাইল আমার সাথে যারা ছিল তারা নিজের নিজের ট্রাই করছিল কিন্তু তারা বাট অনেক জায়গায় ঘুরছে তারপর পাইলে এখান থেকে ওইখানে ওইখান থেকে এখানে তাদের এই পরিস্থিতি দেখে আমি কন্টাক্ট করলাম দালালের সাথে উত্তরা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস দালাল কন্টাকের সাথে সাথে প্রথম দিনই টাকা পরিশোধ করার সাথে সাথেই ফিঙ্গার আর আমার পিছনে যারা নিজেরে যেটা ট্রাই করছিল তারা আজকে ১১ দিন যাব ফাইল নিয়ে ঘুরতাছে তাও ফিঙ্গার দিতে পারে নাই পরবর্তীতে আজ সাথে কথা বলায় দেয়ার পর বাড়তি ২০০০ করে টাকা চেয়েছে টাকা দিয়ে মাত্র ফিঙ্গার দিতে পারছো আজকে
জমির নামজারি বা মিউটেশন করার জন্য মোট চার বার অনলাইনে আবেদন করতে হয়েছে। কোন অবস্থাতেই তারা ঘুষ ছাড়া করে দিবে না। প্রত্যেকটা ফাইলে তাদের গোপন চিহ্ন থাকে যদি ওটা কোন দালালের মাধ্যমে অথবা তাদের কোন লোকের মাধ্যমে আসে তাহলে ওটা সাথে সাথে করে দিব অর্থাৎ ওই টাকাটা ওনারা পেয়ে গেছে হিসেবে। হঠাৎ করে ভাগ বাটোয়ারা হবে। আর যদি কোন ফাইলে চিহ্ন না থাকে তাহলে বিভিন্ন ধরনের অজুহাতে তারা এটাকে বাদ করে দিবে। আমারটার ক্ষেত্রে যেটা হয়েছে সেটা হলো আগের মিউটেশন এর কাগজ দেখে বলতেছে এটা জাল সিগনেচার। টাকা দেওয়ার পরে একই মিউটেশনের কাগজ দিয়ে কাজ হয়েছে। টাকা ছাড়া কোনভাবেই কাজ করানো সম্ভব না ।অনেক চেষ্টা করেছি। হয় নি।
সামরিক ভূমি ও ক্যান্টনম্যান্ট জুনিয়র শিক্ষক নিয়োগে ২০ লক্ষ টাকা দিলে চাকরি নিশ্চিত করে দিবে বলে দাবি করা হয়।
আব্বা রির্টায়মেন্টের টাকা একাকালীন উত্তোলনের পর শুধু চিকিৎসা ভাতা এবং দুই ঈদে বোনাস, বৈশাখী ভাতা পেলেন। উনার মৃত্যুর পর আম্মার নামে হস্তান্তরের সময় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ এবং তৈরিতে জটিলতা সৃষ্টি হয় যা ৫ আগস্টের পটপরিবর্তন আরও বাড়িয়ে দেয়। সিটি কর্পোরেশন, ময়মনসিংহ এবং কৃষি সম্প্রসারণ অফিস, ধোবাউড়া পরিস্থিতি আরও জটিল করে তোলে। তখন হিসাবরক্ষণ অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি, কাজটি করে দিবেন বলে সম্মত হন এবং উল্লেখিত অর্থ দাবি করেন। প্রায় তিনমাস দৌড়াদৌড়ির পর আমি বাধ্য হয়ে তা প্রদান করি এবং একদিন পরই আম্মার নামে বই এবং চেক পাই।
আমার কোনো সমস্যা ছিল না,তাও সঠিক টাকে সমস্যা দেখানো হয়েছে।
এলাকায় সেই অফিসারের দালালের মাধ্যমে ঘুস গ্রহন করে সে নিজে হাতে ঘুস নেই না
সরকার নির্ধারিত মাসলের থেকে ৩ হাজার টাকা বেশি চাওয়া হয়েছে। প্রবাসে আমার একটি পার্সেল পাঠাতে হবে। বেসরকারি সেবা ব্যায় বহুল হওয়ায় ডাক বিভাগের ই এম এস সেবার দ্বারস্থ হই। ভ্যাটসহ মাশুলের সাথে আরো দ্বিগুন মাশুল ধরেন, যা এক প্রকার গোপন ঘুষ! ডাক বিভাগের এই কর্মকর্তা তরুনী হওয়াতে বেশি তর্ক না গিয়ে চলে আসি। তবে যদি সাশ্রয়ী কোথাও সেবা না পাই তবে এইখানেই ফেরত আসতে হবে।
বাচ্চার EPR টিকা কাডের জন্য ১০০ টাকা চেয়েছিলেন। কিন্তু আমি টাকা দেইনি ও কাড নেই নি।
সে আমার কাগজ দেখে বলছিল সবকিছু ঠিক আছে টাকা লাগবে ৮ লক্ষ তাহলে আপনাকে রায় দিব আমি বলি এত টাকা আমি দিতে পারবো না আমার কাগজ রাইট ছিল সে অন্য পক্ষের থেকে টাকা নিয়ে তাদের রায় দেয় পরে আমি বলি স্যার আমার কাগজ তো ঠিক ছিল তখন সে বলে মন্ত্রীর সচিব আমাকে বারবার চাপ দিচ্ছিল তাই আমি তাদের রাইটার দিয়ে দিলাম
আমার দলিলে দাগ নাম্বার আর খতিয়ানের দাগ নাম্বার ভুল ছিলো। এটার জন্য আমাকে কমপ্লেইন করতে হবে ভূমি অফিসে। আমি তার জন্য এপ্লিকেশন করছি কিন্তু আমার এই ফাইল টেবিলে টেবিলে সিগনেচার এর জন্য এবং ইনকোয়ারির জন্য পদে পদে ঘুষ দিতে হয়েছে। তারপর ও আমার কাজটা এখনো সমাধান হয়নি। এখনো জুলে আছে।
কিছুদিন আগে আমার ওয়াইফের সরকারী হাসপাতালে সিজার হয়, সিজারের পর একজন সিনিয়র নার্স আমাকে বললেন কিছু চা নাস্তার জন্য টাকা দিলে তিনি আমাকে সরকারী সব ঔষধ দিবেন। পরে ২০০ টাকা দিয়ে ঔষধ গুলা নেওয়া লাগছে। তাও সব ঔষধ পেলাম না
ভেরিফাইয়ের জন্য ময়মনসিংহ সদরে আমার তালিকা গেলে কয়েকদিন হয় তারা জওয়াব দেয় না। তখন আমি একজন কে পাঠাই আমার কাগজপত্র দিয়ে আসতে। নিজে থেকেই অফিসে যোগাযোগ করি। আমার লোক যাওয়ার পর বলে কাজ দেরী হবে। কারণ জিজ্ঞেস করলে কিছুই বলে না। পরে ৫০০ টাকা দিলে ঐ দিনই কাজ করে দেয়।।
টিটিসি থেকে ১৫ হাজার টাকা দেওয়ার কথা, সেখান থেকে ৫ হাজার টাকা দাবি করে বসে।
ড্রাইভিং লাইসেন্স বানানোর জন্য গিয়েছিলাম। ঘুষ ছাড়া কোনো কাজই হয় না। তাই টাকা দিয়ে লাইসেন্স বানিয়ে এখন গাড়ি চালাই।
জমির খাজনা পরিশোধ করার জন্য ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গেলে খতিয়ান দেখে বলে অনলাইনে আবেদন করেছেন? অনলাইনে আবেদন করেন, পাশের কম্পিউটার দোকান থেকে। আমি তৎক্ষণাৎ মুঠো°ফোন দিয়ে অনলাইনে আবেদন করি, তারা বাতিল করে দেয়। বাতিলের কারণ জানতে চাইলে বলে, খতিয়ানে যাদের নাম আছে সকালের এনআইডি কার্ডের ফটোকপি লাগবে। যেদিন মৃত হয় তাহলে তাদের ওয়ারিশান সনদ লাগবে এবং সকল ওয়ারিশদের পেন আইডি কার্ডের ফটোকপি লাগবে। প্রতিউত্তরে আমি তাদের বলেছি অনলাইনে আবেদন করার সময় খতিয়ানের আলোকচিত্র এবং খতিয়ানের যেকোনো এক অংশের মালিক চাইলে খাজনা পরিশোধ করতে পারবে পুরো খতিয়ানের।২৬ শতক জমির খাজনা দেওয়ার জন্য অনুমোদন নিতে ১০০০০ টাকা চেয়েছিল, টাকা না দিলে কাজ হবে না বলে দিয়েছে। আমি এ কাজের জন্য দুই বছর ঘুরেছি, প্রয়োজনীয়তায় হেরে
একদিন হঠাৎ করে ৬/৭ জনের দল নিয়ে উপস্থিত হন ভ্যাট অফিসার। এসেই বিভিন্ন নথিপত্র চাপ দিয়ে সংগ্রহ করে এবং প্রতিষ্ঠানের বেছে বেছে কিছু ফাইল জব্দ করে এবং লেনদেন সংক্রান্ত লেজার সাথে নিয়ে নেয়। বলে যায় তিন কার্যদিবসের মধ্যে দেখা করতে। আমরা বিষয়টি আমাদের নিযুক্তিয় উকিল দ্বারা সমাধা করতে চেষ্টা করি কিন্তু তারা কোন কথাই শুনলো না। উপরন্তু নানাভাবে আইন কানুনের ভয় দেখিয়ে প্রথমে এক কোটি ঘুষ দাবী করে, না হলে মামলা করার ভয় দেখায় এবং তাতে আরো বেশি টাকা খরচ হওয়ার কথা জানায়। তাদের চাপে পড়ে ও ব্যবসা চালু রাখার স্বার্থে শেষ পর্যন্ত ২০ লক্ষ টাকা তাদের ঘুষ দিতে বাধ্য করে। অতঃপর সরকারি কোষাগারে উপযুক্ত ভ্যাট প্রদান করে জব্দ কৃত নথিপত্র ও ফাইল ফেরত পাই। তাদের শর্ত ছিল যেন কেউ বিষয়টি জানতে না পারে বা প্রকাশিত না হয়।
আমি ঋণ সংক্রান্ত ফাইলের প্রয়োজনীয় স্বাক্ষর গ্রহণের উদ্দেশ্যে শিক্ষা অফিসে যাই। ফাইলে স্বাক্ষর নেওয়ার প্রক্রিয়ার সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা প্রতি এক লাখ টাকা ঋণের বিপরীতে ১,০০০/- (এক হাজার) টাকা করে চা-নাস্তার খরচ হিসেবে প্রদান করার কথা জানান। উক্ত অর্থ প্রদানের কোনো সরকারি বিধি, নির্ধারিত ফি বা অফিসিয়াল রসিদ সম্পর্কে আমাকে অবহিত করা হয়নি। বিষয়টি বিবেচনা করে আমি উক্ত অর্থ প্রদান করিনি।
গাড়ী আটকায়ে টাকা নেয়,কাগজ সব ঠিক থাকার পরও
টাকা পরিশোধ করতে বাধ্য হয়েছি