নামজারি,মিস কেইস,
আমার উপজেলার দুইটা ভুমি অফিসে জমি সংক্রান্ত কাজে একাধিকবার ঘুষের মাধ্যমে কাজ সম্পন্ন করতে হয়েছে। প্রথমে ঘুষ ছাড়া নিজে নিজে কাজে ব্যর্থ হয়ে বাধ্য হয়ে ঘুষ দিয়ে কাজ সেরেছি।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,২৫২ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার উপজেলার দুইটা ভুমি অফিসে জমি সংক্রান্ত কাজে একাধিকবার ঘুষের মাধ্যমে কাজ সম্পন্ন করতে হয়েছে। প্রথমে ঘুষ ছাড়া নিজে নিজে কাজে ব্যর্থ হয়ে বাধ্য হয়ে ঘুষ দিয়ে কাজ সেরেছি।
এম পি ও ফাইল ডান করানের জন্য উপজেলা, জেলা,আঞ্চলিক কার্যালয়ে গুষ না দিলে ফাইল আটকে রাখে।
ওয়ার্ডবয় তার স্বাভাবিক দায়িত্ব পালন করে এসে বলে অনেক কিছু করলাম আপনার রোগীর জন্য, ২০০ টাকা দেন
তফশিল অফিসের অফিস সহকারী & পিয়ন মিলে সিন্ডিকেট করে। নায়েব অনেকটাই নিরুপায়। কোনো নামজারি & খাজনা দিতে গেলে ওদের মাধ্যমে দিতে হয়। তা না হলে এই ভুল সেই ভুল বলে বাতিল করে দিবে। কিন্তু যদি বলা হয় যে আমার ডকুমেন্টস এ কি কোনো প্রব্লেম আছে তখন সেটা দেখবে না। কিছু বলবেও না। আর অফিস সহকারী তো বলেই বসলো যে এসিল্যাড টাকা ছাড়া কাজ করে না। তবে তোমাদের (পাব্লিকের) কাছে থেকে নিবে না। আমদের (অফিস সহকারী / পিয়ন) মাধ্যমে গেলে নিবে। কি আর করা। অফিস সহকারী আর পিয়ন যে কত টাকার মালিক হয়েছে দুদুক ওদের ইনকাম সোর্স চেকিং করলেই বের হবে। আমি মনে করি সারা দেশের মানুষ ওদের এই জালায় আছে। আর অফিস এর কথা কি বলবো সিস্টেম এমন ভাবে ডিজাইন করা ওরা জাতে খেতে পারে তেমন ফাক ফোকর রেখে দিয়েছে। আংশিক খাজনা নিবে না। কিন্তু ওরা পারে
আমার পরিচিত একজনের পেনশনের টাকার জন্য আবেদন করতে গেলে ৫০০০ টাকা চাওয়া হয়, এখনও বুঝে উঠতে পারছিনা কি করা উচিত।
জমির দলিল উত্তলনের জন্য ৫ হাজার টাকা দাবি করেছিল
they said that many document were missing, and i have to collect all the file. which takes around 3-7days of collecting them. then i was about to return , A good(!) man come and told me that those documents were not need. he wants 1500 tk from me.after giving money, it only takes 30 min to complete my passport .
এখানে আনুষ্ঠানিকভাবেই চাওয়া হয়, যে কেউ গেলে নামজারি ফ্রি 7000 টাকা।
সিকিউরিটি কোম্পানিতে ভালো বেতনের পোস্ট পেতে এরিয়া ম্যানেজার কে ১০ হাজার টাকা ঘুস দিতে হয়। বেতন পাওয়ার পর কাচ্চি বিরিয়ানি খাওয়াতে হয় প্রতিমাসে। স্কুল কলেজে প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র তুলতে, পৌরসভায় প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র তুলতেও ঘুস দিতে হয়।
ভূমি জরিপ করার বিষয়ে দশ হাজার টাকার দাবি করা হয়েছিলো ।
কোর্টে জমির মামলায় প্রসেস সার্ভারের রিপোর্ট এসেছে কিনা এটা জানতে গেলে নানাভাবে হয়রানী করে ঘুরায়। এরপর মুহুরী ও কোর্টের যার কাছে এই রিপোর্ট জমা থাকে সেই কেরানি গোছের লোক ১৫০০ টাকা নিয়ে ৫মিনিটে বের করে দেয়।
For passport application which was 300 taka during that time. However, they charged me 2000 taka in total.
প্রথমে কর্মকর্তা খুব ভালো ব্যবহার করেন এবং সুন্দর পরামর্শ দেন। কাজটি ভালোভাবে সম্পন্ন করার পর তিনি 1000 টাকা দাবি করেন। প্রথমে দিতে না চাইলেও পরবর্তীতে উনার চাপাচাপিতে আচ্ছা বাধ্য হই।
মাত্র ২০০ টাকা ঘুষ নিলো নল লাগানো জন্য প্রশাবের ঠিকানা : ৩ তলায় আছি ১৫ নং ওয়াট ১৩৮ রুম কি করবেন ভাই ময়মনসিংহের এমপি হায়রে জনগণ ময়মনসিংহ মেডিকেল পরিচালক জনগণে অধিকার শুধু Tax দেওয়া
টাকা না দিলে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স দিবেনা,আমার বিদেশ যাত্রায় বিলম্ব হবে। তাই দিতে বাধ্য।
ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে দালালকে ৮০০০ টাকা দিতে হয়ে ছিল
পাসপোর্টের ফর্ম দেখে প্রথমে বলে যে, এই পাসপোর্ট এর আবেদন বাতিল। কিছুক্ষণ পরে আবার পিওন এসে বলে যে৪০০০ টাকা দিলে পাসপোর্ট হয়ে যাবে। পরবর্তীতে তিন হাজার টাকায় রাজি হই।
আমি বিনা মূল্যে ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ কোর্সের ফরম জমা দিতে গেলে দায়িত্বরত এক ছেলে বলে মেডিকেল সার্টিফিকেট লাগবে সেটা সাথে না থাকায় এবং ঐদিনই লাস্ট ডেট হওয়ায় ছেলেটি বলে সেটা সে মেনেজ করে দিবে ৪০০০ টাকা তাকে দিতে হবে। অথচ বিজ্ঞাপ্তিতে মেডিকেল সার্টিফিকেট লাগবে এরকম কিছু উল্লেখ ছিলো না।
আমি ঢাকা থেকে একটি পাসপোর্ট এর আবেদন করেছিলাম। যেহেতু আমার বর্তমান ঠিকানা ঢাকা ছিল এবং স্থায়ী ঠিকানা ছিল হোমনা থানায়। তাই আমার দুই ঠিকানাতেই ভেরিফিকেশন হয়েছিল। বর্তমান ঠিকানায় মোহাম্মদপুর থানা থেকে পুলিশ এসেছিল এবং সুন্দর মত ভেরিফিকেশন করে গেল কোন টাকা দাবী করেনি। কিন্তু আমার স্থায়ী ঠিকানা হোমনা থানায় গেলে পুলিশ টাকা দাবি করে। পরবর্তীতে আমাকে ১ হাজার টাকা দিতে বাধ্য করা হয়।
আমার ৮ম শ্রেণির রেজিস্ট্রেশনে নামের বানানে ভুল এসেছিল এবং সেই ভুল নাম দিয়েই দাখিল পরীক্ষা দিই। পরবর্তীতে বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে দীর্ঘ তিন বছর ঘোরাঘুরি ও ২০ হাজার টাকা খরচ হলেও সমাধান মেলেনি। দাখিলে ভুল থাকায় আলিম রেজিস্ট্রেশনেও ভুল নামটি চলে আসে। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়ে দাখিলের মূল সনদ সংশোধন করাই। কিন্তু দাখিলের সনদ সংশোধন হলেও আলিমে সেই ভুল থেকেই যায়। নিয়মানুযায়ী অধ্যক্ষের স্বাক্ষর সম্বলিত আবেদনপত্র দিলে বোর্ডে তা সংশোধনের কথা। কিন্তু রেজিস্ট্রেশনের সময় যাওয়া সত্ত্বেও আমাদের ফর্ম ফিলাপের পর আসতে বলা হয়, যাতে অনৈতিকভাবে টাকা দিতে আমরা বাধ্য হয়। এটাকি ঘুষ নয়?? আল্লাহ বিচার করবেন এটার...