বিদ্যালয়ের উন্নয়নমূলক কাজের বরাদ্দ
মূলত বিদ্যালয়ের কাজের জন্য আসা টাকা জমা হওয়ার পূর্বেই তার কাজ করতে হয় কিন্তু কাজ সম্পন্নকরণের পর দাবিকৃত অর্থ পরিশোধ না করলে সহঃ শি.অফিসার চেকে সাইন করেন না তথ নানারকম উপায়ে হয়রানি করে থাকেন।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,২৩০ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
মূলত বিদ্যালয়ের কাজের জন্য আসা টাকা জমা হওয়ার পূর্বেই তার কাজ করতে হয় কিন্তু কাজ সম্পন্নকরণের পর দাবিকৃত অর্থ পরিশোধ না করলে সহঃ শি.অফিসার চেকে সাইন করেন না তথ নানারকম উপায়ে হয়রানি করে থাকেন।
আমি কিছু পণ্য (কাপড়) ডিএইচএল এর মাধ্যমে দেশে পাঠাই পরিবারের জন্য এই পণ্য ছাড়িয়ে আনতে আমাকে দিতে হয়েছে ৩৮ হাজার টাকা।
বগুড়া জেলা, শাজাহানপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মেরামত ও বিবিধ কাজে ১৫০০০০ টাকা অনুমোদন করিয়ে দেবার জন্য প্রধান শিক্ষকের মাধ্যমে সভাপতি সাহেবকে উক্ত ১৫০০০০ টাকা অনুমোদন হলে সেখান থেকে ২০০০০ টাকা ঘুষ প্রদানের শর্তে অনুমোদন/ পাশ করিয়ে দেবার প্রস্তাব দেয়। সভাপতি সাহেব উক্ত ঘুষ প্রদানে অস্বীকৃতি জানালে অনুমোদন বাতিল করে অন্য একটি প্রতিষ্ঠানে ঘুষের মাধ্যমে অনুমোদন করানো হয়েছে।
অনলাইনে সমস্ত ফি পে করে, সমস্ত সত্যায়িত ডকুমেন্ট নিয়ে গিয়েছিলাম, তবুও পেন্সিল একটা বের করে সামনে থাকা পেপারে লিখলো ৩ ৫। মানে তিন হাজার পাঁচ শত টাকা দিতে হবে। না দিয়ে পারলাম না কারণ ভিসা এপ্লিকেশনের তাড়া ছিলো।
২০২২ এর প্রথম দিকে আমার বিদেশে যাওয়ার কথা শুরু হয় এবং এরই মারফতে একটি ভিসা সমগ্র করে আমার পরিবার। যেহেতু পরিচিত লোক ছিলো তাই ভিসা ভালো হবে ভেবে তাড়াহুড়ো করেই আমাকে পাসপোর্ট করতে বলে।আমি কয়েকদিন ভেবেচিন্তে নিজের কম্পিউটার থেকে এপ্লে করার ট্রাই করি কিন্তু তাদের সার্ভার বার বার সমস্যা দিচ্ছিলো পরে ফেসবুকে পাসপোর্ট এর একটা গ্রুপ আছে সেখানে দেখি ২ঘন্টার জন্য সার্ভার সচল হয়েছে আর এটা দেখে আমি তাড়াতাড়ি করে আবেদনটি করতে থাকি আর এই তাড়াহুড়োতে আমার বংশিও নাম টি ২বার টাইপ হয়ে যায়। পরে আমি পাসপোর্ট অফিসে যাই তারা পাত্তাই দিলো না এমন ৫/৭ দিন গেলাম কোনো পাত্তাই দিলো না পরে একটা আনসার (দালাল) আমাকে বলে উপরে স্যার আছে কিছু টাকা দিলে হয়ে যাবে, আমার ভিসার মেয়াদ কম তাই টাকা দিলাম তিনি সাইন দিলেন হয়ে গেলো।
নওগাঁ জেলায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের শিক্ষা ও কল্যাণ শাখায় টেবিলে টেবিলে টাকা দিলে দ্রুত পাস হচ্ছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এডহক কমিটি। টাকা না দিলে দিনের পর দিন কাজ পরে থাকতেছে।
পাসপোট নবায়ন করা জন্য আমি ফাইল নিজে জমা দিতে গেছিলাম জমা না নিয়ে ফেরত দিয়ে বলে যাও ঐ পারে দোকান আছে ঐখান থেকে ঠিক নিয়ে আস। ওখান গেলে ওরা বলে অতিরিক্ত ১৫০০ না দিলে আপনার এটা হবে না।
বলেছিল নামজারি করতে ১৮ হাজার টাকা লাগবে। তাদের নাকি অনেক খরচ আছে ।না দিলে কাজ করে দেবে না।
আমার মা একজন শিক্ষিকা ছিলেন। প্রায় ৩৬ বছর চাকরি শেষ করে তিনি অবসরে গিয়েছেন। তার পেনশন এর কাগজপত্র জমা দিত্র গেলে প্রতিদিন বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হচ্ছে। পরবর্তীতে রকজন জানায় টাকা নেয়ার জন্য শিক্ষা অফিসের কেরানি এই কজ করছে। আমার মা কোন টাকা দিবেন না। আমার মাকে উক্ত কেরানি গর্বের সাথে বলেছে সে কাউকে পাত্তা দেয় না, আমার মাকে ৭ বছর ঘোরাবে। কোন নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ দাবি করেনি।
টাকা না দিলে ১০ রকম কাগজ লাগে, টাকা দিলে শুধু আইডি কার্ড বা নিবন্ধন দিয়েই কাজ হয়ে যায়।
Passport office er daalal ke diye hoyechhe 2500tk and for police verification i had to pay 1000tk to the sub-inspector
আমি একটি মিসস কেস আবেদন করি।অনেক গুলা তারিখ দেয়ার পর ও রায় হয় না। পরে দালাল এর মাধ্যমে রায় করাইছি।
আমার দলিল করা হয়েছে। এখন নামজারি করতে চাইছি। নকল দলিল প্রয়োজন। কিন্তু নকল তোলা ১৩০০ টাকা লাগে। কিন্তু কমিটির খুশির জন্য অতিরিক্ত ১০০০ টাকা দাবি পরিশোধ করেছি।
স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদরাসা শিক্ষক তালিকা প্রেরণ কালীন মাদ্রাসা প্রতি ৩০ হাজার টাকা বাধ্যতামূলক নেয়া হয়।মূল হোতা ছিল- একজন অস্থায়ী কর্মকর্তা আর অফিস সহকারী। সর্বোপরি বিষয় টি জেলা শিক্ষা অফিসার জানতেন।
আমার বাবার ইনকাম ট্যাক্স সার্টিফিকেট এম্বাসিতে সাবমিট করা আবশ্যক ছিলো। যেহেতু ট্যাক্স রিটার্ন অফলাইনে আগেই সাবমিট করেছিলো, আমি অফিসে গিয়ে সার্টিফিকেট উত্তোলন বিষয়ে জানতে চাই। আমাকে দুইদিন ঘুরিয়ে এরপর ট্যাক্স ফাইল বের করেন। তারপর বিভিন্ন ভুলভ্রান্তি দেখাতে থাকে। এরপর আমি নতুনভাবে আবারো ট্যাক্স ফাইল সাবমিট করি। পরবর্তীতে আবারো ২/১ দিন ঘুরিয়ে যখন ট্যাক্স সার্টিফিকেট নিতে যাই তখন কর কমিশনার নিজে ডেকে আমার সামনে সাইন করিয়ে আমাকে দেন। পরবর্তীতে অফিস/কম্পিউটার অপারেটর দেখার কথা বলে সার্টিফিকেট নিয়ে নেন। এরপর আমাকে বলেন উনাদের অনেক কষ্ট হইছে ফাইল খুজতে, সেগুলো উনারা আবার আপডেট করছেন কিন্তু আমি নিজেই ট্যাক্স ফাইল বানিয়ে নিজেই সাবমিট করেছিলাম। উনাদের একটু চা পানির টাকা দিলে ফাইল দিবে।
আমি একজন সৌদি আরব প্রবাসী সেই সুবাদে আমার স্ত্রীকে প্রবাসে নিয়ে আসার জন্য কাবিননামা অনলাইন রেজিস্ট্রেশন করি। আর সেই জন্য কাজী সাহেব ৭০০০ টাকা দাবি করেন । কারণ হিসেবে তিনি বলেন রেজিস্টার অফিসে নাকি বসকে এবং পিয়নকে খুশি করতে হবে। তা না হলে আমার কাবিননামা অনলাইন রেজিস্ট্রেশন হবে না। আর অনলাইন রেজিস্ট্রেশন না হলে সৌদি আরবের ভিসা উঠবে না এবং আমার স্ত্রীকে নিয়ে আসতে পারবো না বিদায় আমি 7000 টাকা উনাকে দিতে বাধ্য হই। যার বিভিন্ন প্রমাণাদি আমার কাছে আছে।
Passport er Police Clearance korar somoy OC Nasta er jonno tk nilo. Na dile naki Passport next step e pathabe na.
আমি এবং আমার বাবা একইসাথে পাসপোর্ট এপ্লিকেশন করি এবং ভেরিফিকেশন প্রসেসের জন্য পুলিশ আমাকে কল দেই। উনি আমাদের ঠিকানায় এসেই কল দেওয়াতে উনাকে বাসায় নিয়ে আসি। বাবার সব ডকুমেন্টস চেক করে কোন প্রবলেম না পেলেও আমার এপ্লিকেশনে ছোট একটি ভুল ছিলো যেটি সংশোধন করিয়ে উনাকে আবার দিয়ে আসতে বলেন। যাওয়ার সময় উনি বলতে থাকেন যে একটু তো সমস্যা আছে তো কিছু দিয়ে দিলে কাজ হয়ে যাবে, যদিও সংশোধন কপি আমাকেই দিয়ে আসতে হবে। বাবা বুঝতে পেরে অল্পকিছু দিলে উনি বলেন যে দুটি এপ্লিকেশন এতো কমে কি হয় নাকি!! আরো কিছু দেন, আসা যাওয়ার ও তো খরচ আছে।
উজান গ্রাম ইউনিয়ন ভুমি অফিস, ভুমি অফিসার বা তশলদার কাছে আমি যায়। আমার দাদার জমি থেকে নামজারি করে কাকার নামে করতে হবে সেই বেপারে, পরবর্তী তিনি জানান খাজনা পরিশোধ করতে হবে আমি আমার আগে হাতে কাটা রশিদ দেখায় যেখানে খাজনা পরিশোধ ছিলো। তবু উনি মানতে নারাজ পরবর্তীতে আমার কাছে ২০ হাজার টাকা দাবি করে যে দিলে আমার খাজনা পরিশোধ হয়ে যাবে এবং নামজারি আবেদন সে কোন ঝামেলা করবে না। যেহেতু এজমালি জমি মিটিশন আমি দিতে বাধ্য হয়। পরবর্তীতে শুনি তিনি বেশির ভাগ লোককে এই ভাবে ট্রাপে ফেলে ঘুশ আদায় করে।
পাসপোর্ট রিনিউ করতে গিয়েছিলাম। বিয়ের কাবিনের অরিজিনাল কপি গ্রামে থাকায় ফটোকপি জমা দেওয়াতে উত্তরা পাসপোর্ট অফিস রিজেক্ট করে দেয়। পাশের দোকানে গেলাম সে বললো ভাই ২০০০/- টাকা দেন ব্যাবস্থা করে দিব। ইমার্জেন্সি থাকায় বাধ্য হয়ে দিলাম। সে ভিতরে কারে যেন মেসেজ পাঠালো। আমি গেলাম আর ধুমধাম কাজ হয়ে গেলো।