এলপিসি
চাকরির বদলির কারনে যে শেষ বেতনের প্রত্যয়ন নিতে হয় তা দিতে ۷দিনের যায়গায় ۲۰দিন দেরি করায় ফোন দিয়ে বললে করে দেয় সাথে টাকা দাবি করে। পরিষোধ করতে বাধ্য হই।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,২১৫ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
চাকরির বদলির কারনে যে শেষ বেতনের প্রত্যয়ন নিতে হয় তা দিতে ۷দিনের যায়গায় ۲۰দিন দেরি করায় ফোন দিয়ে বললে করে দেয় সাথে টাকা দাবি করে। পরিষোধ করতে বাধ্য হই।
দোহাজারী অফিসে টাকা পরিশোধ করার পরও চন্দনাইশ অফিস থেকে আর সংশোধন করতে পারেনি। চন্দনাইশ অফিসে প্রতি ফাইলের জন্য ۸ হাজার টাকা করে দাবি করে যার কারণে আর সংশোধন হয়ে ওঠেনি
ড্রাইভিং শিখে পরীক্ষা দিলাম, যেখানে আমার সামনে যারা রিটেন, প্র্যাক্টিকাল এ ফেইল করল তারা পাশ। আর যে আমি সব এক্সামে পাশ করলাম তারপরও আমাকে ফেইল দিছিলো। পরে টাকা দেওয়ার পরে পাশ দিছে। এখানে অনেকেই 3rd পার্টি হিসেবে কাজ করে থাকে।
নথি পা করে দেওয়ার জন্য দাবী করা হয়েছে।
গড়পাড়া ভুমি অফিসে জমি নামজারি ۷۰۰۰ টাকা ঘিওর পয়লা ভূমি অফিসে নামজারি ۵۰۰۰ মোট ۱۲۰۰۰ টাকা
২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপা্তাল দিনাজপুর সিনিয়র স্টাফ নার্স দের বিদায় উপলক্ষে প্রত্যেক জনের কাছ থেকে ৩০০ টাকা হারে ২২০ জন সিনিয়র নার্সদের কাছ থেকে মোট ৬৬০০০ টাকার মূল্যের ৪ আনা ওজনের সোনার আংটি অথবা কানের দুল উপহার দিতে বাধ্য করা হয় ।চাঁদা না দিলে খারাপ আচরণ করা হয় ।ডিসেম্ববর ২০২৬ সালে ৪ জনের বিদায় উপলক্ষে ২৬৪০০০ টাকা আদায় করা হবে ।জন প্রতি সকল নার্স ১২০০ টাকা দিতে ইচ্ছুক নয় ।সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ২০০০ টাকার বেশি উপহার দেয়ার কথা নয় । কিন্তু ওনারা জোর করে সোনার কানের দুল আদায় করে নিতে চাচ্ছে ।
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের পদোন্নতিতে ঘুষের অভিযোগ! আমার মায়ের লেকচারার থেকে সহকারী অধ্যাপক পদে নিয়মতান্ত্রিক পদোন্নতির ফাইলসহ একই কলেজের আরও কয়েকজন শিক্ষকের ফাইল সংশ্লিষ্ট এক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে আটকে ছিল। অভিযোগ অনুযায়ী, ফাইল চূড়ান্ত ক্লিয়ারেন্সের জন্য প্রত্যেক শিক্ষকের কাছ থেকে ۲۰,۰۰۰ টাকা করে ঘুষ দাবি করা হয়। ফাইল আটকে থাকার কারণে শেষ পর্যন্ত আমার মা ও তাঁর সহকর্মীরা বাধ্য হয়ে দাবিকৃত টাকা দিতে হয়। টাকা কম নেওয়ার অনুরোধ করা হলে ওই কর্মকর্তা জানান, “ওপরমহলেও টাকার ভাগ দিতে হয়।” এটি অত্যন্ত গুরুতর দুর্নীতির ঘটনা। আমার জানা মতে, অনেক এমপিওভুক্ত শিক্ষককেই পদোন্নতির ক্ষেত্রে এমন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে হয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি এই অন্যায়ের অবসান চাই।
আমি পাসপোর্ট বানানোর জন্য গছিলাম তার পরে আমার কাগজ ভুল বলে আমাকে পাটাই দিছে ۳দিন গেছি অনেক বড লাইন দাঁড়িয়ে ۳দিন এ আমাকে ভুল বলে পাঠাইছে পরে ۳۰۰۰টাকা নেওয়ার পরে আমার কাগজ গুলো জমা নিছে পাসপোর্ট ও বানাই দিছি
জমির নামজারি করার জন্য অনলাইনে আবেদন করি।অনেকদিন সুরাহা না হওয়ায় ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যে লোকের কাছে কাজটি পেন্ডিং ছিল, তাকে কল দিলে সে বলে মূল কাগজ নিয়ে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে আসেন। সকল কাগজ দেখার চা খাওয়ার জন্য ২০০۰ টাকা চায়। পরবর্তীতে ۱۰۰۰ টাকা দিয়ে আসি
নাগরিক সনদের রশিদ সহ ۳۰ টাকা নেয়ার পর আবেদন পত্র জমা দানের সময় আরো ۵۰ টাকা দাবি করে নেয় এই টাকার রশিদ চাইলে তারা রসিদ দেয় না, এবং নাগরিক সনদ উঠানোর সময়ও ۵۰ টাকা দাবি করে।
যখন অামরা জানতে পারি আমার দাদার সম্পত্তি আছে তখন বিভিন্ন প্রয়োজনীয় কাগজ যোগাড় করে (দলিল, ডিসিআর, প্রস্তাবিত খতিয়ান) এরপর কতটুকু জায়গা অবশিষ্ট আছে তা বের করে খাজনা কাটতে ۱۱۰۰৳ খাজনা কেটে ۱۰۰۰۰۰ টাকা নেয়।
জমি সংক্রান্ত মামলা চলমান আছে আমাদের, জরুরী ভিত্তিতে দলিল টা দরকার ছিলো, নকল উঠাইতে গেছি বলে ۵۰۰۰ টাকা লাগবে, জরুরী হওয়ার টাকা দেয়া ছাড়া কোন উপায় ছিলো না।
I live in Australia. I had to do police clearance for my visa. I did it online first. They call me in my watsapp. They told me it cant be done. He asked 30000bdt first. At the end we agree 10k and he did it within 3 days. Next i had to do for my wife as well. He knows i had to do it, cause i dont have option. He charge me 16000 for the wifes one. I dont want to publish any name. But its from dampara police station.
ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ডিজিটাল ভাবে নাগরিক সনদ, ওয়ারিশ সনদ, চারিত্রিক সনদ, ট্রেড লাইসেনস পত্র আবেদন করলে সরকারি ভাবে অর্থ নিয়ে থাকে তা ছাড়াও ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃক অতিরিক্ত টাকা বা অর্থ নিয়ে থাকে ইউনিয়ন পরিষদ। যাহা নাগরিকগন দিতে বাধ্য থাকে কারণ তার ۱۰۰-۱۰۰۰ টাকা নিলেও তার জন্য সনদটি কাজে লাগবে। অনেকবারে আমরা এই অতিরিক্ত অর্থ আদায় করতে নিষেধ করেছি কিন্তু কে শোনে কার কথা। দিনে শত শত জনগনের নিকট হতে আনুমানিক প্রায় ۲۰ থেকে ۳۰ হাজার টাকা অবৈধ উপার্জন করছে ইউনিয়ন পরিষধ দেখার কেউ নেই।
প্রতি মাসে ভ্যাট রিটার্ন জমা করতে সহকারি রাজস্ব কর্মকর্তা ۵۰۰۰ টাকা ও সহকারি কমিশনার কে ۱۰۰۰۰ টাকা দিতে হয়।
এনটিআরসিএ মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে প্রতিষ্ঠানে যোগদান করলে বেতন করতে গেলে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও ডিজি টাকা ছাড়া বেতন করতে রাজি হয় না।এরকম ঘটনা সারা বাংলাদেশে সব সময় হচ্ছে।টাকার বিনিময়ে জবের সব রিক্রুটমেন্ট ঠিক না থাকলেও বেতন করে আনতেছে। এজন্য বাংলাদেশে অসংখ্য ভূয়া শিক্ষক শিক্ষকতা করেছেন।
আমার ফার্মেসীর জন্য ড্রাগ লাইসেন্স করেছিলাম, সরকারি ফি: ۱۷۰۰ টাকার মতো ছিলো। কিন্তু তাড়াতাড়ি হওয়ার জন্য ওই অফিসার পিয়ন মারফতে ۱۵۰۰۰ টাকায় কন্টাক্ট করে। পরে ۱ মাসে হয়ে যায়,যেখানে অন্যরা ۸-۱۰ মাসে পেয়েছিলো
Although I attached all the files and documents for paying land tax online, Local land officer demanded 50,000 taka on approve my online land tax request. As I denied to pay him extra money, he declined my online request twice without any explanation. After 5th August during interim government I applied for 3rd time and it's accepted.
BCS pass kore customs offere 90% person making money with GUSH . Eta jatir janna eta kollonko. BCS korar pore nijer pet vorar janna GUSH khay. Zati kotogulo GUSHKHOR ke certificate disse. Gush khowar janna. BCS bondha kore dewa Uchit.
এটা ঘটেছিল ২ মাস আগে। যখন আমি NID এর জন্য চারিত্রিক সনদ করতে গিয়েছিলাম, South City Corporation এর অধীনে থাকা কোনো অফিসে। বুড়ো এক লোক ফর্ম ফিলাপের সময় জিজ্ঞেস করে, বকশিশ দিবেন না ? আমি বলেছি, বকশিশ দিলে এখনি কাজ করে দিবেন? বলেছে হ্যা। আমি দিয়েছি, যেহেতু আমার NID দ্রুত প্রয়োজন এবং সপ্তাহের শেষ দিন। সে আমার কাছ থেকে টাকা নিয়েও প্রায় ৪ ঘণ্টা পরে সনদ দিয়েছিলো। এছাড়াও, ওখানে জানালার ধারে চশমা পড়া একজন বসে, যে মৃত্যু সনদ, নকল কপি বা যেকোনো জিনিসের জন্য ১০০-৫০০ টাকা ঘুষ গ্রহন করে। এবং নির্লজ্জ ভাবে।