নামজারী
নামজারী বাবদ ১১০০ টাকার অতিরিক্ত ১০৮০০ টাকা সহ টোটাল ১২০০০ টাকা পরিশোধ করতে হয়েছে। না হলে খারিজ করে দিবে বলে। গহিরা ইউনিয়ন ভূমি অফিস প্রস্তাবের জন্য-৪০০০ কানুনগো-২৫০০ এসিল্যান্ড-৫০০০।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,২৩০ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নামজারী বাবদ ১১০০ টাকার অতিরিক্ত ১০৮০০ টাকা সহ টোটাল ১২০০০ টাকা পরিশোধ করতে হয়েছে। না হলে খারিজ করে দিবে বলে। গহিরা ইউনিয়ন ভূমি অফিস প্রস্তাবের জন্য-৪০০০ কানুনগো-২৫০০ এসিল্যান্ড-৫০০০।
আমি অনলাইনে আবেদন করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে নির্বাচন অফিসে যায়। সেখান থেকে জানানো হয় সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের আইডি কার্ডের ফটোকপি লাগবে। তখন আমি চেয়ারম্যানের কাছে ঘুরে আসি। চেয়ারম্যান এরকম কোন তথ্য দিতে রাজি হয়নি। আমাকে শেষ পর্যন্ত জানানো হয় নির্বাচন অফিস থেকে এরকম তথ্য দিতে নিষেধ করা হয়েছে তাকে। তারপর আমি আবার নির্বাচন অফিসে যায়। সেখানে এক দালাল আমার কাছ থেকে তিন হাজার টাকা নিলো এবং চেয়ারম্যানের আইডি কার্ডের ফটোকপি ছাড়াই কাজটি সম্পন্ন করেছিল। যদিও আবেদনপত্রের কোথাও লেখা ছিল না চেয়ারম্যানের আইডি কার্ডের ফটোকপি লাগবে। তাদেরকে এ কথা জানানোর পরও তারা বলেছে এই সংযুক্তি ছাড়া আপনার কাজ হবে না।
ভেরিফিকেশনের জন্য ১৫০০টাকা দাবি করেছিল, পরে ১০০০ টাকায় রাজি হয়।
জমির নাম জারি বা খারিজ খতিয়ান করতে ইউনিয়ন ভুমি অফিসে গিয়েছিলাম। 10 টা থেকে বিকাল 5 পর্যন্ত অফিসে বসেছিলাম। দালাল ধরিনি বলে কাজ হচ্ছে না। পাঁচটার পর অনেক অনুরোধ করার পর ইউনিয়ন ভুমি অফিস তাদের অফিশিয়াল কাজ করে খারিজা আবেদনের কপিটি আমাকে দেয়।পরে বলে আপনি এসিলেন্ট অফিসে গেলে কাজ হবেনা। আমরা অফিস থেকে নিয়ে যাব কাগজ রেডি করে দিব করচ পাতি দিতে হবে।আমি বল্লাম স্যার কত দিতে হবে? সে বল্ল 16۰۰۰ টাকা। আমি বল্লাম এতো টাকা কেন সরকারি ফি তো 11۷۰ টাকা মাত্র। স্যার বল্ল আমাদের দারা না করিলে আপনি কাগজ নিয়ে জমা দেন আপনার আবেদন বাতিল হয়ে জাবে। আমি বলি আমার কাছে এতো টাকানেই আমি নিজে গিয়ে এসিলেন্ট অফিসে জমা দিয়ে আসি। স্যার বল্ল ঠিক আছে আপনি বড় (ন্যায়েব)স্যারের খরচ দিয়ে যান। আমি বলি কত সে বলে 1500 টাকা। পরে তাই
আমার স্ত্রীর এনআইডি অনুযায়ী ঠিকানা কক্সবাজার। কিন্তু বৈবাহিক সূত্রে বর্তমানে আমার সাথে চট্টগ্রামে বসবাস করে। স্বাভাবিক ভাবেই চট্টগ্রামে পাসপোর্টের জন্য আবেদন করি। কিন্তু চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ পাসপোর্ট অফিস কোনোরূপ আলোচনার সুযোগ না দিয়ে আবেদন বাতিল করে দেয়। পরবর্তীতে দালালের মাধ্যমে গিয়ে সেই আবেদনকে পুনরুজ্জীবিত করে তাদের দাবীকৃত ৭০০০/- টাকা অতিরিক্ত পরিশোধ করায় পাসপোর্ট ইস্যু করে।
জন্ম নিবন্ধন আবেদন করতে গিয়ে পড়তে হয়েছিল এক বিভ্রান্তিকর ঘটনায়। ইউনিয়ন পরিষদে জন্ম নিবন্ধনের আবেদন করতে গেলে সরকার নির্ধারিত ফি-এর কয়েকগুণ বেশি টাকা দাবি করে বসেন কম্পিউটার অপারেটর। তার নির্ধারণ করা টাকা না দিলে আবেদন করে দিবে না বলে সরাসরি জানিয়ে দেন। পরে আমার নিজের আবেদন নিজেই করি। পরেরদিন সনদের জন্য গেলে আবারও আগের মতোই কয়েকগুণ টাকা ঘুষ চায় কম্পিউটার অপারেটর ও তার এক সহযোগী। কম্পিউটার অপারেটর জানান পরিষদের সচিব কিছু ভাগ পায়, পরবর্তীতে সচিবের সাথে ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি আসল ঘটনা শেয়ার করেন, যা আমাদের ধারণার সাথে সম্পূর্ণ মিল পাওয়া যায়। কম্পিউটার অপারেটর একজন ঘুষখোর, চাঁদাবাজ।
BSTI korar jonno giyachilam pore amar kache chada dabi koreche
জিরো রিটার্ন বিলম্বে দেয়ায় বিস্তারিত দলিল চেয়ে নোটিশ আসে বাসায়, সেই নোটিশে উল্লেখিত তারিখে তাদের সাথে যোগাযোগ করলে তারা বলে জিরো রিটার্ন বিলম্বে দেয়ায় আপনার সব নথি জমা দিতে হবে। কি নথি লাগবে কিভাবে জমা দিতে হবে এসব বিস্তারিত না বলে চিপায় নিয়ে জানায় এসব নথি লাগবে না আপনি ২০০০ টাকা দেন সব ডকুমেন্ট কমপ্লিট করে দিবো। আমি নথি জমা দিতে চাই বলায় কর্মচারি জানায় এসব জমা দিলেও আপনার রিটার্ন বিলম্বে জমার কারনে ৩ মাস জেল অথবা ৫/১০ হাজার (যেটা অফিসার নির্ধারন করবে) অর্থ জরিমানা হতে পারে বলে ভয় দেখায়। তৎক্ষণাৎ আমি তাদের অফিস ত্যাগ করলেও যার রিটার্ন জমা দিয়েছিলাম সে ভয়ে ঘুষ দিয়ে সবকিছু ঠিক করে নেয় এবং তার নামের TIN সার্টিফিকেট ও ক্যানসেল করে নেন (ক্যানসেল এর সুযোগ না থাকায় ভবিষ্যতে রিটার্ন দিতে বারন করেন)।
বায়োমেট্রিক ফিংগার ও ছবি তোলার জন্য অনাকাঙ্ক্ষিত ডকুমেন্টস দেখতে চেয়েছিলেন তাই বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে।
আমি একটি ভুল নামজারী ভাঙাতে চেয়েছিলাম। এইক্ষেত্রে আমার কাগজপত্র সব ঠিক ছিল। তবুও শুনানি শুনাতে চাওয়ার ক্ষেত্রে অফিসার ১ লক্ষ টাকা চাইছে
আমার স্বামীর জন্ম নিবন্ধনে (পাসপোর্ট ও এনআইডির সাথের মিল রেখে) বয়স সংশোধন, দশ হাজার টাকা দিলে করে দেওয়া যাবে। আমি অন্য উপায়ে নতুনভাবে জন্ম নিবদ্ধন করিয়েছি।
বেবী হওয়ার পর লেবার রুম থেকে বের হওয়ার সময় বকশিস চায়, তখন সাথের লোক ৫০০-১০০০ টাকা দিলে নিতে চায় নি, বলতেছে এটা কোন টাকা হলো!! ১৫০০ এর কম হলে নিবে না, তখন আর দেয়নি এবং নার্স হুইল চেয়ারে বসিয়ে বেডে আনার সময় রোগীর সাথে খুব খারাপ (হুইল চেয়ার বাফারিং) বিহেভ করলো, ডেলিভাবি হওয়ার পরপরেই। পরে আরেকজনকে দিয়ে খুজ দিলো যে ১০০০ টাকায় যেন দেই। পরে দিয়ে দিলাম।
ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন এর জন্য উক্ত অর্থ দাবি করেন।
আবেদন করতে 3000 এবং12000দালাল নেয় আর2000 পরীক্ষ ক্ষেত্রে দিতে হয় আমাকে ফেল করাই দিছে পরে টাকা শোধ করার পর দেখি আমি পাস তাহলে গন হারে ফেল করানোর হয় কেন
They told me to give 12000 taka just to make a driving license without any proper training or examining. They told me that I don't need to do anything just giving them the money will give me my driving license right now... No days needed.I didn't accept that.
jessore paurosava theke pion ra tk khasse, jal wasrih sonod prodan korsa tk khate.
প্রতি টা ফাইলে ৫শত থেকে ১০০০ টাকা নেওয়া হয়।এবং ডাইভিং লাইসেন্স পরিক্ষায় পাশ করা জন্য ১টা রোল ৩ হাজার করে নেওয়া হয়
অর্পিত সম্পত্তির "ক" তফসিল মামলার রায়ে (ডিগ্রী/রায়ের সার্টিফাইড কপি) অসংখ্য বানানে ভূল (কর্ণিক ভূল ) তাই সংশোধন করতে ৩০ হাজার টাকা দাবি করসে আমি দেই নাই। কিছু কম বেশী করতে বলে সংশোধন করতে বলেছিলাম রাজি হয় নাই। এইসব কি ইচ্ছাকৃত ভূল কারণ মামলার দলিল ও অনান্য কাগজপত্র, ঠিকানা সহ মামলার আমমোক্তারনামাতে কোন প্রকার ভূল নাই। কিছু বলার ভাষা নাই।
25 সালের নিয়োগে আমার সাথের একজন টাকা দিছে ওকে নিছে আমি না দেওয়ায হাত ঘামে বলে বাতিল করে দিছে যোগাযোগ গ্রামে বা বাজারের কিছু লোকের মাধ্যমে করে না হয়
যে কোন সেবা পেতে গেলে কুমিল্লা মেডিকেল সেন্টারে গুষ চারা কিছু হ্য় নস