রাজউকের বিল্ডিং অনুমোদন
আমাদের বিল্ডিং এর অনুমোদনের জন্যে এই টাকা পে করতে হয়েছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,২১৫ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমাদের বিল্ডিং এর অনুমোদনের জন্যে এই টাকা পে করতে হয়েছে।
টাকা না দিলে খারিজ করে দিবে না এমনি এসিল্টেন অফিসেও দিতে হইছে টাকা, ইটনা থানা এসিল্টেন অফিস সবচেয়ে বেশি টাকা খায় মুক্তা নামি এক নাইট গাড এসিল্টেন, রায়টুটী ভুমি অফিসে এবং এসিল্টেন অফিস তাদের একটা কথা বলে টাকা দিলে কাজ হবে না দিলে হবে না, এটা আমি সবার পক্ষ থেকে বলছি প্রতিটা মানুষেকে বিপদে পড়তে হয় টাকা না দিলে, আর টাকা দিলে সব কিছু করে দেয়।
বাইক রেজিষ্ট্রেশন করতে গেলে তারা ঘুষ ছাড়া নানান হয়রানি করেন,এবং দালাল ধরে বাইকের রেজিষ্ট্রেশন করতে হয়,সরাসরি সাধারণ ভোক্তার থেকে তারা বিনা ঘুষে ফাইল গ্রহন করেন না। নাম:-— পদবী:-মোটরযান পরিদর্শক(গাইবান্ধা বিআরটিএ)
I’m planning to pursue a master’s degree in North America. As part of the admission process, NU had to email my official transcript directly to the university. Unfortunately, I was asked to pay a 7,000 tk bribe for this mandatory service. Having already paid around BDT 270,000 in income tax in FY 2025-26, the experience was deeply frustrating and has left me seriously disillusioned about my future in this country.
গাড়ি আটক করে ।ছাড়ার জন্য ঘুষ নেয়
— সাবেক শিক্ষার্থী, বেরোবি। ঘটনাটি ২ বছর আগের।আব্বার ক্যান্সার চিকিৎসার জন্য ইন্ডিয়ায় যাওয়ার প্রয়োজন ছিলো। সে জন্য ইমারজেন্সি পাসপোর্টের আবেদন করতে যায় পঞ্চগড় পাসপোর্ট অফিসে। সকল কাগজ রেডি করে জমা করতে যায়। এর পর সরাসরি ঘুস চাওয়া হলে দিতে অস্বীকৃতি জানাই। এজন্য বিভিন্ন অজুহাতে হয়রানির স্বীকার হই। এবং পরবর্তীতে ঘুস দিতে বাধ্য হই।এর পর পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য NSI এর এক কর্মকর্তাকে ৫০০ টাকা ঘুস দিতে হয়েছে। ঘুস দিতে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তিকে আমার সামনেই চড়ম ভাবে অপদস্ত হতে দেখেছি।
হেবা দলিল রেজিস্ট্রি করার জন্য প্রতিটা টেবিলে টাকা দিতে হয়। সরাসরি টাকা নেয় না কেউ। সবার পকেটে দালালের মাধ্যমে টাকা যায়। আর দালাল ছাড়া কাজ ও হয়না। যে ছেলেটা টিপসই নেয় সরাসরি ও টাকা নেয় ২০০ করে প্রতিটা টিপসই এর জন্য। দালালকে দিসি ১৭০০০ টাকা সরকারি খরচ ৩-৫ হাজারের মত। বাকিটা প্রতিটা টেবিলে যায়। আর দালাল ৫ হাজারের মত খায়।
নামজারি করতে গিয়েছিলাম।যাকে দিয়ে দলিল করিয়েছি সে চাইলো ১৬০০০-১৭০০০ টাকা। ভূমি অফিসে গেলে ১৫০০০ টাকা দাবি করে এবং ১ সপ্তাহে কাজ করে দেওয়ার কথা দেয়।আর টাকা না দিলে যে কতদিন লাগবে তা ওরাও জানেনা। পরে আমার এক পরিচিত ভাই,সেও দালাল। তাকে দিয়েই ৯৫০০ টাকায় কাজ সম্পূর্ণ করি।নারায়নগঞ্জের কাচপুর ভূমি অফিস।
যেকোনো কাজ করতে গেলেই তাদের কাছে টাকা প্রয়োজন তাদের কথা মত টাকা না দিলে তারা কাজটা পেন্ডিং রাখে বা কাজটা করতে চায় না
ব্যবসার ধরন কনসালটেন্সি ক্যাটাগরিতে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী টাকার পরিমাণ সর্বোচ্চ ৫৫০০ টাকা। আমার কাছে দাবি করা হয় ৭০০০ টাকা।
আমার মামা পর্তুগালে থাকেন,স্মার্ট ড্রাইভিং লাইসেন্স থাকলে সে দেশে কনভার্ট করে পেশাদার গাড়ি চালাতে পারবেন। এখন দালাল বলছে ১৫ হাজার টাকা দিলে করে দিবে,১ টাকাও কম হবে না। কিন্তু বিআরটিএ অফিসার বলছে প্রার্থী হাজির না থাকলে হবে না।
Brahmanbaria passport office দূর্ণিতির আখড়া, আমার ছোট ভাইয়ের পাসপোর্ট বামানোর জন্য গেলে বলে কাগজপত্রে সমস্যা আছে, আমি যায় সাথে আবার বলে যে সার্ভার প্রভলেম। পড়ে একজন বলে চ্যানেলের মাধ্যমে দেন। সেখানে অতিরিক্ত টাকার বিনিময়ে কাজ করে দেন। চ্যানেলে দিয়েছে কিনা আবেদনের সাথে একটা কোড যুক্ত gmail দেয়া হয়। যেটা দেখে ওনারা ঘুষের দ্বারা দালালের মাধ্যমে আবেদন করা হয়েছে ধরে নেয়া হয়। এভাবেই চলছে সবকিছু, দেখার কেও নাই। Emergency তে কাজ করতে হয় বলে সে ঘুষ দিতে বাধ্য হয় আর ওনারা ঘুষ নিয়ে দালালের মাধ্যমে, দালালগুলো ওদের পালিত।
সম্মানী একটা পাবে শুনার পর যখন আবেদন করতে গেছে তখন যারা এই আবেদন করে তারা বলতেছে আমাদের টাকা দিতে হবে নাহলে আবেদন করে দিবে না
সকাল ৮ টা থেকে লাইনে দাঁড়ানো ১২ টায় আমার সিরিয়াল আসলে বলে সার্ভার ডাউন তারপর কোন রকমে সিরিয়াল আসলে সব কাগজ থাকা স্বত্বেও আমার কাছে চায় কবিননামা আর ইলেক্ট্রিক বিল লাগবে, সাথেই ছিল কাগজ আমি সাথে সাথে বিয়ের কাবিন বের করে দেই পরে বলি আমার ইলেক্ট্রিক বিল অনলাইন পিডিএফ দিতে পারব পরে আথ কিছু না পেরে বলে নাগরিক সনদ দেন আরে আমার ঢাকায় নিজের বাড়ি নিজের ঘর আমি কিসের নাগরিক সনদ দিব। পরে বের করে দিল আর ঐ লোক ভিতরের আনসার কে আমার কাগজ দিয়ে কথা বলতে বলল তখনও বুঝতে পারি নি আনসারের সাথে কি কথা বলব! ও মা পরে দেখি আনসাররাও দালাল আমার কাছে বলে বুঝেন না কিছুই লাগবে না তাও ভাই আপনাদের ধরে ধরে শিখানো লাগে ঐখানে দাবি করল ২৫০০ পরে আমারও আর উপায় ছিল না টাকা দিলাম ১২ টা ১০ এ সব কাজ শেষ হতে ১ ঘন্টাও লাগে নি।
আমার মায়ের হাতের হাড় সরে গিয়েছিল। তা জায়গামত এনে ব্যান্ডেজ করতে আমাকে বলে সরকারী ব্যন্ডেজ নাই, দোকান থেকে কিনতে হবে। আমি তাদের টাকা দিলাম, কয়েক সেকেণ্ডের মধ্যে দেখলাম তারা তাদের কাছে রাখা সরকারী ব্যন্ডেজ দিয়েই কাজ শেষ করলো। আমি পরে জেনেছিলাম যে, এখান থেকে ব্যন্ডেজ ফ্রি তে দেয়।
যেখানে একটা নিবন্ধন খরচ ৫০ টাকা সরকারী নির্ধারিত ফি সেখানে বাবা মায়ের নাম ভুল বলে তারা ঠিক করে দিবে টাকা চাচ্ছে ৩ হাজার আর আমি দিতে সম্মতি হয় তবে দেইনি পরে দিবে বলছি
একটি খারীজ করার জন্য ১৫ হাজার টাকা দাবি করায় আমি আরও খারিজ করিনি।
জমি খারিজ এর সরকারি মুল্য 1170 টাকা। কিন্ত আমার পরিশোধ করা লাগছে 12000 টাকা
জমির খাজনার জন্য নিয়েছিল
ওনা সাধারণত কথা বলতে চায় না। টাকা দিলে সেবা মিলে।