নামজারী খতিয়ান সৃজন
নামজারী খতিয়ান সৃজন নতি, প্রস্তাব, স্বত্ব, অপিত সম্পত্তি সংক্রান্ত
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নামজারী খতিয়ান সৃজন নতি, প্রস্তাব, স্বত্ব, অপিত সম্পত্তি সংক্রান্ত
ami akjon driver ami jorui shipment goods niye Factory te jaitecila tokon amk police gari dar kore amar phone serch kore amk bole ja ami casion kheli othocho ami agula kisu buji na
মাদারীপুর শিবচরে এখানে মামলার রিপোর্ট টাকা না দিলে দেরিতে যায় থানায় ৫০০০ হাজার টাকা চাওয়া হয় দ্রুত রিপোর্ট দেওয়ার জন্য আর টাকা দিলে ১ মাস লাগে না রিপোর্ট যেতে যেতে আর আসামিরা ততখনো সুযোগ পেয়ে যায় দেশ থেকে পলায়ন করে আমি চাই মানব পাচার মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি হোক আর পুলিশ দ্রুত তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করুক আর ঘুষ বন্ধ হোক
আমাদের একই অফিসের ১৪ জন কর্মকর্তার বর্ধিত বেতনের বকেয়া বেতনের ফিক্সেশন এবং উত্তোলনের জন্য ৫০ হাজার টাকা খুলনা বিভাগীয় হিসবা নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় থেকে দাবি করা হয় এবং সেটা আমরা না দিয়ে ১মাস যাবৎ চেষ্টা করি কার্য সম্পাদনের। কিন্তু কোনক্রমেই সেটা সম্ভব হয়নি। ৫০ হাজার টাকা দেওয়ার পর তারা কার্য সম্পাদন করে।
থার্ড পার্টির মাধ্যমে টাকা দাবি করা হয়েছিল। সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বদলি জন্য যা যা শর্ত পূরণ করা দরকার তা থাকা সত্ত্বেও , মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (মাধ্যমিক) কাজ হবে না বলে জানান। পরবর্তীতে তার এসিস্ট্যান্ট এর মাধ্যমে আমাকে জানানো হয় ২,৫০,০০০ টাকা হলে কাজ হবে।
নামজারির জন্য ভূমি কর্মকর্তার কাছে গেলে উনি সরাসরি বলে দেন যে ঘুষ ছাড়া আপনার কাজ সম্পূর্ণ করতে পারবেন না আপনার অনেক দৌড়াদৌড়ি করতে হবে সবচেয়ে ভালো হয় আপনি কন্টাকে দিয়ে চলে যান তাহলে হয়ে যাবে এই সময় উনি আমাকে মোট ৭৫০০ খরচ হবে বলে জানান
আমি সরকারি চাকরি করি আমার দপ্তর থেকে প্রাপ্ত ভ্রমণ বিলের ফাইভ পার্সেন্ট নিউজ একাউন্টস অফিসার কে দিতে হয় শুধু আমি না উপজেলা সকল কর্মকর্তাকেই দিতে হয় না হলে বিভিন্ন ধরনের হয়রানি করে
পরিষদের নামে লিখিত ২ শতাংশ রাস্তার ১ বছরের খাজনা ১৫০০ টাকা চায় ভীমগঞ্জ ভূমি অফিসের নায়েব
দাবি কি ছিল যদি চাকরি হয় তাহলে ৩ লাখ টাকা দিবেন ১ লাখ টাকা নিয়েও ছিল।
জমির খাজনা করতে গেলে আগে অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করি। পরে খাজনার চেক ইস্যু করতে গিয়ে তোহসীলদার ১৫০০০ হাজার টাকা দাবি করে। আমি অনেক রিকোয়েস্ট এর পর ১০০০০ টাকা দিয়ে চেটে দিতে চায়। কিন্তু চেকে ২০০০ টাকা লিখা থাকবে বলছে। মানে বাকি ৮০০০ টাকা ঘুষ হিসেবে নিবে। আর এটা চাচ্ছে গোমস্তাপুর উপজেলার মেহেরপুর ভুমি অফিসে
বলছিলো খারিজ করতে হলে একটা প্রচেজের মাধ্যমে আসতে হবে নয়ত বার বার বাতিল হবে।
রাস্তায় পুলিশের চেকিং চলছিল, আমি গেলে আমার গাড়ি সিগন্যাল দেয়, সঠিক কাগজপত্র না থাকায় আমাকে মামলার দিবে না হলে টাকা চাই
আমি এমপিওভুক্ত শিক্ষক। আমি যখন প্রথম জয়েন করি, আমার বেতন করাতে গিয়ে ৫০০০ টাকা দিতে হয়েছে। টাকা না দিলে ফাইল এপ্রুভ করে না। কুড়িগ্রাম জেলার DEO সেই টাকা নিয়েছিলেন। টাকা না দিলে নানান কারণ দেখিয়ে ফাইল রিজেক্ট করে দেয়।
প্রথমে আমি এটিকে প্রত্যাখ্যান করি কারণ আমি জানি এর জন্য সরকারি ফিস ১১৭০ টাকা লাগে। কিন্তু ভূমি অফিসের ম্যাডাম বলে ৬ হাজার ৩০০ টাকার নিচে তারা করতে পারবে না বলে আরো অনেক খরচ আছে তারপর আমি ৬ হাজার ৩০০ টাকা পরিশোধ করে কাজটি করে থাকে।।
2022 সালে আমার পাসপোর্ট আমি নিজে করতে যাই লক্ষ্মীপুর পাসপোর্ট অফিসে , আবেদন জমা দিতে গেলে প্রথম প্রশ্ন জিজ্ঞেস করে কার মাধ্যমে করছি। আমি নিজে নিজে আবেদন করার কারণে ওনারা আমাকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করতে থাকেন এবং তিনদিন হয়রানি করার পর ওনারা আমার আবেদন গ্রহণ করেণ।
প্রায় ছয় মাস আগে আমার ব্যবহারিত মোবাইলটি ছিনতাই হয়ে যায়, আমি থানায় গিয়ে জিডি করলে তারা জিডিতে উল্লেখ করতে বলে আমার নিজের অজান্তে মোবাইলটি হারিয়ে গেছে যেখানে আমার মোবাইল ছিনতাই হয়েছে , পরবর্তীতে আমি মোবাইল কিনার পর শাওমি একাউন্ট এড করার পরে আমার মোবাইলের লোকেশন দেখতে পাই, পুলিশকে জানালে বলে যেহেতু দেখতেই পারছেন কোথায় উদ্ধার করে নেন, আমরা বন্ধুরা মিলে উদ্ধার করি, তারপর জিডি পত্যাহার করতে গেলে তারা ৩০০ টাকা চায় যা আমি পরিশোধ করি।
the officers asked big sir needs motivation, cha-nastar taka, they can't approve my application. So i paid one of the lower level staff the amount to get the passport.
মায়ের নাম নিজেই সংশোধন করি সংশোধনী ফরমে, সাথে মায়ের পরিচয় পত্র দিয়েছি। এসব দিয়ে হবে না বলে এবং ফাইল ফেরত দেয়। অতিরিক্ত পরিচালক বরাবর যাই এবং ব্যাপারটি খুলে বলি। তিনিও বল্লেন এসব হবে না। টোন দেখে বুঝলাম টাকা সমাধান। বিনয়ের সংগে সব খুলে বললাম যে আমি সব তথ্য প্রমাণাদি দিয়েছি এতে সমস্যা কোথায়, তিনি বলেন পারবেন না। এরপর নিচে নেমে আসতেই একজন আনসার জানতে চাইলেন কোন সমস্যা আছে নাকি কাজ হয়েছে? আমি খুলে বলার পর - আনসার এমজন মহিলা দিয়ে পরিচালিত কম্পিউটার/ফটোকপি দোকান এ নিয়ে গে্লেন আর বলেন ২০০০, এটা করে দেন। এরপর অই ভদ্র মহিলা নামমাত্র একটি সিটি করপোরেশনের পরিচয় পত্র এড করলেন যেখানে একটি গোপন কোড আছে। কিন্তু আমার বাসা সিটি করপোরেশনের কোথাও না। যাইহোক,৩০ মিনিটের ব্যবধানে আবার জমা দিতেই নিয়ে নিল।
আব্বা মারা যাওয়ার সময় Janata ব্যাঙ্ক এ ৫০,০০০ টাকা রেখে গেসিলেন আম্মার নাম এ নমিনী করা ছিল। আমরা চিটাগাং থাকি এই টাকার জন্য ঢাকা মতিঝিল শাখায় আসতে হয়। প্রথম একবার আসছি ব্যাঙ্ক ম্যানেজার টাকা দিতে বললো কিন্তু এমপ্লয়ী রা দিলো না। সারাদিন ব্যাঙ্ক এ বসিয়ে রাখল। ঢাকায় আমাদের তেমন কেউ নাই। আমাদের কে বললো পরের দিন আসতে। পরের সপ্তায় আবার আসি আম্মু কে সহ। বলছে আম্মু না গেলে দিবে না। আবার গেলাম। ব্যাঙ্ক এর আরেকজন এমপ্লয়ী বললো ২,০০০ টাকা দিয়ে নিয়ে নিতে। আমরা পরে ১,২০০ টাকা দিয়ে টাকা তা উঠাই
একটা জন্মনি বন্ধন বয়স ঠিক করতে গেছিলা বলে যে বয়স ঠিক হবে না ২০০০ টাকা লাগবে তাহলে ঠিক হবে