nam zary
i wanted to online registetion namzary my land all was my own priveus honer also nothing any problem but kapasia land office one demand one lak fifty thousend i have to pay no any others oftion
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৮৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
i wanted to online registetion namzary my land all was my own priveus honer also nothing any problem but kapasia land office one demand one lak fifty thousend i have to pay no any others oftion
আমার বাড়ি কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলায় ময়নামতি ইউনিয়ন এ। আমার কাজ ছিলও ময়নামতি ভুমি অফিস যেটা আছে সাহেবের বাজার রানীর বাংলা রোড ও। আমার পারিবারিক কাজ এর জন্য সব দলিল এসব ঝামেলার জন্য সাহায্য চাই কিন্তু তারা আমাকে প্রত্যাখান করে। পরে ওখানের কেরানি — আমাকে আলাদা ডাক দিয়ে টাকা চায় বিশ হাজার। সে বলল এখানে এইভাবে টাকা নি দিলে কোনা কাজ হয়না। এলাকায় পরে কথা বলে জানলাম — এসব দালালি করে অনেক টাকা লুট করছে
বিগত দুইমাস ধরে আমার বাসার বিদ্যুৎ খরচ প্রায় ১০গুন বেড়ে গেছে সেজন্য।আমি বিদ্যু্ৎ অফিসে যাই অন্য একটি নতুন মিটার আনার জন্য।কারন হল সবাই বলছে লোড কমিয়ে দিলে নাকি বিল কম আসে।আমি যথারীথি BPDP অফিসে যাই।কিন্তু কর্তব্যরত অফিসার আমার কাছে 10000/-টাকা দাবীকরে।আমি টাকা দিতে অস্বিকার করি তাই বিষয়টি এখনো চলমান রয়েছে।আশাকরি সরকার নির্ধারিত ফি দিয়ে আমার নতুন সংযোগ আমি পাব।সরকারকে এ বিষয়টি দিকে নজর রাখার অনুরোধ করছি।
I went to the passport office to renew my mother's passport. They asked for NID verification and asked for 2000 taka. When I asked why they needed the documents, they didn't explain it properly. They told me that if I didn't provide the money, they wouldn't renew the passport
উপ সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসারকে তার দাবিকৃত ১৫,০০,০০০ (পনেরো লক্ষ্য) টাকা দিতে ব্যার্থ হওয়ায় পৈতৃক জমি নিজ নামে বিডিএস রেকর্ড নেওয়া থেকে বঞ্চিত হয়েছি। এবং বিবাদী অফিসারের দাবিকৃত অর্থ প্রধানে সক্ষম হওয়াতে জমিটি বিবাদীর নামে রেকর্ড লিপিবদ্ধ করা হয়। ঠিকানা : উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিস, আলমনগর, হেমায়েতপুর, সাভার, ঢাকা
আমি সকল কাগজ পত্র জমা দিয়া আমার পৈতৃক সূত্রে প্রাপ্ত জমি খারিজ করার আবেদন করি এবং আমার সকল কাগজ পত্র সঠিক থাকার পর ও ৩ বার আমার আবেদন প্রত্যাখ্যান হয় I তারপর আমি নিরুপায় হইয়া গুষ দেয় যার ভাগ সম্মানিত এসি ল্যান্ড (আমার এলাকাতে আমার দেখা সবচেয়ে বড় গুষখুর পদ) ও পাই এবং এই গুষ খাওয়া এসিল্যান্ড এন্ড subregistrar এরজন্য কেমন জানি বৈধ এখন বাংলাদেশ এ ।
সিলেট ভ্যাট অফিসে প্রতি মাসে ৫০০টাকা ঘুষ দিতে হয়।সেখানে ভ্যাট দাতাদের নামের তালিকা আছে। প্রতি মাসে তাদেরকে অফিসিয়ালি ঘুস দিতে হয়।
জন্ম নিবন্ধন করতে গেলে,, কম্পিউটার অপারেটর নিজে না করে পাশের দোকানে করতে বলে, ৫০ টাকা দিয়ে আবেদন করি,, পরবর্তীতে অপারেটর ২০০ টাকা নেয় বকশিস বাবদ
আমি নামজারির জন্য আবেদন করেছিলাম, কিন্তু অনেক মাস পেরিয়ে যাওয়ার পরও তা পাইনি। এরপর ভূমি অফিসের এক কর্মীর সাথে আমার দেখা হলে তিনি আমার কাছে ১,৫০,০০০ টাকা দাবি করেন। আমি তাঁকে সেই টাকা পরিশোধ করি এবং প্রায় দুই সপ্তাহের মধ্যেই তারা আমাকে নামজারি সম্পন্ন করে দেয়; এক্ষেত্রে আমার বা আগের পক্ষের কাগজপত্রের কোনো সমস্যা ছিল না।
Renewal of E passport of my two daughters. Unnecessary harassment by the concerned person. Third party engagement. After taking money from me ; sent to the concerned person and File sent by what’s app. It was happened on 7 May 2026 about 10 AM.
সরকারি বাসা ঝুঁকিপূর্ণ, তাই ২০২৩ সাল থেকে দরখাস্ত করতেই আছি, যখনই অফিসারের সাথে কথা বলতে যাই, তখন ওনার চামচাকে( রহমান) দিয়ে কথা বলায়, ওই লোকটা বলে খালি হাতে কাজ করা যায় না, ৫০০০টাকা দেন, কাজ হয় যাবে। টাকা না দিলে এইভাবে আসবেন আর যাবেন। আমি টাকা দি নাই যে আমার কাজ করে দেয় নাই। টাকা যারা দিছে তাদের কাজ করে দিছে
আমি আর আমার বন্ধু আসছিলাম।আসার পথে বাইক আটকে রেখে গোলমাল পরিবেশ সৃষ্টি করে এবং মাদক দিয়ে ধরিয়ে দিবে বলে।অনেক ভাবে ভয় দেখায়।যেমন-পরিবারের কাছে কল দিতে,ক্যারিয়ার এলোমেলো করে দিবে আরও অনেক কিছুই।পরবর্তীতে তারা দাবি করে ২ জনের কাছে ৩০০০০টাকা আর নাহয় জেলে পাঠাবে। পরে ৭৫০০ টাকা বিকাশে আনায় আমার নম্বরে।তার নাম্বারে সেন্ড মানি করতে চাইলে গালি দেয়।
বাধ্য হয়ে ইউনিয়ন ভূমি অফিস ও এসিল্যান্ড অফিস এ অতিরিক্ত টাকা দিছি না কাজ হয় না , সময় নষ্ট করে হযরানি করে ।
আমার বড় ভাইয়ের পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় নতুন করে আবার পাসপোর্ট রি-নিউ করতে চায় কিন্তু পাসপোর্ট অফিস থেকে একটি টেক্যনিকাল ত্রুটির কথা জানানো হয় এবং আড়াই(২.৫) বছর যাবত তাকে সিলেট পাসপোর্ট অফিস টু ঢাকা আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিস এই কাগজ নেই সেই কাগজ নেই বলে হয়রানি করা হয়। পরবর্তী আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিস একজন উর্ধ্বতনকর্মকতা উনাকে ২ লাখ টাকা দিতে বললে অনেক বুঝিয়ে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা রাজি করানো হয়। পরবর্তীতে ঢাকা মুহাম্মদ বসিলা পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে আমি এবং আমার বড় ভাই সেখানে কর্মরত পাসপোর্ট অফিসের এক কর্মকর্তাকে ১লাখ ৪০ হাজার টাকা দিয়ে পাসপোর্ট নিয়ে বাড়ি আসি।
আমার মা গত বছর ওমরা পালনের জন্য সৌদি আরব যাবেন নিয়ত করেন । তখন পাসপোর্ট তৈরি করার জন্য আমি ও আমার আম্মু খাগড়াছড়ি সদরে অবস্থিত আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে যাই । ৫বছরের ই-পাসপোর্ট ফি ৪২৫০টাকা ছিলো । কিন্তু পাসপোর্ট অফিসে যাওয়ার পর কর্মকর্তারা বিভিন্ন কাগজ পত্রের জটিলতা দেখায়। পরবর্তীতে একজন আনসার বলেন যে আসলে এইখানে হবে না আপনি বাহিরে কম্পিউটার দোকানে যোগাযোগ করেন মূলত কম্পিউটার দোকানের মাধ্যমেই তারা দালালীর অর্থ নিয়ে থাকেন ।পরবর্তীতে ৬০০০টাকার বিনিময়ে ৫বছর মেয়াদে ই-পাসপোর্ট তৈরি করতে হয়েছে ! টাকা ছাড়া পাসপোর্ট অফিসে কোন ফাইল লড়াচড়া হয় নাহ
আমি ভোটার আইডি সংশোধনের জন্য প্রথমে সাধারণ নিয়মে দিয়েছি এক বছর প্রায় এক বছর অতিবাহিত হয়ে গেছে তারপরও আমার কাজটি হচ্ছিল না কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করি তারা বলেছে আরো সময় লাগবে তখন সেখান থেকে একজন আমাকে বলল আপনি কিছু খরচ করলে খুব তাড়াতাড়ি কাজটি সম্পন্ন হবে আমি চেহারা হয়ে রাজি হয়ে গেলাম কিছু করার ছিল না কারণ তখন আমার পাসপোর্টটা খুবই প্রয়োজন আমাকে হঠাৎ একদিন রাতের বেলা ফোন করলো নাম্বারে ১৫০০০ টাকা দিন কি হয়ে যাবে আমি দিশেহারা হয়ে হাজার টাকা দিয়ে দিলাম যে কাজ এক বছরে সম্ভব হলো না পরের দিন আসলে আমার নাকি যারা কাজ করে চাইলে আমি নামটিও পারি যে আমার কাছ থেকে টাকা নিয়েছে এই কিলা তাদের তো আর চাকরি যাবে না এসব পথেই চলে ঘুষখোর তো সব জায়গায় চাকরি গেলে তারা বড় দপ্তরে আবার প্রমোশন হয়থেকে
নার্সিং ইনচার্জ প্রতি ডোজের জন্য ২০০ টাকা চান, আগে টাকা পরিশোধ করে তারপর ভ্যাকসিন দেন।
পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত জমির নামজারির জন্য শতাংশ প্রতি ১ হাজার টাকা করে দাবি করা হয়েছে।
সরকারি কর্মচারীদের টিএডিএ বিলের মোট টাকার ২২% অগ্রীম দিতে হয়।আগে টাকা নেয় তারপর বিল অনুমোদন করে।সেবা গ্রহণের জন্য এসএফসি(পূর্ত)অফিস, ঢাকা সেনানিবাসে, লজিস্টিক এরিয়া সদর অফিসের পার্শ্ব লাগোয়া ভবন।বেতন বিল শাখা।৪ তলায় গেলে ছালাম দিলে তাঁরা ছালাম নেয় না।অফিসের ঝাড়ুদার — ও অন্যান্য চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী বিলাসবহুল গাড়ি চালায়।অন্যান্য কর্মচারীদের জীবন যাপন খুবই উচ্চ বিলাশী।ডেসপাসে বিল নথিভুক্ত করে রিসিভ করতে প্রতিটি কাগজ প্রতি ২০০ টাকা নেয় এবং ডাকযোগে পৌঁছলে টাকা হাতে না পাওয়া পর্যন্ত বিল রেকর্ড এবং রিসিভ না করে ফেলে রাখে এবং এভাবে কয়েকদিন পর বিল হারায় আবার তাদেরকে বেশি টাকা জরিমানা সহ দিলে সেই বিল খুজে পায়।
পাসপোর্ট অফিসে সব ঠিক থাকা সত্ত্বেও কয়েকবার কাগজ জমা দিয়েছি কিন্তু ডকুমেন্ট সবকিছু ঠিক থাকা সত্ত্বেও বারবার রিজেক্ট করে পরে কম্পিউটার দোকানে গিয়ে জানতে পারলাম তাদেরকে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা দেওয়া লাগে ওই টাকার বিনিময়ে তারা কাগজে একটা কোড বা নাম্বার লিখে দেয় ওটা তাদের কাছে গেলে তারপর হয়ে যায় বাধ্য হয়ে দিয়েছি তারপর কাজ হয়ে গেছে