হুম
হবিগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালত এর ফেসকার, —। এবং সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত -৩ এর ফেসকার, —। ওনাদের ২ জনকে একটু নজরদারি করার জন্য বিনীত ভাবে অনুরোধ করছি 🙏
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৮৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
হবিগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালত এর ফেসকার, —। এবং সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত -৩ এর ফেসকার, —। ওনাদের ২ জনকে একটু নজরদারি করার জন্য বিনীত ভাবে অনুরোধ করছি 🙏
মিনিমাল হোল্ডিং ট্যাক্স এসেসমেন্ট করার জন্য ১০০০০হাজার টাকা দাবি করেছিল। দাবি না মানায় ৫০০০টাকার পরিবর্তে ৪৫০০০হাজার টাকা ট্যাক্স নির্ধারণ করে দিয়েছে। পরে ৭০০০হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে ৬০০০হাজার টাকা ট্যাক্স নির্ধারণ করা হয়েছে ।
ভূমি অফিসে নায়কের কাছে যাওয়াই অনলাইন খাজনা পেমেন্ট করার সময় ১১ হাজার টাকা দেখাই ছিল সেইখানে ৫০০০ টাকায় অন্য দালালে করে দিতে চাইছে আমি সেই দালালের প্রথি বেছে নিলাম সরকারে পেল 134 টাকা ৪৮৬৬ টাকা পেল দালাল
আমি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট
মোটরসাইকেল রেজিষ্ট্রেশন করতে গেলে মোটরযান পরিদর্শক গাড়ী পরিদর্শন করে গাড়ীর ফাইল নিতে গড়িমসি করে।বিষয়টি সহকারী পরিচালককে জানালে তিনি ফাইল জমা নেওয়ার জন্য বলেন। ফাইল জমা নিলেও ফাইল আটকে রেখে নাম্বার দিতে কালক্ষেপণ করে। এছাড়াও রেজিষ্ট্রেশনের ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিতে গেলে একশ টাকা ঘুষ দাবি করে।
সব কিছু কাগজপত্র জমা দেয়ার পর ও কমিটি গঠন ও নবায়ন করা জন্য দিতে হয়েছে।
পাসপোর্ট করার সময় বিভিন্ন ভুল ধরছিল। এবং বলে যে পাসপোর্ট হবে না কিন্তু এক পিয়ন বলে যে ভাই স্যারকে এক হাজার টাকা দিন তাহলে পাসপোর্ট হয়ে যাবে। যখন এক হাজার টাকা দিলাম তখন ওই ফর্ম নিয়ে আবার পাসপোর্ট করে দিয়েছে।
সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত যে কোন ভাতা পেতে সমাজসেবা অফিস, ভুয়াপুর, টাঙ্গাইল কোন সেবা বিনা পয়সায় পাওয়া যায়না।
দলিল অবমাননের জন্য সোনালী ব্যাংকের ২০০০ টাকা চালানোর মাধ্যমে প্রদান করি। চালান রশিদ জমা দেওয়ার জন্য ভূমি অফিসের একজন লোক ১৫ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করে। তারপর কোন একজন লোকের মাধ্যমে ৩০০০ টাকা ঘুষ দিয়ে কাজটা করতে বাধ্য হই। ভূমি অফিসের যে লোক ঘুষের টাকা নিচে তার নাম ফোন নাম্বার সহকারে দেওয়া হলো। — —
সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তির পরিবারকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৫ লক্ষ টাকা বিআরটিএ হতে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়। আমার বাবার সড়ক দূর্ঘটনায় মৃত্যুর পর আমরা আবেদন করি ২০২৪ সালের মাঝামাঝি সময়ে। ১ বছর পর বিআরটিএ-র একজন কর্মচারী আমাদের ফোন করে ১ লক্ষ টাকা দাবি করে। অন্যথায়, আমাদের সে ক্ষতিপূরণ প্রাপ্তি হতে বঞ্চিত করার হুমকি প্রদান করে। আমরা তাকে ৫০,০০০ টাকা অফার করলে সে রাজি হয় এবং আমাদের কয়েকদিন পর সরাসরি ঢাকার বিআরটিএর হেড অফিসে ডেকে নিয়ে যায় এবং একজন সহকারি পরিচালকের উপস্থিতিতে আমাদের ৫ লক্ষ টাকার চেক প্রদান করেন। আমরা পরবর্তীতে জানতে পারি সে অবসরপ্রাপ্ত একজন প্রাক্তন তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারী ছিলেন তবে অবসরের পরও এখনো বিআরটিএর কর্মকর্তা-কর্মচারীর সাথে যোগসাজস করে তিনি নিয়মিত অর্থ আত্মসাৎ করেন।
আমার বাসার জন্য নতুন মিটার আবেদনের সময় অফিস থেকে একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত লোক গত মে মাসে ৩ টি মিটারের জন্য ১৫,০০০ টাকা ঘুষ দেওয়া লাগবে বলেছিল, টাকা না দিলে মিটার দিবে না। আমি ঘুষের টাকা দিব না বলেছি। আমি টাকা না দিয়ে নিজেই আবেদন করেছি। মে/২৬ মাস থেকে আগস্ট /২৬ পর্যন্ত আবেদনের প্রায় ৪ মাস হলো এখনও মিটার পাই নাই। অফিসে অনেকবার গিয়েছি কিন্তু ঘুষ দেই নাই বলে মিটার দিচ্ছে না। আমি সরকারি ফি বাবদ অনলাইন এর মাধ্যমে ৩ টি মিটারের জন্য ৩,৩০০ টাকা পরিশোধ করে রেখেছি।
আমি বাংলাদেশ টেলিভিশনের একজন সহকারী হিসাবরক্ষক। আমাদের ১ম বেতন নির্ধারনী পাস করাতে প্রত্যেকের কাছ থেকে ২০০০ টাকা করে সিএএফও তথ্য এর অডিটর দাবি করে। অনেক অনুরোধের পর জনপ্রতি ১৫০০ টাকা দিয়ে তা পাস করাই। তারা পদোন্নতি জনিত/ উচ্চতর গ্রেডের বেতন নির্ধারনী পাস করে সমপরিমাণ টাকা আদায় করে। কর্মচারীদের জিপিএফ এর অর্থ উত্তোলনে কমপক্ষে ২০০০-৫০০০ টাকা করে অর্থ আদায় করে। সকল ধরণের বিল পাস করতে অডিটর ও অডিট সুপারিন্টেনডেন্ট গং ১% কমিশন আদায় করে। তারা তাচ্ছিল্য করে বলে দোকান একটাই! বিল পাস করতে কমিশন দিতেই হবে।
পাসপের্ট আবেদন সরাসরি জমা নেয়া হয়না। অফিসের নির্ধারিত দালাল ফাইলে চিহ্ন দিলে সেগুলো প্রশ্ন করা ছাড়াই জমা নেয়। যেমন জন্মনিবন্ধন দ্বারা আবেদন করা পাসপোর্ট এর ক্ষেত্রে চেয়ারম্যান কতৃক অনলাইন কপি ভেরিফাই, আইডি কার্ড ইসি থেকে ভেরি ফাই করে আনতে বলে যা অনর্থক। কেননা ভেরিফাই হয়েই আব্নেটি সম্পন্ন হয়েছে। বেকার লিখলে বেকার সনদ চায়। আগের পাসপোর্টে স্বামী স্ত্রীর নাম আছে তাও কাবিন নামা চায়। এভাবে হয়রানী করে। সব ঠিক থাকলে বলবে কোথায় ফিলাপ করেছেন নতুন করে আবেতন করেন, ১টি জন্মনিবন্ধন বা এনআইডি দিয়ে ২য় বার আবেদন অসম্ভব। টাকা ২০০০দিলে সব ওকে।
২০২৪ সালে আমার MBA পরীক্ষা শেষ হয় এবং ২০২৫ সালে ফলাফল প্রকাশের পর আমি সার্টিফিকেট সংগ্রহের জন্য কলেজে যাই। ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের অফিস থেকে সার্টিফিকেট নিতে গেলে আমার কাছে প্রায় ২০০–৩০০ টাকা চাওয়া হয়। বলা হয়, টাকা না দিলে সার্টিফিকেট দেওয়া হবে না। বিষয়টি নিয়ে আমি হেড স্যারের কাছে অভিযোগ করেছিলাম। কিন্তু দুঃখজনকভাবে, তিনি কোনো সহযোগিতা না করে বরং আমাকে বকা দেন। আমাদের MBA-তে প্রায় ২০০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। যদি প্রত্যেক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ২০০–৩০০ টাকা নেওয়া হয়, তাহলে এক ব্যাচ থেকেই মোট ৪০,০০০–৬০,০০০ টাকা আসে। যদি প্রতিবছর একইভাবে টাকা নেওয়া হয়, তাহলে বিষয়টি অবশ্যই তদন্ত করে দেখা উচিত—এই টাকা কি কলেজের অফিসিয়াল ফি, নাকি অন্য কোনোভাবে নেওয়া হচ্ছে? কারণ বৈধ ফি হলে সা
আমার ব্যক্তিগত জমির রেকর্ডের নাম সংশোধনের সেবা নিতে গেলে সাব রেজিস্টার কর্মকর্তা এক লক্ষ টাকা ঘুষ দাবি করে। আমি প্রত্যাখ্যান করি। কিন্তু অনেক অসহায় গরিব ব্যক্তি হয়রানি না হওয়ার জন্য ঘুষ দিয়ে সেবা গ্রহণ করে। বাংলাদেশ সরকারের দুর্নীতি দমন কমিশন সহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। যেন বাংলাদেশের সকল সাব রেজিস্টার অফিসে ঘুষ ছাড়া সাধারণ জনগণ সেবা নিতে পারে।
যারা দেয় তারা সেবা দ্রুত পায়, না দিলে ওয়েটিং এ থাকে।
আমি আমার চোট ভাই দিয়ে ময়ের ওয়ারিশ সার্টিফিকেট তুলতে পারিয়েছিলাম ঐ সচিব ৬০০ টাকা নিয়ে সাটিফিকেট দেয়। কোন রিসিট দেয় নি। পরে অন লাইন মাধ্যমে জানতে পারি ৩১ টাকা লাগে মাএ।
২০২৫ সালের জুলাই মাসের দিকে রংপুর শহরের একটি জমি কেনার জন্য কাগজ পত্র যাচাই করতে গিয়ে দলিলে ডি পি খতিয়ান নম্বর ভুল দেখতে পাই। পরে দলিল লেখক কে সাথে নিয়ে সাব রেজিষ্টার এর কাছে গেলে উনি বলেন এটা সংশোধন করতে হলে কোর্টে যেতে হবে। পরে উনি দলিল লেখকের মাধ্যমে আমাকে ৮০০০০ টাকার বিনিময়ে কাজ করে দেয়ার প্রস্তাব দেয়। আমি বিষয়টি প্রত্যাখ্যান করে জমির মালিককে বলি আমি আপনার জমি নিব না। আপনি কাগজ ঠিক করে দেন তাহলে বায়না করবো। জমির মালিকের জরুরি টাকার প্রয়োজন ছিল। তাই তিনি আমাকে টাকার বিনিময়ে কাজটি করে দিতে অনুরোধ করেন আর বলেন যে টাকা খরচ হবে সেটা জমির দাম থেকে বাদ দিবেন। পরবর্তীতে আমি ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে কাজটি করে নিই।
This is the procedure we must followed as few details need to change during trade license renewal.
VOTAR CARD TRANSFER KORE ORIGINAL VOTARCARD DEOWAR JONNYA