NIRBACHON OFFICE
VOTAR CARD TRANSFER KORE ORIGINAL VOTARCARD DEOWAR JONNYA
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৮৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
VOTAR CARD TRANSFER KORE ORIGINAL VOTARCARD DEOWAR JONNYA
Borleka Upojela marito sutir jonno abedon joma dite taka disi 5000 aroyo onek bar jokhon kunu kajer jonno gesi taka dite hoise na dile kaj hoina
দ্রুত মিউটেশন করে দিবে বলে পরে আমি একাএকাই করেছি ১২০০ টাকা খরচ হয়েছে
খতিয়ানে জমির পরিমাণ কথায় ভুল ছিল। তিন এর জায়গায় দুই এটা , কিন্তু এটা ঠিক করতে ১০,০০০ টাকা প্রয়জন 🤣
দাবি করেছিল, আমি পরিশোধ করেছি।
খালাতো ভাইকে পাসপোর্ট রি-ইস্যুর জন্য আবেদনসহ ফি পেইড করে ডকুমেন্ট সহ পাঠিয়েছি পাসপোর্ট অফিস, পাসপোর্ট টি তার নিজের। সে ততটা শিক্ষিত নয়। তার স্পাউস তথা স্ত্রীর নাম স্ত্রীর NID অনুযায়ী দিলেও পাসপোর্ট অফিস কর্মকর্তারা ভাইয়ের NID তথ্য সার্ভার থেকে খুজে দেখে যে ডাকনাম সহ দেয়া আছে, মানে এক কথায় ভাইয়ের বিবাহ সম্পর্কিত ডাটা বের করে। এটা নিয়ে তারা কাহিনী করে বলে হবে হবেনা নতুন করে আবেদন করতে হবে। এটা কোন কথা বা রুলস হল? যতদূর জানি পরিচয় ইনফো হয়ে থাকে যার তথ্য তার NID অনুযায়ী। অথচ তারা তালবাহানা করে। শেষশেষ ২ হাজার টাকা ঘুষ নিয়ে আবেদন টি বাতিলও করে, তারপর নতুন করে আবেদন করে কম্পিউটার দোকানদার দিয়ে। আশ্চর্যজনক হলেও সত্য যে, ভাইয়ের পূর্ববর্তী পাসপোর্ট এ ভাবীর NID অনুযায়ী নাম ছিল তাতেও কোন সমস্যা করেনি।
চট্টগ্রাম জেলার, রাউজান উপজেলার বিনাজুড়ি ইউনিয়নে কাগতিয়া এলাকায়, জৈনিক এক ব্যাক্তি বেশ কয়েক বছর যাবত, নিজেকে পীর দাবি করে আসছে, এবং নিজের মুরিদদের দিয়ে মানুষের জায়গা দখল করে আসছেন, এই পর্যন্ত ৭০ থেকে ৮০ জনের জায়গা এমন ভাবে দখলে নিয়ে, নিজের রাজত্ব কায়েম করছে এবং মানুষদের নির্শ করছে, প্রতিবাদ করলে নেমে আসে জুলুম নির্যাতন। প্রশাসন কোনো ব্যাবস্তা নিচ্ছে না, প্রশাসন তাদের ভয়ে নীরব রয়েছে। দ্রুত সময়ে তাকে গ্রেপ্তার করা প্রয়োজন। কাগতিয়া দরবার বল্লে সকলে চিনবে,
পাসপোর্ট রিনিউ করতে গেলে আমার নামের বানান নিয়ে ভুল ধরে। হাস্যকর ব্যাপার আমার আগের পাসপোর্ট এবং আমার জাতীয় পরিচয় একই বানান বহন করে। উনি বলতে শুরু করেন নাম ঠিক করতে হবে। অদ্ভুত ব্যাপার হলো আমি নাম কিংবা নামের বানান কীভাবে ঠিক করব আর কেন করব যেখানে আমার সার্টিফিকেট, জাতীয় পরিচয়পত্র, আগের পাসপোর্ট সব একই বানানের। বাংলায় '—' ইংরেজিতে — লেখা যাবে না-বলে আমাকে ২০৩ নাম্বার রুমে জাতীয় পরিচয়পত্র প্রিন্ট আউট করতে বলে। আমি প্রিন্ট করে আনলেও সেদিনের মতো ঐ লোক উঠে গেছে। পরের দিন যখন গেছি বলে এসব ভুল নিয়ে এলে পাসপোর্ট হবে না। পরে বলে, বাইরে অমুক দোকান থেকে সব ঠিক করে আনেন। বাস্তবে ঐখানে গেলে ২০০০টাকা চায়। এরা সব এসুতায় চলে। পরে পরিচালক কক্ষে কথা বলে সমস্যার সমাধান হয়। পাসপোর্ট পাই ৩ সপ্তাহ পর।
আমি সৌদি প্রবাসী । সৌদি থেকে টাকা পাঠায় রেমিটেন্সের মাধ্যমে প্রোপার চ্যানেলে । হুন্ডির মাধ্যমে নয়। সে এক কোটি টাকা আমার ফাইলে দেখানোর জন্য আমার কাছে চল্লিশ লক্ষ টাকা দাবি করে। পরবর্তীতে অনেক দর কষাকষি করে ৩০ লক্ষ টাকা দিতে বাধ্য । তো বাংলাদেশের নিয়ম অনুযায়ী রেমিটেন্সের টাকা অটোমেটিক ফাইলে হোয়াইট মানি হওয়ার কথা । কিন্তু আমার ক্ষেত্রে আমাকে ৩০ লক্ষ টাকা ঘোষ দিয়া লেগেছে শুধুমাত্র আমার ফাইলে সেটা হোয়াট মানি দেখানোর জন্য।
আমাদের শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ডের লাইসেন্স নবায়নের জন্য, বিশ লক্ষ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, সরাসরি জড়িত। কাগজপত্র সব ঠিক থাকার পরও, ঘুষ দিয়ে ছাড়পত্র নিতে হয়। কি বলব দেশের সব জায়গায় একই অবস্থা।
বিদেশ যাওয়ার জন্য অনলাইনে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য আবেদন করে সরকারি সব ফি জমা দিয়ে থানায় গেলাম পুরা ফাইল টা জমা দিতে যেনো তারা তাড়াতাড়ি রিপোর্ট দিয়ে দেয় তার জন্য, একজন কম্পিউটার অপারেটর কে ফাইল দিলাম এর পর উনি কোন দেশে যাচ্ছি তা নিয়ে কিছু কথা বলার পর বলতেছে এখানে তো কিছু খরছ আছে জানেন, আমি বললাম কিসের খরছ আমি সব টাকা পরিশোধ করে আসছি এরপর উনি বলতেছে ৩০০ টাকা দিলেই হবে বেশি লাগবেনা, পরে আমি বলি আমি একটাকাও দিতে পারবোনা কারন আমার কোনো ক্রিমিনাল রেকর্ড নাই তাই আমি আপনার সাথে কোনো প্রকার সেটেলমেন্ট করতে পারবোনা, এরপর উনি বলেন আচ্ছা ঠিক আছে চলে যান, পরে আমি চলে আসি
আমার ব্যাক্তিগত জমির রেকর্ড ও খতিয়ান সংক্রান্ত ভুলের জন্য ভূমি অফিসে সেবা নিতে গেলে ভূমি কর্মকর্তা ৬০০০০ টাকা ঘুষের দাবি করেন,,। আমি ঘুষ প্রত্যাখ্যান করি। কিন্তু অনেক গরীব অসহায় ব্যক্তি হয়রানি না হওয়ার জন্য ঘুষ দিয়ে ভূমি অফিসের সেবা গ্রহণ করেন।
আমাদের ইউনিয়ন পরিষদে ছোট ভাইয়ের জন্য জম্ম নিবন্ধন করতে গেলে বলে যে, আবেদন পত্রে নামের ভুল আছে। নাম সংশোধন করার পর নতুন আবেদন করতে হবে। এই জন্যে তিন হাজার টাকা লাগবে। তা না হলে জম্ম নিবন্ধন করা যাবে না।
RAZUK er maddhom a plot er city jorip kotian number er jonno abedon kor le ditio tolai official lok file powa jacchena bola der mas gurar por office assistant ka 7000 taka r binimoy a official document ta pawa ji. Baktir chobi o takar somojotar phone record acha.
2015 may 05. Police clearance certificate er jonno chakaria thanai AASI — — ke ami 3000 taka di. mane shee amar kashe dhabi kore. — ebong coxsbazar sp office e 3000 ne ek office — cell no — May 07 2015.
অনলাইনে আবেদন করার পর তফসিল অফিসে সমন্নয় করার জন্য গেলে সেখানে ৫০০টাকা দাবি করে। আমি ২০০ টাকা দিয়ে কাজ শেষ করছি
বেশ কিছুদিন আগে আমি ধানমন্ডি থানায় একটা জিডি করার জন্য যাই। একজন মহিলা পুলিশ অফিসার আমার সমস্ত কথা শুনে নিয়ম মাফিক জিডি গ্রহণ করেন। কিন্তু জিডি করা হয়ে গেলে তিনি চা নাস্তা খাওয়ার পয়সা চায়। আমি জানি জিডি করতে কোন টাকা লাগে না। তারপরও আমি ঐ মহিলা পুলিশ অফিসার কে দুই হাজার টাকা দেই। আমি মনে করেছিলাম তিনি খুশী হবেন। ওমা, তিনি বল্লেন- ফকিরের মতো কি দিলেন? আপনার থেকে দশ হাজার আশা করেছিলাম। অনেক বার্গেনিয়ের পর 5,000/- টাকা দিয়ে জিডি কপি নিয়ে বের হলাম।
টাংগাইলের সখিপুর থানা থেকে পুলিশ ভেরিফাই করার জন্য একজন পুলিশ আমার কাছে ১০০০ টাকা খরচ দাবি করে। তার পর আমি যখন জিজ্ঞেস করলাম কিসের খরচ এটা? পরে সে বলে পুলিশ ভেরিফাই করতে খরচ লাগে আপনি জানেন না? আমি তালে বলি কোনো খরচ লাগে না তো। তার পরে সে বলে খরচ দিলে কাজ হবে নইলে হবেনা। আমি অনেক বুঝানোর চেষ্টা করেও কোনো লাভ হয়নি। আমার কাছে ১০০০ টাকা না থাকায় আমি ১০০ টাকা দেওয়ার চেষ্টা করি তাছাড়া আমার কোনো টাকা ছিলো না। তার পর সে রাগিয়ে বলে আপনি কি আমার সাথে ফাজলামি করছেন নাকি টাকা লাগবেনা চলে যান আপনি। আমি চলে আসার আগে শেষ বার তাকে জিজ্ঞাসা করি আমার কাজ হবে তো? পরে সেই পুলিশ বলে হলে হবে না হলে না হবে।
আমার বর্তমান এক পিকআপ ড্রাইভারের সাথে কথা হয় তিনি বলেন আগে ট্রাফিক পুলিশ সারা বাংলাদেশে ডিজিটাল মামলা দেওয়া হতো কিন্তু এখন শুধু পেপারে মামলা দেওয়া হয় বিশেষ করে যশোরে । ফলে থানায় মামলার টাকা জমা দিলে গাড়ি ছেড়ে দেওয়া হয়। ফলে পুরো টাকা পুলিশের পকেটে চলে যায়। এতে করে রাষ্ট্র প্রচুর রাজস্ব হারাচ্ছে। তাই পুলিশ যদি ডিজিটাল মামলা দেয় সেদিকে সরকারকে নজর রাখতে হবে এবং জনগনকে সচেতন করতে হবে যাতে এটা বন্ধ হয়
সরকারী খরচ মাত্র ৩৭৪ টাকা। কিন্তু কাজ করে দিতে ভুমি অফিসারকে দিতে হয়েছে আরোও ৩৫০০ টাকা। সব মিলিয়ে আমি কাজটির জন্য তাকে দিয়েছি ৪০০০ টাকা। টাকাটি না দিলে কাজটা করে দিবে না, স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলো।