নতুন লাইসেন্স তৈরি
নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য পরীক্ষা দিয়েছি, ফলাফল অকৃতকার্য লেখা আসছে। পরে দালালকে ৭০০০ টাকা দিয়েছি এবং সে সফলভাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স করে দিয়েছে। অপেশাদার লাইসেন্স করেছি ১০ বছর মেয়াদ, সর্বমোট খরচ হয়েছে 15000 টাকা।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৮৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য পরীক্ষা দিয়েছি, ফলাফল অকৃতকার্য লেখা আসছে। পরে দালালকে ৭০০০ টাকা দিয়েছি এবং সে সফলভাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স করে দিয়েছে। অপেশাদার লাইসেন্স করেছি ১০ বছর মেয়াদ, সর্বমোট খরচ হয়েছে 15000 টাকা।
গাজীপুর, সেটেলমেন্ট অফিস, মৌজা কলমেশ্বর, বোর্ডবাজার, রেকর্ড ও জরিপ বিডিএস মাঠ পর্চা আমাদের চারটি পর্চার জন্য এক লক্ষ টাকা চায়, আমি তাদের সাথে কথা বললে তারা আমার জমির বিভিন্ন সমস্যার আছে বলে জানায়, এরপর আমি জোনাল অফিসারের সাথে কথা বলি, তিনি উপ সেটেলমেন্ট অফিসারের সাথে কথা বললে এরপর আমার আমি পচা পাই। আমার সাথের বিভিন্ন জমি ও বাড়িওলা আমাকে জানিয়েছে প্রতিটি বিডিএস মাঠ পর্চার জন্য ২০ হাজার থেকে ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত নিয়েছে। অধিকাংশ মানুষের জমির কাগজপত্র সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা নেই এতে সেটেলমেন্ট অফিস সুযোগ নিচ্ছে এবং অনেক জমিও বাড়িওয়াল তাদের ভয়ে ভীত। প্রতিটি মৌজায় শত শত কোটি টাকার দুর্নীতি করছে।
সমাজ সেবা অধিদপ্তর এর বয়স্ক ভাতা এর আবেদন করার পর ও ২ বছর এ যখন কোনো অগ্রগতি নেই তখন একজন এসে বললো ৬০০০ টাকা দিলে হয়ে যাবে। এভাবেই সবার বয়স্ক ভাতা পাশ হয়।
passport office amar paper bul ache bole file thik kore niye aste bole, but pore dalal bole je ami taka dile kore dite parbo, then taka dichi, dalal kore diche,
আমি পারিবারিক সনদপত্র বানানোর জন্য ওয়ার্ড কাউন্সিল এর কাছে সিল নিতে গিয়েছি। আমাকে উনি সব কাগজ আনতে বলছে, আমি সব নিয়ে আসছি।সব দেখার পর উনি বললো, সব তো ঠিক আছে তো ফি দিয়ে যাও।আমি বললাম কিসের ফি,পারিবারিক সনদপত্র তো কোন টাকা লাগে না। উনি বললো সিল তো দিবো তবে ওরা কাজ করার সময় ভুল ধরবে এটা যেনো না ধরে তাই একটু খরচা দিতে হবে। তখন উনি সবার সামনেই ২৫০০৳ চাইলো।আমি না করছি।উনি বললো টাকা না দিলে কাজ হবে না,টাকা নিয়ে আসো কাজ হয়ে যাবে।
Driving license Korte ghush chaisilo amr boyos 18- chilo... Tao hoye jabe tai bolsilo but Ami reject korsi
270 টাকা খাজনা বলে পূর্বের এস এ খতিয়ান নাই তাই পূর্বের কোন হিসাব আমাদের কাছে নাই ।
আমি গিয়েছিলাম আমার আম্মুর এনআইডি কার্ড উত্তোলনের জন্য (স্মার্ট কার্ড) আমাকে বলেছে থানা থেকে জিডি করে আসতে যেহেতু আমার আম্মুর পুরানো আইডি কার্ড টা হারিয়ে গিয়েছিল । আমি চাইছিলাম না জিডি করতে এরপর আমাকে ইশারায় ২০০ টাকা দেখিয়ে দিল ২০০ টাকা দিলাম এরপরে আমাকে পুরানো এনআইডি কার্ডের নাম্বারটা বলে দিল খুঁজে জুতা দিয়ে আমি অনলাইন থেকে আবার আইডি কার্ড বানিয়ে নিয়েছিলাম আমার আম্মার জন্য
সন্ত্রাসীরা আমাদের ঘরবারী পিটিয়ে ভেঙ্গে ফেলে এবং ঘর থেকে সবকিছু লুট করে নিয়ে যায়, মহিলাদেরকে নির্যাতন করে, সন্ত্রাসীরা এলাকায় প্রভাবশালী ছিল,, তাদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা নিতে অস্বীকার জানায়,,এবং মামলা নিতে হলে ৫০০০০ টাকা লাগবে এটা জানায়,, বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে মামলা করেছি
আমার একাডেমিক সার্টিফিকেটে পিতা-মাতার নাম ভুল থাকায় শিক্ষা বোর্ডে যাই।ভুল সংশোধনের জন্য সরকারি নিয়ম কারণ অনুযায়ী আবেদন করে আসি, বিভিন্ন মিটিং ও কাগজপত্র যথাসময়ে জমা দেওয়ার পরেও ভুল আসে।পরবর্তীতে ব্যাঙ্ক ড্রাফটের মাধ্যমে টাকা জমা দিয়ে পুনরায় আবেদন করে আসি।ফলাফল আবারও সেম।এইভাবে নিজে নিজে তিনবার চেষ্টা করি। তিনবারই সরকারি খরচের মাধ্যমে আমি সকল নিয়মকানুন মেনে ও কাগজপত্র জমা দিয়ে আসি ও মিটিংয়ে উপস্থিত হই।পরবর্তীতে সেখানকার এক কর্মচারীকে বিষয়টি শেয়ার করলে তিনি টাকা দাবি করে ও আশ্বাস দেয় আপনার আর আসা লাগবে না কাজ হয়ে গেলে আমরাই ডাকবো। পরবর্তীতে আমি কোন উপায় না পেয়ে টাকা দিতে রাজি হয় এবং এক মাসের মধ্যে আমার কাগজটি সংশোধন হয়ে যায়।
পাসপোর্ট করতে গেছি ই পাসপোর্ট যদিও এক মাস আগে আমি একটা পাসপোর্ট করেছিলাম সেই পাসপোর্ট টা হারিয়ে গেছে অনেক খোঁজাখুঁজির পরেও না পাওয়াতে আমি আবারো পুনরায় পাসপোর্ট করতে গেছি আমার আগের পাসপোর্ট এর ফটোকপি ছিল এবং হারিয়ে যাওয়ার কারণে আমি থানায় জিটি করছি এই যেটির কপি ছিল আমার সমস্ত কাগজপত্র ওকে ছিল কিন্তু আগের পাসপোর্টে অবিবাহিত লেখা থাকার কারণে একমাস পরে যেটা করতে দিছি সেটা তো অবিবাহিতই দিছি কিন্তু তারা যেভাবে হোক বের করতে পারছে যে আমি বিবাহিত তখন আমারে বলতেছে কাবিননামা লাগবে আরো অনেক কাগজপত্র লাগবে না হয় পাসপোর্ট হবে না কিন্তু বাইরে আসার পরে এক দালালের মাধ্যমে ২০০০ টাকা দেওয়া হইছে তখন আমার পাসপোর্ট ওকে হয়ে গেছে আর কোন সমস্যা নেই
জেলা পরিষদ থেকে পাস হওয়া প্রকল্পের বিল ছাড়ের জন্য ১০% ঘুষ চাওয়া হয়, যা মোটামুটি ওপেন সেক্রেট।
তারা সরকারি ভাবে ডোপ টেস্ট করতে পারবে কিন্তু সেই জন্যে তাদের কিছু দিতে হবে
খুলনা এলজিডি অফিসে লাইসেন্স নবায়নের জন্য ৫০০ টাকা ঘুষ দিয়েছি
২০২৫ সালে, আমি গাজীপুর যাছিলাম মহাখালী ফ্লাইওভার এর নিচ দিয়ে। একজন ট্রাফিক পুলিশ আমাকে আটকালো। কেন আমি ডান পাশ দিয়ে মুভ করলাম? আমি কোন ওভারটেক বা ভুল পথে যাই নি। পুলিশ আমাকে মামলা র ভয় দেখাল। আমি সিনিয়র অফিসার এর সাথে কথা বলতে চাইলাম কিন্তু উনি ১০০০ টাকা ঘুষ দাবি করল। আমার তারা ছিলো তাই ৫০০ টাকা দিয়ে চলে আসছিলাম। কিন্তু আমার মাথা থেকে বাপার টা যাচ্ছিল না । পুলিশ তখন উনার নেম প্লেট টা উলটিয়া রাখছিল । পুলিশ যতটা না মানুষকে সচেতন করার জন্য চেক করে, এর থেকে বেশী করে নিজেদের ঘুষ এর জন্য।
জমির মিউটেশনের জন্য আবেদন করলে উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিস থেকে কাগজপত্র যাচাইয়ের জন্য ইউনিয়ন ভুমি অফিসে প্রেরণ করেন। আর সেখানেই ইউনিয়ন ভুমি কর্মকর্তা ঘুষ দাবি করেন।
প্রায় ৫ বছর আগে আমি আমার জমির নামজারি/খারিজ করার জন্য সিঙ্গাইর, জয়মণ্ডপ ভূমি অফিসে যাই। সেখানে নামজারি/খারিজের কাজ করে দেওয়ার জন্য আমার কাছে ৫০,০০০ টাকা দাবি করা হয়। আমি এত টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় এবং টাকা দিতে না পারায় আমার জমির নামজারি/খারিজের কাজ সম্পন্ন করতে পারিনি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সরকারি নিয়ম অনুযায়ী আমার নামজারি/খারিজের কাজ সম্পন্ন করার ব্যবস্থা করার জন্য অনুরোধ করছি।
জৈনসার ভূমি অফিস,ঈসাপুর,মুনসিগন্জে, নামজারি করতে গেলে উল্লিখিত তহশিল অফিসের এক পিয়ন এক লক্ষ বিশ হাজার টাকা চেয়েছে। এই কথা শোনার পর তহশিলদারের সাথে দেখা করলে উনি বলেন, তার পিয়নের সাথে যোগাযোগ করতে এবং সেই ভাবে কাজ করতে। টাকার এমাউন্ট তহশিলদারকে বললে, উনি বলেন উপজেলা ভূমি অফিসে টাকা দিতে হয়।না দিলে তারা কাজ করেনা। সামান্য একটি কাজের জন্য এত টাকা ঘুস দেওয়াটাকে প্রয়োজন মনে করেনি।পরবর্তীতে যে কাগজপত্র অফিসে খারিজের জন্য জমা দিয়েছিলাম তা ফেরত নেই এবং কোনো টাকা না দিয়ে চলে আসি। সেই নামজারি আজো করতে পারিনি।
নামজারি, Taka150000/১৫০০০০ (কথায়- এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা) না দিলে কাজ হবেনা।
আমি একজন সরকারী হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসক৷ নিজ পারিবারিক প্রয়োজনে বদলির আদশের জন্য চেষ্টা করছি৷ এছাড়া বর্তমান পদবী অনুযায়ী আমার মেডিক কলেজেই পদায়ন হওয়ার কথা৷ ইচ্যেছে করে ঘুষ বাণিজ্যের উদ্দেশ্যেই পদায়ন স্থগিত রাখা হয়েছে৷ অথচ ঘুষের বিনময়ে অহরহ পদায়ন হচ্ছে৷ মিনিমাম ৫ লাখ টাকা থেকে ১০-১২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত লেনদেন হচ্ছে৷ এটা ওপেন সিক্রেট। এই টাকার ভাগ পলিটিক্যাল নেতা থেকে শুরু করে চিকিৎসক নেতা, ড্যাব নেতা, পিয়ন, আমলা, মন্ত্রণালয়ের এও, উপসচিব, স্বাস্থ্য মন্ত্রকের বড় বড় লোকজন ভাগ পান।এত পরিমান ঘুষ লেনদেন ছাড়া বদলির অর্ডার বের করা সম্ভব হচ্ছেনা৷ এক জেলা থেকে অন্য জেলায় যেতে দশ লাখ টাকা ঘুষ চায়৷ আমি কখনো সরকারি দপ্তরে চুরি করার ইতিহাস নেই৷ সামনে করার ইচ্ছে নাই৷ এতগুলো টাকা খরচ করে কিভাবে আবার উঠাবো৷