খামার বাড়ি প্লান্ট প্রটেকশন wing
খামার বাড়ি প্লান্ট প্রটেকশন উইং, এখানে ঘুষ ছাড়া ফাইল নড়ে না। ক্লার্ক থেকে শুরু করে উপর পর্যন্ত সবক্ষেত্রে ঘুষ। মি — উইং টাকে রাম রাজত্বে পরিণত করেছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৮৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
খামার বাড়ি প্লান্ট প্রটেকশন উইং, এখানে ঘুষ ছাড়া ফাইল নড়ে না। ক্লার্ক থেকে শুরু করে উপর পর্যন্ত সবক্ষেত্রে ঘুষ। মি — উইং টাকে রাম রাজত্বে পরিণত করেছে।
হাসপাতালে ডাক্তার দেখানোর চেয়ে সিরিয়াল থাকে সেই সিরিয়ালে চিকিৎসার জন্য দাঁড়িয়ে ছিলাম একজন বয়স্ক মহিলাকে তিনি হাঁটাচলা করতে পারতো না ভালোভাবে, এরপরে দায়িত্বরত একজন সদস্য এসে তাকে আগে সিরিয়াল দেন এবং কিছুক্ষণ পরে তিনি আমাকে এক সাইডে দেকে বলেন যে নাস্তা খাওয়ার জন্য টাকা দেন আমি ২০ টাকা ধরিয়ে দিলে তিনি আরো বেশি দাবি করেন এক পর্যায়ে তাকে ৫০ টাকা দিতে বাধ্য হই।
ঢাকা শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল আমার মা কে অপারেশন করবার জন্য ওয়েটিং রুমে নেওয়া হয়েছে তারপর সেখানের কর্তব্যরত ওটি নার্স এবং ওটি বয় এসে রুগীর পরিবারে সদস্যদের কে আলাদা আলাদা করে বলছে দেখেন ভাই ডাক্তার রা অনেক ব্যাস্ত রুগী বেশি তাই আপনি যদি আমারে কিছু টাকা দেন তাহলে আমি আজকেই অপারেশন করাই দিবো রুগীর সিরিয়াল সামনে নিয়ে আমার আত্মীয় বলবো ডাক্তার তাহলে তাড়াতাড়ি অপারেশন করে দিবে আপনি আমারে পাঁচ হাজার টাকা দেন তখন আমরা অশিকার করার পর আমার মায়ের ওই দিন ২ টা পর্যন্ত ওয়েটিং রুমে বসায় রাখছিলো তারপর ভিতর থেকে ওই নার্স এসে বলো আজ হবে না অপারেশন ৪ দিন পরের সিরিয়াল দিয়েছে না কি ডাক্তার।
বান্দরবান পার্বত্য জেলা পুলিশ লাইন্সের রিজার্ভ অফিসার এসআই — ও তাহার সঙ্গী কনস্টেবল — দীর্ঘদিন যাবৎ উক্ত অফিসে কর্মরত থেকে পোস্টিং বানিজ্য করে আসছে। আমি বদলী সূত্রে অন্য জেলা থেকে আসলে আমাকে সদর থানায় পোস্টিং করে দিবে বলে জিম্মি করে ৪০ হাজার টাকা ঘুস নেয়।
আমার সার্টিফিকেটে আব্বার নাম ছিল — আর আমার ভাইয়ের সার্টিফিকেটে ছিল — এই নামের কারণে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে একই নামের প্রথম পত্র গ্রহণ করেছিলাম তারপরে আবেদন জমা দিয়েছি টাকা না দেওয়াতে আবেদন প্রত্যাখ্যান হয়েছে পরবর্তীতে আবার আবেদন করে একই কাগজ দিয়ে কাজ করতে হয়েছে
মিডল ইস্টে জন্ম নেয়া ব্যক্তির জন্ম সনদে ভুল ক্রমে জন্মস্থান বাংলাদেশ তথা ফেনী করা হয়। পরে তা সংশোধন আবেদন করার পর সেটি অনুমোদনের জন্য অফিসে যাওয়ার পর মূল দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি অনুমোদন করতে অপারগতা দেখায়। বিভিন্ন নিয়মের অজুহাত দেখায়। হবেনা বলে তালবাহানা দেখায় এবং নতুন করে আবেদন করার জন্য বলে। পরে অন্য লোকের মাধ্যমে ৬ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করে, তা ৫ হাজার টাকা দিয়ে অনুমোদন করা হয়।
সাউথ আফ্রিকা থেকে বেড়াতে বাংলাদেশ যাওয়ায় আসার সময় ভিসা আর প্লেনের টিকিট থাকার পরেও প্লেনে উঠতে দেননি প্লেন চলে গেছে ঘুশ দিয়ে পরবর্তী প্লেনে উঠতে হবে
আমার নাম —।আমি একটি ভাড়া বাসা নিয়ে থাকতাম রংপুরে সদর এ।সকালবেলা আমার কিছু বন্ধু আসে যারা ঢাকায় যাবে রংপুর থেকে তাদেরকে নাস্তাকড়ানোর জন্য বাসায় বের হয়েছিলাম।তারা রিক্সায় ছিল আমি আর আমার স্যার বাইকে ছিলাম।রংপুর তাজহাট থানা একটি গাড়ি হঠাৎ আমাদের সামনে এসে আমাদেরকে গাড়িতে জোরজবস্তি উঠিয়ে নেয়।এবং আমাদের হাত থেকে ফোনগুলো কেড়ে নেওয়া হয়। ২ ঘন্টা পর আমাদের হাতে ফোন দেয়া হয় এবং বাড়িতে কল দিয়ে ২০,০০০৳ নিয়ে আসতে বলে। আমার পরিচিত এক আংকেল পুলিশ আমি বাসায় কল না দিয়ে তাকে কল দেই তিনি যখন রংপুর তাজহাট থানা অসি মহোদয়ের সাথে কথা বলে তিনি দাবি করেন আমার তাদের গালিগালাজ করি।এবং পরবর্তীতে আমাদের বিশ হাজার টাকা দিয়ে থানা থেকে বের হতে হয়। Si — এই ব্যক্তি আমাদের কাছে অর্থ নেয়
মামলার হাজিরা দেওয়ার জন্য প্রতি তারিখে ১৫০০ টাকা করে নিয়েছে তার নাম চট্টগ্রাম দ্রুত বিচার ট্রাইবুনালের পেশকার —। মামলায় একদিন হাজিরা না দিলে ভয় লাগিয়ে টাকা দাবি করে এখনো
আমার সরকারি চাকুরির জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য সংশ্লিষ্ট থানা থেকে ফোন করে বিভিন্ন ভয়-ভীতি প্রদর্শন ও ভেরিফিকেশনে বাজে রিপোর্ট দেয়ার কথাসহ বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হয়। শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়েই আমাকে উক্ত টাকা পরিশোধ করতে হয়েছে। এমনকি এই অর্থ পরিশোধের পরেও ফোন করে আবার টাকা চাওয়া হয়।
দিনাজপুর জেলায় একজন বিখ্যাত সেক্রেটারি আছে যার প্রভাবে দিনাজপুরে এখন চলাই দেয় চাঁদাবাজি ঘুষ নেশা এমনকি টোকাই দিও সে বাণিজ্য করতেছে আমার বাবাকে জোর করে উঠিয়ে 30 লক্ষ টাকা চাঁদা নিয়েছে। সে একবার স্থগিত হয়েছিল কিন্তু পুনরায় সে পথ ফিরে পায়।
আমি গত জুলাই মাসে কেদারপুর গ্রামে একটি জমি ক্রয় করতে চাই। সাব রেজিস্ট্রার ও দলিল লেখক সকল কাগজপত্র যাচাই করে নতুন দলিল প্রস্তুত করেন কিন্তু সি এস খতিয়ান এ দাতার ফুফুর পিতার নাম ভুল থাকায় আবার নামের এভিডেভিড করতে বলেন আমরা সেটা ঠিক করে আনি এবং সাব রেজিস্ট্রার কে দেখাই সে সারাদিন বসিয়ে রেখে গত ২৩ আগস্ট বলেন এতকিছুর করার দরকার ছিল না অন্য রাস্তা খোলা আছে তখন আমরা বুঝতে পারি সে টাকা ছাড়া কাজ করবে না সে আরো ঘুরাতে থাকে এক পর্যায়ে তাকে ৭৫ হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে গতকাল ২৫ আগস্ট জমিটি রেজিষ্ট্রি করেছি। এই সাব রেজিস্ট্রার ২০২১ সালে ২ এপ্রিল কক্সবাজার এর চকরিয়ায় ঘুষের ৬ লাখ টাকা সহ দুদকের অভিযানে ধরা পড়ে এবং জেল খাটেন। আমার প্রশ্ন এই জানোয়ার আবার চাকরি ফিরে পেল কি করে। এর নাম —
কেরানিগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসে ঘুষ ছাড়া কেউই পাসপোট এপ্লিকেশন জমা করতে পরে না। কোন না কোন একটা ডকুমেন্টের বাহানায় ওরা প্রথমে এপ্লিকেশন জমা নেয় না। পরে পাসপোট অফিসের বাইরে ওদের মনোনিত কম্পিউটারের দোকানগুলো থেকে দালালদের মাধ্যমে একই ফরম পুনরায় ফিলাপ করে ৪০০০টাকার বিনিময়ে তারপর জমা করানো হয়েছে। সেই ক্ষেত্রে VIP সার্ভিস দিয়েছে। কোন লাইন নাই। কোন হয়রানি নাই। এই ৪০০০ টাকার মধ্যে পাসপোট অফিসের ভিতরের কর্মকর্তাদের ভাগও আছে।
তিতাস উপজেলা ভুমি ভুমি অফিসে প্রায় সব ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ঘুস লেনদেন চলে, কোনো কাজ ঘুস ছাড়া হবে না দিন এর পর দিন, টেবিলে পড়ে থাকবে কোনো প্রবাবশালী না হলে তাকে কাজ করাতে হলে অবশ্যই তাকে ৮-১০ হাজার টাকা, টাকা দিতে হয় কিছু দিন আগে ঘুস নেওয়ার দর কষা কষি ভিডিও ফেসবুকে বেপক পরিমাণে ভাইরাল হয়ে ছিলো কিন্তু তাকে বরক্ষাত না করে অন্য জায়গায় টানফার করে দিয়ে ছিলো
সোনালী ব্যাংকে এ চালান করতে গেলে কারেন্ট নাই জেনারেটরের সমস্যা এই বইলা টাকা দাবি করে টাকা দিলে সার্ভার ফিরে এসে নইলে বলে সার্ভার নাই পরে করেন ঘন্টা পর ঘন্টা অপেক্ষা করতে হয় আবার দাবি কি তোর ঘুষ প্রদান করলে সার্ভার ফিরে আসে কিন্তু দলিলে এই চালানোর টাকা উৎস কর জমা না দিলে দলিল কিভাবে করব নির্ধারিত সময় তো দ করতে পারতেছি না পদক্ষেপ নিন।
They asked bribe through dalal , not directly.
সিরাজগঞ্জ হাটি কুমড়োলে রোডের ইন্টার চেঞ্জের কাজের প্রয়োজনে জমি অধিগ্রহণ করে জমি অধিগ্রহণের টাকা উত্তোলন করতে গেলে এল আসিস ফাইল এর প্রতিটা ধাপে ধাপে কমিশন হিসেবে টাকা দাবি করে এবং যতদিন পর্যন্ত টাকা দেওয়া না হয় কোন ফাইল এক টেবিল থেকে আর একটা বেলে যায় না বাধ্য হয়ে আরেক নিয়ম এটা ভেবে আমরা টাকা পরিশোধ করি এবং আমাদের টাকা উঠিয়ে নি এখনো পর্যন্ত কয়েকটা ফাইল আছে যেগুলি টাকা না দেওয়ার কারণে পাস হচ্ছে না
Concern officer delayed to deliver the clearance without extra money. So bound to pay GHUSH😡
সিদ্ধিরগঞ্জ ডিপিডিসি nocs,।মিটার পরিবর্তনের আবেদন ২ মাস ঝুলিয়ে রেখেছে , ইঙ্গিতে বেশি টাকা দিকে তাড়াতাড়ি কাজ করবে,
জমি খারিজ করতে ১০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে সরকারি নির্ধারিত টাকার বাইরে । এমনকি জমির ১০ টাকা ট্যাক্স দেওয়ার জন্য ১০০ টাকা বাড়তি দিতে হয়েছে বিভাগ ময়মনসিংহ থানা ফুলপুর ভাইটকান্দি ইউনিয়ন ভূমি অফিস