সেবা
মোটরসাইকেলের ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে দিতে হবে ঘুষ
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৫৯ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
মোটরসাইকেলের ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে দিতে হবে ঘুষ
বাবা মারা যায় ২০২১ সালে, চাচা, ফুফু ও তাদের ছেলে মেয়ে নিয়ে আমাদের বাসা থেকে উচ্ছেদ করো নানা পরিকল্পনায় থানা কাছ থেকে সাহায্য নেয়ার সময় জিডির মধ্যেমে এক এক আয়ু আমাূের ও তাূের কাছ থেলে টাকা খেয়ে বেইমানি করে মিথ্যা মামলায় আমাূের ফাসিয়ে বাড়ি ধখল করে দেয় তাদের।
লোহাগাড়া ভূমি অফিসে একটা জায়গার নামজারী করতে গেছিলাম। আবেদন এর শুরু থেকেই টাকা চাওয়া শুরু।সরকারি নিয়ম মেনেই সব ডকুমেন্টস দিয়ে আবেদন করার পরও আবেদন নেয় না।পরে জানলাম সাথে ৫০০ না দিলে আবেদন নিবে না।নেওয়ার পর এই ফাইল এর কাজ শেষ হওয়া পর্যন্ত প্রতিটা রুমে টাকা নিছে।টাকা না দিলে ফাইলে সাইন দিচ্ছে না। নাহয় ঘন্টার পর ঘন্টা দাড় করিয়ে রেখে বলে এক সপ্তাহ পরে আসুন
ট্রেড লাইসেন্স করতে গিয়ে ছিলাম, সেখানে নাকি আবেদন করার জন্য টাকা প্রয়োজন এবং ব্যাংকে নাকি টাকা দিতে হয় সেই কথা বলে ১০০০ টাকা নিয়েছে, আমি সেখানে উপস্থিত থাকাকালীন আরও ব্যক্তিবর্গ এসেছেন যারা তাদের ভোটার আইডি কার্ড,বিধবা কার্ড, জন্ম নিবন্ধনের কার্ড তৈরি করতে চায় তাদের কাছ থেকেও ৫০০-১ হাজার করে নিয়েছে। টাকা মূলত সচিবের কর্মচারী মানে যে কম্পিউটারে আবেদন করে এবং যে ফাইল আদান প্রদান করে মানে দপ্তরি টাকা নিয়ে থাকে, আমি টাকা কম্পিউটারে আবেদন করা ব্যক্তির কাছে দিয়েছি, এবং দপ্তরিকেও লুকিয়ে নিতে সন্দেহ করছি।
শেরপুর পারিবারিক আদালতে বাচ্চার বক্রী টাকা জমা দিতে গেলে, ঘুষ ছাড়া টাকা জমা নেই না, কোর্টে যে কোনো কাজ করতে বা কোনো ফাইল দেখতে টাকা দেওয়া কাজ হয় না,ঘুষ ছাড়া কাজ হয় না।
গাইবান্ধা জেলার, নলডাংগা ডিগ্রি কলেজ ৩য় এবং ৪র্থ শ্রেণি নিয়োগ প্রসঙ্গে। আমি নলডাংগা ইউনিয়ন বাসিন্দা, নলডাংগা ডিগ্রি কলেজ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে একটি দৈনিক পত্রিকা নিয়োগ কমিটির একজন আমাকে ডেকে নিয়ে বলল কলেজে তো নিয়ত চলতেছে তুমিও এপ্লাই কর। আমি বললাম করবো, কিন্তু তার পর সে বললো একটি পোস্ট জন্য ১৫০০০০০ টাকা দিতে হবে, কলেজের প্রিন্সিপাল এবং ম্যানেজিং কমিটিকে, আসলে আমার টাকা দাওয়ার ক্ষমতা নাই তাই আমি সেটাকে প্রত্যাখ্যান করি, কিন্তু নিয়োগ বানিজ্য হচ্ছে সেটা অনেকেই বুঝতে পারতেছে, কেউ কিছু বলে না
আমি গত এপ্রিল মাসে আমার মায়ের দান সূত্রে পাওয়া জমির নামজারি করতে এই ৩০০০ টাকা দিতে বাধ্য হই।
আমি নতুন ভোটার হতে গেয়েছিলাম। আমার কাজ টা দ্রুত করার নাম করে ৫০০ টাকা নিয়েছে।আমি পাসপোর্ট করবো এর জন্য দিতে বাধো হয়েছি
জমি কবলা সম্পর্কে তথ্য নিতে গেছি । প্রথমে টাকা দাবি করছে । আমি হতভম্ব টাকা চাইতে কোন লজ্জা বোধ করলো না কর্মচারী। কর্মচারী ছিলেন বয়স্ক কিভাবে সামান্য কাগজ দেখার জন্য টাকা চাওয়া
আমার আপুর ট্রান্সফার হয়েছে বাট একটা কাগজের প্রয়োজন এর জন্য তারা বারবার হয়রানি করতো আজ না কাল পরশু আছে তারপর গোপন কক্ষে নিয়ে যেয়ে বলে টাকা লাগবে তাহলে তার কাজ তাড়াতাড়ি হবে টাকা দেওয়ার পর এক ঘন্টা পরে কাজ হয়ে যায়
Amader Basar Mother Meter Nosto 2 mash so electric bill dey laser a hishab koreh ami 1 month age gasilam meter change korar jonno application korci then application haraiya felsa then abar application korci then 1 din por meter dekhar jonno lok ashca then amk boleh building er paper tax aro onek paper lagbe and meter 3 tar poriborta 1 ta main meter lagabe age 3 ta meter chilo and 3 ta bill ashto akn naki 1 ta meter lagabe full build er jonno and bill oo 1 ta ashbe so ami bolci kno meter 3 ta ase 3 ta thakbe tkn amr kase bolsa shob hobe taholeh 18k lagbe
বিদ্যুৎ নেওয়ার জন্য আবেদন করেছিলাম, টাকা চেয়েছে, ২০০০০০ না হলে নাকি লাইন ওভারলোড দেখিয়ে আবেদন বাতিল করা হবে।। আমি এখনো টাকা দেই নাই। কি করবো ভাবছি।
নামজারি করার জন্য আমি অনলাইনে আবেদন করি।আমি প্রবাসী চলে যাব তাই ভূমি ইউনিয়ন অফিসে গিয়ে এসিল্যান্ড স্যারকে বলেছিলাম,”আমি পনেরো দিনের মধ্যে প্রবাসে চলে যাবো(বিমানের টিকিট দেখিয়ে)তাই আমার নামজারি কি ভাবে সহজে করা যাবে । তিনি বলেন,প্রবাসীদের জন্য সরকার সুযোগ দিচ্ছে কাজটা সহজ করার জন্য ও অফিসের — সাহেবের সাথে যোগাযোগ করতে এবং এসিল্যান্ড স্যারের কথা বলতে। সাথে এও বলে দিলেন কোন টাকা পয়সা না দেওয়ার জন্য।— সাহেব কে সব কিছু বলার পর তিনি একটু বিরক্ত বোধ করলেন ।এক ঘন্টা পর তিনি আমার কাছে ৪০০০ টাকা চাইলেন ।এর আগে আমার ফাইলটা খুঁজে বের করতে এক হাজার টাকা দিতে হয়েছে।সর্বশেষ অতিরিক্ত ২০০০ টাকা দিয়ে নামজারি করতে হলো। অফিসের লোক অসাধু ভাবে ৩০০০ নিয়েছে। তার পর আরো বারোশত টাকা অনলাইন পেমেন্ট করি
নাগরিকত্ব সনদ সংগ্রহ এর জন্য গেলে ঐ অফিসের (মগবাজার, ঢাকা) দায়িত্বপ্রাপ্ত লোক বলে যে সনদটি সাক্ষর এর জন্য মহাখালি পাঠানো লাগবে। এর জন্য যাতায়াত বাবদ ৩০০ -৪০০ টাকা দেয়া লাগবে। আমি বললাম শুধু আমারটা তো নিয়ে হবে না, সাথে অন্যদের টাও পাঠানো হবে তাহলে প্রত্যেক এর কাছ থেকে এভাবে আলাদা করে টাকা নেয়া হচ্ছে কেন ? পরে বলা হল সেবা নিতে হলে এটা দিতেই হবে। পরে ২০০ টাকা দিয়ে ম্যানেজ করেছি
জাতীয় সঞ্চয়পত্র অধিদপ্তর, ভোলা অফিসে, যা নতুন বাজারে সমবায় মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত। আমার নিকট ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং পাশের রুমে যে সহকারি কর্মকর্তা আছে উনি কাজটি করার জন্য ২ লক্ষ টাকা দাবি করে।
দলিল সমস্যা থাকার কারণে নতুন ভাবে রেজিস্ট্রি করার সময় বিভিন্ন সমস্যা দেখে আমার কাছ থেকে ৪০০০০ হাজার টাকা নিয়েছে। যা সাব রেজিস্টার নিজেই সংগ্রহ করে রেজিস্টার সমিতি ও এদের সাথে সম্পর্কিত আছে টাকা না দিলে আবেদন না মঞ্জুর করে । সাব রেজিস্টার মডেল সম্পত্তি বিদ্যমান
আমার বাবা একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। তাঁর মৃত্যু সনদ নিতে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের ফার্মগেট অফিসে গেলে সচিব আমাকে ডিসি অফিস থেকে সই করিয়ে আনতে বলেন। এটি তাঁদের দায়িত্ব উল্লেখ করায় তিনি সনদ প্রদানের বিনিময়ে ৫,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করেন। এতে অসম্মতি জানালে তিনি নিজেই ডিসি অফিসে গিয়ে সই নেওয়ার কথা বলে আমাকে হয়রানির হুমকি দেন। কোনো উপায় না পেয়ে বাধ্য হয়ে ৫,০০০ টাকা ঘুষ দিয়েই বাবার মৃত্যু সনদ সংগ্রহ করতে হয়।
সরকারি চাকরিজীবীদের ৩ বৎসর পরপর শ্রান্তিবিনোদনভাতা অর্থ পাস করার জন্য ৫০০টাকা তাদেরকে ভাতা দিতে হবে,অন্যথায় এপ্রুভ করে না।
J Doctor test korbe se nijeo phone e bolesilo eta lagbe. pore lobbing kore onno doctor diye test koriyechilam.
আমাকে বলা হলো যেকোনো কর কর্মকর্তা কাছ থেকে নতুন ট্রেড লাইসেন্স করার জন্য অতিরিক্ত ৩০০০ টাকা প্রদান করতে হবে। এটা উনাদের অফিস খরচ। মেয়রথেকে শুরু করে সবাই এই টাকার ভাগ পায়।