নামজারি
আমি নামজারির জন্য আবেদন করেছিলাম সঠিক নিয়মে, কিন্তু নামঞ্জুর হয়। পরে ৭০০০ টাকা দেওয়ার পর আবার আবেদন করলে মুঞ্জুর হয়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১৮ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি নামজারির জন্য আবেদন করেছিলাম সঠিক নিয়মে, কিন্তু নামঞ্জুর হয়। পরে ৭০০০ টাকা দেওয়ার পর আবার আবেদন করলে মুঞ্জুর হয়।
প্রতিবেদন রিপোর্ট ডিসি অফিস পাঠানোর জন্য ঘুষ কানুনগো তা অফিসসহকারী
প্রতিবেদন রিপোর্ট ডিসি অফিস পাঠানোর জন্য ঘুষ চাই কানুনগো এবং তার অফিস সহকারী
প্রতিটি কেস এর জন্য ১৫০০ টাকা সবকিছু ঠিক থাকলে। ২৫০০ টাকা সব কিছু ঠিক থেকে যখন ওয়ারেশ কায়েম দিয়ে করলে। এটি ওখানকার রুটিন কাজ করতে হলে দিতে হবে না হলে কাজ পড়ে থাকবে৷ কিছুদিন পর ফাইল খুজে পাবেন না।
চট্টগ্রাম পাশলাইশ অফিস Passport কিভাবে কর্মকর্তরা কিভাবে সাধারণত জনগন হয়রানি করে একজন মানুষ ডকুমেন্ট যখন সব ঠিক থাকে তখন তারা ভিন্ন অযুহাতে মাধ্যমে তাদেরকে আবার ফেরত পাটিয়ে দে এরকম তারা ১০০ এর মধ্যে ৫৮ জনে ফাইল ইচ্ছা কৃত ভাবে ফেরত পাটায় আর বাকি গুলো নে কারণ তাদের ও বুজাতে হয় তারা লিগ্যাল ভাবে কাজ করছে, যাতে তাদের ব্যব সা টা চলতে পারে এখন আসি যারা ফেরত যায় তারা কি করে যারা ফেরত যায় তাদের মধ্যে যারা চালাক আছে তারা আবার লাইনে দাঁড়িয়ে ফাইল জমা দেওয়া চেষ্টা করে আর যারা এ সব বুজে না তাদের৷ বাধ্য হয়ে দালাল ধরতে হয় দালাল রা কিভাবে ফাইল তাদের জমা দে দালালদের আগে থেকে একটা মার্কা দিয়ে থাকে সেখানে পার্সপোর্ট কর্মকতরা। যা সাধারণ ফাইলে থাকা লাষ্ট পেজে তারা৷ কর্ম কর্তারা দেওয়া সেই ইম
আমি একজন পুলিশ সদস্য, কখনো অন্যায় ভাবে একটি টাকাও নেই নি। পরিবার বাচ্চা সবমিলিয়ে কষ্টে দিন কাটছে, পরিবারের সদস্যরা বেশি । কিন্তু আমি কোনো এক থানায় কর্মরত আছি, ইদানীং আমাকে চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে, যাতে করে আমি বদলি আবেদন করি, কারণ আমি ঘুষ খাইনা, তারা আমার সাথে কমপ্পেটবল হয় না। অতপর আমি একই শহরে অন্য শাখায় বদলির আবেদনপত্র জমা দিই, উপর থেকে জানানো হল মোটা অংকের টাকা ছাড়া কাজ হবে না!! এমতাবস্থায় কি করি!! চাকরি করা অনেক কঠিন হয়ে গেছে, এদিকে পরিবার আমার দিকে তাকিয়ে আছে! ঘুষ দিয়ে বদলি হবার পরে আমি কি সৎ থাকতে পারবো?
Farants name ar age thiek korte Dhaka education abroad ar ak officer 2500 taka gush dabi kore
১০০০০ টাকা চেয়েছিলো।। পরে ৫০০০ দিয়েছি।। টাকা নিয়ে।। কোনো কাজও করেনি
Although he was the top candidate, the VC and his syndicate requested a payment of $15,000 to issue the appointment letter in 2023. The payment has not been made, and the appointment has yet to be received. The position remains unfilled to this day! His associate, Mr. S, has brought in numerous relatives for recruitment. There is no one to challenge this situation. Seleucus!!
একটি নামজারি করার জন্য ৩৭০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে, আমি একজন ব্যাংকার হওয়ায় ঝামেলা এড়িয়ে ৩৭০০০ দিয়ে নামজরি সম্পন্ন করেছি।
আমি অন্য জেলার লোক টাঙ্গাইল থেকে পাসপোর্ট করতে যেয়ে ২০০০ টাকা অতিরিক্ত দিয়েও পাসপোর্ট করতে পারিনি।
আমি মোটরসাইকেল Drive করি ১৫ বছর। তাই ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গিয়েছিলাম বান্দরবান BRTAতে কোন দালাল ছাড়া অনলাইনে Apply করে। পর্যাপ্ত পড়ালেখা করেই পরীক্ষা অংশগ্রহণ করার পর যেহেতু আমার পরীক্ষা দিয়েছি তাই ভালোভাবে উত্তর দিতে পেরেছিলাম। আমার পাশে অনেককে দেখেছই ভাল করে লিখতেই জানেনা,তারা কোন মতে নাম আর রোল নাম্বার লিখে খাতা জমা দিয়ে দিয়েছে। আমি ওদের জিজ্ঞেস করেছিলাম এভাবে তো পরীক্ষায় পাশ হওয়া যাবে না। ওরা নাকি দালালের মাধ্যমে আসছে পরীক্ষার অংশগ্রহণ করে নাম আর রোল নাম্বার দিলেই বাকিটা দালালেরা দেখবে।পরীক্ষা শেষে তার বাস্তব প্রমাণ দেখলাম সবাইকে ডেকে ডেকে মার্ক দেয়া খাতা দিয়েছে, আমাকে মার্ক তো দূরের কথা খাতাটাও দেয়নি।একজনের কাছে জিজ্ঞেস করে উত্তর পেলাম কারো মাধ্যমে না আসলে রেজাল্টও দেওয়া হয়না।
আমি বদলি জনিত কারণে আমার শেষ বেতনের প্রত্যয়ন পত্র নিতে গিয়েছিলাম, ওরা বলে ২৫০০ টাকা দিলে ২,দিনের মধ্যে দিয়ে দেবে, অন্যথায় ওদের হাতে অনেক কাজ আছে, সিরিয়াল অনুযায়ী দেবে,কিন্তু আমি দেখলাম ওরা ফ্রী আছে।
আমার বাবা আমাকে ১ শতকের কম জায়গা হেবা দলিল করে আমাকে দিতে চেয়েছিলো ২০২১ সালে ডিসেম্বরে তখন দলিল লেখক সহ সাব রেজিস্ট্রি অফিসের দুই জন সরাসরি বলল ৪৩০০০ টাকা লাগবে। আমি বললাম কেনো? বলল এটাই রেট, আমি বললাম সঠিক রেট তো মাত্র ২/৩ হাজার টাকার মতো এত চাচ্ছেন কেনো? ওরা বলল রেজিস্ট্রার সাহেবের নির্দেশ মৌজা অনুযায়ী দরদাম হয় ঐটার মূল্যে টাকা দিতে হবে। আমি অস্বীকৃতি জানাই ওরা বলে কেউ ই ৪৩০০০ এর নিচে করবে না। পরে আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের ছোটো ভাইয়ের পরিচিত দলিল লেখকদের সাধারণ সম্পাদক উনি বলল তুমি আমাদের ছোটো ভাই ১৫০০০ দেও করে দেই। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দেন দরবার করে হয়রানি হয়ে করলাম ১৫০০০ দিয়েই।
আমি MRI করতে গিয়েছিলাম গত ২৪/০৮/২৬। প্রথমে বলে MRI মেশিন নষ্ট। পরে আমি বহিঃবিভাগ থেকে টিকিট নিলাম ডাক্তার দেখালাম। ডাক্তার সাহেব MRI করতে বলে। এবার পেরেশানি সৃষ্টি হ য়। MRI করাতে গেলে বলে আগে ভর্তি হতে হবে এবং আবার ডাক্তার দেখাতে হবে। তাছাড়া MRI করানো যাবে না। এর মধ্যে দালাল চক্র হাজির এখানে হবে না। আপনাকে আমরা প্রাইভেট থেকে ৬০০০/= টাকার বিনিময়ে করে দিতে পারবো।
Staff of the Cantonment A/C Land and Tahsildar refused to mutate our name instead of my Fathers name. Whenever we paid TK. 1,50,000/- then they agreed to mutate our name and finally record our name in the volume and we get mutation porcha.
শরিয়তপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট শিক্ষক অজিত বাসার ট্রেনিং সেন্টার থেকে কমিশন নিয়ে ছাত্র ছাত্রী দের ট্রেনিং সেন্টার এ ট্রেনিং করতে বাধ্য করে যেখানে ছাত্র ছাত্রী ফ্রিতে ট্রেনিং করতে পারে ইন্ড্রিষ্টিতে অনেক অস্বচ্ছল পরিবার আছে যারা টাকা দেওয়ার সমার্থ নেই
বিষয়: নামজারির ক্ষেত্রে সরকারি নির্ধারিত ফির অতিরিক্ত অর্থ দাবির অভিযোগ। ঠিকানা: গ্রাম—টেংগুরিয়া, পোস্ট—সিংপুর বাজার–২৩৬০, থানা—নিকলী, উপজেলা—নিকলী, জেলা—কিশোরগঞ্জ। সিংপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে একটি নামজারি করতে আমার কাছ থেকে ৮,০০০ টাকা দাবি করা হয়েছে, অথচ সরকারি নির্ধারিত ফি মাত্র ১,১৭০ টাকা। আমি নিজেই এ ঘটনার ভুক্তভোগী। সরকারি ফির চেয়ে অতিরিক্ত ৬,৮৩০ টাকা কেন দাবি করা হচ্ছে, তার কোনো বৈধ ব্যাখ্যা আমাকে দেওয়া হয়নি। এভাবে সাধারণ সেবাগ্রহীতাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ দাবি করা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। অতএব, বিষয়টি জরুরি ভিত্তিতে তদন্ত করে অতিরিক্ত অর্থ দাবি বন্ধ এবং অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।
ভূমি অফিস, খালিয়া। রাজৈর থানার অন্তর্গত, মাদারীপুর জেলাধীন। এখানে নামজারির জন্য অত্যাবশ্যকীয় একটা ধাপ পেরোতে হয়। দিনের পর দিন আবেদন পেন্ডিং থাকে। ঘুষ ছাড়া তহশিলদার কথাও বলে না। তহশিলদার নিজে কম্পিউটার জানে না। বাইরের লোক বসিয়ে কাজ করায় এবং ঘুষ আদায় করে। সেবাপ্রার্থীদের একরকম জিম্মি করে বা অনৈতিক সুবিধা দিতে তারা এ ঘুষের রমরমা বাণিজ্য খুলে বসেছে। নামজারির জন্য এখানে কোন টাকাই লাগার কথা না। তবে আমার কাছ থেকে ১০০০০ টাকা আদায় করা হয়েছে কোন ধরনের রশিদ ছাড়াই।
আমার কাজিন ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি আছে ১০ দিন যাবৎ।আমাকে একটা MRI টেস্ট করতে দিয়েছে ডাক্তার। আমি রেড়িওলোজি ডিপার্টমেন্টে যোগাযোগ করি। ব্যাংকে টাকা জমা দিতে গেলে ওরা বলল একটা রুমে গিয়ে সিরিয়াল নিয়ে আসতে হবে।তারপর ১০৯ নাম্বার রুমে যায় আর্জেন্টিনার জার্সি পরা এক লোক আমাকে ৪ দিন পরে সিরিয়াল দেয়। তারপর আমি রোগীর অবস্থা বর্ননা করি, তখন সে বলল ডেট আগায়া নিয়ে আসা যাবে যদি কিছু নাস্তা পানির ব্যবস্থা করি। আমি নিরুপায় ছিলাম রোগীর অবস্থাও ভালো না বাধ্য হয়ে ৩০০ টাকা দিয়ে ডেট দুইদিন আগায়া নিয়ে আসি।