নাম জারি
আমার জায়গা নামজারি করতে গেলে প্রথমে ৩০ হাজার টাকা দাবি করে পরে আত্মীয়ের মাধ্যমে এটা ৬৫০০ টাকায় করিয়ে আনি আমার কাজটা ৫/৬ দিনের মধ্যে হয়ে যায়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১০ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার জায়গা নামজারি করতে গেলে প্রথমে ৩০ হাজার টাকা দাবি করে পরে আত্মীয়ের মাধ্যমে এটা ৬৫০০ টাকায় করিয়ে আনি আমার কাজটা ৫/৬ দিনের মধ্যে হয়ে যায়।
নবায়ন করতে গেলে অফিস খরচ চাই।
বলেছিলাম, সিলেট সেনানিবাস— মুরাদপুর বাজারস্থ— (বাইপাস) শাহপরান রাহ. ব্রীজ এর টোলপ্লাজার কথা। এখানে ওপেনে চাঁদা নেয়া হচ্ছে। নামেমাত্র রয়েছে টোলপ্লাজা। কিন্তু কোনো টাকা আমার দেশ পায় না। সব টাকা চলে যায় ম্যানুয়ালি। তথা অবৈধ স্টাইলে রিসিট/রসিদ ছাড়া। আপনি যাস্ট ৫ মিনিট দাঁড়িয়ে খেয়াল করলে দেখতে পাবেন, সিএনজি গাড়ির প্রায় ১০০% এর মধ্যে ১০০% ই সাইড রাস্তা দিয়ে চলে যেতে দেয়। এবং দু পাশে দুজন দালাল এন্ড গার্ড রাখছে। এদের মাধ্যমে ম্যানুয়ালি টাকা তোলা হয়, নাই কোনো ডকুমেন্টস, নাই কোনো রিসিট। অথচ এসব নিয়ে কেউ কথা বলে না। প্রশ্ন হচ্ছে, রাস্ট্রের টাকাগুলো এভাবে চোখের সামনে ডাকাত দল ভোগ করা দেখে রীতিমতো খারাপই লাগে, এজ এ দেশের নাগরিক হিসেবে। এসবের তদন্ত করা খুব জরুরি। এই টাকা যায় কই? —।
পাসপোর্ট করার সময় আমাকে ৩,২০০ টাকা অতিরিক্ত দিতে হয়েছে। কারণ, ওই টাকা না দিলে আমার কাগজপত্রে বিভিন্ন ধরনের ভুল-ত্রুটি বের করে আমাকে বারবার অফিসে ঘোরানো হতো এবং প্রক্রিয়াটি অযথা দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা ছিল। তাই সময় ও ঝামেলা এড়ানোর জন্য বাধ্য হয়ে ওই টাকা দিতে হয়েছে।
আমার স্বামীর মৃত্যুর পর তাঁর প্রাপ্য সরকারি পেনশন পাওয়ার ক্ষেত্রে আমি জটিলতার সম্মুখীন হই। এর মূল কারণ ছিল আমার জাতীয় পরিচয়পত্রের (NID) তথ্যের সঙ্গে আমার স্বামীর বেতন বইয়ে উল্লেখিত তথ্যের অমিল। উল্লেখ্য, আমার জাতীয় পরিচয়পত্রটি আমার শিক্ষাগত সনদপত্রে থাকা তথ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তৈরি করা হয়েছে। অন্যদিকে, আমার স্বামীর বেতন বইয়ে আমার নাম ও অন্যান্য তথ্য মৌখিকভাবে প্রদান করা তথ্যের ভিত্তিতে লিপিবদ্ধ করা হয়েছিল। ফলে পরবর্তীতে পেনশন সংক্রান্ত কার্যক্রমে তথ্যের অমিল দেখা দেয়। এ অবস্থায় আমি বেতন বইয়ে উল্লেখিত তথ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আমার জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য সংশোধন করতে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাচন অফিসে যোগাযোগ করি। সেখানে আমাকে জানানো হয় যে, এভাবে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য সংশোধন করা সম্ভব
মিরপুর বা উত্তরা বি আর টি এ তে গাড়ির ফিটনেস করাতে গেলে প্রাইভেট কার ১০০০ টাকা আর ট্রাক ৩০০০ টাকা পর্যন্ত ঘূষ নেয়।
আপনি যদি ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হসপিটালে ওয়ার্ডবয় এর মাধ্যমে কোন সেবা দিতে চান তাহলে আপনাকে সর্বনিম্ন ১০০ টাকা ঘুষ প্রদান করতে হবে। যেমন আপনি একটা জরুরী রোগীকে নিচতলা থেকে তিন তলা আবার চার তলাতে নিবেন স্ট্রেচার করে তাহলে আপনাকে তাকে ঘুষ দিতে হবে অন্যথায় সে আপনাকে সেবা দিবে না।
রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী উপজেলা প্রচুর ঘুসি লেনদেনের মাধ্যমে সরকারি বিভিন্ন দপ্তর ও ডিফেন্সের চাকুরী নিচ্ছে।। টাকার পরিমান ১৫-২৫ লক্ষ্য পর্যন্ত লেনদেন করেছে। বিশেষ করে মাঠ অঞ্চলের দিকে এটি বেশি হয়ে থাকে । উল্লেখযোগ্য যে মাছমারা গ্রামের অধিকাংশ ছেলে এর সাথে জড়িত ।।
ঢাকার সব বিআরটিএ এর চিত্রই এরকম! আপনি দালাল ধরে কাজ না করালে আপনাকে পাশই করাবেনা!আমি সব ঠিকভাবে দিয়েছি, যেহেতু আমি গ্রাজুয়েট তাই পরীক্ষায়ও বেগ পেতে হয়নাই।যার অক্ষরজ্ঞান আছে সে এই পরীক্ষায় পাশ করতে পারবেই। সবশেষে বলে যে আপনি পাশ করেননি!এরপর দালাল ধরে গিয়েছি,কাজ হয়ে গেছে। পরীক্ষাও দিতে হয়নি!
বাড়ির হোল্ডিং ট্যাক্স ক্যালকুলেশন করার জন্য উত্তরা সিটি করপোরেশনের অফিসে 2024 সালে 20000 টাকা ঘুষ দিয়েছিলাম। এগুলি ওখানকার স্বাভাবিক ঘটনা।
সচিবালয়ে পাশ ছাড়া প্রবেশ করে তদবীরবাজ কিংবা দালালরা পুলিশ সদস্যদের ১০০০/- হারে ঘুষ দিয়ে প্রবেশ করে।। ইচ্ছে করলে যে কেউ যাচাই করে দেখাতে পারে।।
সঠিক ঠিকানায় ভেরিফিকেশন না করে, সেবা গ্রীতাকে ডেকে নিয়ে কৌশলে বিভিন্ন অযুহাতে জটিলতা তৈরি করে, যেহেতু ভেরিফিকেশন ব্যাকেন্ড থাকলে জানামতে পাসপোর্ট পাওয়ার আর কোন উপায় থাকে না এজন্য টাকা দিতে বাধ্য হয়।
I have been living in Canada. I needed to give power of attorney to my brother. There were different layer of approval at different government office. At land office at Khilkhet in the month of Ramadan, they asked bribery to complete the task although there was no fault on my file. My elder brother went to office 2-3 times. Magistrate were there and we raised complain but there was no remedy.
টাকা ছাড়া লাইসেন্স পাস দে য় না। টাকা দিলেই কিছু না করলেও পাস।
২০১২ সালে মাদ্রাসা বোর্ড থেকে সব নিয়ম নীতি মেনে আমার এসএসসি সার্টিফিকেট তুলতে গিয়েছিলাম। আমার কাছে চা খাওয়ার টাকা চেয়েছিলো। তখন স্টুডেন্ট ছিলাম হাতে টাকা ছিলো না তাই অপারগতা প্রকাশ করি। তবুও তারা সার্টিফিকেট দিয়ে দিয়েছিলো। কোন ধরনের হয়রানির শিকার হইনি।
এক বিঘা নামজারী করতে ৫০ হাজার টাকা অতিরিক্ত চেয়েছে এবং মিসকেস এর তদন্ত রিপোর্ট করতে ৫০ হাজার চেয়েছে। দুইটা মিলে ৫০ হাজার টাকা দিয়েছি কিন্তু কাজ করে দেয় নি । এক লাখ টাকা পরিশোধ করার পর কাজ করেছে । এবং একটা নামজারী কাজের জন্য ৪০ হাজার টাকা চেয়েছে ২০ হাজার পরিশোধ করেছি কিন্তু ঐ কাজ আর করে দেয় নি।
বিএস খতিয়ান প্রিন্ট হয়ে এসেছিল, সেখানে নামের ভুল ছিল, এটা সংশোধন করতে সত্তর হাজার টাকা চেয়েছিল, পরে একজন দালালের মাধ্যমে অনেক দর কষাকষির পরে ত্রিশ হাজার টাকায় রাজি হয়। এই অফিসে ঘুষ ছাড়া কোন কাজ প্রায় হয় না, আমি তিনটা নামজারি করিয়েছি ৩ টাতেই কমবেশি ঘুষ দেওয়া লেগেছে।
দুইটা মেয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে চলো যাই তারপর থানা অভিযোগ করা পর তাদের মোবাইল নাম্নার দিয়া বের করে পুলিশ ওই জায়গা পুলিশ যেতে টাকা চায় ৩০ হাজার আবার সাথে হাইস গাড়ি নিতে বলে বাধ্য হয়ে টাকা সহ গাড়ি নিয়ে তাদের নিয়ে যায় এটা হল আমাদের দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার অবস্থা মোটামুটি ওসি থেকে শুরু করে সকলেই ঘুষ খায়
কারেনট মিটার লাগানোর জন্য ২৪০০ টাকা দাবি করেছেন না হলে লাগিয়ে দিবেন না বলে জানিয়েছেন।
আমি ভোলা সদরে থাকি, বরিশালের একটি শোরুম থেকে মোটরসাইকেলটি ক্রয় করি, পরে শোরুমের কাগজ নিয়ে ভোলা বিআরটিএ অফিসে গিয়েছিলাম রেজিস্ট্রেশন করার জন্য, সেখান থেকে বলা হলো শো রুমের মাধ্যমে করার জন্য, তা না হলে খরচপাতি দেওয়া লাগবে, পরে বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত তিন হাজার টাকা দিতে হয়েছে।