চাঁদা এবং ঘুষমুক্ত সিলেট চাই ঘুষ দাবি করা হয়েছে

বলেছিলাম, সিলেট সেনানিবাস— মুরাদপুর বাজারস্থ— (বাইপাস) শাহপরান রাহ. ব্রীজ এর টোলপ্লাজার কথা। এখানে ওপেনে চাঁদা নেয়া হচ্ছে। নামেমাত্র রয়েছে টোলপ্লাজা। কিন্তু কোনো টাকা আমার দেশ পায় না। সব টাকা চলে যায় ম্যানুয়ালি। তথা অবৈধ স্টাইলে রিসিট/রসিদ ছাড়া। আপনি যাস্ট ৫ মিনিট দাঁড়িয়ে খেয়াল করলে দেখতে পাবেন, সিএনজি গাড়ির প্রায় ১০০% এর মধ্যে ১০০% ই সাইড রাস্তা দিয়ে চলে যেতে দেয়। এবং দু পাশে দুজন দালাল এন্ড গার্ড রাখছে। এদের মাধ্যমে ম্যানুয়ালি টাকা তোলা হয়, নাই কোনো ডকুমেন্টস, নাই কোনো রিসিট। অথচ এসব নিয়ে কেউ কথা বলে না। প্রশ্ন হচ্ছে, রাস্ট্রের টাকাগুলো এভাবে চোখের সামনে ডাকাত দল ভোগ করা দেখে রীতিমতো খারাপই লাগে, এজ এ দেশের নাগরিক হিসেবে। এসবের তদন্ত করা খুব জরুরি। এই টাকা যায় কই? —।

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳১৫
যে কাজের জন্য চাঁদা এবং ঘুষমুক্ত সিলেট চাই
দপ্তর বিআরটিএ
বিভাগ সিলেট
থানা / উপজেলা সিলেট সেনানিবাস— মুরাদপুর বাজারস্থ— (বাইপাস) শাহপরান রাহ. ব্
রিপোর্টের তারিখ ২৫ আগস্ট ২০২৬
কতজন দেখেছেন ১ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

বিআরটিএ

নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়া

নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার জন্য টাকা দাবি করেছে। নতুবা লাইসেন্স তারা করতে দিচ্ছে না। অন্যদিকে, আমার পিতার লাইসেন্স করার জন্য আবেদন করেন। নির্দিষ্ট তারিখে সেখানে গেলে সফল দক্ষতা যাচাইয়ের পর যখন ফিঙ্গার প্রিন্ট দেওয়ার সময় হয়, তারা টাকা দাবি করে। কিন্তু টাকা দেন নি। ফিঙ্গারপ্রিন্ট ঠিকই নিয়েছিল। পরেরদিন লেখা আসে পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছে। হতে পারে, টাকা না দেওয়ায় তারা ফেইল করে দিয়েছে।

ঘুষ দিইনি
গাজীপুর ৳১৩.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
বিআরটিএ

Car ownership change

বিআরটিএর যেখানে মালিকানা বদলি হয় সেখানে একজন সে তার এক দালাল এর মাধ্যমে ৩ হাজার টাকা নিয়েছিল মালিকানা বদলি বাবদ। রুম নাম্বার ৩১৫। এবং যে ইন্সপেক্টর আছে গাড়ির ইনস্পেকশন করে সেও ১০০০ টাকা নিয়েছিল।

ঘুষ দিয়েছি
Dhaka ৳৩.০ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য