ফেরি ভাড়া, লাইনচার্জ
ফেরি ভাড়া, লাইনচার্জ বলে ১৩০০ টাকার ভাড়া ১৮৫০ টাকা নিয়েছে শুধু শুধু
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ফেরি ভাড়া, লাইনচার্জ বলে ১৩০০ টাকার ভাড়া ১৮৫০ টাকা নিয়েছে শুধু শুধু
নতুন কোন ভোটার হতে গেলে। ইউনিয়ন থেকে ভোটার সনদ নিতে হয়। যেই সনদে বিশেষ কিছু লেখা থাকে না। জন্ম নিবন্ধন দেখে ব্যক্তির নাম পিতার নাম মাতার নাম গ্রাম গ্রামের নাম জেলা থানা এগুলোই লিখে দেয়। মূলত নতুন একজন ভোটার হতে গেলে যে যে বিশেষ প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট লাগে সেগুলো ইউনিয়ন পর্যায়ে থেকে কোন কিছুই উল্লেখ করে না এই সামান্য একটি কাগজ দিয়ে প্রত্যেক জনের কাছে থেকে ২৩০০ টাকা আদায় করা হয়। আমার যুক্তিতে এটা অহেতুক। এখানে বিশেষ উল্লেখ থাকবে। যে ব্যক্তি নতুন ভোটার হবে। ভোটার সনেতে উল্লেখ থাকতে হবে। রক্তের গ্রুপ, হোল্ডিং নাম্বার ভোটার এরিয়া, ভোট কেন্দ্র, ব্যক্তির আঠারো বছর হয়েছে কিনা এটা উল্লেখ থাকা জরুরি। এরকম বিশেষ কিছু উল্লেখ না করেই শুধু নাম ঠিকানা দিয়েই ভোটার সনদ দেয়। এটাকে আমি প্রত্যাখ্যান
আমার বাবার মৃত্যুতে আমার মায়ের নামে পেনশন আদেশ সৈয়দপুর পুলিশ সুপার এর কার্যালয় থেকে এনে যারা অফিসের জমা দিলে তখন তারা নিতে চায় না। বলে এভাবে আমরা নেই না । তখন অল্প কিছু টাকা দিলে জমা নেয়। কিন্তু এক মাসের মধ্যেও কোন কাজ করে না কারণ আরও টাকা দাবি করে ৭০০০ টাকা দাবি করলে ৪০০০ টাকা আমরা দেই, শেষে আরো দুই হাজার টাকা দাবি করে কিন্তু দুই হাজার টাকা না দিয়ে ১০০০ টাকা দেই সেজন্য পেনশনের বইটা আটকে রাখছে এখন পর্যন্ত পেনশনের বইটা দেয় নাই একাউন্টে টাকা ঢুকে তাই বেতন তুলতে পারি।
দাবি করা হয়েছিল যে টাকা দেন টাকার সংখ্যা ছিল ২৫০০ টাকা দিলে বিচার হবে তাছাড়া বিচার হবে না
প্রথম পাসপোর্ট করানোর সময় পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য বাসার কাছে এসে ফোন দেওয়া হয় আমাকে। সব কাগজ ঠিকমতো দেখানোর পর, আমার বাবার চেয়েও বেশি বয়সী সেই ব্যক্তি আমাকে বলে, "বাবা, নাস্তাপাতির খরচটা..."। আগে থেকে এই নাস্তার ব্যাপারটা জানার কারণে ৫০০ টাকা দিয়ে দেই তাকে। আমার গ্রামের বাড়িতে আর একজন গিয়ে আমার চাচার সাথে কথা বলে, কিন্তু আমার চাচা "নাস্তাপাতি" এর ব্যাপারে না জানার কারণে কোনো টাকা পয়সা দেন নাই তাকে। এর কারণে পুলিশ ভেরিফিকেশনে আমার পাসপোর্ট ১-২ মাসের মত আটকিয়ে ছিল, এরপর আমার চাচাকে তার অফিসে গিয়ে "নাস্তাপাতি" খরচ বাবদ আরও ৫০০ টাকা দেওয়ার পর আমার পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশন পার হয়।
আমি টাকা দেয়নি বলে গত তিন মাসে আমার কাজ হয়নি। আমি কয়েকবার নিয়ম অনুযায়ী টাকা খরচ করে নামজারি আবেদন করেছি।ঘুষ দেয়নি বলে কাজ হচ্ছে না। তবে যেই মহিলা কর্মকর্তা ঘুষ বাণিজ্য করতেন, সেই মহিলা কর্মকর্তা এখান থেকে বদলি হয়ে গেছে কিছুদিন আগে। তাই আবার চেষ্টা করবো।কাজ না হলে আমার কি করার থাকবে বুঝতে পারছি না।তবে এখনো যারা এই অফিসে চাকরি করে প্রায় কর্মচারীরা ঘুষের সাথে জড়িত।আমার কাছে ৭০০০টাকা চেয়ে ৫০০০ পর্যন্ত কমিয়ে ছিলো। আমার কাগজপত্র সব ঠিক আছে, আমি কয়েক জায়গায় গিয়ে নিশ্চিত হয়েছি। আমি টাকা দিয়ে কাজ করাইনি।
সার ডিলার থেকে সার ক্রয় করলে অতিরিক্ত প্রতি বস্তা ৫০০ টাকা দিলে সার বিক্রি করেন,, সরকারি দামে সার চায়লে বলে সার নেই, যা আছে সাব ডিলারের কাছে বিক্রি করা
একজন শিক্ষক ২০০৪ সালে মাধ্যমিক পর্যায়ে নিয়োগ হয় কিন্তু স্কুলে মাধ্যমিক অনুমোদন ছিলো না ২০২৩ সালে অনুমোন পায় এমন শিক্ষকও এমপিও পায় কিভাবে,শোনা যায় ঐ শিক্ষকের মোট ১৫ লক্ষটাকা লাগছে,কয়েকবার ফাইল এই কারণে রিজেক্টও হয়েছিলো,আবার অন্য একজন শিক্ষক জাল সনদ দিয়েও এমপিও হয়,কিভাবে হয় বুঝে আসে না
বিদ্যুতের বিদ্যুতের ফলে স্পার্ক হচ্ছিল বিদ্যুৎ হেল্পলানে কল দেওয়ার পরে হাতিয়া বিদ্যুৎ অফিসে ওদের লাইন মেনে বলল আপনারা কয়ট মিটার আমরা বললাম পাঁচজন বলে যে ৮০০ টাকা দিতে হবে তাহলে ঠিক করে দিবা
জমির দাগ নাম্বার ভলিউমে চেক করতে গিয়েছি, প্রতিটি দাগ দেখার জন্য ২০০ টাকা করে দেয়া লাগছে।
চট্টগ্রামে(বিশেষ করে রাউজানে) শিক্ষকদের নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র -ছাত্রী ও প্রাইভেট পড়ানো বন্ধ করা হোক।প্রাইভেট ও কোচিং ব্যবসায়ীদের চক্রান্তের শিকার হয় সৎ ও নীতিবান শিক্ষকরা।সাথে সাথে প্রতিষ্ঠানের ভাউচারের মাধ্যমে চুরি বন্ধ করা হোক।শিক্ষা ও শিক্ষার পরিবেশ বাঁচাও।প্রতিষ্ঠানের আয়-ব্যয় জরিপ করে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হোক।শিক্ষকরা প্রাইভেটের ছাত্র ছাত্রীদের বেশি নম্বর দেয়।
আমার দলীয় নাম সংশোধনের জন্য ৫০০০ টাকা নিয়েছে এবং ম্যাজিস্ট্রেট যেখানে ছিল সই করে ম্যাজিস্ট্রেটের পার্সোনাল অ্যাসিস্ট্যান্ট নিয়েছে এবং এই দিকে কাগজপত্র ঠিক করে দেয় তাহলে নিয়েছে ৪০০০ টাকা সর্বমোট পাঁচ হাজার টাকা নিয়েছে
আমার অফিসের একজন কর্মকর্তা সিলেকশন গ্রেডের ফাইনাল এপ্রুভাল করার জন্য।
আমার মা প্রকল্প/প্রজেক্ট এর মাধ্যমে চাকরি তে জয়েন করেন ২০০৮ এ পরবর্তীতে আমার মায়ের সাথে সারা বাংলাদেশে ১০৮০ জন স্টাফ ছিলো, সবাই ১৪টা গ্রুপে ভাগ হয়ে মামলা করে সেই মামলার রায় হয়ে ২০১৯ ডিসেম্বরে সবার চাকুরী সরকারি হয়,, আমার মা 20 সালের শেষের দিকে ব্রেইন স্টোক করে পেরালাইসিস হয় 24সালে চাকুরী হতে সরকার অক্ষমতার পিআরএল মঞ্জুর করেছে,, 25সালের নভেম্বর এ পিআরএল শেষ হয়ে পেনশনের জন্য ডিও অফিস এ মামলার একটা পেপার কম থাকার বিভিন্ন হয়্রানি করে শেষে 25 এর নভেম্বর এর কাজ 26 সালের সেপ্টেম্বর এর 2তারিখ 49হাজার টাকার বিনিময়ে অডিটর সুপার ডিও পেনশন মঞ্জুর করেন।
আমি mygov এ বিবাহ সনদ/নিকাহ নামা সত্যায়নের আবেদন করি৷ আমার আবেদন আমার কাজীর কাছে আসলে তিনি ফাইল ছাড়তে প্রথমে ১৫০০০ টাকা দাবি করে বলে যে এই টাকা পররাষ্ট্র ও আইন মন্ত্রণালয়ের ম্যাজিস্ট্রেট কে, ম্যাজিস্ট্রেট এর সহকারিকে দেওয়া লাগবে৷ আমি প্রথমে দিতে অস্বীকার করি, পরবর্তীতে আমার মালয়েশিয়া ভিসা আবেদন দ্রুত করা প্রয়োজন হওয়াতে আমি বাধ্য হই উনার সাথে ৮০০০ টাকায় ফাইল ছাড়ানোর জন্য। পরবর্তীতে আমি ৫০০০ টাকা অগ্রীম তাকে বিকাশ করি এরপর তিনি ফাইল ছাড়েন। এবং আমাকে বাকি টাকা পরিশোধের জন্য ফোন কলে আমাকে চাপ দিচ্ছেন। উল্লেখ্য উনার মাধ্যমে আমার পরিবারের আরো কয়েক সদস্যের বিয়ে পড়ানো হয়েছে, এবং পরবর্তীতে তিনি অন্যদের ঝামেলায় ফেলবে বিধায় আমি টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি। অন্যথায় আমার ভিসা আবেদন সম্ভব ছিলো না।
আমি জন্ম নিবন্ধন করতে গেছি কড়ইচূড়া ইউনিয়ন পরিষদে,মাদরগঞ্জ, জামালপুর, সকল তথ্য ঠিক থাকার পরও আমাকে ইউনিয় সচিব নিবন্ধন দিচ্ছে না। দোকানদার বা আশপাশে থাকা দালালরা জানান সেখানে ১৫০০/২০০০ না দিলে দিবে না।সচিব মুখখুলে বলে না। দালাল দিয়ে টাকা নেয়।নিবন্ধন সহজে পাওয়ার জন্য অন্য ইউনিয়নের সচিব দিয়ে রিকুয়েষ্ট করানো হলেও সে তালবাহানা করে বলে নিবন্ধন সে দিবে না।
হাস্পাতাল টিতে আমার আম্মার চিকিৎসা করাতে নিয়ে গেছিলাম।আমাকে পরীক্ষা করানোর জন্য একটি বে সরকারি ডায়গনষ্টিক সেন্টার পাঠানো হয়।আমি সেখানে পরীক্ষা করাই নি টাকা প্রায় ৩০০০৳ লাগত।অই একই পরীক্ষা আমি হাস্পাতাল থেকেই করাই।মাত্র ৭০০৳ খরচ হয়।কিন্তু দুক্ষের বিষয় ডাক্তার রিপোর্ট টাই দেখেনি কারন আমি তার পাঠানো যায়গায় পরীক্ষা করি নাই।
আমি জন্ম নিবন্ধন করতে গিয়েছি করে বলে 400 টাাক দেন কি আর বলব।
আমার প্রতিবেশীর এক মেয়ে অপ্রাপ্ত বয়স্ক। সে একটি ছেলের সাথে পালিয়ে গেছে। পুলিশ তাকে উদ্ধার/খুজে ফিরিয়ে দিবে সে জন্য ১০০০০০ টাকা ঘুষ চেয়েছে। এখন প্রতিবেশী মেয়েকে পাওয়ায় জন্য বাধ্য হয়ে টাকা দিতে রাজি হয়েছে। এই হচ্ছে আমার দেশের পুলিশের সেবা।
Verification officer of DB police taken 4000 tk. for verification process in the year 2023