জমি রেজিস্ট্রি
জমি রেজিস্ট্রি একসময় বলা হয়েছিল যে পুরো দরিলে চেইন মিলাতে হবে কিন্তু আমার তা ছিল না এজন্য এই টাকাটা নিছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
জমি রেজিস্ট্রি একসময় বলা হয়েছিল যে পুরো দরিলে চেইন মিলাতে হবে কিন্তু আমার তা ছিল না এজন্য এই টাকাটা নিছে।
এনআইডি সংশোধন জরুরি ছিল। কিন্তু সব কাগজ দিয়ে আবেদন করেও ২ মাস যাওয়ার পরও সমাধান করেনি।পরবর্তী একজন দালালের মাধ্যমে ২৫০০ টাকা সন্ধ্যায় বিকাশে দেওয়ার ১৫ মিনিটের মধ্যে এনআইডি সংশোধন করে দেয়। আমিতো তাদের কারিশমা দেখে অবাক।
জন্ম নিবন্ধনের তথ্য সংশোধনের জন্য নিয়ম মেনে আবেদন করেছিলাম। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি আমাকে বললেন, এগুলো আবার ডিসি অফিসে জমা দিতে হবে। আমি যখন সেখান থেকে চলে আসছিলাম, তখন আমাকে ডেকে বলা হলো, “ফি দিয়ে যান।” আমি জানতে চাইলাম, কত টাকা? তিনি বললেন, ৩০০ টাকা। আমি ৩০০ টাকা পরিশোধ করার পর তিনি আবার বললেন, “আপনি যদি মোট ৫০০ টাকা দেন, তাহলে পুরো কাজটাই আমরা করে দেব।” তখন স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগে, একটি স্বাক্ষরের জন্য যদি ৩০০ টাকা লাগে এবং কাজটা দ্রুত/সম্পূর্ণ করে দেওয়ার জন্য আলাদা করে আরও টাকা দিতে হয়, তাহলে জনগণের সেবার জন্য সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রতিমাসে যে বেতন-ভাতা পান, সেটা আসলে কিসের জন্য? আরও লিখতে চেয়েছিলাম কিন্তু টেক্সট লিমিট এর কারণে সম্ভব হয়নি।
I have applied electronically for holding number to pay holding tax. They didn't approve. Later they said you have to visit office. Accordingly I have completed the process with this money
দিয়ার সেটেলমেন্ট অপারেশন এ নিয়োজিত ব্যক্তিরা বিডিএস জরিপের মাঠ নকশা শেষ করে, কাগজপত্র সব ঠিক থাকার পরও সৃষ্ট খতিয়ানের সত্যায়ন পর্যায়ে বা ২য় ধাপে সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে ঘুষ দাবি করতেছেন,,,
রাস্তার পাশে গাড়ি থাকাই আমার কাছ থেকে ৫০০ টাকা ঘুষ নে সার্জেন — আমার কাছ থেকে ৩০০০ টাকা চাইছিল পরে ৫০০ দিয়া ছাড়া পাই না হয় ১০০০০ টাকার মামলার ভয় দেখাই এক প্রকার ব্ল্যাকমেল করসে সে আমাকে
খাজনা দিতে গিয়েছিলাম, কিন্তু কাগজ পত্র ঠিক নাই বলে এরপর ১০০০০ টাকা দিলে পরে করে দেয়। অথচ আমার সব কাগজ ঠিক ছিল। ঘুষ দেয়ার পর আর কোন কাগজ লাগে নাই।
ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য সব পরিক্ষা দিয়েও ফেল। পরে ৪০০০/- টাকা পিয়োন কে দিয়ে আবার পরিক্ষা দিয়ে পাস।
নামজারি জন্য সরকারি ফি 1100 টাকা আমার কাছে থেকে নিয়েছে 15000 টাকা ঘুস ছাড়া আড়াইহাজারে সেবা নাই
ইন্টারনেটের নতুন সংযোগ স্থাপন করার জন্য বলেছিল যে আলাদা করে যদি আমি 500 টাকা দেই তাহলে দ্রুত কাজ করা হবে আর এর সাথে এটাও বলেছিল যে অনেক দেরি হবে লাইন ম্যান কার কথা শোনে না কাজ করে না কিন্তু মজার ব্যাপার হচ্ছে সবার আগে সে আমাকে এটা জিজ্ঞেস করেছিল যে ইন্টারনেট আমরা সেবা প্রোভাইড করি এটার ব্যাপার আপনাকে কে বলেছে। মিরপুর দুই স্টেডিয়াম ম্যাচ সাথে যে বিটিসিএল এর অফিসে।
আবেদন পত্রটি পাসপোর্ট অফিসে জমা নিবে না কারণ বাহিরে আনসার থাকে তাদেরকে টাকা দিয়ে ভিতরে যেতে হয় না হলে কাজ ঝুলিয়ে রাখে এমনকি অনেকে ভিতরেই যেতে পারে না
আমি একটি পন্যের লাইসেন্স নয়ায়ন কালে, টেস্ট রিপোর্ট পাস করাতে ৩০০০০ টাকা চাওয়া হয়েছিলো
ইন্সপেক্টর অফিস সহায়কের মাধ্যামে চেয়েছে। না দিলে মামলা দিবে। প্রতি মাসে সম পরিমাণ টাকা দিতে হবে। সুপার হতে শুরু করে সবাই ভাগ পায়।
এনআইডি কার্ড নিবন্ধনের জন্য নতুন ভোটার রেজিস্ট্রেশন আমার স্ত্রীর।
এক ভাই এর জমি আরেক ভাইয়ের নামে দলিল করা বাবদ ১৮ শতাংশ জমির মূল্য ২৮০০০০ টাকার জন্য ৩২০০০ টাকা নিয়েছে।
ফর্ম জমা করা যাচ্ছিলো না
দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে যে কি পরিমান দুর্নীতি হয় এটা বলার বাইরে যে কোন কিছু সংশোধন করতে গেলে বিশেষ করে যেমন রেজিঃ কার্ড সংশোধন, বয়স হোক বা নাম হোক বা মাতার নাম পিতার নাম , তারপর পরীক্ষার সময় হচ্ছে সাবজেক্ট সংশোধন বা অন্য কিছু। জনপ্রতি মিনিমাম ৫০০ থেকে দেড় হাজার/ ২০০০ টাকা পর্যন্ত চাওয়া হয় এটা বর্তমানে কি অবস্থায় আছে আমি জানিনা কারন বর্তমানে নাকি এটা অনেক কমে এসেছে নতুন চেয়ারম্যান আসার কারণে । আগে তো হচ্ছে কিছুদিন আগে টাকা না দিলে আপনাকে চিনবেই না এরকম একটা দশা ছিল
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ দুর্নীতিগ্রস্ত অফিস এই সিটে কর্পোরেশন অফিস। এখানে মানুষ ট্যাক্স প্রদান করতে গিয়েও দুর্নীতির শিকার হয়। মানুষ হোল্ডিং আলাদা করে ট্যাগ দিবে তাতেও তারা বিভিন্ন কাগজ পাতির ভুল ধরে মানুষকে ঘুষ প্রদানের বাধ্য করে। আমি নিজে একাধিকবার এসব বিষয় নিয়ে ঝামেলায় পড়েছি।
নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও সোনারগাঁও উপজেলা প্রশাসন এবং ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সোনারগাঁয়ের উপর সরাসরি মহামান্য হাইকোর্টের রিট পিটিশন নং-১৬৩৭০/২৪ এর আদেশ থাকলেও অভিযুক্ত ব্যক্তিরা সরকার দলীয় লোক পরিচয় দিয়ে মব সৃষ্টি করে মসজিদ দখল করে দানের টাকা লুটপাট করে নিলেও স্থানীয় প্রশাসন হাইকোর্টের আদেশ বাস্তবানের জন্য কোনো প্রকার উদ্যোগ গ্রহন করছেনা। এই বিষয়ে আপনাদের সহায়তা একান্ত কাম্য।
Licence ar jnno deoha hy. Tarpr o num ar banan vul ase