ড্রাইভিং লাইসেন্স করানো
না দিলে কাজ করবে না।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৭৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
না দিলে কাজ করবে না।
রাজুকের বরাদ্দক্রিত আমার আবাসিক যার জন্য সেল পারমিশন লাগবে না মর্মে যে গেজেট প্রকাশ হয়েছে তা রাজুক মানতে নারাজ। এর বিকল্প হিসাবে তারা গেজেট প্রকাশ করছে সেখানে যেই স্থাপনার লিস্ট থাকবে তাঁদের সেল পারমিসশান লাগেবে না অন্য সবার লাগবে। এই ইস্যু দেখিয়ে আমার আবাসিক স্থাপনার জন্য সেল পারমিসশান নিতে হবে বলছে এবং তার জন্য ৫ লক্ষ টাকা ঘুষ দাবী করছে। আমি একখনো কোনো উত্তর দেই নাই।
বলসে খারিজ আজকে।দিলেন পাবেন ৩ মাস পর আর যদি ৭ হাজার দেন তাহলে ৭ দিনের মদ্ধে পাবেন
এই ভূমি অফিসের কর্মকর্তাদের সাথে সরাসরি কথা বলা যায় না। কয়েকদিন ধরে তাদের কাছে গিয়েও দেখা করতে পারিনি। অফিসে থাকলেও বলে এখন উপস্থিত নাই। অথচ টাকা দিলে তারা কাজ করে দিতে রাজি হয়। এবং উপজেলার নিকট একটি কাচারি ঘর আছে সেখানে টাকার বিনিময়ে দলিল, নামজারি সহ বিভিন্ন রকম কাজ করা হয়। দিন শেষে মোট ঘুষের টাকা সবাই ভাগ করে নেয়। আমি সরাসরি কারো নাম বলতে চাইছি না। তবে কোন সৎ ও দায়িত্ববান প্রশাসনের লোক চাইলে সিভিল পোশাকে তাদের কার্যক্রম দেখে আসতে পারেন।
শিল্প প্রতিষ্ঠানের জন্য বয়লারের লাইসেন্স নবায়ন , অর্থ না দিলে বিভিন্ন ধরনের আইনের হুমকি। সরকারি অনেক বেশি নিয়ম-নীতি প্রয়োগের মাধ্যমে লাইসেন্স দিতে ডিনাই করে দেয়া। এখানে আইনকে অর্থ কামানোর মেশিন বানানো হয়েছে।
“ভবিষ্যৎ তহবিল থেকে ৫,০০,০০০ টাকা উত্তোলন করতে ১৫,০০০ টাকা দেওয়া লাগছে না হলে ফাইল স্বাক্ষর হবে না।”
জমি রেজিস্ট্রেশন করার পরে নামজারী করতে ভূমি অফিস এ গিয়েছিলাম, সরকারি ফ্র্রি ১১০০ টাকা করে, সারাদিন ইউটিউব এ সচিব এর ভিডিয়ো দেখি কয় ১১০০ টাকা, কিন্তু আসলে ২ লাখ তাকার নিচে নাই। সব সালা বাটপার।
জমির ভলিউম চেক করতে গিয়েছি, চেক শেষ এ তারা আমার থেকে ২০০ টাকা নেয় ঘুষ বাবদ। সরকারি কোনো ফি না এটা। সরকারি ভাবে ভূমি সেবার জোত গুলো অফিস আছে সবাই ঘুষ খায়।
জমি রেজিস্ট্রি । টাকা না দিলে কাজ হবে না জিম্মি কি আর করা বায়না আগেই করা । রেজিষ্ট্রেশন না করলে বায়না শত।
কর অব্যাহতি পত্র বা সার্টিফিকেট ইস্যু করবার জন্যে দিতে হয়েছে। গত ১০ বছর ধরেই দিতে হচ্ছে
আমার চার শতাংশ জমির নামজারি বাবদ=১১৫০০ টাকা এবং ডিসিআর বাবদ=১২০০ টাকা। সর্বমোট নিয়েছে ১২৭০০ টাকা। বিঃদ্রঃ ২০১৭ সালে বাদল নায়েব, পাইকারচর ইউনিয়ন ভূমি অফিস, নরসিংদী সদর, নরসিংদী।
ডকুমেন্টস এ ডিগলার মালামাল ছিলো অটো রিকসার পার্চ ২টন মাল বেশি পায় যার জন্য টাকা চায় ২০০০০০ না হয় মামলা ভয় দেখা পরে ৮০০০০ টাকা দেওয়া হয়
আমার ২ শতক জমি নামজারি করতে গেলে আমার কাছে ২০০০০ টাকা ঘুষ দাবি করেছে, পরে আমি আর আমার জমি নামজারি করিনি।
বাধ্যতামূলক ঘুষ গ্রহণ: ৩ বছরের একাডেমিক পড়াশোনা শেষ করে জেলা সদর হাসপাতাল এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১ বছরের বাধ্যতামূলক ইন্টার্নশিপ শুরু করার সময় চরম হয়রানির শিকার হতে হয়। পদস্থ কর্মকর্তাদের অনৈতিক দাবি: ইন্টার্নশিপের অনুমতি ও চূড়ান্ত স্বাক্ষরের (Sign) জন্য সিভিল সার্জন (Civil Surgeon) এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা (UH&FPO) সরাসরি টাকার দাবি করেন। নির্দিষ্ট অর্থের হার: ইন্টার্নশিপের ছাড়পত্র ও স্বাক্ষরের বিনিময়ে সিভিল সার্জন ২০০০ টাকা এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ১০০০ টাকা ঘুষ হিসেবে হাতিয়ে নেন। কর্মকর্তাদের অযৌক্তিক অজুহাত: টাকা দাবি করার সময় কর্মকর্তারা অত্যন্ত নির্লজ্জভাবে অজুহাত দেন যে, তারা নিজেরাও এই পদে আসার জন্য অতীতে বিপুল পরিমাণ টাকা খরচ বা "ফুরাইয়ে" এসেছেন।
পেনশনে যাওয়ার আগে প্রত্যেক সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের হিসাব রক্ষন অফিস থেকে শেষ বেতনের প্রত্যায়নপত্র নিতে হয় ।ওটা না হলে পেনশন মন্জুর হয়না । আমার নয় আমার প্রধান অফিসের ভুলের কারনে হিসাব নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় রংপুর হতে দুইবার ইএলপিসি নিতে হয়েছে ।তাদের ঘুষ দাবী ছিল (৫০০০০/-+১০০০০/-)=৬০০০০/- পরে ৩দিন দেন দরবার করে =৪০০০০/- টাকায় দফারফা হয় । নিরুপায় ও একান্ত বাধ্য হয়ে ঘুষের টাকা পরিশোধ করি ।
record shongshodhon er jonno ami date cheyechi . last date a magistrate chilen na . notun date dite karjokrom jante chaile amake bole ami shudu ghurte thakbo amar kono kaz e hobe na . amake shotoke minimum 2000 tk dite hobe. ja der lakh er upore. unar name — uni dc office er okhane settlement office a peshkar er nich pode ache unar sathe peshkar jorito . amr kache record ache tar call er jekhane uni amake humki dey amr kaz hobe na .jekhane amr shokol kagoz potro ache . [redacted] ( — ) .
মহোদয়, বিনীত নিবেদন এই যে, আমি চল্লিশা ইউনিয়নের পশ্চিম বামন মহা গ্রামের। আপনার নেত্রকোনা উপজেলার একজন সাধারণ নাগরিক। এলাকার — একটি ফ্যামিলি কার্ড পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে আমার কাছ থেকে জোরপূর্বক/কৌশলে নগদ ১০,০০০ (দশ হাজার) টাকা ঘুষ নেন। কিন্তু টাকা নেওয়ার পরও তিনি আমাকে কোনো কার্ড দেননি এবং বর্তমানে টাকা ফেরত না দিয়ে বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন। অতএব, উক্ত ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং আমার টাকা ফেরত পাওয়ার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে আপনার মর্জি হয়।
এটা প্যাকেজ সিস্টেম করে রেখেছে তারা| নির্দিষ্ট দালালের মাধ্যমে না গেলে কাজটি করা যাচ্ছিল না। পরে দালালের মাধ্যমে কোনও হ্যাসেল ছাড়া অতিরিক্ত ঘুষের টাকার দেওয়ার মাধমেই কাজটি সম্পন্ন হয়।
আমাদের কয়েকটি ব্র্যান্ড শো- রুম এর ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করা জরুরী। কিন্তু সরকারি ফি বাদে তাদের শো রুম প্রতি ২৫০০-৩৫০০ টাকা টিপস দিতে হবে না দিলে ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন হবে না মানে সম্ভব না।
রাজশাহী নিউ.গভঃ ডিগ্রি কলেজের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগে স্নাতক লিখিত পরীক্ষা শেষে, ব্যবহারিক পরীক্ষার সময় অবৈধভাবে টাকা তোলা হয়। এছাড়া শিক্ষা সফর বাধ্যতামূলক করা হয়। কোন শিক্ষার্থী শিক্ষা সফরে না গেলে তাকে ব্যবহারিক মার্ক দেয়া হয়না। শুধু যারা শিক্ষা সফরে যায় তাদেরকে A+ দেওয়া হয়। চাঁদার পরিমাণ 6 থেকে 10 হাজার টাকা। এই টাকা শিক্ষার্থীদের থেকে জোর করে তুলে নেয়া হয়।এটি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত একটি কলেজ । যদি কোন শিক্ষার্থী এই ব্যাপারে নিজ বিভাগে কথা বলতে চায়, তাহলে তাকে চুপ করিয়ে দেওয়া হয়। প্রথম বর্ষ থেকে ৪র্থ বর্ষ পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা সবাই ভুক্তভোগী। এই ব্যাপারে সাধারণ শিক্ষার্থীরা কিছুই করতে পারছে না। কারণ পরীক্ষায় সিজিপিএ কম আসবে তাই।এছাড়া পরীক্ষায় ফেল করার ভয় দেখানো হয়।