EFT এর তথ্য হালনাগাদ করণ
আমার এক পরিচিত কলেজ শিক্ষকের বেতন গভর্ণিং বডি বন্ধ রেখেছিল। তাই কলেজ থেকে ইএফটির হাল নাগাদ তথ্য পাঠানো হয়নি। কিছু দিন আগে কলেজ কর্তৃপক্ষ তার ইএফটির তথ্য আপডেট করার জন্য আবেদন করে। এটার অনুমোদনের জন্য টাকা চাওয়া হয়েছিল।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৩৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার এক পরিচিত কলেজ শিক্ষকের বেতন গভর্ণিং বডি বন্ধ রেখেছিল। তাই কলেজ থেকে ইএফটির হাল নাগাদ তথ্য পাঠানো হয়নি। কিছু দিন আগে কলেজ কর্তৃপক্ষ তার ইএফটির তথ্য আপডেট করার জন্য আবেদন করে। এটার অনুমোদনের জন্য টাকা চাওয়া হয়েছিল।
চাচারা জমির পর্চা করেছিলো আমাদের নাম ছিলো না, প্রায় ৪০ বিঘার মতো জমি। পরে পর্চা সংশোধন করে আমার বাবার নাম বসাতে আমার প্রায় দুই লাখ টাকা খরচ হয়েছে। ভাগ্যিস চাচারা ঝামেলা করেনি উনারা যদি উলটো ঝামেলা করতো আরও টাকা খরচ হইতো। তেঁতুলিয়া অফিস থেকে কাগজ দিনাজপুর অফিস ঘুরে সংশোধন হয়ে আবার তেঁতুলিয়া অফিস আসতে আমার ঘুষ দিতে হয়েছে ১৬০০০০ টাকা। আবার ১.৫ বছর দৌড়া দৌড়িতে ৫০ আমার হাজার টাকার বেশি খরচ হয়েছে।
আমি ক্যান্টনমেন্ট রাজস্ব সার্কেল, ক্যান্টনমেন্ট, ঢাকা তে জোয়ার সাহারা মৌজায় একটি ০৩(তিন) কাঠা জমির মিউটেশন করার জন্য আবেদন করি। যাহা এখনও অপেক্ষমান অবস্থায় আছে। সরকারি ফি আনুমানিক ১১০০-১২০০ হইলেও তারা ৮০০০০ হাজার টাকা দাবি করেছে। আমি খোঁজ নিয়ে দেখেছি অন্য ভূমি অফিসে ১৭০০০-২০০০০ হয়ে যায়। এত বিসাল পরিমান টাকা না দেওয়ায় তারা আমার ফাইলটি আটকে রেখেছে।
দলিল রেজিষ্ট্রি করনে সাব রেজিষ্ট্রার দলিল রেজিস্ট্রি খরচের অতিরিক্ত টাকা দাবী করে,
কোম্পানির নামে জমি কিনে জেলা প্রশাসক , টাঙ্গাইল এর নিকট ভূতাপেক্ষ অনুমোদনের জন্য আবেদন করা হয়েছে জুলাই ২০২৫ মাসে। সেখান থেকে সহকারী কমিশনার ভূমি, মির্জাপুর এর প্রতিবেদন চাওয়া হয় এবং তিনি যথারীতি প্রতিবেদন প্রেরণ করেন। এর পর প্রতি শতকে ১ হাজার টাকা মানে ৫.২১ একরের জন্য ৫ লক্ষ ২১ হাজার চাওয়া হয় ।
আমাদের কোম্পানীর একটি আমদানীকৃত মেশিনারি আমদানী পযায়ে এইচএস কোড ভূল ভাবে মূল্যায়ন করে আমদানী টেক্স বাবাদ প্রায় ১৫০,০০,০০০/- দাবী করা হয়। যা শতভাগ অন্যায় ছিল। কিন্তু আমাদের কোম্পানী নিরুপায় হয়ে ১৬,০০,০০০/- ঘুষ প্রদান করে উক্ত চালানটি ছাড় করাতে বাধ্য হয়। তা না হলে আমাদের কোম্পানীর আর ও বড় ক্ষতি হত। হ্যাঁ আমরা স্বীকার করছি কাজটি অন্যায় কিন্তু এ ছাড়া আমাদের আর কোন উপায় ছিল না। আমরা যদি কাস্টমস এর সঙে এই ব্যাপারে উচ্চতর আপিল করে উক্ত চালানটি ছাড় করাতে যেতাম তা হলে অনেক সময় লাগত। ততদিনে বন্দর এর ডেমারেজ এবং শিপিং লাইনের ডেমারেজ সহ উক্ত মেশিনারি দ্বারা যেই পণ্য উৎপাদন করা হবে তাও হত না। এসব কথা বিবেচনা করে আমাদের কোম্পনী ঘুষ প্রদানে বাধ্য হয়।
জন্ম নিবন্ধনের নাম সংশোধন করতে উপজেলা ইউএনও অফিসে এপ্রুভ করতে গেলে সেখানে ১০০ টাকা চাওয়া হয় পরে ৭০ টাকায় কাজ করে দেয়। যদি টাকা না দেওয়া হয় তাইলে কাজ কবে হবে তার ঠিক নাই। আর টাকা দেওয়ার সাথে সাথে কাজ হয়ে যায়। যদিও টাকার পরিমান কম কিন্তু প্রতিদিন অনেক লোক যায় এই কাজে। তাই দিনশেষে অনেক টাকা পায় তারা।
I used to work for a company. For share transfer of 02 directors the incident happened. Since these 02 directors were unable to present at RJSC office the commissioner demanded tk. 1,00,000.00 for signing at directors office to collect sign during a meeting of the board of directors and thus had to pay. One of the Two directors forgot to bring main copy of NID and for this the commissioner demanded tk. 10,000.00 more. We had to pay all these amount otherwise the share transfer formalities would never ends.
Govt. fee bolechilo around 6k, amader kache 10k chaiche, bollo j koyekta table ghure ase file
Extra amount want to settle
এখানে প্রায় অধিকাংশ লোকের থেকে এইভাবেই নিরবে ঘুষ লেনদেন হয় আমিও খাজনা পরিশোধ করতে গেলে আমাকে রশিদ দেয় 150 টাকার কিন্তু দাবি করে 20,000 দেওয়া ছাড়া কোন উপায় নেই
পিওনকে টাকা না দিলে কথা-ই বলা যায় না
আমার মায়ের নামের টিন খোলা ছিল। ব্যাংকে সঞ্চয়পত্র রাখার জন্য আয়কর দেওয়ার প্রত্যয়নটা দরকার ছিল। তৎকালীন উপকর কমিশনার আমাদের সাথে খুব খারাপ ব্যবহার করেছিল, এবং কেন আমাদের ফাইলটা আটকে দিয়েছিল সেটাও ক্লিয়ার করে নাই। এবং ১০ হাজার টাকা দাবি করেছে। এবং আমাদের তখন ট্যাক্স সম্পর্কে ক্লিয়ার ধারণা ছিল না। আমার মা খুব ভয় পেয়ে গিয়েছিল। এবং আমাদের প্রত্যয়ন টা খুব দরকার ছিল, তাছাড়া ব্যাংকের সঞ্চয়পত্র খুঁলতে পাচ্ছিলাম না। বাধ্য হয়ে আমাদের টাকাটা দিতে হয়। পরবর্তীতে আমি ঘাটাঘাটি করে জেনেছি আমাদের কোন ট্যাক্সই হয়নি। অই টাকাটা আমার বাবা স্কুল থেকে অবসরের পরে পেয়েছিল, বাবা মারা যাওয়ার পরে তা মার নামে ছিল।
চাকুরির স্বাস্থ্য পরীক্ষার সনদের জন্য টাকা দিতে হয়েছে। সনদ দিয়ে বলেছেন ৫০০ টাকা দেন। এছাড়াও উনাদের নির্ধারিত হাসপাতাল থেকে টেস্ট করাতে হয়েছে। সেখানেও মনে হয়েছে উনাদের কমিশনের টাকা বরাদ্দ ছিলো। সে টাকার এমাউন্ট উল্লেখ করি নি। যেহেতু তার প্রমাণ আমার কাছে নেই।
৩০০০ টাকা দিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করলেই পাশ করাই দিবে।
All government services are online but in the name of cross verification, the authorised officer charged me 3000tk for each police clearence report. Though I have filled up and uploaded all necessary documents properly.
আমি নামজারির আবেদন করেছিলাম। আবেদন সাবমিট করার নামে বেতালপাড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের পিয়ন — আমার কাছ থেকে ১০০০০ টাকা নিয়েছে।
আমার লাইসেন্সের জন্ম তারিখ। পিতা এবং মাতার নাম আমার এনআইডির সাথে মিল ছিল না। আমি মিরপুর বি আর টি এ তে যোগাযোগ করি।ওখান থেকে বড় অফিসার বলে এটা কোনভাবেই হবে না । আমি পুরাই হতাশ হয়ে যাই। কিন্তু পরে ঠিকই দালালের মাধ্যমে ১০ হাজার টাকা দিয়ে করিয়েছে।তারা চাইলেই সংশোধন করে দিতে পারত।টাকা খাওয়ার জন্য করেনা।
নতুন আবেদন সকল ডকুমেন্টস সহ দাখিল করা হয় কিন্তু কয়েকদিন যাওয়ার পর আবেদন এপ্রুভ না হলে তাদের অফিসে যাই কিন্তু তারা ২০০০ টাকা দাবী করে, আর সেখানকার পরিবেশ এমন যে এটা অলিখিত একটা পেমেন্ট যেটা পরিশোধ আবশ্যক । তাই বেশিরভাগ মানুশ দাবি করার আগেই দিয়ে দেয়। যাই হউক দেওয়ার ১০ মিনিটে এপ্রুভ হলে লাইসেন্স এর কাজ সম্পন্ন করি।
বারো শত একান্ন বর্গ ফুটের নিজে বসবাসরত ফ্লাটের উপর খুব উচ্চ হারে ত্রৈমাসিক ৫০৪০ টাকা কর ও বিভিন্ন সার্ভিস চার্জ (যাহা কখনও সিটি কর্পোরেশন দেয়নি) দাবি করে আমাকে নোটিশ করেছে। সামান্য কিছু ট্যাক্স কমিয়ে দিবে বলে আমার কাছে ৫৭,৫৩৫/- টাকা ঘুষ চায়।