জমি খাস হওয়া থেকে রক্ষা
৯ শতক একটা জমি সরকারি হয়ে যাচ্ছিলো। সেইটা খাস হওয়া থেকে আটকাতে ৫০০০৳ চাইলো। গ্রামের মধ্যে একটা পঁচা ডোবা ছিলো। খুব দামাদামি করে ৪০০০৳ রাজি করানো হয়। কিন্তু জনাব আমার থেকে ৪৫০০৳ আদায় করেই নেয় শেষ পর্যন্ত।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
৯ শতক একটা জমি সরকারি হয়ে যাচ্ছিলো। সেইটা খাস হওয়া থেকে আটকাতে ৫০০০৳ চাইলো। গ্রামের মধ্যে একটা পঁচা ডোবা ছিলো। খুব দামাদামি করে ৪০০০৳ রাজি করানো হয়। কিন্তু জনাব আমার থেকে ৪৫০০৳ আদায় করেই নেয় শেষ পর্যন্ত।
আমি এখন দেশের বাহিরে পড়াশোনা করছি, ২০২০ এর ঘটনা মুন্সিগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসে গেলে আমার এপ্লিকেশনে দালাল দের মার্ক না থাকায়, তা ফেরত দেয়া হয়, এবং তথাকথিত চ্যানেলের মাধ্যমে আবেদন করতে বলা হয়। যাতে ৫০০০ টাকা এক্সট্রা লেগেছিল। এছাড়াও পুলিশ ভেরিফিকেশনে ঘুষ দিতে অস্বীকার করায় আমার আবেদন টানা ৩ বার রিজেক্ট করে দেয়া হয়।
নালিতাবাড়ী পৌরসভায় ভবন নির্মাণ এ নকশা অনুমোদন এ ঘুষ লাগে। টাকা দিয়ে নিয়ম নীতি ছাড়াই ভবন তৈরি করা যায়।নালিতাবাড়ী পৌরসভার কর্মচারীরা ঘুষ খেয়ে অপরিকল্পিত পৌরসভা বানাচ্ছে। কোন অভিযোগ দিলেও কাজ হয় না। সবাই মিলিত ভাবে ঘুষ ভাগ করে।
পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ড নবনির্মিত বাসার পৌরকর নির্ধারণ করতে বছরে 1,35,000/ টাকা কর আসবে ক্যালকুলেটরে গাণিতিক হিসাব কষে জানান। ৫০ হাজার টাকা খরচ দিলে, ৫০,০০০ টাকার মধ্যে সিটি কর্পোরেশন কর নির্ধারণ করে দেবে জানান।
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাতে সময় থাকলে পড়বেন না পড়লে স্কিপ করতে পারেন তবে যারা অসুস্থ হয়ে ময়মনসিংহ যাওয়া লাগবে তারা কেবল পড়ুন। জানার জন্য পড়ুন। মনে করেন আপনি রোগী ডাক্তার আল্ট্রাসনোগ্রাফি করানো জন্য বললো,আপনি মনে করলে বাইরে থেকে করে নিয়ে আসি এখানে অনেক লোকজন তাহলে থামুন❌বাইরের ক্লিনিকের রিপোর্ট দেখবে না ডাক্তার, তাহলে কি করতে হবে হাসপাতালে পরিক্ষা করতে হবে।✅ এখন পরিক্ষার জন্য সিরিয়ালে দঁাড়ালে মাত্র ১০০ জন লেখা টাকা জমা নিবে কিন্তু আসলে লোজন নেয় পুরুষ ২৫ ❌মহিলা১২ ❌ কি অবাক হলেন, না, কারণ এখানে সিরিয়ালে ২ দিন মাটিতে থাকতে হয় তার পর সিরিয়াল, এটা একটা কথা। দ্বিতীয় এক্সরে করাতে সিরিয়াল গেলেন ১ টায় এখন গিয়ে দেখেন কোনো লোক নাই, যে একজন কম্পিউটার অপারেটর আছে বললো ২২০ টাকা( সরকারি ফ্রি) ৪০০ টাকা দি
আমাদের জমির মালিকের বৈধ উত্তরাধিকারীরা বাংলাদেশেই আছেন, কোথাও যাননি; তা সত্ত্বেও ভূমি অফিসের কিছু অসাধু কর্মকর্তা ভুল রিপোর্টের কারণে আমাদেরবৈধ জমি "ভিপি" বা অর্পিত সম্পত্তির তালিকাভুক্ত করে ফেল। এতে করে আমরা অনেক হয়রানি শিকার হয় এবং বহু বছর যাবৎ মামলা করে মামলা ডিক্রি পাই, এখানে আমার এক লক্ষ টাকা সরকারি খরচের বাইরে ঘুষ দিতে হয় এবং দীর্ঘদিন যাবত হ্যারেজমেন্টের শিকার হয়েছি। তারপর উক্ত জমিন নামজারি করতে ডিসি অফিস থেকে অর্ডার নামা আনতে আরো ১০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। ওই কেরানি আমাকে বলল অনেকদিন ধরে আপনার একটা পড়ে আছে কিছু খরচ পাত্রী দিন ভিসি স্যারের কাছ থেকে এটা সাইন করে নিয়ে আসব উপরে কিছু দেওয়া লাগে। তারপর অবশেষে ১০ হাজার টাকা দিয়ে কাগজটা আনলাম। এখন শ্রীপুর ভূমি ১০০০০ টাকা ঘুষ
Banglish likhar jnno sorry......amr elakar mouja map nite gesilam bhomi office aa. sekhan a thaka ek lok amr theke 5k tk chay ami jantam je khub ei kom fee . pore eita nie onkkhon kotha katakati hoy , then uni rege office theke ber hoe jay, then ami chole ashi.
দালাল ছাড়া পার্সপোর্ট তৈরি করা যায় না দালাল টাকা পেয়ে ভাগ যায় অফিসের কর্মকর্তাদের কাছে তারপর কাজ হয়
আমি অবসরকালীন ভাতা পাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র যথাসময়ে জমা দিয়েছি। আমার চিকিৎসা ব্যয় নির্বাহের জন্য উক্ত ভাতার অর্থ অত্যন্ত প্রয়োজন। কিন্তু আবেদন করার দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত আমি আমার প্রাপ্য অর্থ পাইনি।
জমির মিউটেশন করার জন্য খুলনার পাইকগাছার ভূমি অফিসের অফিস সহকারী —কে ৩০০০ টাকা ঘুস দিতে বাধ্য হয়।
আমি সরকারি চাকরিতে নতুন যোগদান করি। আমার বেতন ভাতা চালু করার জন্য হিসাব মহানিয়ন্ত্রকের কার্যালয় (CGA) বা এজি অফিস সরাসরি বেতন চালুর জন্য আমার কাছে টাকা চান এবং বলেন খরচ দেওয়া ছাড়া বেতন চালু হবে না। বাংলাদেশের সকল কর্মচারী বা কর্মকর্তারা এজি অফিস লোকদের মাধ্যমে হয়রানি হয়ে থাকেন।
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এর ওয়ার্ডগুলোতে জন্ম নিবন্ধন নাগরিক সনদ এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নেওয়ার জন্য সব সময় টাকা দিতে হয় টাকা ছাড়া কোন কাজই হয় না , তাছাড়া করতে যাবেন আপনার এই কাগজ নাই ওই কাগজ নাই কত সমস্যা দেখাবে , টাকা দিলে সব সমাধান , উদাহরণস্বরূপ আমার থেকে টাকা নিয়েছে ওয়ার্ড 32 অঞ্চল ৫ ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন একজন আউটসোসিং মশক কর্মী যে কিনা ওয়ার্ড অফিসে দালালি করে নাম — আমার কাছে ১৫০০০ টাকা দাবি করা হয়েছিল আমি ১০ হাজার টাকা দিয়ে কাজ করিয়েছি কারণ ভাই টাকা ছাড়া কোন কাজ হয় না এই দেশে ।
বেতনের অনলাইন এমপিও ফাইল খুলার জন্য ৩০০০ টাকা চাইলে না দেওয়ায় এমপিও শীটে নাম আসে না। মাসের পর মাস বেতন আটকে যায়। পরবর্তীতে বাধ্য হয়ে দাবিকৃত অর্থপ্রদান সাপেক্ষে কাজ সম্পন্ন হয়। মাঝখানে অতিরিক্ত সময়, শ্রম, অর্থ অপচয় হলো।
আমি এবং এখানে যেই পাসপোর্ট করেছে সর্বনিম্ন 1300 টাকা ঘুষ ব্যতীত কোন ফাইল যায় না আমাদের ডকুমেন্ট সবকিছু ঠিক থাকলেও বারবার বারবার শুধু ভুল দেখায় পাসপোর্ট অফিসার পাসে কয়েকটি কম্পিউটার এর দোকান আছে এরাও এদের সাথে জড়িত আছে ওদের ওদের মাধ্যমে টাকা চাওয়া হয় 1300 টাকা দিছি সব কিছুই ঠিক হয়ে গেছে এই ঘুষ বাংলাদেশ থেকে কবে বন্ধ হবে আমি চাই এই কাজটি দ্রুততার সাথেই বন্ধ করা হোক লালমনিরহাট পাসপোর্ট অফিসের বেহাল দশা
আমি বিআরটিএতে ড্রাইভিং পরীক্ষার জন্য যাই, পরে পরীক্ষা দেওয়ার আগে দেখি অনেকে টাকা দিয়ে করে কিন্তু আমি নিজে নিজেই করব ভাবছি। পরীক্ষা দেই কিন্তু পরে আমাকে অকৃতকার্য দেখায়, সাথে সাথে পাশ থেকে একজন বলে ওই লোকটার কাছে যান সব ঠিক হয়ে যাবে। আমি যাওয়ার পর সে আমার কাছে ৪০০ টাকা দাবি করে আমার কাছে চার হাজার টাকা না থাকায় আমি তাকে অনেক অনুরোধ করে ৩৫০০ টাকা দেই। কিছুদিন পরে দেখলাম আমার অকৃতকার্য ফলাফল কৃতকার্য হয়ে গেছে।
ড্রাইভিং লাইসেসেন্সর জন্য এই টাকাটা দিতে হয়েছে। পরীক্ষা দিতে গিয়ে দেখি যে, প্রায় সবাই টাকা দেয়। এবং ড্রাইভিং পরীক্ষার নামে যা হয়, তা হলো সার্কাস। একজন মেজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে গাড়ি চালনার পরীক্ষা হয়। যারা দালাল ধরে যায়, তারা শুধু গাড়িতে ওঠে আর নামে। এতেই তাদের পাস করে যায়। এরকম ওপেন এতো বড়ো দুর্নীতি দেখে অবাক হয়েছি। ড্রাইভিং না জেনেও হাজার হাজার মানুষ ড্রাইভিং লাইসেন্স পাচ্ছে। নিরাপদ সড়ক কীভাবে নিশ্চিত হবে!!!
আমার ক্রয় করা জমির পরিমাণ ২২ শতক , আমি যার থেকে জমি কিনেছি তার মালিকানা ১২.৫ শতক, বাকী অংশ উনার ভাইয়ের। কিন্তু দুই ভাইয়ের মধ্যে আপোস বন্টন হয়েছে। আমি যার কাছ থেকে নিয়েছি উনি আপোস বন্টন এর মাধ্যমে ২২ শতকের মালিক হয়েছে। এবং তার দলিল ও আছে। কিন্তু অফিসার ওই দলিল দেখতেও রাজি না। অফিসার বলেছে মিষ্টি খাওয়ার টাকা দিলে রেকর্ড ঠিক করে দিবে। কাগজ পত্র ১০০০০% ওকে।
আমি একজন ঠিকাদার pwd সহ বিভিন্ন দপ্তর a কাজ করি . আমি জাস্ট ছোট্ট করে একটা ঘুষ এর টাকার হিসাব দেবো যা প্রতিনিয়ত চলছে. এখানে আমি একটি উদাহরণ দাওয়ার চেষ্টা করছি. উদাহরণ . আনুমানিক কাজ . সদর হাসপাতাল ইলেকট্রিক মেরামত প্রকলন মূল্য ৪৯৯০০০ ঘুষের বিবরণ প্রক্রিয়া Se অফিস ২% কাজের মূল্য এর উপর (১% se বাকিটা অফিস স্টাফ) স্টাফ অফিসার ২% কন্টাক্ট এর সময় কম্পিউটার ১০০০টাকা SD office ২% Accounts ২% Total ১০% ঘুষ তবে ক্ষমতার দাপট ও রাজনৈতিক পরিচয় থাকলে কম দিতে হয় ভ্যাট ইনকাম ট্যাক্স ১০% সিকিউরিটি ১০% যা ৬মাশ পরে পাওয়া যায় ৪%ঘুষ দিয়ে বাকি ৭০% এর মধ্যে ঠিকাদার প্রফিট করে ও কাজ করে এ ছাড়া আর ও অনেক ইন্টারনাল অনেক অনিয়ম আছে যার কারণ এ মূলত কাজ হয় ৪০% এর ও কম
সরকারি-বেসরকারি বিদুয়ত উৎপাদন প্রকল্পে বিদেশ থেকে আমদানীকৃত মালামাল সি, ল্যান্ড ও আকাশ পথের বন্দর থেকে প্রতিটি চালান খালাস করার জন্য বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, সিসিআইএন্ডই ই থেকে সুপারিশ পত্র ও ইমপোর্ট পারমিট নিতে প্রতি ফাইল প্রতি ৫০০ টাকা করে প্রতি টেবিলের প্রধানের সাইন নেয়ার জন্য অফিস সহকারি থেকে শুরু অফিসার পরযন্ত টাকা দিতে হয়। টাকা না দিলে ফাইল আগায় না। আর ফাইল না আগালে পোর্টে ডেমারেজ আসে হিউজ এমাউন্টের। তাই সিপমেন্ট রিলিজে নিয়োজিত কোম্পানীকে বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়। একটা ফাইল সম্পূর্ণ করতে ৫-৭টা সাইন লাগে এবং সিসিআইতে একটা আইপি পেতে ২-৩ হাজার টাকা আরও দেয়া লাগে। আর যদি ফাইল মিনিস্ট্রি থেকে সাইন করিয়ে আনা লাগে তাহলে আরও ৫ হাজার টাকা লাগে।
আমার নিজ জমি রেলওয়ে ভূমি গ্রহনের কারনে টাকা তোলার জন্য আমি প্রবাস থেকে আসি এবং আমার সব কাজ পত্র সঠিক থাকার কারনে ও তারা হয়রানি করে এই হয় নাই ওই হয় নাই পরে ঐখান কার পিওন সরাসরি বলে কিছু চা খাওায় টাকাদেন সব ঠিক হয়ে যাবে আর এ ও বলে এই টাকা জেলা প্রশাসন মহাদয় ও খায়। টাকা নেওয়ার ৩/৪ দিন পরে সব কাজ করে দেয়।