গাড়ির ড্রাইভিং লাইসেন্স বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

ড্রাইভিং লাইসেসেন্সর জন্য এই টাকাটা দিতে হয়েছে। পরীক্ষা দিতে গিয়ে দেখি যে, প্রায় সবাই টাকা দেয়। এবং ড্রাইভিং পরীক্ষার নামে যা হয়, তা হলো সার্কাস। একজন মেজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে গাড়ি চালনার পরীক্ষা হয়। যারা দালাল ধরে যায়, তারা শুধু গাড়িতে ওঠে আর নামে। এতেই তাদের পাস করে যায়। এরকম ওপেন এতো বড়ো দুর্নীতি দেখে অবাক হয়েছি। ড্রাইভিং না জেনেও হাজার হাজার মানুষ ড্রাইভিং লাইসেন্স পাচ্ছে। নিরাপদ সড়ক কীভাবে নিশ্চিত হবে!!!

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳১১,০০০
যে কাজের জন্য গাড়ির ড্রাইভিং লাইসেন্স
দপ্তর বিআরটিএ
বিভাগ ঢাকা
থানা / উপজেলা Dhaka
রিপোর্টের তারিখ ২৫ আগস্ট ২০২৬
কতজন দেখেছেন ১ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

বিআরটিএ

নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়া

নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার জন্য টাকা দাবি করেছে। নতুবা লাইসেন্স তারা করতে দিচ্ছে না। অন্যদিকে, আমার পিতার লাইসেন্স করার জন্য আবেদন করেন। নির্দিষ্ট তারিখে সেখানে গেলে সফল দক্ষতা যাচাইয়ের পর যখন ফিঙ্গার প্রিন্ট দেওয়ার সময় হয়, তারা টাকা দাবি করে। কিন্তু টাকা দেন নি। ফিঙ্গারপ্রিন্ট ঠিকই নিয়েছিল। পরেরদিন লেখা আসে পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছে। হতে পারে, টাকা না দেওয়ায় তারা ফেইল করে দিয়েছে।

ঘুষ দিইনি
গাজীপুর ৳১৩.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
বিআরটিএ

Car ownership change

বিআরটিএর যেখানে মালিকানা বদলি হয় সেখানে একজন সে তার এক দালাল এর মাধ্যমে ৩ হাজার টাকা নিয়েছিল মালিকানা বদলি বাবদ। রুম নাম্বার ৩১৫। এবং যে ইন্সপেক্টর আছে গাড়ির ইনস্পেকশন করে সেও ১০০০ টাকা নিয়েছিল।

ঘুষ দিয়েছি
Dhaka ৳৩.০ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য