সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

১৮,৫৩১ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
ঘুষ দিইনি পাসপোর্ট অফিস ৳২.০ হাজার

নতুন পাসপোর্ট

১ টায় অফিসে পেপার নেয়ার শেষ টাইম বলেছিল কিন্তু ১১ টার দিকে বলল আজকে পেপার নিবে না বলে সবাইকে যেতে বলল কিন্তু দারোয়ান দালাল হিসেবে আবির্ভাব ঘটাল এন্ড বলল উনি আজকে সব করে দিতে হবে বিনিময়ে ২০০০ টাকা দিতে হবে । এর আগের দিন আমি বাবার নামের আগে ডট দেয়ায় আমার কাগজ গ্রহণ করেনি কিন্তু পরের দিন আমার পিছনের লোক এর কিছুই ছিল না তবে তিনি সব কিছু সহজেই করে ফেলছিল । যেই মেডিকেল দিতে আমার সন্ধ্যা হয়েছে সেই মেডিকেল উনি আমার পিছনে থেকেও আমার আগে শেষ করেছিল

রাজশাহী, রাজশাহী ২৪ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি ভূমি অফিস ৳১১.০ হাজার

নামজারি

প্রতিটি নামজারি করতে আলাদা ভাবে, ইউনিয়ন ভুমি সহকারী কর্মকর্তাকে ২৫০০০টাকা, পিয়নকে ৫০০টাকা, কানুনগো-কে ৩০০০টাকা, সহকারী কমিশনার ভুমি এর জন্য তার সহকারী নিয়েছে ৩০০০টাকা, ডিসিআর কাটতে নাজির সাহেবের জন্য ২০০০টাকা দিতে হয়েছে একটা নামজারি করতে। অথচ আমি ইউনিয়ন ভুমি অফিস থেকে শুরু করে উপজেলা ভুমি অফিস পর্যন্ত রাজস্ব মন্ত্রণালয়ের অধিনে ভুমি ডিজিটালাইজেশন এর জন্য ৩বছর কাজ করেছি, তবুও এসব আমার নিজ হাতে নিজ নামীয় খগিয়ান সৃজন করতে খরচ করেছি।

পেকুয়া, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম ২৪ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি কর অফিস ৳৫.০ হাজার

ভ্যাট রিটার্ন

প্রতি মাসে আমি সহ আরো যারা ভ্যাট রিটার্ন করানোর জন্য কর অফিসে যান, তাদের প্রত্যেককে সেই অফিসের সুপারিনটেনডেন্ট, ভ্যাট ইন্সপেক্টর এবং কম্পিউটার অপারেটর, পিওনকে ঘুষের টাকা প্রদান করতে হয়। আমি ২০২০ সাল থেকে সিদ্ধেশ্বরী সার্কেল অফিসে (কর) প্রতি মাসে একবার করে যাই। কর্মকর্তা-কর্মচারি বদলি হয়ে অন্য কেউ আসে কিন্তু ঘুষের পরিমানটা একই থাকে। নতুন কর্মকর্তাকে দেখে যদি কেউ কম টাকা দেওয়ার চেষ্টা করে তাহলেও তারা বুঝতে পারে, কারণ তার পূর্বে যে ছিল সেই কর্মকর্তা বর্তমান কর্মকর্তার জন্য হয় কোন নোট রেখে যান কিংবা বর্তমান কর্মকর্তা পূর্বের কর্মকর্তাকে ফোন দিয়ে জেনে নেন। আমার আরো অন্য সরকারি অফিসেও যাওয়ার দুর্ভাগ্য হয়েছে, চিত্রটা একই। আল্লাহর কসম আজ পর্যন্ত কোন সরকারি কোন সৎ অফিসার দেখতে পাইনি। আল্লাহ যেন দেখার

Dhaka, ঢাকা ২৪ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিইনি শিক্ষা অফিস ৳১.০ হাজার

GPF একাউন্ট খোলা।

জিপিএফ(সাধারণ ভবিষ্য তহবিল) একাউন্ট খোলার জন্য অনেক দেরি করা হয়েছিল উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, এবং টাকা ছাড়া কাজ হয়নি। দীর্ঘ ৪ বছর এর অধিক সময় পর জিপিফ একাউন্ট খোলা হয়েছে,তবুও শিক্ষা অফিস এর সহায়তা ব্যতীত। টাকা সবারই কম বেশি দিতে হয়েছিল জিপিইএফ একাউন্ট তাড়াতাড়ি খোলানোর জন্য।

কমলগঞ্জ, সিলেট ২৪ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিইনি সরকারি হাসপাতাল ৳৫০০

রুগীকে ভর্তির জন্য ঘুষের টাকার বিনিময়ে বেড পাওয়া

ঢাকার শ্যামলীতে জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউট এ আমার বাবা কে ভর্তির জন্য ও অন্য অন্য সেবা পেতে ওখানের স্টাফ, গার্ড দের বখশিশের নামে ঘুষ দেওয়া লেগেছিলো।

Dhaka, ঢাকা ২৪ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি সরকারি হাসপাতাল ৳১.১ হাজার

টিকা

আমাকে কুকুরে কামড় দেওয়ার পরে আমি রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গেলে ডাক্তার IG এবং rabies টিকা লিখে দেন টিকাদান রুমে যাওয়ার পরে উনি আমার থেকে সর্ব মোট ১১০০ টাকা দাবি করেন আমি পকেটে পূর্ণ টাকা না থাকায় ৭০০ টাকা দেই নিরুপায় হয়ে।

রায়পুর, চট্টগ্রাম ২৪ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি শিক্ষা অফিস ৳২.০ হাজার

জিপিএফ থেকে লোন নেওয়ার প্রত্যয়ন এর জন্য

একটি প্রত্যয়ন নেওয়ার জন্য,সাইন দরকার। কোটালীপাড়া, গোপালগঞ্জ এর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা একজন অফিসার আমার কাছ থেকে ২০০০ টাকা নিয়েছে জিপিএফ লোন এর প্রত্যয়ন দেওয়ার জন্য

কোটালীপাড়া, ঢাকা ২৪ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিইনি সিটি কর্পোরেশন ৳২০.০ হাজার

ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন

ট্রেড লাইসেন্স রিনিউ করতে ২০ হাজার টাকা চেয়েছে কারণ হিসাবে বলেছে সাইনবোর্ড এর প্রতি স্কয়ার ফিট হিসাব করে ২০ হাজার টাকা আসে। অথচ সেইম সাইজের অন্যান্য দোকানের ট্রেড লাইসেন্স এ লাগে ১৫০০-২০০০ টাকা ।গত বছর ও ১৫০০ টাকায় করেছি এ বিছর রিনিউ করতে গেলে ২০ হাজার টাকা দাবি করে

বরগুনা, বরিশাল ২৪ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিইনি সিটি কর্পোরেশন ৳২.৫ হাজার

জন্ম নিবন্ধন অনলাইন করানো

আমার জন্ম নিবন্ধন করানো আছে ২০০৯ সালে। কিন্তু অনলাইনে দেখায় না। এখন অনলাইনে দেখানোর জন্য নতুন করে জন্ম নিবন্ধন করতে বলল। এজন্য যাত্রাবাড়ি, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন আঞ্চলিক কার্যালয়ে কর্মরত কর্মচারী ২,৫০০/- টাকা চেয়েছে। তারপর, আমার এক বন্ধু যাত্রাবাড়িতে থাকে, তার মাধ্যমে অন্য একজনের কাছে খোঁজ নিয়েছি। তিনি ২,০০০/- টাকা চেয়েছে।

যাত্রাবাড়ি, ঢাকা, ঢাকা ২৪ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিইনি অন্যান্য সরকারি দপ্তর ৳৫০০

BTCL এর সংযোগ প্রক্রিয়া

BTCL এর ইন্টারনেট সংযোগ নিতে লাইন ম্যান চা-নাস্তা বাবাদ ৫০০এর অধিক প্রায় ১০০০ টাকার দাবি করে। যা আমি দিতে অস্বীকার করেছি। যার কারনে আমাকে আজও সংযোগ দেয় নাই। এখন আমি এম্বার আইটি-এর কানেকশন চালাই।

সিরাজগঞ্জ সদর, রাজশাহী ২৪ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
শুধু দাবি করেছে অন্যান্য সরকারি দপ্তর ৳৫০.০ হাজার

বিডিএস জরিপ ঝিংলজা ১৭

কক্সবাজার জেলা বিডিএস জরিপ হচ্ছে, কাগজপত্র দেখার তালবাহনা করে — ও — দুই জন মিলে টাকার কথা উল্লেখ করে,প্রথমে ৫০,০০০ বললে পরে ৫ হাজার এ আমারটা রফাদফা হয় কিন্ত আরেকজন থেকে মোটা অংকের ঘুষ নেয় প্রায় ১ লক্ষ টাকা।

কক্সবাজার, চট্টগ্রাম ২৪ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি বিআরটিএ ৳৫.০ হাজার

ড্রাইভিং লাইসেন্স

ড্রাইভিং লাইসেন্স ৫০০০ ঘুস দিয়ে করেছি।।।ফরিদপুর অফিসের হালকা লাইসেন্স করে দিছে।।।অথচ আমি মোটর সাইকেল চালাতে পারি।। কোন দিন চার চাকা ধরি নাই।।। প্রাক্টিক্যাল পরিক্ষায় এডিসি উপস্থিত ছিল।।।টাকার জোরে লাইসেনস পাশ।।।

ফরিদপুর, ঢাকা ২৪ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ৳৫০.০ হাজার

জমি রেজিস্ট্রেশন।

দলিল লেখক নিয়েছে, অরিজিনাল রেট লিখেছি বলে, দলিল লেখা বাবদ এবং রেজিস্ট্রেশনের সব কাজ সম্পূর্ণ করে কথা বলে। চেয়েছিল ৭০ হাজার। ১৪/১/২৬...তেজগাঁও সাব রেজিস্ট্রি অফিস.... দলিল লেখকের সব বায়োডাটা আছে । এই কাজ শেষ হলে পরবর্তীতে ভূমি অফিসে ১৫ হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে নামজারি করিয়া ছি

ঢাকা, ঢাকা ২৪ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি কর অফিস ৳৩.০ হাজার

anonymous দাখিল

আমি একটি ছোট শতভাগ রপ্তানিকারক কর্মস্পতিষ্ঠান পরিচালনা করি, প্রতি মাসে যে জিরো রিটার্ন দাখিল করব সেটার ক্ষেত্রে তারা টাকা দাবি করে। এমনকি অনলাইনে দাখিল করলেও তারা ফোন করে বিভিন্ন ভয়-ভীতি দেখায় এবং টাকা দিতে বাধ্য করে

Savar, ঢাকা ২৪ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিইনি ভূমি অফিস ৳৩০.০ হাজার

নামজারি খতিয়ান

নামজারি প্রস্তাব দেয় তহসিল অফিস। তারা টাকা ছাড়া প্রস্তাব পাঠায় না। নেগোসিয়েশনে এসে ন্যূনতম মোটামুটি ৫/২ হাজার টাকায় এসে থামে। চুনতি ইউনিয়ন ভূমি অফিস ও বাকলিয়া ভূমি অফিস (তহসিল), কোতোয়ালি তে এই পরিস্থিতিতে পড়েছি। লোহাগাড়া উপজেলা ভূমি অফিসেও কানুনগো, সহকারী কর্মকর্তাদের এই ঘুষ দাবির শিকার হয়েছি।

চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম ২৪ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি বিআরটিএ ৳৬.৫ হাজার

লাইট ও মোটরসাইকেল ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ (নতুন পাড়া) এবং লাইসেন্স (বায়েজিদ ডিপু)

বিআরটিএর কর্মকর্তারা দালাল সিন্ডিকেট - কর্মচারী, কম্পিউটার দোকানদার ও বহিরাগত দালালদের মাধ্যমে নির্ধারিত ফী নেয়।আমার ক্ষেত্রে মোটরসাইকেল ও লাইট ড্রাইভিং লাইসেন্সের প্রাকটিকেল পরীক্ষায় পাশ করিয়ে দেওয়ার জন্য দালালকে ৬,০০০ টাকা প্রদান করি। ঘুষ গ্রহণ করেছে বিআরটিএ র অফিসারের ভাগিনা যিনি হালিশহরে একটি ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ সেন্টার পরিচালনা করছেন। তাছাড়া চট্টগ্রাম নতুনপাড়া বিআরটিসির একজন ড্রাইভিং প্রশিক্ষক - দেখতে সুন্দর ও দাড়ি আছে- আমার থেকে প্রশীক্ষণ চলাকালীন সময়ে বারংবার লাইসেন্স পাইয়ে দেওয়ার জন্য ১১,০০০ টাকা ঘুষ দাবী করলে আমি আর্থিক অজুহাত দিয়ে প্রস্থান করি এবং তিনি আমার অর্ধেক কোর্স প্রায় ৭ টি ক্লাস করাননি। বরং গাড়ির তেল খরচ বলে ৫০০ টাক ঘুষ নেয়।

চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম ২৪ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ৳২০.০ হাজার

জমি ক্রয়

এলাকায় জমির মালিকানা মামলা নিষ্পত্তি বাবদ ৩ ব্যক্তির মধ্যে জমি কেনা-বেচা হয়। তার মধ্যে আমি একজন। আমাদের ৩ জনের মধ্যে ১জন ব্যক্তি মুমূর্ষু থাকায় সাব রেজিস্ট্রার অফিস যেতে অপারগ হলে ভেন্ডারের মাধ্যমে যোগাযোগ করা হয়। পরবর্তীতে ভেন্ডার জানায় সাব রেজিস্ট্রার আসতে পারবেন কিন্তু প্রত্যেক দলিল বাবদ ২০ হাজার টাকা দিতে হবে, তবেই তিনি দলিলে সই করবেন। উপায়ান্তর না পেয়ে আমরা ৩ জনই রাজি হই। সেদিন সাব রেজিস্ট্রার এসে সই করে টাকা নিয়ে যায়। কিন্তু পরবর্তীতে আবার যেদিন অফিসে যেতে হয় সই দেয়ার জন্য, সেদিন আমার কাছে আরও অতিরিক্ত ৩ হাজার টাকা দাবি না করে। না দিলে নাকি সাব রেজিস্ট্রার ফাইল পাস করাবে না। এ অবস্থায় ভেন্ডারের সাথে কথা কাটাকাটি হয়। পরবর্তীতে আমি আরও ৩ হাজার দিতে বাধ্য হই।

ডোমার, নীলফামারী, রংপুর ২৪ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
শুধু দাবি করেছে অন্যান্য সরকারি দপ্তর ৳৬০.০ হাজার

বাড়ি নির্মানের জন্য পৌরসভার অনুমোদন

কিশোরগঞ্জে পৌরসভার এক্সেন একজন কর্মকর্তার কাছে একটি ৬ তলা বাড়ি নির্মানের জন্য অনুমতি চাইতে গেলে উনি ৬০ হাজার টাকা দাবি করেন। এর আগে উনার সহকারী ইঞ্জিনিয়ার — সাথে কথা বললে উনি ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা দাবি করেন। যাবতীয় ডিজাইন ও কাগজপত্র জমা দিয়ে ৬০ হাজার টাকায় কোন ঝামেলা ছাড়াই অনুমোদন পাইয়ে দেয়ার আশ্বাস দেন এক্সেন রফিক সাহেব। অভিযোগ আছে তাদের মাধ্যমে কাজ না করালে বাড়ি নির্মানের আনেদন বছরের পর বছর ঝুলে থাকে। বিভিন্ন ইস্যু দেখিয়ে পৌরসভার মিটিংয়ে সেসব নথিপত্র সাবমিট করেন না।

Kishoreganj Sadar, ঢাকা ২৪ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য