নামজারি
নামজারির জন্য সরকারি সার্ভিস চার্জের বাইরে অতিরিক্ত টাকা চাওয়া হয়েছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নামজারির জন্য সরকারি সার্ভিস চার্জের বাইরে অতিরিক্ত টাকা চাওয়া হয়েছে।
We have a court order that asked the local DC office to proceed with steps to allow and provide with the mutation documents and other associated documents of a my family's land. Instead of following through with the court order, the DC's "Nazir" and ADC asked for bribes worth the price of 1 decimal of land. They are in contempt of court and asking for extra money to release the papers. We have provided updated "khajna" for the land till charges were brought against us. We have two court orders decisivelt proving we own the land. Now its stalled because they just want money. More than 15 families are suffering and they all have somewhat similar stories.
নাগরিক সনদ জন্য আগে প্রয়োজন হতো ২০০, বর্তমানে ১০০ বা ৫০ টাকা লাগে। আবেদন লেখালেই ৫০/১০০ দিতে হয়, আর ইউপি সচিবকে দিতে হয়েছিলো ৫০/১০০ টাকা। এখনও আছে ৫০-১০০ টাকার করবার।
মাস্টার্স এর ভাইবা পরিক্ষায় স্যারেরা প্রতি স্টুডেন্ট এর কাছ থেকে ৫০০৳ করে নিয়েছে যেটা একদমি অনুচিত- যদি শিক্ষকেরা এই ভবে ঘুস খায় তাহলে স্টুডেন্ট কি শিখবে? আমি নিরুপায় হয়ে টাকা টা দিতে বাধ্য হই- যেটা একদমি ইলিগ্যাল ছিলো!
government allocated land mutation purposed city corporation officer several time asked ghush and panding 8 months not process due to not provdide ghush. after given ghush then worked within 15 days.
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, মিরপুর-২, অর্থ শাখার অফিস সহায়ক হায়দার আলী। আমাদের গ্রুপের একটি কাজের জন্য সেন্ট্রাল ফর জেনারেল অডিট, সেগুনবাগিচায় ফাইল পাঠানোর প্রয়োজন ছিল। কিন্তু উনি প্রতি ফাইল প্রতি ২০০০ টাকা না হলে কাজ করবেন মর্মে জানানা। আমাদের ১০ জনের ফাইলের জন্য টোটাল ২০০০০ টাকা ঘুষ নিয়েছেন।
পেনশন ফাইল মঞ্জুর ও জিপিএফ এর টাকা উত্নউত্তোলনের জন্য হিসাব রক্ষণ অফিসে নিতান্তই বাধ্য হয়ে দিয়েছি। নয়তো সহজে মমঞ্জুর হতো না। উল্টো বিভিন্নরকম কাগজ কম আছে বলে হয়রানি করতো।
আমার নামের বানান ভুল ছিল ঠিক করার জন্য ২ জায়গায় প্রথমে বোর্ড মিটিঙে আপ্রভ করার জন্য ৫০০০ চেয়েছিল পরে তা ২০০০ টাকায় আমি ঠিক করি । তার পর প্রতি সার্টিফিকেট এ ১০০ করে চা পানির জন্য দিতে হয়েছিল যে প্রিন্ট করে দেয় তাকে । এর পরে আমি আমার এক বন্দুর ও কাজ সেইম ওয়েতে করে দিয়েছি ২৫০০ টাকায় ।
নামজারি দীর্ঘদিন পেন্ডিং ছিলো। এসিল্যান্ড এর সাথে দেখা করলাম। এসি ল্যান্ড সার্ভেযারকে ডাকলেন এবং ফাইলের বিষয় কথা বললেন। সার্ভেয়ার আমাকে নিয়ে তার রুমে নিয়ে গেলেন। বললেন জমি দখলে আছে কি না। আমি হাঁ উত্তর দিলাম। বললেন সরেজমিনে যেতে হয় কিন্তু আমি আপনার কথায় বিশ্বাস করে রিপোর্ট দিবো ঠোট কামড়ে বললেন খরচাপাতি কিছু আছে। ৫০০০/ চেয়েছিলো। আমি আমার পরিচায় দিয়ে বললাম এটা ঘুষ নয় আপনি সরেজমিনে গেলে আপ্যায়ন করাতে হয় সে বাবদ ১০০০/- দিলাম। যাহোক তালবাহানা করে শেষমেষ সেবা পেয়েছি।
সৈয়দপুর সরকারি বিজ্ঞান কলেজ, পূর্বনাম টেকনিক্যাল কলেজ । এখান থেকে প্রতি বছরই ৫০ জনের মতো শিক্ষার্থী মেডিকেল এ চান্স পায়। আমার অভিযোগ — , office Accountant Assistant সহ অন্যান্য office staff এর বিরুদ্ধে । আমি HSC markshit, certificate, প্রশংশাপত্র কলেজ থেকে উঠাতে গেলে উনি বলেন এসব নাকি উনি নিজ খরচে বোর্ড থেকে নিয়ে এসেছেন। উনার নাকি এতে অনেক টাকা খরচ হয়েছে। তাই আমাদের ২৫০ স্টুডেন্ট এর কাছ থেকে এই টাকা নিয়েছেন। কিন্তু টাকা বিপরীতে কোনো স্লিপ দেন নি। মূলত অফিসের অন্যান্যরাও এতে জড়িত। এমনকি পরবর্তীতে এর উপর যখন অনুসন্ধান করি তখন জানতে পারি প্রিন্সিপাল আবুল কালাম আজাদ স্যার ক্লাসে বলেন অফিস সহকারী টাকা চাইলে দিবে না। কিন্তু ঠিকই গোপনে তাদের টাকা উঠাতে বলেন।
বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষনায় কর্মরত আমরা ১৩৪ জন আউট সোরসিং যাদের মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে। আমাদের মেয়াদ পুরায় নবায়নের জন্য মন্ত্রনালয়ে প্রেরণ করা হয়। যা কৃষি মন্ত্রণালয় ঘুরে অর্থ মন্ত্রনালয়ে আছে সেখানে ফাইলএর দ্রুত কাজ করানোর জন্য এক এও আমাদের সবার কাছ থেকে ৫০০০০ টাকা চেয়েছে। আমরা সবাই মিলে ২০০০০ টাকা দিয়েছি। বিদ্র আমাদের এখনো কোন কাজ নাই আমরা বেতন পাচ্ছি না। বিনা বেতনে সেবা দিয়ে যাচ্ছি। মেয়াদ বৃদ্ধি হবে এই আশায়।
এমপিও ভুক্তির জন্য দাবি করা হয় জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস (কোর্ট রোড এ অবস্থিত অফিস)থেকে। ৫৫০০ টাকা। অন্যথায় আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হবে জানানো হয়। বেতন চালু হওয়ার জন্য এটা অলিখিত নিয়ম মনে হয়েছিলো। ৫০০০ দিতে হয়েছিল বাধ্য হয়ে।
5 lakh dabi koresilo sekhane pore 80k deya lagsilo.. tobu tader onek dhoroner kotha barta sunar por.
আমরা একটা ডি সি আর ইনফরমেশন স্লিপ নিতে চেয়েছিলাম সেই এপ্লিকেশন জমা দেওয়ার জন্য পাইকগাছা এ সি ল্যান্ড অফিসে — নামক ব্যক্তি ৫০০ টাকা দাবি করে পরবর্তী তে ৪০০ টাকা নিয়ে এপ্লিকেশন রিসিভ করে
আমার নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স আবেদন ও পরীক্ষা উর্ত্তীণ হওয়া জন্য ২০২৩ সালে একজন বিআরটিএ কর্মকতাকে ৩০০০/ টাকা বিকাশের মাধ্যমে পরিশোধ করে নতুন লাইসেন্স পেয়েছিলাম।
land mutation korer jornno gele Ghush chai 13000 taka others wise not possible to complete land mutation , after several time tryed to complete mutation but not possibble without ghush
বরিশাল সদরের বিআরটিএ একজন ইন্সপেক্টর ঘুষ চেয়েছে, তার একজন সহকারি আছে, এছাড়াও তার ভাই একজন আছে যিনি বিআরটিএ দালাল, নাম —। বরিশাল বিআরটিএ কে কলঙ্কিত করেছে দুইজন
পাসপোর্ট বানাতে গিয়ে মায়ের আইডি কার্ডে আমার আব্বুর নামে একটা অক্ষর ভুল থাকে ।এটা নিয়ে ওখানের কর্মচারী আমার থেকে ৩০০০টাকা দাবী করে এই বলে সব ম্যানেজ হয়ে যাবে ,আমি প্রত্যাখ্যান করি।
একজন শিক্ষকের আগে বেতন হতো একটি ব্যাংকে। এখন সে অন্য ব্যাংকে তার বেতন নিবে। তার জন্য তার কাছে ১০০০ টাকা চাইছে। আর কিছু বললে সে বলে এতো দিন চাকরি করেন এটা বুঝেন না যে এটা দিতে হয়।
সেবাটি ছিল প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকের পেনশন ও জিপিএফ এর টাকা প্রাপ্তি জনিত, পেনশন ও জিপিএফ এর টাকা মঞ্জুরের করার জন্য পনের হাজার টাকা দাবি করে, পরিশোধে বিলম্ব হোয়াতে, জিপিএফ এর টাকা প্রদানে গড়িমসি ও পেনশন মঞ্জুরে দেরি করে। তাই বাধ্য হয়ে টাকা প্রদান করতে হয়।