ড্রাইভিং লাইসেন্স
কাগজপত্র দেওয়ার সময় ডাইরেক্টলি টাকা চাই
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
কাগজপত্র দেওয়ার সময় ডাইরেক্টলি টাকা চাই
C&F এর AIN UnLock করার জন্য Operation Manager (OPM) ঘুষ নেন , তিনি একজন AC । কাস্টমস হাউসের ভেতরে বাম গলিতে কাস্টডিয়ান গলিতে 07 জন AC/DC বসেন, ওনারা প্রত্যেকটা কাজে বিভিন্নহারে ঘুষ নেন। তাদের পক্ষে সহকারী বা সিপাহীরা এই ঘুষ গ্রহণ করেন।
আমি আমার মায়ের পাসপোর্ট করতে যাই। কারণ আমার মা ওমরা করার ইচ্ছে হইছ ঐ সুবাধে আমি অনলাইনে আবেদন করি আবেদন মোতাবেক নির্ধারিত তারিখে কুমিল্লা পাসপোর্ট অফিসে কাগজ পত্র জমা দিই ২ঘন্টা বসাইয়া রাখার পরে বলে যে এই আবেদনে হবে না? আমি কারণ জানতে চাইলে বলে নতুন আবেদন করতে হবে আর না হয় ৩০০০ টাকা দিতে হবে এখানে আসলে এমপি ও মন্ত্রীরা ও টাকা দিতে হয়। আমার মা উনাকে বললো বাবা তুমি আমার ছেলের সমান কিছু টাকা কমাই নেও সে শুনতে নারাজ তার পরে বাধ্য হয়ে ২০০০ টাকা দিয়েছি।
জন্ম নিবন্ধন সংশোধনের জন্য ৫০০ টাকা ঘুষ দিতে বাধ্য হয়েছিল
জায়গা জমি নাম জারি করতে জেয়ে ভুমি অফিস তারা টাকা দাবি করছে।
পে ফিক্সেশন করতে গেলে হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা জনপ্রতি ১০০০ টাকা করে দাবী করে। মোট ১১ জন ছিলাম আমরা, প্রত্যেককে ১ হাজার টাকা করে দিতে হয়েছে।
নামের একটু অক্ষর ভুল থাকায়। পরে ভুল নামই দিছে কিন্তু আমার থেকে বাড়তি টাকা নিছে
নামজারি করিয়ে দিবে বলে টাকা নিয়ে প্রায় ৭ মাস ঘুরিয়ে ছিল পিয়ন। কাটগড়, পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম এই এলাকায় ভূমি অফিস। এইখানে মানুষের কাছ হতে বিভিন্ন কাজে যেমন নামজারি, দাখিলা ইত্যাদি কাজের জন্য ঘুষ চাওয়া হয়।
আমি পাসপোর্ট করতে যাই। সকল কাজ সম্পন্ন করি।ষ এবং বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্ট সম্পন্ন করি। রাতে বাসায় এসে দেখি পাসপোর্ট স্ট্যাটাস Local Rework হয়ে আছে মানে এপ্লিকেশন ফেরত এসেছে। গিয়ে জানতে পারি আমার এনআইডি ভেরিফাইড কপিতে পাসপোর্ট অফিসের কোনো কর্মকর্তা সিল সাইন না দেওয়াতে এপ্লিকেশন ফেরত এসেছে। কত বড় অব্যবস্থাপনা আর অপেশাদার ব্যবহার!! এখন মূল কাহিনী শুরু। এনআইডি ভেরিফাইড কপিতে পরিচালকের সাইন প্রয়োজন ছিলো, কিন্তু তিনি সাইন দিবেন না। হেন তেন বুঝায়, পরিচালক পাঠায় নিচতলায় আবার নিচতলা থেকে পাঠায় পরিচালকের কাছে। পরে বিরক্ত হয়ে পাসপোর্ট অফিসের পাশের দোকানের এক দালালকে ২০০০ টাকা বিকাশ করি। সেই দালাল সাইন করিয়ে নিয়ে আসে। আমার সকল ডকুমেন্ট সঠিক ছিলো শুধু সাইন তারা দিবে না।
মামলা সম্পর্কে জানতাম না, জানার জন্য উকিলের সাথে নির্ধারিত তারিখে গিয়ে দেখি এজলাসে নথি নেই, সেরেস্তাদার কে মামলার নথির কথা বলি ও দেখতে চাই এবং হাজিরা দিতে চাই। তখন এ অর্থ দাবি করেন। তাৎক্ষণিক সমাধানের জন্য ৫০০(হাজিরা) + ২০০০ (নথি দেখা)
বাইকের নাম্বার এর জন্য গভমেন্ট কে টাকা জমা দিছি, কাগজে সিল দেয়া ছিলো জুনে নুম্বার প্লেট দিব। কিন্তু জুনে দিতে পারেনাই গভমেন্ট এর বেরথতা ছিলো? গভমেন্ট থেকে আমাকে কোনো মেছেও দেয়া হয় নাই যে এই সমায় বারাতে হবে। ছারজেন আমাকে দরে বলে আপনি ডেট কেনো বারান নাই এখম মামলা নিতে হবে। পরে আমি তাকে বললাম, আমি আশলে জানতাম না যে এইতার ডেট বারাতে হয়। আমি বললাম আজ তো শনিবার আজকে BRTA বন্ধ আজকে তো ডেট বারাতে পারবো না। আমাকে একটা দিন সমায় দেন আমি ডেট বারিয়ে নিয়া আসব। সে আমার কোনো কথা না শুনে আমাকে মামলা দিবে ২০০০/- টাকার। পরে আমি বললাম স্যার আমাকে মামলা দিয়েন না। আপনি দেখেন আমার সব ঠিক আছে। উনি বলে মামলা নেন না হলে ১২০০ টাকা দেন। পরে আমার কাছে সব মিলে ৭০০/- টাকা ছিলো সেটা দিয়া আসলাম। আমি বাইক দিয়া সংসার চালাই।
আমার চাচাতো ভাইয়ের এস এস সি সার্টিফিকেট অনুযায়ী জন্ম নিবন্ধনে বয়সের ভুল আছে, তা সংশোধনের জন্য কাজ করতে চাইলে ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃক কম্পিউটার অপারেটর ৩০০০ টাকা চাই। ১০০ টাকার কাজ সংশোধন
সদরঘাট এলাকা থেকে বিভিন্ন জিনিস যেমন সূতা ,কাপড় ও এমন দ্রব্য সামগ্রী বিপুল পরিমাণে ক্রয় করলে অটো অথবা সিএনজি দিয়ে সদরঘাট থেকে বের হওয়ার সময় তারা চাঁদা স্বরূপ যার থেকে যা নেয়া যায় তা বিভিন্ন ইস্যু তৈরি করে তারা আদায় করে নেয়
আমি ১৫০০ টাকা দিছি কিন্তু কাজ গুলো বিনামূল্যে করার নিয়ম
জমির রেকর্ড কাটার মামলা করেছিলাম। মামলা পাশ হয়ে নোটিশ আচ্ছে বলেছে এবং সেই নোটিশ উঠাতে হবে এই কথা বলে ৩০০০ টাকা নিয়েছে। পড়ে নোটিশ চাই শুধু ঘুরায় পরে খোজ নিয়ে জানতে পারি ওই মামলা এখনো পাশ এ হয় নি।
আমাদের এম্ব্রয়ডারী কারখানার জন্য লাইসেন্স করতে গিয়েছিলাম, অনেকগুলা কাগজপত্র চাইলো।তাদের চাহিদামাফিক সব কাগজপত্র দিয়েছি।তারপরও প্রতিবার নতুন নতুন কাগজ চাওয়া শুরু করলো। এরপর একজন পিয়ন এসে বলে ৩০০০ টাকা আমাকে দেন।আর ফরম পূরণ করেন,আর কিচ্ছু লাগবেনা।তারপর গিয়ে সরকারি ফি জমা দেন। ওনাকে টাকা দেওয়ার পরদিনই ট্রেড লাইসেন্স হাতে পেয়ছিলাম।
I was stopped by a traffic police who checked my motorcycle documents, after checking everything he was making me wait for no reason when another officer came and said give the other officer some money. I refused because I provided tax token, bike registration and drivers license. Then the officer told me to start my bike and he checked my exhaust which is stock and then checked my horn which was a normal round horn. He said it’s too loud and gave me a 15,000 taka fine. On the fine he wrote hydraulic horn which is a lie. I spoke to the some high ranking officers in traffic office sylhet and they told me they can’t do anything, so I had to pay the fine to get my license back
আমার সাথে পাসপোর্ট অফিসে যা ঘটলো, তা সত্যিই হতাশাজনক।আমি অনলাইনে পাসপোর্টের রিনিউয়ালের সব কাজ শেষ করে, ফাইল পুরোপুরি রেডি করে অফিসে গিয়েছিলাম। আমার ফাইল শতভাগ ঠিক থাকা সত্ত্বেও কাউন্টার থেকে বলা হলো ফাইলে নাকি ভুল আছে এবং জমা নেওয়া যাবে না। এরপর তারা আমাকে একটা কাগজে একটি সংখ্যা (কোড) লিখে দিয়ে বললো, "নদীর পাড়ের যেকোনো ফটোকপির দোকানে যান, তারা ঠিক করে দেবে।"আমি সরল বিশ্বাসে ওই দোকানে গেলাম। তারা আমার ফাইলটা নিয়ে একটা প্রিন্ট বের করে দিলো। আমি যখন জিজ্ঞেস করলাম ফটোকপির জন্য কত টাকা দিতে হবে, তখন দোকানদার যা বললো তা শুনে আমার চোখ কপালে উঠলো! সে বললো— "ফটোকপির কোনো টাকা লাগবে না, আপনি আমাকে ৫,০০০ টাকা দেন। আপনাকে আর লাইনে দাঁড়াতে হবে না, টাকাটা সরাসরি আনসার সদস্যের কাছে দিলেই বাকি সব কাজ হয়ে
আমি একজন প্রবাসী বাংলাদেশি।আমার স্ত্রী কে বিদেশে আনার জন্য কাবিননামা অনলাইন এ আবেদন করার পর জেলা রেজিস্ট্রি অফিসে যায় ওখানে বলে রেজিস্টার এর খরচ না দিলে অনলাইন হবে না, তারা ৪০০০ টাকা দাবি করে আমি বাধ্য হয়ে টাকা দেই।আর টাকা না দিলে কবে হবে বলতে পারে না।ভিসার মেয়াদ কম থাকায় আমি ঘুস দিতে বাধ্য হই।গতো জুলাই ২০২৬ এ ঐ দিন জেলা রেজিস্ট্রার এর লাস্ট কর্ম দিবস ছিলো।পরদিন উনি বদলি হয়ে যায়। ঐ দিন সকালে আমি টাকা দেওয়ার পর বিকালেই অনলাইন হয়ে যায়। ঘুষ মুক্ত দেশ চাই। সবার আগে বাংলাদেশ।
ভূমি খারিজ করার জন্য নিয়েছে