জন্মনিবন্দন
ফেনী জেলার ১০ নং ঘোপাল ইউনিয়ন এ জরুরি জন্মনিবন্দন করতে গেসি অফিস টাইম এ সচিব — আমাকে বলে সার্ভার ডাউন এখন হবে না পরে যাওয়ার টাইম এ এক আনসার বলে ১৫০০ টাকা দেন এখন করে দিচ্ছি
নাগরিকদের জমা দেওয়া ২০,৪৪৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ফেনী জেলার ১০ নং ঘোপাল ইউনিয়ন এ জরুরি জন্মনিবন্দন করতে গেসি অফিস টাইম এ সচিব — আমাকে বলে সার্ভার ডাউন এখন হবে না পরে যাওয়ার টাইম এ এক আনসার বলে ১৫০০ টাকা দেন এখন করে দিচ্ছি
পটিয়া পৌরসভা অফিসে দুটো প্রত্যয়ন পত্র বানাতে দিয়েছিলাম যেগুলো সরকারি ফি প্রায় 16 টাকা প্রতিটা প্রত্যয়ন পত্রের। কিন্তু অপারেটরকে ১০০ টাকা করে দিতে হয়।
সিরাজগঞ্জ হাটিকুমরুল গোলচত্তর এ Elevated Expressway তৈরি করতে Building Acquire করার সময় LA এর লোকজন ঘুষ নিয়ে compensation বাড়াচ্ছিল।আবার,ভুয়া মামলায় আটকে যাওয়ায় compensation টা পাইতে আরে ঘুষ দেওয়া লাগছিল।
Land registration for purchase
C-Section এ ঢুকানোর ৩০ মিনিট আগে একটা ছোট্ট কাগজ আসে এবং বলে দেয় হাসপাতাল এর বাইরে একটি নির্দিষ্ট দোকান থেকে মেডিসিন গুলো আনতে হবে । না আনলেও ৪০০০ দিলেই হবে । আমি মেডিসিন এনে দেই । কিন্তু ওরা যেই প্যেকেট দিয়েছিল আমি চেঞ্জ করে দেই । ২ ঘন্টা পর আমার মাথা ব্যাথার মেডিসিন এর জন্য গিয়ে দেখি আমার সেই প্যাকেট ।
সেবাটি ছিলো জাতীয়তা সনদ/নাগরিকত্ব সনদ/জন্মনিবন্ধন সংশোধনের ফাইল জমা দেওয়া।কিন্তু অনলাইনের প্রিন্টকৃত ফাইল জমা দিতে গিয়ে ১০০ টাকা করে প্রতিটি আবেদনের জন্য দাবী করে।আমি বাধ্য হয়ে পরিশোধ করেছি ৪০০ টাকা।কারণ আমার জাতীয়তা ও নাগরিকত্ব সনদ ৪ টার জন্য ৪০০ টাকা।
প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় হতে বর্হি বাংলাদেশ মেডিকেল (জরুরী )ছুটি পাশ করার জন্য ৫০০০০ হাজার টাকা চায় একজন কম্পিউটার অপারেটর। ছুটি প্রয়োজন বিধায় সেই টাকা পরিশোধ করে ছুটি পাশ করাতে হয়।
রোগি নিয়ে ওয়ার্ডে গেলেই ওখান কার ওয়ার্ড বয় বেড খালি থাকলে বেড দিবে, না হয় ফ্লোরে একটা ফোম এর ব্যাবস্থা করে দিবে, বিনিময়ে সে প্রকাশ্যে বলবে ১০০ তাকা দেন। আমার থেকে ১০০ টাকা চেয়েছিলো। কিছু ক্ষেত্রবিশেষে তারা ১০০-৩০০ টাকাও চায়
আয়কর রিটার্ন আনতে গিয়ে দিতে হয়েছে। আম্মুর সঞ্চয়পত্র কেনার জন্য আয়কর রিটার্ন লাগতো। প্রথমে ৬০০০ চাইছে। দেন একজন কে নিয়ে যাওয়ায় ৩৫০০। দুপুরে দিছি, বিকালের মধ্যে কাগজ রেডি।
নতুন কারখানার জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র প্রয়োজন
এইচএসসি সার্টিফিকেট সরকার ফ্রিতে দিলেও কলেজ থেকে সবার কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে নেওয়া হয় শুধুমাত্র সার্টিফিকেটের কাগজ দেওয়ার জন্য। যখন আমি দিতে অনাগ্রহ প্রকাশ করি এবং বলি এটা সরকারি, তখন আমার সার্টিফিকেট আটকে দেওয়া হয় এবং পরে টাকা দিয়ে ছাড়িয়ে আনতে হয়।
শেরপুর পল্লি বিদ্যুৎ সমিতিতে আমরা ৯ জন ডিমস সিকোরিটি সাভিস এর লোক চুক্তি ভিওিক আছি আমাদের আগষ্ট মাসে ৩ বছরের মেয়াদ শেষ হবে। এখন চুক্তি টি সেনা কল্যাণ এর কাছে চলে গেছে। অনেক জায়গায় সেনা কল্যান অভিজ্ঞ ও আগের লোকজন থাকলে ৫ হাজার টাকা জামানত নিয়ে আবার তাদেরকেয় অগ্রাধিকার দেয়। সে ক্ষেত্রে পল্লী বিদ্যুৎ অফিস থেকে আমাদের একটা অভিজ্ঞতা সনদ দিবে যেটা সেনা কল্যাণ তহবিলের দিলে অথবা অফিস থেকে আমাদের জন্য সুপারিশ করলে আমাদেরকেই রাখবে। কিন্তু অফিসের জি এস স্যার এই সুপারিশের জন্য আমাদের ৯ জনের কাছ থেকে ৫ লক্ষ্য ৪০ হাজার টাকা ঘুষ বাবদ চাইতেছে যদি আমরা না দেই তাহলে আমাদের জায়গায় আমাদের পরিবর্তে অন্য লোক তিনি দিয়ে দিবে টাকা নিয়ে। অথচ তিন বছর থেকে আমরা এখানে কর্ম করতেছি।
আমি শিয়ালঘনী, ইউনিয়ন পরিষদ অফিসে গেছি জন্ম নিবন্ধন করার জন্য। ইউনিয়ন পরিষদ সচিব আমার কাছে ৪৫০ টাকা ঘুষ দাবী করেন। যা আমি বাধ্য হয়ে পরিশোধ করি। কারণ আমার জন্ম নিবন্ধন করার দরকার ছিলো।
৫০তম বিসিএস পরীক্ষায় আবেদনের সময় NOC নিতে কাগজপত্র জমা দিতে গিয়েছিলাম প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের জেলা শিক্ষা অফিসে। নিয়ম হচ্ছে সবধরণের কাগজপত্র জমা দিয়ে ডকেট করে রাখতে হবে। পরীক্ষায় পাশের পর ভাইবার আগে ডকেট নাম্বার দেখিয়ে NOC নিতে হবে। আবেদনের সময় সেই সব কাগজপত্র জমা দিতে গিয়েছিলাম। কাগজে সাইন লাগবে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার। সেই সাইন নেওয়া জন্য নাকি ৫০০ টাকা লাগবে!!! মানে কাগজপত্র ডকেট করার জন্যই ৫০০ টাকা!! উপজেলায় দিয়েছি ২০০টাকা। আসলে দেওয়া ছাড়া কোনো উপায় ছিল না। তখন ভাবতেছি NOC এর জন্য আসতে হলে কত টাকা খুজবে!!
নতুন পাসপোর্ট বানানোর জন্য বেশি টাকা দাবি করেছিল
পাসপোর্ট আবেদর ফরমে আমার নাম এর আগে মোঃ দেই কারণ এটা আমার সার্টিফিকেটে ছিলো। কিন্তু জন্মনিবন্ধনে ছিলো না এই কারনে আমার পাসপোর্ট রিজেক্ট করে দেয়। বলেছিলো নতুন করে আবেদন করে নিয়ে আসেন। কিন্তু আমি ৬৩০০+ টাকা দিয়ে আর্জেন্ট ডেলিভারিতে পাসপোর্ট আবেদন করেছিলাম, আমি যদি আবার আবেদন করতাম আমার আরো ৬৩০০+ টাকা লাগতো। আমি অনেক রিকুয়েষ্ট করলেও তারা আমার আবেদন গ্রহণ করে নি পরে আমি এক আনসার এর সাথে কথা বলি, সে বলে করে দিতে পারবে। তারপর তাকে ১৫০০ টাকা দিই, আমাকে আবার অন্য একজন কর্মকর্তার কাছে নিয়ে যায় এবং সে আমার আবেদনটি গ্রহণ করে তখনও আমাকে বলে আমার নামের আগে মোহাম্মদ নেই, আমি বললাম ভুল করে আমি ফর্মে লিখেছি আপনি একটু এডিট করে দেন তারপর তারা আমার আবেদনটি গ্রহণ করে।
ফরিদগঞ্জ উপজেলার ৭ নং পাইকপাড়া ইউনিয়নের — কৃষি অফিসার আমার চাচার কাছ থেকে আজ কৃষক কার্ড করিয়ে দেয়ার জন্য ৫০০০ টাকা চায়চে৷ এভাবে আরো অনেকের কাচ থেকে নিচে আজকে ২৩ আগস্ট তারিখ
কুমিল্লা জিলার, দাউদকান্দি উপজেলাধীন, রায়পুর ভূমি অফিসের অফিসার ৩ টি নামজারি করতে সরকারি খরচ ৩৭৫০ টাকা কিন্তু ফাইল আটকে রাখার কারণে অতিরিক্ত ১৪২৮০ টাকা দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ ৩ টির জন্য ১৮,০০০ টাকা নিয়েছে। যতটুকু জানলাম এইটা উপজেলা ভূমি অফিস সহ জরিত এদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করলে সিন্ডিকেট সাধারণের ক্ষতি করে।
রায়পুরা উপজেলা পরিষদে এনআইডির জন্য গিয়েছিলাম। আমাকে দেখে হয়তো ভাবছে বড়লোক মানুষ। আমি পেছনের সিরিয়ালে ছিলাম। ওইখান থেকে একটা দালাল আমাকে সিরিয়াল ভেঙ্গে সবার আগে ঢুকাইছে। পেছনের সবাই চিল্লাচিল্লি করছিল। আমার নিজের কাছেও অস্বস্তি লাগছিল। পরে দেড় হাজার চাইছে। আমি এক হাজার দিছি। তারপর আমাকে দুই নাম্বার সিরিয়ালে নিয়ে ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেয়া সহ সবকিছু করে দিছে। ওই দালালের সাথে অফিসের লোকও জড়িত
Gazipur mouchak skout sakha jonota bank ami amr babar sathey goto 1 week agey account korte jai first e akta line e darai then chobi ro baki kagojpati newar pore amader ke akta 5-6 page er from Puron korte deya hoy savabik vabei amra jehetu protidin esob kori na tai eto jana nei tarporeo jetotuku somvob amra Puron kore joma dile sekhaney khubi rude bebohar kora hoy akjon boyosko lok chilo and tar pashei bose akjon choto height er akjon Clark amader ke bar bar fereye deya hoy help chaile bole eta amader kaj na help kora Bangladesh e government Bank e account korte geye sokal 10 ta theke dupur 3 ta beje jay then amader then amader kachey 500 tk nay 2 ta from puron er jonno eta na dile