বাসের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করা।
বাসের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করতে চাইলে জাস্ট কিছু টাকা ধরিয়ে দিয়।এটাই নাকি কাগজ! আর কিছুই লাগে না। এভাবেই নাকি হয়ে যায়। তারাও কোনো শব্দ করে না।
19,001 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
বাসের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করতে চাইলে জাস্ট কিছু টাকা ধরিয়ে দিয়।এটাই নাকি কাগজ! আর কিছুই লাগে না। এভাবেই নাকি হয়ে যায়। তারাও কোনো শব্দ করে না।
আমি দালাল এর মাধ্যমে জমি খারিজ করার জন্য দিয়েছিলাম কিন্তু জমির সরকারি খারিজ মূল্য ১১০০ টাকা হলেও এগারো হাজার টাকা দিয়ে খারিজ করতে হয়েছে । আমি যেনে বুঝেই দালাল আর অনলাইন করতে টাকা দিতে রাজি আছি কিন্তু সরকারি কর্মকর্তারা কেন টাকা খাবে তারা তো সরকারি বেতন গ্রহণ করে । দালাল + কম্পিউটার করতে = 2500 সরকারি ফী = 1100 সরকারি কর্মকর্তা ঘুষ = 7400
২০১৪ সালে প্রথম বারের মত ড্রাইভিং লাইসেন্স ইস্যু করি। পুরো প্রসেস শেষ হবার পরে অদ্ভুত এক ঘুষের টাকা দিতে বাধ্য হই, যেইদিন বায়োমেট্রিকের জন্য ফিংগারপ্রিন্ট আর ছবি তুলতে যাই। ছবি তোলা শেষ হলে, আমাকে এক কাউন্টারে পাঠানো হয়, হাতে লেখা একটা স্লিপ দিয়ে। সেখানে যাওয়ার পরে কাউন্টারের ভদ্রলোক হাত থেকে স্লিপ নিয়ে বলে, "২০০ টাকা দেন।" আমি কিছু জিজ্ঞেস না করেই দিয়ে দেই। সে এরপরে আমার হাতে ধরায় দেয়, দুইটা ২০ টাকা দামের লটারীর টিকেট (সেটারও অলরেডি ড্র শেষ হয়ে গিয়েছে এমন এক্সপায়ার্ড টিকেট)। আমি জিজ্ঞেস করলাম, "এইটা কী দিলেন? লটারীর টিকেট আমি কেনো নিবো? তারউপর এটার ড্র হয়ে গেছে মাস দুয়েক আগে"। আমাকে উনি বললো, "ভাই, ঝামেলা করেন না, আমরা ছোট চাকরী করি।" সেই অফিসে প্রতিদিন কম করে হলেও ৫০০০ মানুষ যায়।
২০২০ সালের শুরুর দিকে করোনাকালীন সময়ে আমার বাবা হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ায় আমাদের পাঁচ বোন ও মায়ের নামে জমি হেবা দলিলের মাধ্যমে আমাদেরকে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নেয়।উক্ত হেবা দলিল রেজিষ্ট্রেশন করতে হাটহাজারী সাব-রেজিস্ট্র অফিসে ৭০০০০/- প্রদান করতে হয়েছে।
জমির নামজারী করার জন্য ৫০০০ টাকা দাবি করে। নয়তো দলিলে বিভিন্ন বানানের ভুল বলে আবেদন বাতিল করে দেয়। তো আমাকে ৫০০০ টাকা দিয়ে নামজারী করাতে হয়েছে।
আমি পাসপোর্ট নবায়ন জন্য জেদ্দা পাসপোর্ট অফিসে যায়। তারা আমাকে বলে গত পাঁচ বছর আগে ভূলে দুইটি পাসপোর্ট ইস্যু হয়েছে যা আপনি একটি ব্যবহার করতেছেন অন্যটি আমাদের অফিসে পড়ে আছে অনেক বছর। আমার কি করতে হবে।তখন তারা বলে একটা cancel করতে হবে তাহলে নতুন পাসপোর্ট ইস্যু হবে। তখন আমি আবেদন করি cancel করার জন্য। অনেক দিন হয় কিন্তু হয়নি। অফিসে গেলে বলে ৪০০০ সৌদি রিয়াল লাগবে। আমার একামা নবায়ন হচ্ছে না পাসপোর্ট জন্য। তখন আমি বাধ্য হয়ে ৩০০০ রিয়াল দিয়ে cancel করি পরে আমি নতুন পাসপোর্ট পায়।
প্রতি বছর আমাদের ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে হয়, তারই ধারাবাহিকতায় এ বছরও ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে হয়েছে। গত বছর ঘুষ নিত ২০,০০০/- বিশ হাজার টাকা করে নবায়ন করার সময় এই বছর ঘুষের পরিমাণ বাড়িয়ে ২৫,০০০/- করেছে। আমাকে বাধ্য করা হয়েছে পঁচিশ হাজার টাকা দেওয়ার জন্য যদি ময়মনসিংহ কলকারখানার DIG কে টাকা না দেই তাহলে লাইসেন্স নবায়ন হবে না। ময়মনসিংহের সকল কারখানা থেকে এই ডিআইজি সবার উপর জুলুম করে প্রতি বছর এভাবে ঘুষ নেই। ঘুষ না দিলে দিলে কারখানার নামে উল্টাপাল্টা রিপোর্ট দিয়ে কারখানা বন্ধ করে দিবে এ রকম হুমকি দিয়ে ঘুষ আদায় করে। শুধু তাই নয় প্রতি ঈদে কারখানায় এসে বোনাস সরুপ বিশ হাজার করে পার লাইসেন্স এ ঘুষ নিবে উনি যেভাবে অত্যাচার শুরু করেছে মনে হচ্ছে অচিরেই উনার জন্য ফ্যাক্টরী বন্ধ করে দিতে হবে🥲
আউটডোর ডাঃ দেখানোর টিকেট দাম দশ টাকা কিন্তু কোন কথা ছাড়া নিচ্ছে বিশ টাকা, দৈনিক ৫/৬ হাজার রোগী আসলে ৫০/৬০ হাজার টাকা,আর রোগীকে ট্রলি করে যে কোন ওয়ার্ডে নিলে ১০০ টাকার উপরে দিতে হয়,যদি তদন্ত করা হয় সরকারি হাসপাতালে তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারীর দ্বারা হয়রানির শিকার হয় তা বেরিয়ে আসবে।
ফ্যামিলি সার্টিফিকেট আনার জন্য গিয়েছিলাম,খরচ এর জন্য ২৫০ টাকা দাবি করে,অথচ এটা আমার জন্য কোনো ফি লাগে না ।
তারা বলে ২৯ বছরের খাজনা বাকি পিয়ন, অফিস সহকারি আমাদেরকে এই পরিমাণ টাকা দিলে খাজনা অর্ধেক হয়ে যাবে ৫ নাম্বার কুতুবপুর ইউনিয়ন ভুমি অফিস
আমার ঘটনা পূর্বের। আমি আমার নিজ গ্রামের বাড়িতে বগুড়া জেলার গাবতলী থানার বাগবাড়ীতে। ২০২৫ সালের যখন আমার বোনের সাথে জমি বন্টননামা দলিল হয় তখন নামজারি তদন্ত ও খাজনা খারিজ এর অর্থ বাবদ সরাসরি আমার নিকট থেকে ২০০০০ টাকা পেচে ফেলে নিয়েছিল নশিপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের প্রধান।সাথে আমার পারা পরশি ভাই সরাসরি উপস্থিত ছিল। টাকা না পাওয়া পর্যন্ত কাজ করে না।আবেদন এর ১ বছর পরে টাকা পাওয়ার পরই করেছিল। এখন আমি নামজারি করবো নিজের নামে আমার অংশ আমি খারিজ করবো এইজন্যই আমি আমার আইডিতে গত ২৮/০১/২৬ ইং তারিখে খাজনা দেবার উদ্দেশ্যে খতিয়ান আপলোড করি। কিন্তু আজ ০২/০৮/২৬ ইং এখন পর্যন্ত অঅনুমোদিত দেখাচ্ছে অনলাইনে।শুধু পার্শোনালি দেখা করতে বলে মোবাইলে বলে না সরাসরি দেখা হলেই বলে। আমি খাজনা দিতে পারবো না। ঘুষ ছাড়া।
আমার প্রতিষ্ঠানের ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন করতে অনলাইনের নামে সরকারী ফি ও ভ্যাট বাবদ পরিশোধ করতে হয় ১৩৩২৮ টাকা।আর ঘুষ দিতে হয় ৯১৭২ টাকা।মোট-২০৫০০ টাকা খরচ হয়।
পাসপোর্ট জমা দিতে গেছি। যাওয়ার পরে অফিসের রিসিপশন ডেক্সে আমাকে বলা হয় আপনার কাগজপত্র ঠিক নেই, যদিও পাসপোর্টে লিপিবদ্ধ করা যে সকল ডকুমেন্ট নেওয়ার কথা সবগুলো ডকুমেন্টে আমি নিয়ে গেছি। পরে যখন বাহির হয়ে আসতেছি, প্রতিমধ্যে আনসার সদস্যের সাথে দেখা হল উনি আমাকে বললেন যে বারোশো টাকা দেন আমি এখনই জমা দিয়ে দিচ্ছি, আমি প্রথম দিকে রাজি হয়নি, ফিরে চলে আসছিলাম, আমার পাসপোর্টে দ্রুত প্রয়োজন ছিল এবং খুবই জরুরি ছিল যার কারণে আমি ১১০০ টাকায় মিট করে পাসপোর্ট এর কাগজ জমা দি
আমি একজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী। গ্রামে আমার নামে মিথ্যা মামলা হয়। সেই মিথ্যা মামলা থেকে অব্যাহতির জন্য বালিয়াডাঙ্গী থানায় যোগাযোগ করি। এখানে দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসার ২০ হাজার টাকা চাই। আমার পরিবারকে বিভিন্নভাবে বুঝিয়েছে যদি আমার নাম মামলা থেকে না কেটে নেয়া হয় তাহলে পরবর্তীতে চাকরির ক্ষেত্রে আমার বিভিন্ন জটিলতা দেখা দিবে। শেষ পর্যন্ত আমার পরিবার থেকে ১৮ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে।
নতুন বাইক রেজিস্ট্রেশন করতে আমাকে টাকাটা দিতে হয়েছে বাড়তি যেখানে ১১ হাজার টাকা রেজিস্ট্রেশনের খরচ বাট আমাকে দিতে হইছে ১৫ হাজার টাকা
আমার মটরসাইকেল এর কাগজ লাইসেন্স সবকিছু ঠিক ছিল শুধুমাত্র অপরাধী ছিল আমরা মোটরসাইকেলে আমি আর আমার বউ আর আমার ছোট্ট দুই বছরের ছেলে ছিল ছেলে অসুস্থ থাকায় একটু তাড়াহুড়া করে হাসপাতালে যেতে চেয়েছিলাম ট্রাফিক পুলিশ মোটরসাইকেল থামিয়ে আমার কাগজ পাতি চেক করেছিল তারপর বলে ওভার স্পিডে ছিল আমি বললাম স্যার আমার ছেলে অসুস্থ হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে তাই তাড়াহুড়া করছিলাম কিন্তু সে কোন কথা শোনেনি উল্টা মোটরসাইকেলের চাবি কেড়ে নিয়েছিল এবং টাকা দাবি করেছিল পনেরশো টাকা না দিলে সে নাকি মামলা করে দিবে অনেক বোঝানোর পরেও সে বোঝেনা তাই বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয় আমার
জমির দাগ নাম্বার ভুল সংশোধন করার জন্য ৫০,০০০ ঘুষ দাবি করে। পরে অনেক কষ্ট করে, অনুনয়-বিনয় করে ১৫,০০০ টাকা দিয়ে কাজ করাই।
আমার কাছে ই টাকা চাওয়া হয়েছে
ভুমি কর দিতে গিয়ে ২০২৪ সালে বলা হয় ত্রিশ হাজার টাকা বকেয়া।বিশ হাজার দিলে হবে।পরে তিন হাজার টাকার অনলাইন রশিদ পাই।
পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিকেশন এর জন্য কল দিয়ে ডিএসবি অফিসে নিয়ে জায়। তারপর বলে এই ভুল সেই ভুল।।এগুলা ঠিক করতে টাকা লাগবে নাহলে হবে না। জিগ্যেস করলাম কত বললো ৩ হাজার। আমি বললাম স্যার আমার কাছে টাকা নাই। তখন উনি বললো যে আচ্ছা ঠিকাছে আমি ফাইল জমা দিয়ে দিতেছি পরে পাসপোর্ট কিন্তু হবে না। আমি তখন বললাম স্যার আমার কাছে সত্যিই টাকা নাই। বললো কত আছে আমি বললাম ৫০০ টাকা আছে। বললো এতে হবে না। আমি কি আর করবো আরও ২০০ এড করে মোট ৭০০ টাকা দিলাম আর বললাম আমার কাছে বাসায় জাওয়ার জন্য আর মাএ ৫০ টাকা আছে। এইটা নেন নিয়ে কাজটা করে দেন প্লিজ।। তারপর সব ঠিক ঠাক।।। এরা ঘুষ নেয়ার সময় ছোট বড় এমাউন্ট দেখে না ঘুষ নেয়াই যেনো এদের লক্ষ।